ছবি : সংগৃহীত
হেনরি নিকোলস ও ডিন ফক্সক্রফটের জোড়া হাফ সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছে নিউজিল্যান্ড। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান সংগ্রহ করেছে সফরকারীরা। জয় দিয়ে সিরিজ শুরু করতে স্বাগতিকদের করতে হবে ২৪৮ রান। টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামা বাংলাদেশ শুরু থেকেই কিউই ব্যাটারদের চাপে রাখে। মাত্র ৭ রান করা ওপেনার নিক কেলিকে ফিরিয়ে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দেন বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম।
এরপর উইল ইয়াংকে সঙ্গে নিয়ে ৭৩ রানের জুটি গড়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন হেনরি নিকোলস। ইয়াংকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন রিশাদ হোসেন। দলীয় ১২৭ রানে কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথামকে বোল্ড করে ফেরান বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ।
নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকা নিউজিল্যান্ড ১৬৫ রানের মধ্যে নিকোলস (৬৮) ও মুহাম্মদ আব্বাসকে (১৪) হারায়। হাফ সেঞ্চুরিয়ান নিকোলসের মূল্যবান উইকেটটি নেন রিশাদ।
সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝেই একপ্রান্ত আগলে রেখে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন ডিন ফক্সক্রফট। জশ ক্লার্কসন (৮) ও নাথান স্মিথকে (২১*) সঙ্গে নিয়ে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার।
ফক্সক্রফট শেষ পর্যন্ত নাহিদ রানার ইয়র্কারে বোল্ড হয়ে ফেরেন। আউট হওয়ার আগে ৫৮ বলে ৫৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ দিকে মূলত স্মিথের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়েই আড়াইশ রানের কাছাকাছি পৌঁছায় নিউজিল্যান্ড।
বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও রিশাদ হোসেন দুটি করে উইকেট শিকার করেন। একটি করে উইকেট পান মিরাজ ও নাহিদ রানা।
ফক্সক্রফটকে ফেরালেন নাহিদ
নাহিদের ইয়র্কারে বোল্ড হলেন ফক্সক্রফট। বল তার ব্যাটে লেগে স্টাম্প ভেঙে দেয়। ৮ চারে ৫৮ বলে ৫৯ রানে ফিরলেন ফক্সক্রফট। ক্রিজে নতুন ব্যাটসম্যান ব্লেয়ার টিকনার।
তাসকিনের শিকার ক্লার্কসন, ফক্সক্রফটের লড়াকু ফিফটি
শেষের দিকে রান তোলার চেষ্টা করছে নিউজিল্যান্ড। এর মধ্যেই ক্লার্কসনকে বোল্ড করে কিউইদের ষষ্ঠ উইকেটের পতন ঘটিয়েছেন তাসকিন। অন্যদিকে একপ্রান্ত আগলে রেখে ফিফটি তুলে নিয়েছেন ডিন ফক্সক্রফট। ১৬ বলে ৮ রান করে ফেরেন এই কিউই ব্যাটার। তার বিদায়ে ফক্সক্রফটের সঙ্গে গড়া ২৭ রানের জুটিও ভেঙে যায়। ৪২ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৬ উইকেটে ১৯৩ রান। ক্লার্কসনের বিদায়ের পর সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে আসেন নাথান স্মিথ।
আব্বাসকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙলেন শরিফুল
নিউজিল্যান্ডের পঞ্চম উইকেটের জুটি ভাঙলেন শরিফুল ইসলাম। তার বলে উইকেটের পেছনে উইকেটরক্ষক লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন আব্বাস। আউট হওয়ার আগে ৩০ বল খেলে ১৪ রান করেন এই কিউই ব্যাটার। আব্বাসের বিদায়ের পর ছয় নম্বরে নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসেছেন ক্লার্কসন। অন্যদিকে একপ্রান্ত আগলে রেখে ২০ রানে অপরাজিত আছেন ফক্সক্রফট।
এবার নিকোলসের প্রতিরোধ ভাঙলেন রিশাদ
