রাশিকুল আনাম রাশু
খুলনায় প্রকাশ্যে যুবদলের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১৬ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নগরীর দৌলতপুর থানাধীন আড়ংঘাটা রোডের কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রাশিকুল আনাম রাশু (৩৮)। তিনি দৌলতপুর থানাধীন দেয়ানা এলাকার বাসিন্দা শরীফুল আনামের ছেলে। দৌলতপুর থানা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন এবং বর্তমানে দৌলতপুর থানা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, রাজনীতির পাশাপাশি রাশু কেডিএ কল্পতরু মার্কেটের পাশে ইট-বালুর ব্যবসা করতেন। সোমবার সকালে তিনি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে অবস্থান করছিলেন। এ সময় কয়েকজন অজ্ঞাত দুর্বৃত্ত তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলির একটি তার মাথায় বিদ্ধ হলে তিনি ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন।
গুলির শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. আশরাফ রাশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দৌলতপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ উদঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের কাজ চলমান রয়েছে।
এদিকে ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। প্রকাশ্যে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জামায়াতের গণমিছিল
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং জুলাইয়ের খুনিদের শাস্তির দাবিতে ঠাকুরগাঁওয়ে গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঠাকুরগাঁও জেলা শাখা।
আজ শনিবার বিকালে ঠাকুরগাঁও শহরের পুরাতন বাসস্ট্যান্ড জুলাই চত্বর হতে গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ সমাবেশ করেন দলের নেতাকর্মীরা।
জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক বেলাল উদ্দিন প্রধান এর সভাপতিত্বে সমাবেশ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের টিম সদস্য এবং সাবেক ঠাকুরগাঁও জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল হাকিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জেলা সেক্রেটারী মোহাম্মদ আরমগীর, সহকারি জেলা সেক্রেটারী অধ্যক্ষ কফিল উদ্দিন আহাম্মদ।
এ সময় অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, শহর আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা শামসুজ্জামান শাহ শামীম, সদর আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, সদর সেক্রেটারী এস.এম আদিউল ইসলাম প্রমুখ।
বক্তাগণ অবিলম্বে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ বাস্তবান এবং জুলাই গণহত্যার সাথে জড়িতদের বিচার দ্রুত সম্পন্ন করতে সরকারের প্রতি আহব্বান জানান। অন্যথায় দাবি আদায়ে জামায়াত ঘরে থাকবে না বলেও সরকারের প্রতি হুশিয়ারি দেন তারা।
কেক কেটে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর ৭ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করলেন অত্র সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
আজ শনিবার (১লা আগষ্ট) বিকেলে টাঙ্গাইল সদরস্থ পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম এর ৭ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ৮ম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কেক কেটে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্বেচ্ছাসেবী ফোরাম।
এছাড়াও বৃক্ষরোপণ, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের মাধ্যমে মাসব্যাপী কর্মসূচির শুভ উদ্ভোদন করেন তিনি প্রতিমন্ত্রী। এসময় উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ শরীফুল আলম, সংগঠনের উপদেষ্টা সালেহ মোহাম্মদ শাফি ইথেন, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, তানভীর হাসান খান রুবেল, অত্র সংগঠনের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুন, সাধারণ সম্পাদক মোহিদুল ইসলাম মোহিত, সাংগঠনিক সম্পাদক, ফরিদ মিয়া, কোষাধ্যক্ষ শারমিন শিমু, সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, অনিক সরকার অভি, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক, আসাদ হোসেন, কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য বাবুল হোসেন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম, আসিফ, জাহিদ বিন সুলতান, তারিকুল ইসলাম শাওন ও মোঃ সিয়াম।
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ বিতরণ
পঞ্চগড়ের সীমান্তবর্তী জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা (মেডিকেল ক্যাম্পেইন) ও ঔষধ বিতরণ করেছে পঞ্চগড় ১৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন।
আজ শনিবার (০১আগষ্ট) সকাল থেকে দিনব্যাপী আটোয়ারী উপজেলার ধামোরহাট আদর্শ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১৮ বিজিবির ব্যবস্থাপনায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের মাধ্যমে এই চিকিৎসা সেবা দেয়া হয়।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিজিবির ঠাকুরগাঁও সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সুরুজ মিয়া। এসময় পঞ্চগড় ১৮ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্নেল আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ কায়েস সহ বিজিবির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবি জানায়, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সীমান্তবর্তী জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন মানবিক ও জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
সীমান্তবর্তী মানুষের জীবনমান উন্নয়ন এবং তাদের পাশে দাঁড়ানোর লক্ষ্যে বিজিবি নিয়মিতভাবে ত্রাণ বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, দুর্যোগকালীন উদ্ধার ও খাদ্য সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ, শিক্ষা উপকরণ প্রদানসহ নানা সামাজিক ও মানবিক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছে।
মেডিক্যাল ক্যাম্পেইনে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত প্রায় ৪৫০-৫০০ জন দুঃস্থ, হতদরিদ্র ও অসহায় নারী, পুরুষ এবং শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ বিতরণ করা হয়।
স্বাস্থ্য
মন্ত্রণালয় রংপুরে ১০০ শয্যা বিশিষ্ট আধুনিক শিশু হাসপাতাল চালুর প্রস্তুতি নিয়েছে।
এ
লক্ষ্যে শনিবার (১ আগস্ট) সকালে
হাসপাতালের আউটডোর, ইনডোর ভবন, হাসপাতালের প্রবেশ দ্বার, অক্সিজেন প্লান্ট পরিদর্শন করেছেন মন্ত্রণালয়ের বাজেট শাখার অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ।
তিনি
রংপুরের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের কাছে হাসপাতাল চালুর লক্ষ্যে নানা সংকটের কথা শোনেন। এ সময় উপস্থিত
ছিলেন, রংপুর বিভাগীয় স্বাস্থ্য উপ-পরিচালক ডাঃ
ওয়াজেদ আলী, সিভিল সার্জন শাহীন সুলতানাসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা।
পরিদর্শন
শেষে আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে রংপুরসহ সারাদেশে নির্মিত শিশু হাসপাতাল উদ্বোধনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ও আসবাবপত্র ক্রয়,
জনবল নিয়োগের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আরিফ আহমদ।
তিনি
বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী অচিরেই রংপুরসহ সারাদেশে নির্মিত শিশু হাসপাতাল উদ্বোধন করবেন। এ লক্ষ্যে যন্ত্রপাতি
কেনার জন্য ২০৭ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছে। সেটির টেন্ডার প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ মাসের মধ্যে
সকল হাসপাতালে যন্ত্রপাতি চলে আসবে। পদ সৃজনের বিষয়টি
অর্থ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। এটির কাজও প্রায় শেষ হয়েছে। হাসপাতালে আসবাবপত্রের জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। এখন স্যাম্পল যাচাই বাছাই চলছে। আশা করছি এ মাসের মধ্যে
অগ্রগতি দেখতে পারবো। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দু-এক মাসের
মধ্যে শিশু হাসপাতালের উদ্বোধন করবেন। এর আগেই হাসপাতালের
সকল কাজ শেষ হবে।
অতিরিক্ত
সচিব আরিফ আহমদ রংপুর মা ও শিশু
হাসপাতাল এবং রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেন।
নোয়াখালীতে ইসলামী মহাসমাবেশে লক্ষাধিক ধর্মপ্রাণ মুসলমানের সমাগমে ‘হিজবুত তাওহীদ’-কে কালো তালিকাভুক্ত ঈমান বিধ্বংসী জঙ্গি সংগঠন উল্লেখ করে সংগঠনটি নিষিদ্ধের দাবি জানানো হয়েছে।
শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে নোয়াখালী জেলা স্কুল মাঠে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের তত্ত্বাবধানে জমইয়্যাতুল মাদারিসিল কওমিয়া নোয়াখালী-লক্ষ্মীপুর ও ইসলামবিরোধী কার্যকলাপ প্রতিরোধ কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ মহাসমাবেশে বক্তারা এ দাবি জানান।
ইসলামী মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি অভিযোগ করে বলেন- ঈমান বিধ্বংসী জঙ্গি সংগঠন হিজবুত তওহীদ সেবার আড়ালে সুকৌশলে হাজার হাজার মুসলমানদেরকে ঈমানহারা করছে। যার কারণে এদেশের হক্কানি ওলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনতার চেতনা ক্ষত-বিক্ষত হচ্ছে। দেশের দীর্ঘদিনের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হচ্ছে। স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হচ্ছে। সর্বস্তরের তাওহিদী জনতা বিক্ষুব্ধ হচ্ছে ও তাদের ভিনদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কারণে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়ছে। তাই সরকারের নিকট ‘হেযবুত তওহীদ’ সরকারিভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানান তিনি ।
সমাবেশের দুই অধিবেশনে জমাইয়াতুল মাদারিসিল কওমিয়া নোয়াখালী-লক্ষীপুরের সভাপতি মাওলানা সিদ্দিকুর রহমান ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ নোয়াখালী জেলার আমির মাওলানা নিজাম উদ্দিনের সভাপতিত্বে মুফতি মুঈনুদ্দিন তৈয়বপুরী ও মাওলানা মহিউদ্দিনের যৌথ সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম হাটহাজারীর মহাপরিচালক আল্লামা খলিল আহমদ কুরাইশী, খতমে নবুওত সংরক্ষণ কমিটির আমির আল্লামা আব্দুল হামিদ মধুপুরী, ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বসুন্ধরার মহাপরিচালক মুফতি আরশাদ রহমানী, জামেয়া ওবায়দিয়া নানুপুরের মুহতামিম আল্লামা সালাউদ্দিন নানুপুরী, ইসলামী মহাসমাবেশ বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক আল্লামা মুফতি মুস্তাকুন্নবী কাসেমী, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় মহাসচিব শায়খ সাজিদুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মো. ফয়জুল করিম, মাওলানা আজিজুল্লাহ নবাব, মাওলানা সিদ্দিক আহমদ নোমান, মাওলানা নুরুল ইসলাম প্রমূখ।
সমাবেশে নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, নোয়াখালী জেলা পরিষদের প্রশাসক হারুনুর রশিদ আজাদ, নোয়াখালীর ব্যবসায়ী নেতা মো. ইকরাম উল্লাহ ডিপটি’সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ সংহতি প্রকাশ করেন।
সমাবেশে বক্তাগণ সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে বলেন, অনতিবিলম্বে হিজবুত তাওহীদকে নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের প্রণীত বইপত্র, প্রচারিত পত্রপত্রিকা প্রকাশ ও ওয়েবসাইটগুলো বন্ধ করতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে পরিচালিত তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলো জব্দ করতে হবে। সারাদেশে ‘হেযবুত তওহীদ’ কর্তৃক বিভিন্ন নিরীহ মুসলমানের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলাগুলো প্রত্যাহার করতে হবে।
মহাসমাবেশে ঘোষিত দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশব্যাপী ওলামায়ে কেরাম ও তাওহিদী জনতার সমন্বয়ে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন, দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলার জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট স্মারকলিপি পেশ ও আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হেজবুত তওহীদের স্বরূপ উন্মোচনে পর্যায়ক্রমে সেমিনার, মাহফিল ও মতবিনিময় অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র ট্রিপল টেস্টেড ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড সিমেন্ট আশা সিমেন্ট বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে।
শনিবার (১ আগস্ট) বিকেলে এ উপলক্ষে নোয়াখালী মাইজদীর নোয়া কনভেনশন সেন্টারে “আশা সিমেন্ট: স্বপ্নযাত্রায় নব দিগন্ত” শীর্ষক প্রোডাক্ট লঞ্চিং অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আশা সিমেন্টের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার মো. সজিবুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিন, আশা সিমেন্টের ব্র্যান্ড ম্যানেজার মেহেরাজুল ইসলাম, অ্যাকাউন্ট ম্যানেজার মাইন উদ্দিন হাসান জুয়েল এবং নোয়াখালী অঞ্চলের রিজিওনাল হেড মো. মুহাইমিনুন হক।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয়ের কর্মকর্তা, ডিলার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বক্তারা বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, আন্তর্জাতিক মানের উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং কঠোর মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আশা সিমেন্ট দেশের নির্মাণ খাতে আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। বৃহত্তর নোয়াখালী অঞ্চলে কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে এ অঞ্চলের গ্রাহকদের কাছে উন্নতমানের সিমেন্ট ও নির্ভরযোগ্য সেবা পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানে প্রোডাক্ট প্রেজেন্টেশন, ব্যবসায়িক মতবিনিময়, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, র্যাফেল ড্র এবং অতিথিদের জন্য বিশেষ উপহারের ব্যবস্থা ছিল। পুরো অনুষ্ঠান উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, “আশায় গড়ি আগামী” এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে ভবিষ্যতেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আন্তর্জাতিক মানের নির্মাণসামগ্রী ও সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করতে কাজ করে যাবে আশা সিমেন্ট।