• প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৯ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৯ পিএম

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৯ পিএম

শ্রমিকদের বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবির প্রেক্ষিতে সৃষ্ট শ্রম অসন্তোষের মধ্যে শিল্পাঞ্চলে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং স্বাভাবিক জনজীবন ও শিল্পকারখানার কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে মোট ২৪ প্লাটুন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।বুধবার (৪ নভেম্বর)  সাভার-আশুলিয়া, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বিজিবি মোতায়েন করা হয়। 


এর মধ্যে সাভারের হেমায়েতপুর, আশুলিয়া ও বাইপাইল এলাকায় ৫ প্লাটুন; গাজীপুরের চৌরাস্তা, ভোগড়া বাইপাস, পোড়াবাড়ি, মাস্টারবাড়ি বিদ্যুৎ এলাকা, তেলিপাড়া, সফিপুর, চন্দ্রা ও কালিয়াকৈর এলাকায় ১৩ প্লাটুন এবং নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, চাষাঢ়া, ঝালকুড়ি ব্রিজ, বিসিক শিল্প এলাকা ও কাঁচপুর ব্রিজ এলাকায় ৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন রয়েছে।


মোতায়েনকৃত বিজিবি সদস্যরা স্থানীয় প্রশাসন ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখা, জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি প্রতিরোধে বিজিবির নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।এছাড়া, শ্রমিক, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে শিল্পাঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও স্বাভাবিক কর্মপরিবেশ বজায় রাখতে বিজিবি পেশাদারত্ব, সংযম ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।



সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:১৩ পিএম

৫৮ হাজার ৮৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা ব্যয় সংবলিত ১৩টি প্রকল্প অনুমোদন করেছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১১টি নতুন এবং দুটি সংশোধিত প্রকল্প। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৫০ হাজার ৪১ কোটি ২০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ থেকে ৭ হাজার ৯৭৪ কোটি ৬৫ লাখ টাকা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন থেকে ৭৩ কোটি ৭ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে।বুধবার (৪ নভেম্বর) প্রধানমন্ত্রী এবং একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত একনেক সভায় এসব প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়।


অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাঁচটি রয়েছে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের। এর মধ্যে রয়েছে  ‘বরেন্দ্র অঞ্চলে নিরাপদ পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন’ প্রকল্প, বরিশাল সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন খালের পাড় সংরক্ষণসহ পুনরুদ্ধার ও পুনঃখনন কাজের প্রথম পর্ব এবং জলবায়ু সহনশীল নগর উন্নয়নে ‘ইনোভেশন ফর ক্লাইমেট স্মার্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট’ প্রকল্প। এ ছাড়া সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প (এসআইডিপি) এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ পল্লী অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধনী অনুমোদন পেয়েছে।


এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২টি প্রকল্প-‘বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য বিশেষায়িত যানবাহন ক্রয়’ এবং ‘বাংলাদেশ পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য অপারেশনাল যানবাহন ক্রয়’ প্রকল্প। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প- ‘ঢাকা সেনানিবাসে মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় ‘বি’ টাইপ অফিসার্স বাসস্থান নির্মাণ’। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঢাকা সেনানিবাসে মঈনুল রোড আবাসিক এলাকায় ‘বি’ টাইপ অফিসার্স বাসস্থান নির্মাণ, জিগাতলাস্থ গাবতলা কলোনীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ প্রকল্প।


গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘জিগাতলাস্থ গাবতলা কলোনীতে সরকারি কর্মচারীদের জন্য বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ’ প্রকল্প। 


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ১টি প্রকল্প ‘দেশের ৫টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ইনস্টিটিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিসিন অ্যান্ড এ্যালায়েড সায়েন্সেস (ইনমাস) স্থাপন’ প্রকল্প। 


শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ‘পঞ্চম প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি ৫) প্রকল্প। 


বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ‘তিতাস গ্যাস ফিল্ডে ২টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ (তিতাস ৩২ ও ৩৩) খনন প্রকল্প’। 


দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের ‘গ্রামীণ রাস্তায় ১৫ মিটার দৈর্ঘ্য পর্যন্ত সেতু/কালভার্ট নির্মাণ প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’ অনুমোদন করা হয়েছে। 


সভায় পরিকল্পনামন্ত্রী কর্তৃক ইতিমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয় সম্বলিত আরও পাঁচটি প্রকল্প সম্পর্কে একনেককে অবহিত করা হয়। এসব প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে দিনাজপুর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও রিসার্চ ইনস্টিটিউটের হৃদরোগ চিকিৎসাসেবার আধুনিকায়ন এবং শিশু-কিশোরসহ দেশের মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিতকরণ।


এ ছাড়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় ট্রাফিক অবকাঠামো উন্নয়ন ও সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের প্রথম সংশোধনী, ঢাকা কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের প্রথম সংশোধনী এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহ প্রকল্পের বিষয়েও সভায় অবহিত করা হয়।


একনেক সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এবং পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:০৩ পিএম

বাংলাদেশে চলমান পোশাকশ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলন ও সার্বিক পরিস্থিতির ওপর ভারত নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাক্ষিক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ ও সাম্প্রতিক ঘটনাবলি নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা জানান তিনি।ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআই-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের অবস্থান স্পষ্ট করেন জয়সওয়াল। তিনি বলেন, আমরা বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছি। সেখানে নানা ঘটনাবলি ঘটছে এবং আমরা সেসব ঘটনার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমরা একটি ইতিবাচক, ভবিষ্যৎমুখী ও গঠনমূলক সম্পর্কের অভিমুখে কাজ করতে চাই।


বাংলাদেশে ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০ হাজার টাকা করার দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের বিক্ষোভ মঙ্গলবার চতুর্থ দিনে গড়ায়। বিশেষ করে ঢাকার মিরপুর এলাকায় সকালে কিছু কারখানা আংশিক চালু হলে শ্রমিকরা রাস্তায় নেমে এলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয় এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।


সংবাদ সম্মেলনে গঙ্গা পানি চুক্তিসহ দ্বিপক্ষীয় নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি উঠে এলে রণধীর জয়সওয়াল জানান, আন্তঃসীমান্ত নদী সংক্রান্ত যেকোনও আলোচনা নির্ধারিত দ্বিপক্ষীয় কাঠামোর মাধ্যমেই পরিচালিত হবে। তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। গঙ্গাসহ সব আন্তঃসীমান্ত নদীর বিষয়ে আলোচনার জন্য এটিই আনুষ্ঠানিক ও কাঠামোবদ্ধ মাধ্যম।এ ছাড়া ঢাকা ও নয়া দিল্লির মধ্যে আসন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের বিষয়ে মুখপাত্র জানান, বাংলাদেশের নেতৃত্বের কাছে ভারতের পক্ষ থেকে একটি স্থায়ী আমন্ত্রণ রয়েছে। জয়সওয়াল বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এই বিষয়ে কোনও নতুন আপডেট থাকলে তা আপনাদের জানানো হবে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৪ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১২:৫৬ এএম

খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শুভ বড়দিন উদযাপনে দুই কোটি টাকা অনুদান চেয়েছিল খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট। তবে আবেদনের চেয়ে এক কোটি টাকা বেশি, অর্থাৎ তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

২ নভেম্বর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এ-সংক্রান্ত সারসংক্ষেপে ৩ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার বিষয়ে অনুমোদন দেন তিনি। 

মূলত, ২৫ ডিসেম্বর খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘শুভ বড়দিন ২০২৬’ উদ্‌যাপন উপলক্ষে ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে এ অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়।

ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো এক সারসংক্ষেপে জানানো হয়, শুভ বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে ধর্মীয় ও সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে বিশেষ অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।

এতে উল্লেখ করা হয়, চলতি ২০২৬ সালেও বড়দিন উপলক্ষে দুই কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ অর্থ খ্রিষ্টান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের অনুকূলে বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর সদয় অনুমোদন চাওয়া হয়। তবে প্রধানমন্ত্রী প্রস্তাবিত দুই কোটি টাকার পরিবর্তে তিন কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার নির্দেশ দেন।

সর্বশেষ সব খবর

মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৭ পিএম

দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, দ্বিতীয় যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ওয়াই-আকৃতিতে নির্মাণ এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতুর ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি।


মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন।


বৈঠকে জানানো হয়, দ্বিতীয় পদ্মা সেতু ও দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা চলছে। আগামী বছরের সেপ্টেম্বরে সমীক্ষা শেষ হওয়ার পর সেতু দুটির অবস্থান, নকশা ও প্রকল্প ব্যয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


দ্বিতীয় পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রে ওয়াই-আকৃতির সংযোগব্যবস্থা নিয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সেতু নির্মিত হলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর যোগাযোগ আরও সহজ হবে। পাশাপাশি মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সঙ্গে বিকল্প যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে উঠবে।অন্যদিকে, দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে।


বৈঠকে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের বিষয়েও আলোচনা হয়। শুষ্ক মৌসুমে পানির সংকট মোকাবিলা, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ব্যারেজের ওপর দিয়ে সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করেন সংশ্লিষ্টরা।


এ ছাড়া প্রকল্পগুলোর অর্থায়ন, জমি অধিগ্রহণ, পুনর্বাসন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়েও আলোচনা হয়।


বৈঠকে সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, রেলপথ এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান উপস্থিত ছিলেন।


এ ছাড়া অর্থসচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, সেতু বিভাগের সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. এ কে এম শাহাবুদ্দিন, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হকসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কর্মকর্তারাও।

সর্বশেষ সব খবর

মো. সাইমুম রেজা তালুকদার। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:২৪ পিএম

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার এক আসামির জামিন পাইয়ে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ১ কোটি টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ ওঠা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার দেশ ছেড়েছেন।

মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

ব্রিফিংয়ে এক সাংবাদিক অভিযোগ তুলে প্রশ্ন করেন, গত ৩১ অক্টোবর সাইমুম রেজা দেশ ছেড়ে ইতালি চলে গেছেন; অথচ আট মাস পেরিয়ে গেলেও তার বিরুদ্ধে গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারেনি। এই দীর্ঘসূত্রতার সুযোগেই তিনি পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেন কি না—এমন প্রশ্নে চিফ প্রসিকিউটর তা সরাসরি নাকচ করে দেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম চলমান এবং তা বর্তমানে একেবারেই শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তিনি দাবি করেন, ট্রাইব্যুনালে যোগদানের এক মাসের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে তার দেশত্যাগের ওপর আদালতের কোনো আনুষ্ঠানিক নিষেধাজ্ঞা না থাকায় তিনি কোথায় যাচ্ছেন বা যাবেন না, সে বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের কোনো পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ ছিল না।

তদন্ত প্রতিবেদনে আট মাস সময় লাগার যৌক্তিকতা তুলে ধরে চিফ প্রসিকিউটর জানান, কমিটির একজন সদস্য দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন, তিনি নিজেও কিছুদিন বিদেশে ছিলেন এবং আরেকজন প্রসিকিউটরের মা মারা যাওয়ায় তিনি দীর্ঘদিন অনুপস্থিত ছিলেন। এসব নানা বাস্তব জটিলতার কারণেই তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বিলম্ব হয়েছে। তবে খুব দ্রুতই আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ঘুষ চাওয়া এবং দেওয়া দুটোই সমান অপরাধ; ফলে যারা ঘুষের প্রস্তাব নিয়ে এসেছিলেন, তারাও সমভাবে দায়ী।

ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় চট্টগ্রাম শহরে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় গ্রেপ্তার হন সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী। তাকে জামিনে মুক্ত করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরিবারের কাছে ১ কোটি টাকা ঘুষ দাবি করেন তৎকালীন প্রসিকিউটর মো. সাইমুম রেজা তালুকদার।

এ বিষয়ে গত ১০ মার্চ একটি যৌথ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে প্রথম আলো ও নেত্র নিউজ।

প্রতিবেদন প্রকাশের ঠিক আগের দিন অর্থাৎ গত ৯ মার্চ পদত্যাগ করেন সাইমুম রেজা তালুকদার। প্রতিবেদনটি প্রকাশের দিনই অভিযোগ তদন্তে চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করেছিল ট্রাইব্যুনাল কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১১:১২ পিএম

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আগামী ৭ নভেম্বর ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী সব যানবাহনের জন্য ছয় ঘণ্টা টোল মওকুফের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।


ওই দিন সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে চলাচলে কোনো টোল দিতে হবে না। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জনসাধারণের সুবিধার্থে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ছয় ঘণ্টার জন্য টোলমুক্ত রাখা হবে।


এ সময়ে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী কোনো যানবাহনকেই টোল পরিশোধ করতে হবে না। 

সর্বশেষ সব খবর