দলীয় ১৩১ রানে ফিরে যান হেনরি নিকোলস। রিশাদের বলে রিভার্স সুইপ খেলতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ তুলে দেন এই ওপেনার। ক্যাচ লুফে নিতে ভুল করেননি লিটন দাস। ৮৩ বলে ৯টি চারে ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। ছয়ে নেমেছেন ডিন ফক্সক্রফট। আব্বাস অন্য প্রান্তে ৩ রানে অপরাজিত।
ল্যাথামকে ফেরালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক
এবার নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথামকে ফেরালেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ। কিউই ক্যাপ্টেনকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে পাঠিয়েছেন তিনি। ১৫ বলে ১৪ রান করে হতাশ হয়ে মাঠ ছাড়েন কিউই অধিনায়ককে। এতে ১২৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল সফরকারী নিউজিল্যান্ড। ভেঙে যায় হেনরি নিকোলস ও ল্যাথামের গড়া ৩৩ রানের তৃতীয় উইকেট জুটিও। ল্যাথামের বিদায়ের পর পাঁচ নম্বরে নতুন ব্যাটার হিসেবে ক্রিজে এসেছেন মুহাম্মদ আব্বাস (২*)। অন্যদিকে একপ্রান্ত আগলে রেখে ৬৭ রানে অপরাজিত আছেন হেনরি নিকোলস।
ইয়াংকে ফিরিয়ে কিউইদের প্রতিরোধ ভাঙলেন রিশাদ
শুরুর ধাক্কা সামলে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছিল নিউজিল্যান্ড। হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়াংয়ের ব্যাটে গড়ে উঠেছিল দারুণ এক জুটি। ক্যাচ মিস ও রিভিউ নাটকের পর রিশাদ হোসেনের ঘূর্ণিতে ভেঙেছে কিউইদের সেই প্রতিরোধ।
২২তম ওভারে রিশাদের প্রথম বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ তুলে দেন ইয়াং। সেটি লুফে নেন তানজিদ হাসান। এতে ভাঙে কিউইদের ৭৩ রানের প্রতিরোধ। ৪২ বলে ৩০ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইয়াং। তার বিদায়ের পর চার নম্বরে ব্যাটিংয়ে নেমেছেন কিউই অধিনায়ক টম ল্যাথাম। ১৯ ওভারে নিউ জিল্যান্ডের রান ১ উইকেটে ৭৯।
কিউইদের উদ্বোধনী জুটি ভাঙলেন শরিফুল
নিউজিল্যান্ডের শুরুর জুটি ভাঙলেন শরিফুল ইসলাম। কিউই ওপেনার নিক কেলিকে বোল্ড করে সাজঘরের পথ দেখিয়েছেন এই গতিতারকা। সপ্তম ওভারের দ্বিতীয় বলে স্ট্রাইক পেয়ে শরিফুলকে একটি বাউন্ডারি হাঁকান নিক কেলি। তবে পরের বলেই লেগ সাইডে খেলতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনেন তিনি। ব্যাটের কানায় লেগে বল সোজা আঘাত হানে লেগ স্টাম্পে। এতে ভাঙে নিউজিল্যান্ডের ২১ রানের উদ্বোধনী জুটি। আউট হওয়ার আগে ২৩ বলে এক চারে ৭ রান করেন কেলি। ৭ ওভার শেষে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১ উইকেটে ২৪ রান। ক্রিজে হেনরি নিকোলসের নতুন সঙ্গী হিসেবে যোগ দিয়েছেন উইল ইয়ং।
এর আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হারে বাংলাদেশ। টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক টম ল্যাথাম। মিরপুরে দিবারাত্রির এই ম্যাচটি শুরু হয়েছে সকাল ১১টায়। বাংলাদেশে এমন সময়ে ওয়ানডে ম্যাচ শুরু হওয়ার ঘটনা বেশ বিরল। মূলত বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়েই ম্যাচের সময় এগিয়ে এনেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।
সরাসরি ২০২৭ বিশ্বকাপে জায়গা করে নিতে এই সিরিজটি বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আইপিএল ও পিএসএলের ব্যস্ততার কারণে নিউজিল্যান্ড এই সিরিজে তাদের নিয়মিত তারকাদের কাউকেই পাচ্ছে না। ফলে একেবারেই নতুন চেহারার অনভিজ্ঞ এক দল নিয়ে খেলতে এসেছে তারা। অন্যদিকে, ঘরের মাঠে পূর্ণ শক্তির দল নিয়েই মাঠে নামছে বাংলাদেশ।
ঘরের মাঠে কিউইদের বিপক্ষে পরিসংখ্যানও স্বাগতিকদের আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছে। ২০০৪ সালের পর বাংলাদেশ সফরে এসে কোনো সিরিজের প্রথম ম্যাচ জিততে পারেনি নিউজিল্যান্ড। ২০০৮, ২০১০ ও ২০১৩ সালের সফরে সিরিজের উদ্বোধনী ম্যাচে হেরেছিল তারা। আর সবশেষ ২০২৩ সালে সিরিজের প্রথম ম্যাচটি বৃষ্টিতে ভেসে গিয়েছিল।
পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলা তৃতীয় ওয়ানডের একাদশ থেকে একটি পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। মুস্তাফিজুর রহমানের জায়গায় শেষ মুহূর্তে দলে এসেছেন আরেক বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ একাদশ:
মেহেদী হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম, নাহিদ রানা।
নিউজিল্যান্ড একাদশ:
উইল ইয়াং, টম ল্যাথাম (অধিনায়ক ও উইকেটকিপার), হেনরি নিকোলস, নিক কেলি, মুহাম্মদ আব্বাস, ডিন ফক্সক্রফট, জশ ক্লার্কসন, নাথান স্মিথ, ব্লেয়ার টিকনার, জেডেন লেনক্স ও উইলিয়াম ও’রুর্কি।
ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো
বিশ্বজুড়ে ফুটবল কর্মকর্তাদের তীব্র বিরোধিতার মুখে বিশ্বকাপে বেসরকারি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা। আজ ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো এ পরিকল্পনা বাতিলের ব্যাপারটি নিশ্চিত করেন।
বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেন, ‘ফুটবলকে ঐক্যবদ্ধ ও উন্নত করার লক্ষ্য আমাদের সব সময়ই ছিল এবং থাকবে। যার ফলে এ প্রস্তাব আর সামনে এগোবে না।’
গত মঙ্গলবার ফিফা এ পরিকল্পনার কথা জানিয়েছিল। প্রস্তাবিত ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) নামের বাণিজ্যিক অঙ্গপ্রতিষ্ঠান গঠন করে এতে বিনিয়োগকারীদের যুক্ত করার কথা বলা হয়েছিল। এ প্রতিষ্ঠানের মূল্য আনুমানিক ২ হাজার কোটি (২০ বিলিয়ন) ডলার ধরে প্রায় ৪২০ কোটি ডলার তোলার পরিকল্পনা করেছিল ফিফা। সংস্থাটির মূল কাজ হতো বিশ্বকাপ ও ক্লাব বিশ্বকাপের মতো টুর্নামেন্ট পরিচালনা করা।
ফিফা জানিয়েছিল, পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে ২০২৭ সালের শুরুর দিকে তাদের ২১১টি সদস্যদেশ এককালীন ২ কোটি ডলার করে পাবে। পাশাপাশি ২০২৭-২০৩০ মেয়াদের বরাদ্দ ৮০ লাখ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২ কোটি ডলারে উন্নীত করা সম্ভব হবে।
কিন্তু এফএফইতে ক্ষুদ্র পরিসরেও বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের শেয়ার দেওয়ার প্রস্তাবটি শুরুর দিন থেকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে।
ইউরোপীয় ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা সাফ জানিয়ে দেয়, ‘এ প্রস্তাব বহাল থাকা পর্যন্ত’ তাদের কোনো জাতীয় দল ফিফার কোনো টুর্নামেন্টে অংশ নেবে না। পরবর্তী সময়ে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন (এএফসি) এবং উত্তর ও মধ্য আমেরিকার কনফেডারেশনও (কনক্যাকাফ) এর বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।
এক বিবৃতিতে উয়েফার পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘বিশ্বকাপকে কেবল কোনো বাণিজ্যিক বিনিয়োগ পণ্য হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। এর কোনো অংশই কখনো বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। বিশ্বকাপ বিক্রির জন্য নয়।’
গতকাল শুক্রবার ইনফান্তিনোর জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা কার্লোস কর্ডেইরো পদত্যাগ করলে পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নেয়। এ পরিকল্পনাকে ‘ফিফা, ফুটবল এবং দীর্ঘমেয়াদে ফুটবল খেলার ভবিষ্যতের জন্য খারাপ প্রস্তাব’ হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।
দক্ষিণ আমেরিকান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনমেবলের সভাপতি আলেহান্দ্রো ডমিনগুয়েজকে ইনফান্তিনোর ঘনিষ্ঠ মিত্র মনে করা হয়। তিনিও এ প্রকল্পের পরিধি, কাঠামো, ব্যবস্থাপনা ও সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত তথ্য দাবি করেন।
পরিকল্পনা বাতিলের ঘোষণায় গভীর রাতে দেওয়া বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেন, সদস্যদেশগুলোকে অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী করতেই এটি ভাবা হয়েছিল এবং সংখ্যাগরিষ্ঠদের সমর্থন পেলেই শুধু এটি কার্যকর হতো।
ইনফান্তিনো আরও বলেন, ‘সবার মতামত গুরুত্বের সঙ্গে শোনার পর নিশ্চিত হওয়া গেছে যে প্রস্তাবটি এমন বিভাজন তৈরি করেছে, যা শেষ পর্যন্ত আমাদের মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে মেলে না।’
এএফসিও ( ৪৭টি সদস্যদেশ) উয়েফা ও কনক্যাকাফের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। সংস্থাটির বিবৃতিতে বলা হয়, ‘এমন একটি পরিস্থিতিতে এসে দাঁড়িয়েছে যে ফিফা বিশ্বকাপ বয়কটের মতো বাস্তব বিষয় জনসমক্ষে আলোচনায় এসেছে। যাঁরা ফুটবলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই এতে উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত।’
‘ভুল ব্যক্তি’
গতকাল শুক্রবার সকালের বিবৃতিতে ফিফা দাবি করেছিল, সদস্যদেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত থাকবে এবং ‘কেউ ফুটবল বিক্রি করছে না’। তবু ফিফার ওপর থেকে চাপ কমেনি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন উয়েফাকে ধন্যবাদ জানানোর এক দিন পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম বলেন, ইনফান্তিনো ফিফা পরিচালনার জন্য ‘ভুল ব্যক্তি’।
চাপের মুখে থাকা ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, তিনি এখন সব পক্ষকে নিয়ে ঐক্যে জোর দেবেন এবং ফুটবলের প্রসার ঘটাবেন।
বিবৃতিতে ইনফান্তিনো বলেন, ‘সামনের দিনগুলোতে ফুটবল–সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আবার এক টেবিলে আনাই আমার মূল লক্ষ্য। সবার যৌথ স্বার্থ রক্ষা করে এবং বিশেষ করে যাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য প্রয়োজন, সেই দেশগুলোতে ফুটবলের উন্নয়ন সাধন করে আমরা এগিয়ে যাব।’
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপের মতো ফুটবল মহাযজ্ঞের মালিকানা বেসরকারি পুঁজির হাতে তুলে দেওয়ার এক বিতর্কিত পরিকল্পনা নিয়ে উত্তাল বিশ্ব ফুটবল। নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা ফিফার এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সমালোচনার ঝড় উঠেছে চারদিকে। ফুটবলপ্রেমী ও বিভিন্ন দেশের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের তোপের মুখে পড়ে অবশেষে জল মাপতে শুরু করেছে ফিফা।
আজ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর সংস্থাটি জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে তারা আপাতত আলোচনা ও পরামর্শের পথ খোলা রাখছে। তবে ফিফা স্বস্তিতে নেই একেবারেই। প্রস্তাবটির কড়া জবাব দিয়েছে ইউরোপীয় ফুটবলের অভিভাবক উয়েফা। বিবিসির প্রতিবেদন।
তাদের অধীন ৫৫টি দেশ একজোটে ভোট দিয়ে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এই পরিকল্পনা না গুটালে তারা সরাসরি বিশ্বকাপই বর্জন করবে! কম যায়নি উত্তর ও মধ্য আমেরিকার ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা কনকাকাফও। তাদের ৪১টি সদস্য দেশ একবাক্যে এই প্রস্তাবকে ঝুড়িতে ফেলে দিয়েছে।
চারদিক থেকে ধেয়ে আসা চাপের মুখে তড়িঘড়ি ব্যাখ্যা দিতে নেমেছে জুরিখে অবস্থিত ফিফা সদর দপ্তর। বিবৃতিতে নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে উল্টো দায় চাপানো হয়েছে সংবাদমাধ্যমের ওপর। ফিফার দাবি, ‘মিডিয়ার ভুলভাল তথ্যের কারণে আমাদের পূর্বপরিকল্পিত আলোচনায় বিঘ্ন ঘটেছে। তবে সব সদস্য দেশ যেন সঠিক তথ্যের ওপর ভিত্তি করে নিজেদের রায় দিতে পারে, সে জন্য উন্মুক্ত আলোচনা চালু রাখা হবে।’
একই সঙ্গে নিজেদের অবস্থান সাফ করতে ফিফার দাবি, ‘ফুটবল বিক্রি করে দেওয়ার কোনো ইচ্ছাই আমাদের নেই। এমন চিন্তাকে ফিফা কখনো আমলেই নেয় না।’
গোপন পরিকল্পনাটি আসলে কী? জানা গেছে, বিশ্বকাপসহ নিজেদের বড় টুর্নামেন্টগুলো পরিচালনার জন্য ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ (এফএফই) নামে একটি আলাদা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান খুলতে চায় ইনফান্তিনো প্রশাসন।
আর সেই নতুন কোম্পানির শেয়ারই তুলে দেওয়া হবে বিভিন্ন বেসরকারি বা বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে। তবে চাল চাললেও তা মেলাতে বেগ পেতে হচ্ছে ফিফা বসকে। প্রস্তাবটি পাস করাতে হলে ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের মধ্যে অন্তত ১০৬টির সমর্থন বা ভোট লাগবে। অথচ এরই মধ্যে উয়েফা ও কনকাকাফ মিলিয়ে একজোটে ৯৬টি দেশ আড়াআড়ি বাধা দিয়ে রেখেছে। ফলে ইনফান্তিনোর এই বাণিজ্যিক কার্ড খেলা শুরুতেই আটকে যাওয়ার পথে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ফিফা এখন ড্যামেজ কন্ট্রোলের চেষ্টা করছে। তাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা সবার উদ্বেগ ও মতামতকে শ্রদ্ধা জানাই। একটি গণতান্ত্রিক আলোচনার জন্য আমাদের দরজা খোলাই আছে। মূলত সব অঞ্চলের ফুটবলে বাণিজ্যিক সুফল পৌঁছে দিতেই এফএফই গঠনের এই চিন্তা। এতে ফুটবলের মূল চেতনা বা পরিচালনায় কোনো আঘাত আসবে না।’
বিশ্বকাপের ১২ আয়োজক শহর চূড়ান্ত
নেইমার
ঠিক ১৬ বছর আগে ব্রাজিলের জার্সিতে এক তরুণ ফুটবলারের অভিষেক হয়। ২০১০ সালের ১০ আগস্ট নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ড স্টেডিয়ামে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে ১১ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নেমেছিলেন নেইমার। ১৮ বছরের সেই তরুণ সময়ের সঙ্গে নিজেকে নিয়ে নেন অনন্য উচ্চতায়। হলুদ জার্সিতে নানান গল্প লিখে হয়েছেন দেশটির হয়ে সর্বোচ্চ গোলস্কোরার।
১৩০ ম্যাচে ৮০ গোল করা নেইমার বুধবার জানিয়ে দিয়েছেন, আর কখনও ব্রাজিলের জার্সি গায়ে জড়াবেন না। নিউইয়র্কের যে মাঠে আন্তর্জাতিক ফুটবলে অভিষেক হয়েছিল, বিশ্বকাপ ফুটবলে নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি একই মাঠে তাঁর শেষ। অর্থাৎ শুরু আর শেষের গল্প একই। মাঝে ফুটবলে এমন কিছু করেছেন নেইমার, যা ফুটবলভক্তদের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছে। বিশ্ব ফুটবলে দ্যুতি ছড়ানো এই মহাতারকার নামের পাশে নেই ব্যালন ডি’অর, নেই বিশ্বকাপ, নেই কোপা আমেরিকা। ব্রাজিলের জার্সিতে শুধু জিতেছেন ২০১৩ সালে ফিফা কনফেডারেশন্স কাপ।
অবসরের ইঙ্গিতটা বিশ্বকাপের সময়ই দিয়েছিলেন নেইমার। শেষ ষোলোতে নরওয়ের কাছে পরাজয়ের পর পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হয়ে বুট জোড়া তুলে রাখার কথা বলেছিলেন তিনি। গতকাল ইউনিভার্সিদাদ সেন্ট্রালের বিপক্ষে সান্তোসের ৪-২ গোলে জয়ের পর নিজের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে ৩৪ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড অবসরের বিষয়টি নিশ্চিত করেন, ‘জাতীয় দলের হয়ে আমার সময় শেষ। আমি ইতিহাস তৈরি করেছি। খুব সুখী ছিলাম। আমার রক্ত ও জীবন দিয়েছি, হলুদ জার্সির জন্য সব সময় লড়াই করেছি; কিন্তু এখন আর আমি এটা চাই না।’ এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে ব্রাজিলীয় ফুটবলের একটি যুগের অবসান ঘটল এবং দলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা এখন থেকে তাঁর শৈশবের ক্লাব সান্তোসেই পুরোপুরি মনোযোগ দিচ্ছেন।
দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে করেছেন ৮০টি গোল এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ৫৮টি গোল। পরিসংখ্যানের পাশাপাশি ব্রাজিলের আক্রমণভাগের অন্যতম প্রধান ভরসা ছিলেন তিনি। ড্রিবলিং, সৃজনশীলতা, গতি ও গোল করার দক্ষতায় এক দশকের বেশি সময় ধরে সেলেসাওদের আক্রমণভাগকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকে অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছিলেন স্বর্ণপদক।
নিজ ক্লাব সান্তোসেও খুব একটা ভালো নেই নেইমার। ক্লাবের জুনিয়র খেলোয়াড়দের সঙ্গে তাঁর বিবাদের অভিযোগ ওঠে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, নেইমার দলের তরুণ খেলোয়াড়দের মানের সমালোচনা করেছেন এবং এমনকি বলেছেন, আগামী মৌসুমে তাদের দ্বিতীয় বিভাগে খেলতে হবে।
তবে এই অভিজ্ঞ ফরোয়ার্ড দাবি করেন, বিভাজন তৈরি করার জন্য একটি ‘কুচক্রী’ মহল এই মিথ্যা কাহিনি বানিয়েছে, ‘বিষয়টি দুঃখজনক এবং বিরক্তিকর। তবে এতে আমার কোনো দোষ নেই। এ ধরনের খবর অনেকের কাছেই পৌঁছে যায়। ম্যাচের পর আমি কথা বলেছিলাম, আরও ভালো পারফরম্যান্সের দাবি জানিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম যে আমরা এতটা গাফিলতি মেনে নিতে পারি না। চ্যাপেকোয়েনসের প্রতি পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি, এভাবে ড্র উপহার দেওয়া যায় না। আমি শুধু এতটুকুই বলেছিলাম।’
ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসছে স্পেন। অন্যদিকে ফাইনাল শেষে মাঠে ঘটে যাওয়া উত্তেজনাকর ঘটনার কারণে নতুন করে চাপে পড়েছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচ-পরবর্তী সংঘর্ষের জেরে আর্জেন্টিনার চার খেলোয়াড়-কর্মকর্তাসহ স্পেনের এক ফুটবলারের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এনেছে ফিফা। এখন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে কি না, সেটিই দেখার অপেক্ষায় বিশ্ব।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে ম্যাচ শেষের বাঁশি বাজার পর দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ও সংঘর্ষই চলে আসে আলোচনার কেন্দ্রে । ঘটনার পর তদন্ত শেষে কয়েকজন খেলোয়াড় ও কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনে ফিফা।
আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসের বিরুদ্ধে ফিফার শৃঙ্খলা বিধির ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ১(আই) ধারায় তিনটি হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনার বিরুদ্ধে রয়েছে দুটি হামলার অভিযোগ, এর একটি পরিপূর্ণ হামলা এবং অন্যটি হামলার চেষ্টা। পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও আনা হয়েছে।
আর্জেন্টিনার সহকারী কোচ রবার্তো আয়ালার বিরুদ্ধে একটি হামলার অভিযোগ আনা হয়েছে। বদলি বেঞ্চে থাকা থিয়াগো আলমাদার বিরুদ্ধে অভিযোগ অসৌজন্যমূলক আচরণের। একই ধরনের অভিযোগের মুখে পড়েছেন স্পেনের মিডফিল্ডার গাভিও।
ফিফা জানিয়েছে, শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়া হয়েছে। তাদের বক্তব্য পর্যালোচনার পর ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
এর আগে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনাল জয়ের পরও বিতর্কে জড়ায় আর্জেন্টিনা। উদযাপনের সময় কয়েকজন খেলোয়াড় ‘Las Malvinas son Argentinas’ লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন। আর্জেন্টিনায় মালভিনাস নামে পরিচিত ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে যুক্তরাজ্য ও আর্জেন্টিনার দীর্ঘদিনের বিরোধ থাকায় ঘটনাটি রাজনৈতিক বিতর্কও সৃষ্টি করে।
ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ ১৮৩৩ সাল থেকে ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ১৯৮২ সালে দ্বীপপুঞ্জের মালিকানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে ৭৪ দিনের যুদ্ধ হয়, যাতে ৯০০–এর বেশি মানুষ নিহত হন।
ব্যানার প্রদর্শনের পর যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র বলেন, ‘বিশ্বকাপ হয়তো আমাদের নয়, কিন্তু ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ অবশ্যই আমাদের।’ অন্যদিকে হোয়াইট হাউসের ফিফা টাস্কফোর্সের প্রধান অ্যান্ড্রু জুলিয়ানি আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়দের সমর্থন জানিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাকস্বাধীনতায় বিশ্বাস করে।
ফাইনালের ঘটনার পর স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তেও আর্জেন্টিনার আচরণের সমালোচনা করে বলেন, ‘এত বড় মাপের ফুটবলারদের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করা যায় না। এসব কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
নতুন অধিনায়ক লিটন
মেহেদী হাসান মিরাজের পরিবর্তে বাংলাদেশ দলের নতুন ওয়ানডে অধিনায়ক করা হয়েছে লিটন দাসকে। লিটন আগে থেকেই ছিলেন টি–টুয়েন্টি দলের নেতৃত্বে। এখন সাদা বলের দুই সংস্করণেই নেতৃত্ব দেবেন তিনি। ওয়ানডে দলের সহ-অধিনায়ক করা হয়েছে তাওহিদ হৃদয়কে। টেস্ট অধিনায়ক হিসেবে থাকছেন নাজমুল হোসেনই।
আজ মিরপুরে বিসিবি কার্যালয়ে পরিচালনা পর্ষদের সভার পর বোর্ড সভাপতি তামিম ইকবাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা তিন সংস্করণে দুজন অধিনায়ক রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি সাদা বল ও লাল বলে আলাদা অধিনায়ক থাকা প্রয়োজনও। বোর্ডও এতে একমত হয়েছে।’
২০২৫ সালের জুনে হুট করেই নাজমুলকে সরিয়ে দিয়ে মেহেদী হাসান মিরাজকে ওয়ানডে অধিনায়ক করে আমিনুল ইসলামের বোর্ড। এই সংস্করণে ২৪ ম্যাচে বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়ে ১০ ম্যাচ জিতেছেন মিরাজ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টানা চারটি ওয়ানডে সিরিজ জেতে মিরাজের নেতৃত্বাধীন দল। সর্বশেষ জিম্বাবুয়ে সিরিজে অবশ্য ২-১ ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ।
তবে মিরাজকে নেতৃত্বে না রাখার পেছনে অধিনায়ক হিসেবে তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স কোনো ভূমিকা রাখেনি বলে জানিয়েছেন তামিম। বরং খেলোয়াড় মিরাজকেই দলের বেশি দরকার মনে করে বিসিবি।
এ বিষয়ে তামিম বলেন, ‘মিরাজ অত্যন্ত সফল অধিনায়ক। গত কয়েকটি সিরিজে সে খুব ভালো করেছে। কিন্তু আমি মনে করি মিরাজকে একজন পারফরমার হিসেবে আমাদের বেশি প্রয়োজন। তাঁকে আমরা ব্যাটিং ও বোলিংয়ে যেভাবে দেখতে অভ্যস্ত, বর্তমানে তাতে কিছুটা ঘাটতি দেখা যাচ্ছে। আমরা চাই সে তার পূর্ণ ছন্দে ফিরে আসুক।’
এ নিয়ে মিরাজের সঙ্গে কথা হয়েছে বিসিবি সভাপতির। বিসিবির ভাবনাটা তিনি বুঝতে পেরেছেন বলেও জানিয়েছেন তামিম।