জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে প্রাথমিক মনোনয়ন ঘোষণা করেছে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। প্রথম ধাপে ১২৫ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়। বুধবার বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ আসন থেকে (বাড্ডা, ভাটারা, রামপুরা এলাকা) থেকে নির্বাচন করবেন। অন্যদিকে রংপুর-৪ আসনে নির্বাচন করবেন দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এবার তাঁরা ব্যালট রেভল্যুশনে যাচ্ছেন। তিনি দলীয় প্রতীক শাপলা কলি এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে ভোটের প্রচার চালাতে প্রার্থীদের আহ্বান জানান।
এ সময় এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্যসচিব তাসনীম জারা বলেন, দেড় হাজারের বেশি প্রার্থী তাদের দলের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এনসিপির প্রার্থী তালিকায় ব্যতিক্রম দেখা যাবে। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব মুশফিক উস সালেহিন প্রমুখ।
প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থীদের তালিকা
নির্বাচনী এলাকা ও প্রার্থীর নাম
পঞ্চগড়-১ মো. সারজিস আলম
ঠাকুরগাঁও-২ মো. রবিউল ইসলাম
ঠাকুরগাঁও-৩ মো গোলাম মর্তুজা সেলিম
দিনাজপুর-৩ আ হ ম শামসুল মুকতাদির
দিনাজপুর-৫ ডা. মো. আব্দুল আহাদ
নীলফামারী-২ ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পন
নীলফামারী-৩ মো. আবু সায়েদ লিয়ন
লালমনিরহাট-২ রাসেল আহমেদ
লালমনিরহাট-৩ মো. রকিবুল হাসান
রংপুর-১ মো. আল মামুন
রংপুর-৪ আখতার হোসেন
কুড়িগ্রাম-১ মো. মাহফুজুল ইসলাম
কুড়িগ্রাম-২ ড আতিক মুজাহিদ
কুড়িগ্রাম-৩ ইঞ্জিনিয়ার মো. আবু সাঈদ জনি
গাইবান্ধা-৩ মো. নাজমুল হাসান সোহাগ
গাইবান্ধা-৫ ডা. আ. খ. ম. আসাদুজ্জামান
জয়পুরহাট-১ গোলাম কিবরিয়া
জয়পুরহাট-২ আবদুল ওয়াহাব দেওয়ান কাজল
বগুড়া-৬ আব্দুল্লাহ-আল-ওয়াকি
চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ মু. নাজমুল হুদা খান (রুবেল খান)
নওগাঁ-১ কৈলাশ চন্দ্র রবিদাস
নওগাঁ-২ মো. মাহফুজার রহমান চৌধুরী
নওগাঁ-৩ পরিমল চন্দ্র (উরাও)
নওগাঁ-৪ মো. আব্দুল হামিদ
নওগাঁ-৫ মনিরা শারমিন
নাটোর-২ আব্দুল মান্নাফ
নাটোর-৩ অধ্যাপক এস. এম. জার্জিস কাদির
সিরাজগঞ্জ-৩ দিলশানা পারুল
সিরাজগঞ্জ-৪ দ্যুতি অরণ্য চৌধুরী (প্রীতি)
সিরাজগঞ্জ-৫ মনজুর কাদের
সিরাজগঞ্জ-৬ এস এম সাইফ মোস্তাফিজ
পাবনা-৪ অধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুল মজিদ
মেহেরপুর-১ মো. সোহেল রানা
মেহেরপুর-২ অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদ
চুয়াডাঙ্গা-১ মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান
ঝিনাইদহ-১ অ্যাডভোকেট লাবাবুল বাসার (দয়াল বাসার)
যশোর-৪ মো. শাহজাহান কবীর
মাগুড়া-২ মোহাম্মাদ তরিকুল ইসলাম
বাগেরহাট-২ মোল্যা রহমাতুল্লাহ
খুলনা-১ মো. ওয়াহিদ উজ জামান
খুলনা-২ ফরিদুল হক
পটুয়াখালী-১ এডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা
পটুয়াখালী-২ মুজাহিদুল ইসলাম শাহিন
ভোলা-১ অ্যাডভোকেট মো. জিয়াউর রহমান
বরিশাল-৪ আবু সাঈদ মুসা
বরিশাল-৫ মো. নুরুল হুদা চৌধুরী
ঝালোকাঠি-১ ডা. মাহমুদা আলম মিতু
পিরোজপুর-৩ ড. মো. শামীম হামিদী
টাংগাইল-১ সাইদুল ইসলাম (শহীদ সাজিদ এর পরিবার)
টাংগাইল-৩ সাইফুল্লাহ হায়দার
টাংগাইল-৫ মাসুদুর রহমান রাসেল
টাংগাইল-৭ খন্দকার মাসুদ পারভেজ
জামালপুর-৪ ডা. মো. মোশাররফ হোসেন
শেরপুর-১ ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া
শেরপুর-২ খোকন চন্দ্র বর্মণ (আহত)
ময়মনসিংহ-১ মো. আবু রেহান
ময়মনসিংহ-৩ কবি সেলিম বালা
ময়মনসিংহ-৫ মিয়াজ মেহরাব তালুকদার
ময়মনসিংহ-৬ জাবেদ রাসিন
ময়মনসিংহ-৭ অ্যাডভোকেট এ.টি. এম. মাহবুব-উল আলম
ময়মনসিংহ-৯ আশিকিন আলম (রাজন)
ময়মনসিংহ-১১ তানহা শান্তা
নেত্রকোণা-২ ফাহিম রহমান খান পাঠান
নেত্রকোণা-৩ প্রকৌশলী ইফতেখার হোসেন সিদ্দিকী (শামীম)
কিশোরগঞ্জ-২ আবু সাঈদ (সাঈদ উজ্জ্বল)
কিশোরগঞ্জ-৩ শেখ খায়রুল কবির আহমেদ
মুন্সিগঞ্জ-১ আলী নেওয়াজ
মুন্সিগঞ্জ-২ মাজেদুল ইসলাম
ঢাকা-১ মো. রাসেল আহমেদ
ঢাকা-৪ ডা. জাহিদুল ইসলাম
ঢাকা-৫ এস এম শাহরিয়ার
ঢাকা-৭ তারেক আহম্মেদ আদেল
ঢাকা-৯ ডা. তাসনিম জারা
ঢাকা-১১ মো. নাহিদ ইসলাম
ঢাকা-১২ নাহিদা সারওয়ার নিভা
ঢাকা-১৩ আকরাম হুসাইন
ঢাকা-১৫ মেজর (অব) মুহাম্মদ আলমগীর ফেরদৌস
ঢাকা-১৬ আরিফুল ইসলাম আদীব
ঢাকা-১৭ ডা. তাজনূভা জাবীন
ঢাকা-১৮ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী
ঢাকা-১৯ ফয়সাল মাহমুদ শান্ত
ঢাকা-২০ ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ
গাজীপুর-৬ ইঞ্জিনিয়ার ফরহাদ সোহেল
নরসিংদী-১ মো. আবদুল্লাহ আল ফয়সাল
নরসিংদী-২ সারোয়ার তুষার
নরসিংদী-৪ ডা. মো. মামুনুর রহমান জাহাঙ্গীর
নরসিংদী-৫ মো. নাজমুল হক সিকদার
নারায়ণগঞ্জ-৪ অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন
নারায়ণগঞ্জ-৫ আহমেদুর রহমান তনু
রাজবাড়ী-২ সাইয়েদ জামিল (জামিল হিজাযী)
ফরিদপুর-৩ সৈয়দা নীলিমা দোলা
গোপালগঞ্জ-১ প্রলয় কুমার পাল
গোপালগঞ্জ-৩ মো. আরিফুল দাড়িয়া
শরীয়তপুর-১ মো. আব্দুর রহমান
সিলেট-১ এহতেশাম হক
সিলেট-৩ ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ
সিলেট-৪ মো. রাশেল উল আলম
মৌলভীবাজার-৪ প্রীতম দাশ
হবিগঞ্জ-৪ নাহিদ উদ্দিন তারেক
ব্রাক্ষণবাড়িয়া-২ মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি
ব্রাক্ষণবাড়িয়া-৩ মো: আতাউল্লাহ
কুমিল্লা-৪ হাসনাত আবদুল্লাহ
কুমিল্লা-৬ নাভিদ নওরোজ শাহ
চাঁদপুর-১ আরিফুল ইসলাম
চাঁদপুর-২ ইসরাত জাহান বিন্দু
চাঁদপুর-৫ মো মাহাবুব আলম
ফেনী-৩ মোহাম্মাদ আবুল কাশেম
নোয়াখালী-১ ব্যারিস্টার মো. ওমর ফারুক
নোয়াখালী-৫ অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর
নোয়াখালী-৬ আব্দুল হান্নান মাসউদ
চট্রগ্রাম-৬ মহিউদ্দিন জিলানী
চট্রগ্রাম-৮ মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ
চট্রগ্রাম-৯ মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু
চট্রগ্রাম-১০ সাগুফতা বুশরা মিশমা
চট্রগ্রাম-১১ মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ
চট্রগ্রাম-১৩ জুবাইরুল আলম মানিক
চট্রগ্রাম-১৪ মুহাম্মদ হাসান আলী
চট্রগ্রাম-১৫ আবদুল মাবুদ সৈয়দ
চট্রগ্রাম-১৬ মীর আরশাদুল হক
কক্সবাজার-১ মো. মাইমুল আহসাম খান
কক্সবাজার-২ আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন
কক্সবাজার-৪ মুহাম্মদ হোসাইন
খাগড়াছড়ি অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা
রাঙ্গামাটি প্রিয় চাকমা
বান্দারবান মংসা প্রু চৌধুরী
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। পুনর্গঠিত কমিটিতে মো. নাহিদ ইসলামকে আহ্বায়ক ও আখতার হোসেনকে সদস্যসচিব করা হয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দলের অস্থায়ী কার্যালয় ঢাকার বাংলামোটরের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টার থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পুনর্গঠিত কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও হাসনাত আব্দুল্লাহকে। এছাড়াও যুগ্ম আহ্বায়ক করা হয়েছে- অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন, আরিফুল ইসলাম আদীব, ড. আতিক মুজাহিদ, আব্দুল হান্নান মাসউদ, আলী আহসান জুনায়েদ, সারোয়ার তুষার, আকরাম হুসাইন, সালেহ উদ্দিন সিফাত, ডা. মাহমুদা আলম মিতু, নুসরাত তাবাসসুম, মনিরা শারমিন, ব্যারিস্টার সানি আব্দুল হক, মাহবুব আলম, অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম শাহীন ও মাওলানা আশরাফ মাহাদী, সুলতান মোহাম্মদ জাকারিয়া, জাবেদ রাসিন, এহতেশাম হক, দিলশানা পারুল, প্রীতম দাশ, সামান্তা শারমিন, ইসহাক সরকার, তারেক এ আদেল, এ.কে. ফ্লোরা।
সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে, মো. সারজিস আলম ও আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে। এ ছাড়াও যুগ্ম সদস্যসচিব করা হয়েছে আলাউদ্দীন মোহাম্মদ (আন্তর্জাতিক), এস.এম. সাইফ মুস্তাফিজ (কোষাধ্যক্ষ), মো. নিজাম উদ্দিন, নাহিদা সারোয়ার নিভা, ফরিদুল হক, মো. আতাউল্লাহকে।
আন্তর্জাতিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাহসীন রিয়াজ এবং সহ-আন্তর্জাতিক সম্পাদক হয়েছেন আশরেফা খাতুন। দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাদিয়া ফারজানা দিনা এবং সহ-দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন ইফতেখারুল ইসলাম।
আইন সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা। সহ-আইন সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট এরশাদুল বারি ও অ্যাডভোকেট ছেহায়েত উল্লাহ।
প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন জয়নাল আবেদীন শিশির। সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন মেজবাহ কামাল মুন্না ও শাহাদাত হোসেন। শিক্ষা সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন ফয়সাল মাহমুদ শান্ত এবং সহ-শিক্ষা সম্পাদক হয়েছেন সাকিব শাহরিয়ার।
বিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্বে যারা
ঢাকা বিভাগ (উত্তর)-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাইফুল্লাহ হায়দার এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন শওকত আলী। চট্টগ্রাম বিভাগ (দক্ষিণ)-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন এ.এস.এম. সুজাউদ্দীন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন জাওয়াদুল করিম। রাজশাহী বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইমরান ইমন এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন সাকিব মাহাদী। চট্টগ্রাম বিভাগ (উত্তর)-এর সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাজিদ নওরোজ শাহ এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন জাহিদুল ইসলাম সৈকত।
তালিকা অনুযায়ী, রংপুর বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন ডা. মো. কামরুল ইসলাম দর্পণ। এ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মোশাররফ হোসেন। সিলেট বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন প্রকৌশলী কামরুল আরিফ। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নাহিদ উদ্দিন তারেক। খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন শাহরিন ইরা এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মোল্যা রহমতুল্লাহ। বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ড. শামীম হামিদী। এ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন কাজী সালমান। ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মিয়াজ মেহেরাব তালুকদার এবং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন তানহা শান্তা। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ হোসাইন। সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন হাবিবুর রহমান অপু।
ঢাকা বিভাগে সাংগঠনিক সম্পাদক (ডায়াস্পোরা) হিসেবে রাফে সালমান রিফাত, তানজিল মাহমুদ, আয়মান রাহাত ও তারেক রেজার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একই বিভাগে সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন রিদওয়ান হোসেন অক্ষর, আরাফাত হোসেন আলিফ, জসিম উদ্দিন ও আলমগীর চৌধুরী আকাশ।
নারীবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট হুমায়রা নূর। কর্মসূচি ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান। পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সাগুফতা বুশরা মিশমা এবং সহ-পরিবেশ ও জলবায়ু সম্পাদক হয়েছেন এহসানুল মাহবুব জোবায়ের।
স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাডভোকেট মনজিলা ঝুমা। মিডিয়া সম্পাদক হয়েছেন ইয়াসির আরাফাত এবং সহ- মিডিয়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আব্দুল্লাহ আল মামুন। এ ছাড়া ধর্ম সম্পাদক হিসেবে মাওলানা সানাউল্লাহ খান, সহ-ধর্ম সম্পাদক হিসেবে সাগর বড়ুয়া ও জয় বিশ্বাসের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। গণশিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মশিউর রহমান।
সংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে লুৎফর রহমান এবং সহসংস্কৃতি সম্পাদক হিসেবে মেহেরাব সিফাত দায়িত্ব পেয়েছেন। শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন অ্যাডভোকেট আলী নাছের খান। সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে সাইয়েদ জামিল এবং সহসাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবে মাহবুব আলমের নাম রয়েছে তালিকায়। তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক হয়েছেন রাশেল উল আলম এবং সহ-তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন তাওহিদ তানজিম। অন্যদিকে, প্রবাসী কল্যাণবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ব্যারিস্টার নুরুল হুদা জুনেদ।
মানবাধিকার সম্পাদক হিসেবে অ্যাডভোকেট আরমান হোসাইন এবং সহ-মানবাধিকার সম্পাদক হিসেবে খালেদ সাইফুল্লাহ জুয়েল দায়িত্ব পেয়েছেন। সমাজকল্যাণ সম্পাদক করা হয়েছে অ্যাডভোকেট সাকিল আহমাদকে। তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইশতিয়াক আকিব। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে ইঞ্জিনিয়ার নাবিলা তাসনিদ এবং সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক হিসেবে মুনা হাফসাকে রাখা হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন আব্দুল্লাহ আল ফয়সাল এবং সহ-অর্থ ও পরিকল্পনা সম্পাদক হয়েছেন সাইফুল ইসলাম সাইফ।
এ ছাড়া শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হিসেবে মাজেদুর রহমান এবং সহশিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক হিসেবে আব্দুল্লাহ মামুন নিলয় দায়িত্ব পেয়েছেন। সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন সম্পাদক হয়েছেন মো. রাসেল মোল্লা। ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আহনাফ সাইদ খান এবং সহ-ক্রীড়া সম্পাদক হয়েছেন ইমরান নাঈম। জুলাই গণঅভ্যুত্থানবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে তামিম আহমেদ এবং ত্রাণ ও দুর্যোগবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে আবু সাঈদ লিওনকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। যুব ও কর্মসংস্থান সম্পাদক হিসেবে মোহাম্মদ মিরাজ মিয়া এবং সহ-যুব ও কর্মসংস্থান সম্পাদক হিসেবে ওহায়িদুজ্জামান দায়িত্ব পেয়েছেন। মানবসম্পদ উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন ডা. জাহেদুল ইসলাম। প্রশিক্ষণ সম্পাদক হিসেবে এম. এম. শোয়াইব এবং সহ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক হিসেবে জাহিদ আহসানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
দেশের সাতটি ইসলামি দলের সমন্বয়ে আত্মপ্রকাশ করেছে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘সমমনা ইসলামী জোট’। আজ বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর খিলগাঁওস্থ মাখযানুল উলূম মাদরাসায় দলগুলোর শীর্ষ প্রতিনিধিদের এক বৈঠক শেষে জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন।
আগামী ৫ ডিসেম্বর নীতিমালার বৈঠক
মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন জানান, সাতটি ইসলামি দলের যৌথ উদ্যোগে এই জোট গঠন করা হয়েছে। তবে জোটের ভবিষ্যৎ কার্যক্রম ও পরিধি নির্ধারণের লক্ষ্যে আগামী ৫ ডিসেম্বর এক নীতি নির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
জোটে অন্তর্ভুক্ত দলসমূহ
নবগঠিত এই সমমনা জোটে অন্তর্ভুক্ত দলগুলো হলো:
জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক ও নির্বাচনী অবস্থান
জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, ‘বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে জামায়াতের সঙ্গে আমরা রাজপথে থাকলেও জোটগতভাবে এখন এই সাতটি দল এক হয়ে কাজ করবে।’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে অভিযোগ করেন, ‘জামায়াত আমাদের সাথে কোনো পরামর্শ না করেই স্থানীয় নির্বাচনে এককভাবে প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, আমরাও এই সাতটি দল একসাথে আগামী স্থানীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করব।’
তবে জাতীয় ইস্যুতে আন্দোলন-সংগ্রামে সমন্বয় বজায় থাকবে বলে জানান তিনি।
হেফাজতে ইসলামের অবস্থান
এদিকে হেফাজতে ইসলামের মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান জানিয়েছেন, ‘সমমনা ইসলামী দল’ প্ল্যাটফর্মের অধীনে সাতটি দল একসাথে পথ চলতে সম্মত হয়েছে। যেসব দল আগে অন্য কোনো রাজনৈতিক জোটে যুক্ত ছিল, তারাও সেই জোট ত্যাগ করে এই নতুন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হতে একমত পোষণ করেছে।
সাজিদুর রহমান আরও উল্লেখ করেন, দেশ, জাতি ও ইসলামের বৃহত্তর স্বার্থে ইসলামি দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করতে হেফাজতে ইসলাম অনুঘটক হিসেবে ভূমিকা রাখছে। তবে অরাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে হেফাজতে ইসলামের নিজস্ব 'নির্দলীয়' অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
উল্লেখ্য, আগামী ৫ ডিসেম্বরের বৈঠকে জোটের পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা ও নীতিমালা চূড়ান্ত করা হবে। তবে কয়েকটি দলের শীর্ষ নেতারা হুশিয়ারি দিয়েছেন, নীতিমালায় চাপিয়ে দেওয়া কোনো শর্ত থাকলে তারা জোট ছাড়তেও দ্বিধা করবেন না।
ইশরাক হোসেন
প্রধানমন্ত্রী আমাকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে এযাবৎকালের সেরা পরামর্শটি দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। পদত্যাগ করার নির্দেশটি একবাক্যে মেনে নিয়েছেন বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে করা এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
ইশরাক হোসেন বলেন, ‘প্রথমে শাস্তি মনে হয়েছিল কিন্তু সবার আগে তিনিই পরিষ্কার বুঝে ফেলেছিলেন যে একটি গণমাধ্যম ও কমন স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী আমার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী ও ক্ষতিকর একটি পরিকল্পনা সাজিয়ে রেখেছে। পুরো ছক তৈরি করা হয়েছিল, যার মাধ্যমে একটার পর একটা বিধ্বংসী প্রতিবেদন ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে আমার চরিত্র হনন করা হতো এবং আমাকে জনগণের তুমুল সমালোচনার মুখে ফেলা হতো।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমার শুভাকাঙ্খী সিনিয়র নেতৃবৃন্দের সাথে দুরুত্ব তৈরি করে আমাকে একঘরে করে ফেলত। এমন পরিস্থিতি তৈরি করা হতো, যাতে হয়তো আমার রাজনৈতিক জীবনের ইতি টানতে হতো। একই চক্র অতীতে তার বিরুদ্ধে কী ভয়াবহ অন্যায় পরিকল্পনা করেছিল, সেটাও তিনি মনে করিয়ে দিয়েছিলেন।’
ইশরাক নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অন্ধ বিশ্বাস রাখা একজন কর্মী দাবি করে বলেন, ‘আল্লাহর রহমতে দেশনায়ক তারেক রহমান আমাকে ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহের চোখে দেখেন এবং সবসময় আমার জন্যে কোনটা ভালো সেটি চিন্তায় রাখেন। যার প্রমাণ আমি জীবনে বার বার পেয়েছি।’
ইশরাক হোসেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমি একটি কঠিন কাজ শুরু করতে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে সূত্রপাত হওয়া এক ভয়াবহ চক্রান্ত থেকে নিজেকে পাশ কাটিয়ে রক্ষা করতে পেরেছি।’
ফেসবুক পোস্টের শেষাংশে তিনি বলেন, ‘এই কথাগুলো আমি কেবল একটা স্ট্যাটাস দেয়ার জন্য বলছি না। সবাই আমার কথাগুলো দেখবে। আমি শুধু অবাক হয়ে কয়েক দিন আগে বলা তার কথাগুলোর সঙ্গে আজকের পরিস্থিতি মিলিয়ে দেখছি। আর নিজ দলের সুযোগসন্ধানী কেও যদি আঁতাত কারি হয়, প্রমাণ সাপেক্ষে , অনুমতি নিয়েই পা**** চা**** তুলে নিবো। আমরা ঢাকার মানুষ, ক্ষেত খামারির কূটচাল এখানে চলবে না।’
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার
দিল্লির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করছে ক্ষমতাসীন বিএনপি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বিএনপিকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘তারা আওয়ামী লীগকে রাজনীতি করার সুযোগ করে দিচ্ছে।’
বুধবার (২১ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে ১১ দলের শরিক বাংলাদেশ লেবার পার্টির নতুন কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘দেশে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ায় শ্রমিকদের অবস্থা ভালো না। অথচ চাঁদাবাজি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বিরোধী দলকে দায় চাপাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।’
জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘বেতন বৃদ্ধির দাবিতে শ্রমিকরা যে আন্দোলন করছে, আলোচনার মাধ্যমে সরকারের তা মেনে নেওয়া উচিত।’
তিনি অভিযোগ করেন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলে গুম-খুন করা গোয়েন্দা বাহিনী দিয়েই চলছে এ সরকার। ৭ মাসে সরকার লেজে-গোবরে জড়িয়ে গেছে।’
বিএনপি নিজেই তাদের ৩১ দফা মানছে না দাবি করে পরওয়ার বলেন, ‘৯ নম্বর দফার বিপরীতে গিয়ে সব ক্ষেত্রই দলীয়করণ করছে সরকার।’
তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলের গোয়েন্দা বাহিনীর তথ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বক্তব্য দেন। আওয়ামী আমলের পুলিশ এবং গোয়েন্দা বাহিনীর সদস্যের পরিবর্তন করা হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ফ্যাসিস্ট আমলে গুম খুন করা গোয়েন্দা বাহিনী দিয়েই চলছে এ সরকার।’
তিনি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, ‘নিজেদের চাঁদাবাজি, দখলদারি, অপরাধ, মাদক, সন্ত্রাস এবং দুর্নিতিকে ঢাকবার আর কোনো পথ নেই বলে দেশপ্রেমিক বিরোধীদলের ওপর দায় চাপাচ্ছেন।’
ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগকে রাজনীতির সুযোগও সরকার করে দিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, ‘৭ মাসে সরকার লেজে গোবরে জড়িয়ে গেছে।’
বিএনপি নিজেই তাদের ৩১ দফা মানছে না দাবি করে পরোয়ার বলেন, ‘৯ নং দফার বিপরীতে গিয়ে সর্বত্র দলীয়করণ করছে সরকার।’
শ্রমিকদের জীবনধারণ কঠিন হচ্ছে দাবি করে মালিক পক্ষের সঙ্গে কথা বলে শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরির দাবি মেনে নেওয়ার আহবান জানান তিনি।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান
পুলিশের অতিরিক্ত উপমহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) আবদুল্লাহ আল জহিরের মালিকানাধীন বাড়ি থেকে ৮৪ জন নারী-পুরুষ গ্রেপ্তার ও মাদক উদ্ধারের ঘটনায় দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতির অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার রাতে নিজের অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে শফিকুর রহমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং গ্যাস-বিদ্যুৎ সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তাঁর অভিযোগ, জনদুর্ভোগ নিরসন ও অপকর্ম দমনের পরিবর্তে সরকার এখন বিরোধী দলের চরিত্র হননে ব্যস্ত।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াতের আমির লেখেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশে কর্মরত একজন অতিরিক্ত ডিআইজির মালিকানাধীন একটি বাড়ি থেকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে ৮৪ জন নারী-পুরুষকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। একই সঙ্গে বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ পণ্য (মাদক) উদ্ধার করা হয়েছে।’ তিনি আরও লেখেন, ‘এখান থেকেই বোঝা যায়, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কতটা অবনতি হয়েছে। দেশের সর্বত্র আইনশৃঙ্খলাবিরোধী ও অসামাজিক কার্যকলাপের পাশাপাশি চাঁদাবাজির মহোৎসব, ছিনতাই, লুণ্ঠন ও ডাকাতি মারাত্মক আকার ধারণ করেছে।’
পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বাড়িতে এমন ঘটনা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান লেখেন, ‘স্বয়ং পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের অপকর্ম সংঘটিত হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ ও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।’ স্ট্যাটাসের শেষাংশে তরুণদের জাগার আহ্বান জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘হায় সেলুকাস! আমাদের এই বাংলাদেশ! তরুণদের আরেকবার জাগতে হবে।’
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে একই ঘটনার নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ীদের শাস্তি এবং বাড়ির মালিক অতিরিক্ত ডিআইজি আবদুল্লাহ আল জহিরের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।
বিবৃতিতে এহসানুল মাহবুব বলেন, পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মালিকানাধীন বাড়িতে এ ধরনের ঘটনা উদ্বেগজনক ও লজ্জাজনক। ঘটনার নেপথ্যে যাঁরা জড়িত এবং এ ধরনের অপরাধের যাঁরা পৃষ্ঠপোষকতা করেন, তাঁদেরও খুঁজে বের করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান তিনি।
এ ছাড়া মাদকের বিস্তার রোধে সরকার, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সব বিভাগ ও দেশবাসীকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান জামায়াতের এই নেতা।
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ তাদের দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী চেয়েছেন বলেই ইশরাক পদত্যাগ করেছেন।
আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) চট্টগ্রাম সফরে এসে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান।
মাদকবিরোধী অভিযানে ইশরাক হোসেনের অস্ত্র হাতে নেওয়ার বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, মাদক সমাজদেহকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ইশরাকের যা করা দরকার ছিল, তিনি তা করেছেন। ওই অভিযানে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। তবে ইশরাকের হাতে অস্ত্র না থাকলে ভালো হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইশরাকের কাজকে সরাসরি নেতিবাচক বলার সুযোগ নেই। তবে একজন জনপ্রতিনিধি বা প্রতিমন্ত্রী প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র বহন করলে কিংবা কাউকে অস্ত্র দিয়ে লক্ষ্য করলে, তার উদ্দেশ্য ভালো হলেও অন্যরা সেটিকে খারাপ উদ্দেশ্যে ব্যবহারের দৃষ্টান্ত হিসেবে নিতে পারে।
তিনি বলেন, কোনো কাজের উদ্দেশ্য ভালো হলেই সব ক্ষেত্রে সেই কাজের পদ্ধতি গ্রহণযোগ্য হয়ে যায় না। এ ধরনের বিষয় নাগরিক আচরণের দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
মাদক নির্মূলের বিষয়ে জামায়াতের অবস্থান তুলে ধরে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, সংসদে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন পাস হয়েছে। তবে তাদের লক্ষ্য শুধু মাদক নিয়ন্ত্রণে সীমাবদ্ধ নয়, তারা মাদক নির্মূল করতে চান। মাদকের বিস্তার রোধে আইন প্রণয়নের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি।