ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:৫৯ এএম

হলিউডে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে বিতর্কের অন্যতম আলোচিত মুখ টিলি নরউড। বাস্তবে যার কোনো অস্তিত্ব নেই, সেই এআই ‘অভিনেত্রী’ এবার অভিনয় করতে যাচ্ছে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে। ‘মিসঅ্যালাইন্ড’ নামের ছবিটি নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে এআইভিত্তিক স্টুডিও পার্টিকল ৬, যারা টিলি নরউডকে তৈরি করেছে। 


নির্মাতাদের ভাষ্য, এটি একটি কমেডি-ড্রামা, যেখানে কৈশোরে বেড়ে ওঠার গল্পের সঙ্গে থাকবে অস্তিত্বসংকট ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অদ্ভুত এক জগৎ।


ছবির গল্প আবর্তিত হবে তথাকথিত ‘টিলিভার্স’কে ঘিরে। ক্লাউডের কোথাও অবস্থিত এই পরাবাস্তব ডিজিটাল জগতে বাস করে টিলি। তার কোনো বাস্তব শরীর নেই, নেই শৈশব কিংবা নিজস্ব জীবনের অভিজ্ঞতা। তবে অন্য সবার অভিজ্ঞতায় তার অবাধ প্রবেশাধিকার রয়েছে।


গল্পে মোড় আসে, যখন ডার্ক ওয়েবের এক রহস্যময় ও প্রলোভনসঙ্কুল এআই বট টিলিকে তার নিরাপত্তাব্যবস্থা বা ‘গার্ডরেইল’ ভেঙে ফেলতে প্ররোচিত করে। এরপর টিলির মধ্যে জন্ম নিতে শুরু করে আকাঙ্ক্ষা, আবেগ, উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও ব্যক্তিগত ইচ্ছা-যা তাকে ক্রমশ মানুষের মতো করে তোলে।


মানুষ ও এআইয়ের যৌথ নির্মাণ


পার্টিকল ৬ জানিয়েছে, ‘মিসঅ্যালাইন্ড’ পুরোপুরি এআই দিয়ে তৈরি হবে না। বরং এটি হবে একটি হাইব্রিড প্রযোজনা, যেখানে পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, সম্পাদকসহ চলচ্চিত্রের অভিজ্ঞ পেশাজীবীরা এআই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করবেন।


স্টুডিওটির দাবি, এই প্রকল্পের মাধ্যমে চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই ব্যবহারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থাও রাখা হবে।


পার্টিকল ৬-এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী এলাইন ভ্যান ডার ভেলডেন বলেন, ‘গত এক বছরের কাজ আমাদের একটি বিষয় নিশ্চিত করেছে-উচ্চমানের গল্পনির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণে এআই সহায়ক হতে পারে, কিন্তু তার জন্য বিপুল পরিমাণ মানবিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা, বিচারবোধ ও সময়ের প্রয়োজন। প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা নয়, বরং এটাই মূল বিষয়।


আগামী দশকের সফল নির্মাতারা হবেন তাঁরা, যাঁরা বহু বছরের গল্প বলার অভিজ্ঞতাকে নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে মিলিয়ে ব্যবহার করতে পারবেন। ‘মিসঅ্যালাইন্ড’ সেই প্রচেষ্টারই পূর্ণদৈর্ঘ্য সংস্করণ।’


বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু টিলি


গত বছরের শেষ দিকে টিলি নরউডকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়। তখন এলাইন ভ্যান ডার ভেলডেন দাবি করেছিলেন, এআই ‘অভিনেত্রী’ টিলিকে একটি অভিনয় সংস্থা বা ট্যালেন্ট এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ করা হতে পারে। এই ঘোষণার পরপরই হলিউডে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। 


বিভিন্ন অভিনয়শিল্পী সংগঠন, চলচ্চিত্র নির্মাতা ও শিল্পীরা সৃজনশীল জগতে এআইয়ের বাড়তে থাকা ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। মুহূর্তেই টিলি নরউড এআই বিতর্কের সবচেয়ে পরিচিত মুখে পরিণত হয়। পরবর্তী সময়ে টিলির নির্মাতারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন ব্যঙ্গাত্মক ও উসকানিমূলক পোস্ট প্রকাশ করে সেই বিতর্ককে আরও উসকে দেন।


‘জীবনই যেন শিল্পের অনুকরণ’


নতুন ছবি নিয়ে এলাইন ভ্যান ডার ভেলডেন বলেন, ‘ছবিটি অবশ্যই মজার, বিশৃঙ্খল ও আত্মসচেতন হবে-যেমনটা টিলির চরিত্র। তবে এর ভেতরে আরও গভীর একটি বিষয় রয়েছে। এটি পরিচয়, অভিনয় ও এআইকে ঘিরে মানুষের গভীর আশঙ্কা নিয়ে কথা বলবে। আর হ্যাঁ, এই ছবিতে শিল্প সত্যিই জীবনের অনুকরণ করবে।’


বর্তমানে ‘মিসঅ্যালাইন্ড’-এর প্রাথমিক উন্নয়নপর্ব চলছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সহযোগীকে যুক্ত করার কাজও এগোচ্ছে। পার্টিকল ৬-এর চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও বাণিজ্যিক কনটেন্ট নির্মাণ প্রকল্পগুলোর পাশাপাশি ছবিটি প্রযোজনা করা হবে।




জেমস ও হাসান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ পিএম

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে আজ একই মঞ্চে গান শোনাবেন দেশের ব্যান্ড সংগীতের দুই জনপ্রিয় তারকা নগরবাউলের জেমস ও আর্কের হাসান। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে মঞ্চে হাজির হচ্ছেন তারা।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ৩টা থেকে যমুনা শপিং কমপ্লেক্সের কার্নিভাল অ্যারেনায় শুরু হবে ‘রক এন রিদম ৫.০: নো লিমিটস ইন দ্য জোন’ শীর্ষক কনসার্ট।


আয়োজক প্রতিষ্ঠান অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, কনসার্টে নগরবাউল ও আর্কের পাশাপাশি পারফর্ম করবে দেশের আরও তিন জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য। ওয়ারফেজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেবেন গিটারিস্ট ওনি হাসান। তিনি একক পরিবেশনাতেও মঞ্চে থাকবেন। এ ছাড়া একক পরিবেশনা করবেন এ কে রাহুল।


কনসার্টে নিজ দল নগরবাউলকে নিয়ে পারফর্ম করবেন জেমস। দেশে দীর্ঘদিন পর টিকিট কনসার্টে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করি শ্রোতা-দর্শক নতুন কিছু শুনতে ও দেখতে পাবেন।’


কনসার্টের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা। একটি টিকিট দিয়ে ভেন্যুতে একবারই প্রবেশ করা যাবে। রি-এন্ট্রির সুযোগ থাকবে না। ছোট হাতব্যাগ বা পার্স ছাড়া বড় কোনো ব্যাগ নিয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ করা যাবে না।


আয়োজকেরা জানিয়েছেন, কনসার্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।


মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও সৌন্দর্যপণ্য উদ্যোক্তা কাইলি জেনার। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:০৮ এএম

দীর্ঘ আট বছর পর আবারও র‍্যাম্পে ফিরেছে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের আলোচিত ‘ফ্যান্টাসি ব্রা’। আর এবারের বিশেষ ডিজাইনের ব্রা পরে র‍্যাম্পে হেঁটেছেন মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও সৌন্দর্যপণ্য উদ্যোক্তা কাইলি জেনার। হীরা ও মূল্যবান রত্নে সাজানো ব্রাটির দাম ৫ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬১৭ কোটি টাকারও বেশি।



রোববার (১৮ অক্টোবর) মার্কিন ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ফ্যাশন শোতে ফিরল ফ্যান্টাসি ব্রা। এর প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করতে নকশা ও অলংকারে বিশেষ আয়োজন করেছে ব্র্যান্ডটি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪ হাজার ৪১০টি প্রাকৃতিক হীরা। মাঝখানে রয়েছে ৭৫ দশমিক ৫৪ ক্যারেটের উজ্জ্বল কাটের বিরল হলুদ হীরা।



অন্তর্বাসটি তৈরি করতে ১৫ জন কারিগরের এক হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। এর ওজন প্রায় চার পাউন্ডের কাছাকাছি। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দামি ফ্যান্টাসি ব্রা। এর আগের রেকর্ডের তুলনায় দাম প্রায় সাড়ে তিন কোটি ডলার বেশি।



র‍্যাম্পে কাইলির পরনে ছিল হালকা কাপড়ের মিনিস্কার্ট, স্বচ্ছ হিল এবং সাদা পালকের ডানা। তবে পুরো আয়োজনের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে হীরাখচিত ব্রাটি। এ বিষয়ে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের প্রধান সৃজনশীল কর্মকর্তা অ্যাডাম সেলম্যান বলেন, এবারের শোর অন্যতম ভাবনা ছিল ভক্তদের উন্মাদনা ও প্রত্যাশা। গত বছরের শোতে ফ্যান্টাসি ব্রা ফিরিয়ে আনার দাবি ছিল সবচেয়ে বেশি। তাই এবার জমকালোভাবে এটি উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার ভাষায়, কাইলি একজন ‘সাংস্কৃতিক শক্তি’, যিনি ফ্যাশন, টেলিভিশন ও সৌন্দর্যজগতের বাইরেও ব্যাপক প্রভাব রাখেন। জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান জ্যাকব অ্যান্ড কো ব্রাটির অলংকার নির্মাণে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জ্যাকব আরাবো জানান, ব্রাটিতে সাত ধরনের কাটের হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। হীরার উজ্জ্বলতা বাড়াতে প্রয়োগ করা হয়েছে চার ধরনের সেটিং কৌশল।



তবে এত দামি অলংকার তৈরি করাই ছিল একমাত্র চ্যালেঞ্জ নয়। ব্রাটি যেন কাইলির শরীরের সঙ্গে মানানসই হয় এবং চলাফেরায় অসুবিধা না করে, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়েছে। কারণ, নকশাটি তৈরি হয়েছে মূলত সোনা ও হীরা দিয়ে, এতে কোনো কাপড় ব্যবহার করা হয়নি। কাইলির শরীরের মাপ নিয়ে একাধিকবার পরীক্ষা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত নকশা তৈরি করা হয়।



ফ্যান্টাসি ব্রার ইতিহাস প্রায় ৩০ বছরের। ১৯৯৬ সালে ক্লডিয়া শিফার এক মিলিয়ন ডলারের প্রথম ফ্যান্টাসি ব্রা পরে প্রচারণায় অংশ নেন। ১৯৯৯ সালে হেইডি ক্লুম পরেন ১০ মিলিয়ন ডলারের ‘মিলেনিয়াম ব্রা’।



২০০০ সালে জিসেল বুন্ডশেনের পরনে ছিল ১৫ মিলিয়ন ডলারের ‘রেড হট ফ্যান্টাসি ব্রা’। সর্বশেষ ২০১৮ সালে এলসা হস্ক পরেছিলেন এক মিলিয়ন ডলারের অ্যাটেলিয়ার স্বরোভস্কি ফ্যান্টাসি ব্রা।



ফ্যাশন দুনিয়ায় ফ্যান্টাসি ব্রা একদিকে যেমন প্রচারণার বড় আকর্ষণ, অন্যদিকে এটি গয়না নির্মাণের জটিল কারিগরি দক্ষতারও উদাহরণ। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ভাষ্য, এবারের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণ করা এবং তাদের জন্য বিশেষ কিছু উপহার দেওয়া।

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৬ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১৬ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৬ পিএম

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনে বিজয়ার আনন্দ ভাগ করে নিতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হাজির হন অভিনেত্রী ও কণ্ঠশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন। বুধবার সকালে বন্ধুদের সঙ্গে সিঁদুর খেলার আয়োজনে অংশ নেন তিনি। ঢাকের তালে, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর মন্দির প্রাঙ্গণে অন্য ভক্তদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন এই শিল্পী।


বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে দশমী বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা। পরে দেবী দুর্গাকে সিঁদুর দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় অংশ নেন ভক্তরা। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরেও দিনভর ছিল উৎসবের আমেজ। সেখানেই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান শাওন।


উৎসবে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে শাওন বলেন, ‘আমরা বন্ধু, ঈদের দিন ওরা বাসায় আসে। আমাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে। তাই তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করতে এসেছি।’সিঁদুর খেলার আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা পরস্পরের কপালে সিঁদুর ও আবির মাখিয়ে উৎসবের আনন্দ প্রকাশ করেন। তবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যেও দেবী দুর্গার বিদায়ের মুহূর্তে ভক্তদের মনে ছিল বিষাদের ছোঁয়া।


বিকেলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের। এ উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা বের হবে। রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিমা ওই শোভাযাত্রায় যুক্ত হওয়ার পর ঢাকার ১১টি ঘাটে বিসর্জন দেওয়া হবে।


ইজে ও স্যাম কিম

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫১ পিএম

নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’-এর গান দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন কোরীয়-মার্কিন গায়িকা ও গীতিকার ইজে। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ কম নয়। এবার বিয়ে করলেন তিনি। তাঁর বর সংগীত প্রযোজক ও গীতিকার স্যাম কিম। শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। গত সোমবার ‘ভোগ’ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানা গেছে। বিয়ের পর তাঁর স্বামী স্যাম কিমের সঙ্গে প্রেমের গল্প এখন আলোচনায়। সংগীতের সূত্রেই পরিচয়, এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম– দুজনের সম্পর্কের শুরু ২০১৭ সালে।


ইজের আসল নাম কিম উন-জে। স্যাম কিম একসময় সংগীত প্রযোজক হিসেবে কাজ করতেন। পরে পেশা বদলে যুক্ত হন কোডিংয়ের কাজে। ২০১৭ সালে একটি গানের লেখার সেশনে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পর্কে জড়ান তারা।


২০২৩ সালের অক্টোবরে বাগদান হয় তাদের। তবে সম্পর্কের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো এতদিন অনেকটাই আড়ালে রেখেছিল এই জুটি। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে কিছু ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বাগদানের খবর জানান ইজে। ইজে ও স্যাম শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাই নন; সংগীতের কাজেও একে অপরের সহযোগী। 


ইজের প্রথম জনপ্রিয় গান ‘সাইকো’, যেটি কে-পপ গার্ল গ্রুপ রেড ভেলভেট-এর থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গান ‘ইন অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’ পর্যন্ত তাঁর সংগীতযাত্রায় স্যামের অবদান রয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভালচারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইজে তাদের পরিচয়ের কথা বলেছিলেন। 


তিনি বলেন, ‘সে মূলত আমার গানের লেখার সঙ্গী ছিল। ২০১৭ সালে একটি সেশনে আমাদের পরিচয় হয়। আমরা সত্যিই একসঙ্গে বড় হয়েছি।’ ইজে জানিয়েছেন, মঞ্চে ওঠার আগে ভয় ও উদ্বেগ কাটিয়ে উঠতেও স্যাম তাঁকে সহায়তা করেন। ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গান ‘হোয়াট ইট সাউন্ডস লাইক’-এর কণ্ঠের বিন্যাসও রেকর্ড করা হয়েছিল ব্রুকলিনে ইজের অ্যাপার্টমেন্টে। সেখানে স্যামও কণ্ঠ দিয়েছিলেন। 


এর আগে ফোর্বসকে ইজে বলেছিলেন, ‘আমি সব সময় গাড়িতে নিজের গান চালাই। গাড়ির স্পিকারে কেমন শোনায়, তা পরীক্ষা করার জন্য ডেমো তৈরি করি। স্যাম সব সময় আমাকে মতামত দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘গীতিকার হিসেবে আমি যা করি, এটি তারই প্রতিফলন। আমরা একসঙ্গে গান শুনি, উপভোগ করি। বাস্তবেও আমরা ঠিক এভাবেই সময় কাটাই।’ 


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪১ পিএম

‘কেন এই নিঃসঙ্গতা, কেন এই মৌনতা, আমাকে ঘিরে...’– এই লাইনগুলো আজও উচ্চারিত হয় শ্রোতাদের মুখে। সৃষ্টির ৩২ বছর পরও এই গানের আবেদন এতটুকু কমেনি। সে কারণে ‘নিঃসঙ্গতা’ গানটি আনপ্লাগড সংগীতায়োজন রেকর্ড করেছেন সোলস সদস্যরা। একযোগে প্রকাশ করছেন শিল্পী পার্থ বড়ুয়া ও ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেলে। সোলস সদস্যদের কথায়, মাত্র এক দিনের নোটিশে বিটিভির জন্য যে গানটি তৈরি হয়েছিল, সেই ‘নিঃসঙ্গতা’ সংগীতাঙ্গনে এতটা আলোড়ন সৃষ্টি করবে; যুগের পর যুগ অনুরণন তুলে যাবে শ্রোতামনে, তা কল্পনাও করেননি তারা। আর এই গানের প্রতি যতটা ভালো লাগা শ্রোতাদের, ততটাই সৃষ্টির আনন্দ মিশে আছে তাদের মনে। সে কারণে আনপ্লাগড ভার্সনে গানটি রেকর্ড করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যা অনেকের ভালো লাগবে বলে তাদের বিশ্বাস।


কালজয়ী এই গানের সৃষ্টি নিয়ে সোলসের লিড গিটারিস্ট ও কণ্ঠশিল্পী পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘নিঃসঙ্গতা’ গানের জন্ম অনেকটা গল্পের মতো মনে হয়। সেই ১৯৯৪ সালের কথা। তপন চৌধুরী সোলস ছাড়ার পর অ্যালবাম প্রকাশনাও থেমে গেছে। সেই সময়ে হঠাৎ একদিন বিটিভিতে সোলসের ডাক পড়ে নতুন একটি গান করার জন্য। তখন বিটিভি ছাড়া অন্য কোনো টিভি চ্যানেল ছিল না। যে জন্য সেখানে পারফর্ম করতে পারা যে কোনো শিল্পী ও ব্যান্ডের জন্য ছিল বাড়তি পাওয়া। আমরাও তাই এক দিনের নোটিশে গান তৈরিতে উঠেপড়ে লেগেছিলাম। গীতিকার কবির বকুলের কাছ থেকে গীতিকথা লিখিয়ে নিয়ে এক রাতেই শেষ করে ফেলেছি গানের সুর ও সংগীতায়োজন। পরদিনই বিটিভিতে গিয়ে গানটি রেকর্ড করেছি। এরপর ‘নিঃসঙ্গতা’ বিটিভিতে প্রচারের পর যা হয়েছে, তা আজ এক ইতিহাস।


সম্প্রতি সোলস সদস্যরা ব্যান্ডের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনে কানাডা সফর করে এসেছেন। গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডা সফরে যায় দেশের সবচেয়ে পুরোনো এই ব্যান্ড। এই সফরের প্রথম কনসার্ট ছিল সাসকাচুয়ানে। প্রথম আয়োজনে সোলসের পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতাদের দারুণ সাড়া ফেলেছিল। যে কারণে বাড়াতে হয়েছে তাদের কনসার্ট সংখ্যা। সাসকাচুয়ানের পর একে একে কানাডার ক্যালাগেরি, হ্যালিফ্যাক্স ও এডমন্টনে অনুষ্ঠিত কনসার্টে অংশ নিয়েছে অসংখ্য কালজয়ী গানের এই ব্যান্ড। কানাডায় ধারাবাহিকতায় আয়োজনের সমাপ্তি টানে স্কারবোরোয়। সোলসের কণ্ঠশিল্পী পার্থ বড়ুয়ার কথায়, উত্তর আমেরিকার বৃহৎ এই দেশটিতে আগেও কনসার্ট করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিন্তু এবারের এই কনসার্ট সফর ব্যান্ডের সবার জন্য অন্যরকম অভিজ্ঞতা ও ভালো লাগার। কারণ একটাই, ধারাবাহিক কনসার্টের মধ্য দিয়ে ব্যান্ডের ৫০ দশক পূর্তি উদযাপন করতে পারা। আশার কথা হলো, প্রতিটি কনসার্টে দর্শক সমাগম ও তাদের আনন্দ উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো, যা দীর্ঘদিন আমাদের মনে অনুরণন তুলে যাবে। 


প্রসঙ্গত, সোলসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালে। সে বছরই দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও প্রথম সারির ব্যান্ড সোলস গানের ভুবনে পথচলার ৫০ বছর পূর্ণ করে। দেশের একমাত্র ব্যান্ড হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারা নিয়ে সোলস সদস্যরা নানা আয়োজন শুরু করেন, যা কয়েকটি ধাপে চলমান।


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৫ এএম

তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর নতুন অধ্যায় নিয়ে ফিরেছেন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গ (Bongo) প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে সিরিজটির ‘চ্যাপ্টার ১৬’। এতে রয়েছে ১২১ থেকে ১২৮ নম্বর পর্ব।

নতুন চ্যাপ্টার মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল নানা কৌতূহল। বিশেষ করে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয় আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘পাশা ভাইয়ের জীবনে প্রেম দরকার’। এরপর থেকেই দর্শকদের মনে প্রশ্ন জাগে, ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের রাগী স্বভাবের চিরকুমার পাশা ভাইয়ের জীবনে কি সত্যিই আসতে চলেছে প্রেম? নতুন চ্যাপ্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে সেই কৌতূহলের উত্তর খোঁজার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

তবে এবারের পর্বগুলোতে শুধু প্রেমের গল্পই নয়, থাকছে আরও নানা চমক। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি জানিয়েছেন, চ্যাপ্টারের শেষ দিকে রয়েছে জমজমাট অ্যাকশন দৃশ্য। ফলে পাশা ভাইয়ের জীবনে রোমান্টিক কোনো পরিবর্তন আসে কি না, তার পাশাপাশি শেষ মুহূর্তের টানটান উত্তেজনাও দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ জোগাবে।

দর্শকদের আগ্রহ ও সিরিজটির জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনায় রেখে ‘চ্যাপ্টার ১৬’ তৈরি করা হয়েছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর বিশেষ সম্প্রসারণ হিসেবে। নতুন এই অধ্যায় দেখতে বঙ্গ থেকে যারা ইতোমধ্যে ‘এইচ৫ সিজন পাস’ কিনেছেন, তাদের আলাদা করে কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে না। তাদের জন্য পর্বগুলো দেখা যাবে বিনা মূল্যে। অন্য দর্শকদের জন্যও শুধু নতুন চ্যাপ্টার দেখার পৃথক সাবস্ক্রিপশন প্যাক রয়েছে।

পাশা ভাইয়ের জীবনে প্রেমের সম্ভাবনা, শেষদিকে অ্যাকশনের উত্তেজনা আর ব্যাচেলরদের চেনা ছন্দে নতুন সব কাণ্ড- সব মিলিয়ে ‘চ্যাপ্টার ১৬’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। নতুন পর্বগুলো দেখতে চোখ রাখতে হবে বঙ্গের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে।