• প্রকাশ : রবিবার ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ১:২১ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে ও বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে জামায়াতসহ সমমনা আট দলের সঙ্গে নির্বাচনে অংশ নেব বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমরা সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে কাজ করব। কে কোন আসন থেকে নির্বাচন করব তা আগামীকাল (সোমবার) আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাত ৮টায় রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ টাওয়ারে অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জরুরি সংবাদ সম্মেলন এ কথা জানান তিনি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, জোটের বাইরে আমাদের আলাদা কোনো প্রার্থী থাকবে না। ওই সব আসনে আমরা জোটের পক্ষে কাজ করব।

তিনি বলেন, শরিফ ওসমান হাদির শাহাদাতবরণ এবং তাকে প্রকাশ্যে গুলি করার মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজনীতির প্রেক্ষাপট অনেক বেশি পরিবর্তন হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড ও শাহাদাতবরণের মধ্য দিয়ে আমরা বুঝতে পারছি, বাংলাদেশে আধিপত্যবাদি আগ্রাসী শক্তি এখনো কার্যকর রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা যাদের পরাজিত করেছিলাম, তারা এখনো চক্রান্ত করছে নির্বাচন বানচালের জন্য, তারা চক্রান্ত করছে সংস্কার এবং নতুন বাংলাদশের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার জন্য। তারা চক্রান্ত করছে জুলাই প্রজন্মকে নিঃশেষ করার জন্য।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, সব কিছু বিবেচনায় ও পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে আমাদের মনে হয়েছে, আমরা দলীয় ফোরামে আলোচনা করেছি, আমাদের এই মুহূর্তে বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজন। সেই তাগিদ থেকেই আমরা জামায়াতে ইসলামী ও তাদের সমমনা আট দলের সঙ্গে কথা বলেছি। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী আকাঙ্ক্ষাকে বাস্তবায়ন করার জন্য বৃহত্তর ঐক্যের স্বার্থে জামায়াত ইসলামীর সঙ্গে জোট করেছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা সোমবার প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করব। আগামীকালই আমরা মনোনয়নপত্র জমা দেব।

জামায়াত ইসলামীর যে ঐতিহাসিক দায় আছে সেই দায় এনসিপি নিচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা শুধু নির্বাচন বৈতরণী পার করার জন্য এ জোট গঠন করেছি। তবে আমরা আমাদের উদ্দেশ্য অনুসারেই কাজ করব।

নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে জোটে যাওয়ার ঘোষণা দিচ্ছি। ঘোষণাটি আপনারা এর মধ্যে সমমনা ৮ দলের প্রেস ব্রিফিং থেকে জেনেছেন।

এদিকে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন আট রাজনৈতিক দলের জোটে এনসিপি ছাড়াও যুক্ত হয়েছে লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি)।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল ৫টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে আট দলীয় জোটের এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এতদিন ধরে আটটি দল আমরা একসঙ্গে কাজ করে আসছিলাম। এখন আমাদের সঙ্গে আরও দুটি দল সংযুক্ত হয়েছে—এলডিপি এবং এনসিপি। এনসিপির নেতারা ব্যস্ততার কারণে এখানে আসতে পারেনি। তবে দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ফোনে আমাদের সবাইকে জোটে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তারা শিগগিরই প্রেস কনফারেন্স করে বিষয়টি জানাবেন।

তিনি বলেন, সবার ভোটের জন্য আমাদের লড়াই হবে ইস্পাত কঠিন। এই ঐক্য জাতীয় ঐক্য হবে। আপনাদের সঙ্গে মিলেমিশে, এই প্রজন্মের সঙ্গে মিলেমিশে আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের জোট দেশ গঠনের জোট। রাজনৈতিক জোট। নির্বাচনের জোট। আমরা জাতীয় ইস্যুতে প্রয়োজন অনুযায়ী একসঙ্গে সবাই লড়াই করব। দলীয় কর্মসূচি সবাই নিজেদের মতো পালন করবে।




বিএনপির দলীয় মনোগ্রাম

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:৩৭ এএম

নতুন রাষ্ট্রপতি কে হবেন, এই আলোচনার মধ্যেই শনিবার বৈঠকে বসছেন ক্ষমতাসীন দল বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা। এদিন সন্ধ্যা ৭টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বৈঠকটি হবে বলে জানিয়েছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।


শুক্রবার সন্ধ্যায় তিনি বলেছেন, “স্থায়ী কমিটির নিয়মিত বৈঠক ডাকা হয়েছে।


“বৈঠকে চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, তেল, গ্যাসের দামসহ নানা বিষয়ে আলোচনা হতে পারে।”


রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী নিয়ে স্থায়ী কমিটিতে কোনো আলোচনা হবে? জবাবে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজমন্ত্রী টুকু বলেন, “এটা আগে থেকে বলার সুযোগ নেই।”


তবে স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান বলেন, “রাষ্ট্রপতি পদ শূন্য হয়েছে। কে ভবিষ্যতে রাষ্ট্রপতি হতে পারেন, এ ব্যাপারে আলোচনা হওয়া খুবই স্বাভাবিক।”


“কিন্তু সিদ্ধান্ত যেভাবে হবে, সেটা না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে মন্তব্য করার কোনো সুযোগ নাই,” বলেন তিনি।


আওয়ামী লীগের আমলে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পাওয়া মো. সাহাবুদ্দিনকে অপরসারণের দাবি ওঠে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়। অভ্যুত্থানের পক্ষের কয়েকটি সংগঠনের তুমুল আন্দোলনেও সে সময় তিনি পদত্যাগ করেননি।


নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা বলেছিলেন মো. সাহাবুদ্দিন।


ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিএনপি সরকার গঠনের পাঁচ মাস পর গেল ২২ জুলাই গুঞ্জন ওঠে, রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করতে যাচ্ছেন। এর দুই দিন পর ২৪ জুলাই ‘শারীরিক ও মানসিক’ সক্ষমতা না থাকার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন তিনি।


মেয়াদের পৌনে দুই বছর বাকি থাকতে মো. সাহাবুদ্দিনের বিদায়ের পর ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।


সংবিধান অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের ফলে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে তা পূরণের জন্য নির্বাচন করতে হবে। এটি সর্বোচ্চ সময়সীমা; তার আগে যেকোনো সময় নির্বাচন হতে পারে।


রাষ্ট্রপতি পদে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে ইতোমধ্যে বিএনপির ভেতরে ও বাইরে বেশ কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে।


বিএনপির স্থায়ী কমিটির তিনজন সদস্যের সঙ্গে কথা বলে ছয়জনের নাম আলোচনায় থাকার কথা জেনেছে।


তারা হলেন- স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, আব্দুল মঈন খান ও ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী।


অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নামও আছে আলোচনায়।


বিএনপির স্থায়ী কমিটির দুইজন সদস্য সঙ্গে বলেছেন, যাদের নাম এসেছে গণমাধ্যমে, এরমধ্যে দুই জন বেশি ‘বিব্রতবোধ’ করছেন।


স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, “ইতোমধ্যে দেশ, বিদেশ থেকে অনেকে ফোন করে অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, টেক্সট পাঠাচ্ছেন, এতে বিব্রত হচ্ছেন দুই-একজন নেতা।”


ত্রয়োদশ সংসদে বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিএনপি। জামায়াতে ইসলামী ৬৮ আসন পেয়ে বিরোধী দলে বসেছে। দলটির নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছে ৭৭ আসন। অন্যদিকে বিএনপির আসন ২১০টি। আনুপাতিক হারে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনেও বিএনপি ও মিত্রদের সদস্য বিরোধী দলের চেয়ে বেশি। ফলে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।


শুক্রবার বিকালে বিএনপির একজন নেতা বলেন, স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা নাও হতে পারে।


“স্থায়ী কমিটির সদস্যরা বিগত সময়ে যেভাবে খালেদা জিয়ার ওপর সিদ্ধান্ত নেওয়ার সব ভার দিতেন, এবারও সেই পথে যাবেন তারা। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে কোনো-কোনো সদস্য হয়তো কথা তুলতে পারেন।”


স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য বলেন, “নির্বাচন কমিশন থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরই বিএনপি রাষ্ট্রপতি পদে নাম প্রস্তাব করবে। এর আগে আনুষ্ঠানিকভাবে জানার সুযোগ কম।”


সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে সমন্বয় করে। বর্তমানে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন কায়সার কামাল।


মঙ্গলবার তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।


দুই জনের এই সাক্ষাৎ ‘আইনগত রুটিন সাক্ষাৎ’ ছিল বলে জাতীয় সংসদের দায়িত্বশীল একজন বলেছেন।


সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শেষ হয়েছে ১৫ জুলাই। সংবিধান অনুযায়ী সংসদের এক অধিবেশন সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ৬০ দিনের বেশি বিরতি দেওয়া যাবে না। সে হিসেবে সেপ্টেম্বর বা তার আগে পরবর্তী অধিবেশন বসবে। সেই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হতে পারে, বিএনপির কয়েকজন নেতা মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর এমন কথা বলেছিলেন।


তবে জাতীয় সংসদের দায়িত্বশীল এই ব্যক্তি বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য কোনো ধরনের অধিবেশন আহ্বান করা লাগে না। অধিবেশনের সঙ্গে নির্বাচনের কোনো সম্পর্ক নেই।”


তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করবে, যারা মনোনয়নপ্রত্যাশী হবেন রাষ্ট্রপতি পদে, তারা মনোনয়ন ফরম জমা দেবেন। সেখান থেকে তালিকা যাচাই-বাছাই করে বৈধ প্রার্থী ঘোষণা করা হবে। তারপর যদি নির্বাচনের প্রয়োজন হয় তখন সংসদের ৩৫০ জন সদস্য (এখন ৩৪৯ এমপি), তাদের ভোটের দিন ধার্য করা হবে। সেদিন তারা আসবেন এবং ভোট দেবেন।”


জাতীয় সংসদের অধিবেশনের সঙ্গে রাষ্ট্রপতির নির্বাচনের ভোটের আইনগতভাবে কোনো সম্পর্ক নেই, বলছেন সংশ্লিষ্টরা।


ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামালের সঙ্গে বৈঠক করার পর সিইসি নাসির উদ্দিন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আইনের প্রসঙ্গ টেনে বলেছিলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে জাতীয় সংসদের স্পিকারের সঙ্গে পরামর্শক্রমে দিনক্ষণ ঠিক করার কথা বলা আছে। সেজন্য ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতে প্রাথমিকভাবে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।


“তবে নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এটি চূড়ান্ত হলে জানানো হবে। জাতীয় সংসদ অধিবেশনে থাকলে এ নির্বাচন একভাবে হবে, আর না থাকলে আরেক ধরনের ব্যবস্থা রয়েছে।”


এক প্রশ্নের জবাবে নাসির উদ্দিন বলেন, “রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে। সংসদ সচিবালয় এ নির্বাচনের ভোটার তালিকা দেবে। এজন্য নির্বাচন কমিশন চিঠিও দিয়েছে।”


জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:১৮ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী বলেছেন, ‘তারেক রহমানের কাছে এত বড় গ্যাংস্টার বাংলাদেশে আছে। কি নাই তার কাছে? জিকে গউসের মত অস্ত্র আছে, আব্বাস সাহেবের মত অস্ত্র আছে, বুলু সাহেবের মত অস্ত্র আছে, সালাউদ্দিনের মতো অস্ত্র তার কাছে আছে। কে কার চেয়ে কোন র‌্যাংকিংয়ে কম? কারো কারো কাছে মাদক, কারো কাছে টেন্ডার, সালাউদ্দিনের সাহেবের ছেলেরা এক জায়গায় বসা, খসরু ভাই আছে। এগুলো র‌্যাংকিং করলে ইতালির যেকোনো মাফিয়াকেও হার মানাবে।’ শুক্রবার (৩১ জুলাই) দুপুরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই কথাগুলো বলেন। 


কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাসির উদ্দিন বলেন, ‘তারেক রহমান বাংলাদেশে যা  করতেছে, সেটা বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য লজ্জার। তিনি রাজনীতির সংস্কৃতিকে অসংস্কৃত ও সহিংসতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। আমার মনে হয়, তার রাজনীতি করা ইচ্ছা নাই। ইতালিতে বড় বড় মাফিয়া গ্যাং থাকে না উনি সেই গ্যাংবাজি করছেন। তাহলে উনি বলে দিক যে, আমি আজকে থেকে গ্যাংবাজি করব, আমি রাজনীতি করব না।  রাজনীতিতে গ্যাংবাজি করার কি দরকার?  


আপনি কি ভয় পাচ্ছেন এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভয় তো পাবোই। এত বড় গ্যাংস্টার বাংলাদেশে আছে। কি নাই তার কাছে? জিকে গউসের মত অস্ত্র আছে, আব্বাস সাহেবের মত অস্ত্র আছে, বুলু সাহেবের মত অস্ত্র আছে, সালাউদ্দিনের মতো অস্ত্র তার কাছে আছে। কে কার চেয়ে কোন র্যাংকিংয়ে কম? কারো কারো কাছে মাদক, কারো কাছে টেন্ডার, সালাউদ্দিনের সাহেবের ছেলেরা এক জায়গায় বসা, খসরু ভাই আছে। এগুলো র্যাংকিং করলে ইতালির যেকোনো মাফিয়াকেও হার মানাবে।’


তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের এই ধরনের মাফিয়াগুলাকে ছেড়ে দিয়েছে, সন্ত্রাসের রাজত্ব ছেড়ে দিয়েছে। আমার তো ভয় পাওয়া, মানুষও ভয় পাইতেছে, সবাই আমরা ভয় পাইতেছি । আমরা একটা টেরর রাজ্যে আসছি। মামলাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে পাটওয়ারী বলেন, ‘মামলায় হামলা, হয়রানি ও ছিনতাইয়ের মতো অভিযোগ আনা হলেও সেসবের কোনো সত্যতা নেই। 


তিনি বলেন, আমি যে মামলাগুলো দেখেছি, সেখানে অনেক ইন্টারেস্টিং বিষয় লেখা হয়েছে। বলা হয়েছে আমরা হামলা করেছি, হয়রানি করেছি, ছিনতাই করেছি। এসব কতটুকু সত্য, সেটা দেশবাসী দেখেছে।


মামলায় ছিনতাইয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘তারা বলছে আইফোন ছিনতাই হয়েছে। সেটি কি জি কে গাউসের আইফোন, নাকি তারেক রহমানের আইফোন ছিল? এসব অভিযোগ অত্যন্ত লজ্জাজনক।’


রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধী দলের নেতার বাসভবনে ১১ দ‌লের লিয়া‌জোঁ ক‌মি‌টির বৈঠক

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:০২ পিএম

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের রায় কার্যকর, নির্বাচন কমিশনসহ বি‌ভিন্ন সরকা‌রি প্রতিষ্ঠা‌নে বিএন‌পি নেতা‌দের নিয়োগের প্রতিবাদসহ বেশ কয়েকটি দাবিতে ৫ আগস্ট ঢাকার পল্টনে সমাবেশের ডাক দিয়েছে জামায়া‌তে ইসলা‌মীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক‌্য। 


বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধী দলের নেতার বাসভবনে ১১ দ‌লের লিয়া‌জোঁ ক‌মি‌টির বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে জোটের সমন্বয়ক ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।


হা‌মিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকারি দল নির্বাচনের আগে জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচার চালিয়েছিল। খোদ তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ ভোট চেয়েছিলেন। জনগণ জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটকে জয়যুক্ত করলেও সেটি এখন বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। অর্থাৎ সরকার তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করছে।


আযাদ আরও বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে সরকার বিভিন্ন দপ্তর বা অধিদপ্তরে নজিরবিহীনভাবে দলীয় লোক নিয়োগ দিয়েছে, যা জুলাই অভ্যুত্থান চেতনার বিপরীত। একই সঙ্গে সারাদেশে ফের নতুন করে ব্যাপক অনিয়ম-দুর্নীতি শুরু করেছে সরকারের লোকজন। এসবের প্রতিবাদে ৫ আগস্ট বুধবার ঢাকার পল্টনে ১১ দল সমাবেশ করবে।


বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন এলডিপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মো. বিল্লাল হোসেন মিয়াজী, জাগপার সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান,বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমীন, এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মাজেদ আতহারী, বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম চান প্রমুখ। 


এন‌সি‌পির কর্মসূ‌চি‌তে হামলার নিন্দা: বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ৩ আগস্ট শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে কর্মসূ‌চি চূড়ান্ত হবে। এছাড়া সম্প্রতি হবিগঞ্জে ‘জুলাই পদযাত্রা ২০২৬’ কর্মসূচিতে এনসিপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের ওপর বিএনপির হামলার তীব্র নিন্দা  এবং এর সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দা‌বি জানা‌নো হয়।


  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৯:৪৬ এএম

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বিএনপি। রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা থাকলেও দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। 


দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে আলোচনার মধ্য দিয়ে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঠিক করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির নেতারা। এ লক্ষ্যে আগামীকাল শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠক ডাকা হয়েছে। 


নতুন রাষ্ট্রপতি কে হতে যাচ্ছেন- তা নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যেই বৈঠকটি ডাকল বিএনপি। সভায় দলের শীর্ষ নেতারা নিজেদের মতামত তুলে ধরবেন। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  


বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরামের কয়েকজন নেতা জানান, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য সবচেয়ে বেশি আলোচনা বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘিরে। তবে দলের ভেতরের কিছু নেতা এ বিষয়ে বিরোধিতা করছেন।


নীতিনির্ধারকদের অনেকে মনে করেন, অতীতের অভিজ্ঞতা, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষকদের নজর মাথায় রেখে প্রার্থী বাছাইয়ে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন দলের শীর্ষ নেতা তারেক রহমান। তিনি এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে চান, যিনি রাজনৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য, সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে দক্ষ এবং বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকবেন। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর ওপর দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক তৈরি হোক, সেটা আমরা চাই না। তাই সবকিছু খুব সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। এ জন্যই দলীয় নীতিনির্ধারকদের পক্ষ থেকে দায়িত্বশীল নেতাদের বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেন স্পর্শকাতর এই ইস্যুতে কোনো অসংলগ্ন বক্তব্য না দেওয়া হয়। 


বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অবশ্য বলেছেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ দলীয় ফোরামে আলোচনা করেই নেওয়া হবে। স্থায়ী কমিটি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। সংবিধান ও গণতান্ত্রিক ধারাকে সমুন্নত রেখেই দেশের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে দায়িত্বে দেখতে চান বলেও মন্তব্য করেন তিনি। 


একই বক্তব্য দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বিএনপির অন্য নেতারা জানান, রাষ্ট্রপতি শুধু আনুষ্ঠানিক পদ নয়; রাজনৈতিক সংকটের সময় এই পদটির গুরুত্ব বেড়ে যায়। তাই ব্যক্তি নির্বাচনের ক্ষেত্রে ভুলের সুযোগ নেই। রাষ্ট্রপতি পদে এমন কাউকে চাই, যার সততা নিয়ে প্রশ্ন নেই। যিনি সংবিধানের রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন। দলীয় পরিচয় থাকলেও রাষ্ট্রের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেবেন। 


বিএনপি সূত্র জানায়, রাষ্ট্রপতি মনোনয়নে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছাড়াও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খানের নাম আগেই আলোচনায় ছিল। 


তবে নতুন করে যুক্ত হয়েছে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নামও। দলের বাইরে অবসরে যাওয়া প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নামও আছে আলোচনায়। এ ছাড়া একজন সচিব ও রাজনীতির বাইরে কয়েকজনের নামও শোনা যাচ্ছে।


দলটির নেতারা বলছেন, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার প্রবণতা এড়িয়ে চলতে চায় বিএনপি। সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্কের যে ভারসাম্য, তা রক্ষা করা অত্যন্ত সংবেদনশীল। এমন কাউকে নির্বাচন করা হবে না, যিনি সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি করবেন, আবার একই সঙ্গে এমন কাউকে আনা হবে না, যিনি বঙ্গভবনের সাংবিধানিক পদের গুরুত্ব ও মর্যাদা রক্ষা করতে ব্যর্থ হন।


বিএনপির এক ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, এমন একজনের রাষ্ট্রপতি হওয়া উচিত, যিনি রাজনৈতিক উত্তেজনা কমাতে ভূমিকা রাখতে পারবেন। দেশের সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রাখবেন। আরেক নেতা বলেন, দলীয় আনুগত্য গুরুত্বপূর্ণ। তবে যোগ্যতা ও গ্রহণযোগ্যতা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। 


২৪ জুলাই বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়েন। সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ এখন রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন। সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। 


জানা গেছে, বিএনপির ৩১ দফা কিংবা ঘোষিত জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদের উচ্চকক্ষ ও নিম্নকক্ষের যৌথ ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের যে পদ্ধতির কথা ছিল, সেটা এবার হচ্ছে না। ফলে আগের নিয়মেই সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের প্রার্থীরাই নির্বাচনে জিতে আসবেন। আর জাতীয় সংসদে বিএনপির নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:৩৮ পিএম

জাতীয় নাগরিক পার্টি বা এনসিপির মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলমের গাড়িতে আবারও হামলা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। আজ বৃহস্পতিবার বেলা সোয়া তিনটার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।


তিনি লেখেন, ‘সিলেটের গোলাপগঞ্জে শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সিলেটে ফেরার পথে এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মূখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িতে আবারও বর্বরোচিত হামলা চালিয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসী বাহিনী।’


সারজিস আলমও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লিখেছেন, ‘দ্বিতীয় দফায় বিএনপির সন্ত্রাসীরা আমাদের ওপর আবার আক্রমণ করেছে সিলেটের পাঁচ মাইল বাজারে। তারেক রহমান কি শেখ হাসিনা হতে চায়?’


এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে সারজিস আলম আরেকটি পোস্টে লেখেন, ‘সিলেটের গোলাপগঞ্জে আবার আমাদের গাড়িতে রক্তাক্ত হামলা করেছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা। গাড়ি ভাঙচুর করেছে।’


এদিকে, সিলেটের পুলিশ জানিয়েছে, গোলাপগঞ্জে কর্মসূচি শেষ করে সিলেটের কানাইঘাটে য়াওয়ার পথে সারজিস আলমের ঘাড়ি লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে গাড়ির কাঁচ ভেঙেছে; কেউ হতাহত হননি।


প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার ঘটনা ঘটে। সে ব্যাপারে স্থানীয় বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিল এনসিপি। যদিও বিএনপি নেতারা হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।


স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:৩৮ পিএম

এদেশে যখনই পরিবর্তনের কথা বলা হয়েছে, তখনই প্রাণ দিতে হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাজধানীর ডিএফপি অডিটোরিয়ামে জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।


স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, জুলাইয়ের মূল্যবোধ ধারণ করে পরিবর্তনের চেষ্টা না করলে সন্তানহারা মায়েদের অশ্রু এমনি হারিয়ে যাবে।


মির্জা ফখরুল আরও বলেন, সরকার গঠনের পাঁচ মাস পার হলেও প্রত্যাশিত পরিবর্তন আসেনি। এখনও ঘুষখোররা ঘুষ নিচ্ছে, তাই জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে রাষ্ট্র ও সমাজে পরিবর্তন আনতে হবে। আমাদের মধ্যে এখনো পরিবর্তন না এলেও তারেক রহমান পরিবর্তনের চেষ্টা করছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি আরও বলেন, পরিবর্তনের মনোভাব সবার মধ্যে গড়ে তুলতে পারলে আমরা জুলাইয়ের সফলতা দেখতে পাব।