সিনেমায় রণবীর সিং

  • প্রকাশ : শনিবার ৩০ মে, ২০২৬, সময় : ১২:৪০ এএম

বলিউডে বড় আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছেন অভিনেতা রণবীর সিং। হিন্দি চলচ্চিত্রশিল্পের উল্লেখযোগ্য সংগঠন ফেডারেশন অব ওয়েস্টার্ন ইন্ডিয়া সিনে এমপ্লয়িজ (এফডব্লিউআইসিই) তাঁর বিরুদ্ধে ‘নন-কো-অপারেশন ডিরেকটিভ’ বা অসহযোগিতা নির্দেশ জারি করেছে। অর্থাৎ বিভিন্ন ইউনিয়নের সদস্যদের রণবীরের সঙ্গে কাজ না করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ঘটনার সূচনা হয় ‘ডন ৩’ সিনেমাকে কেন্দ্র করে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে তা বলিউডে ক্ষমতা, চুক্তি, তারকাখ্যাতি এবং শ্রমিকসংগঠনের প্রভাবের জটিল দ্বন্দ্বে রূপ নিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, বলিউডে একজন সুপারস্টার কতটা স্বাধীন? আবার শিল্পের শ্রমিকসংগঠনগুলো কোথায় তাদের ক্ষমতা শেষ করবে?


বিতর্কের শুরু যেখানে

সবকিছু শুরু হয় ফারহান আখতার পরিচালিত ও প্রযোজিত ‘ডন ৩’ সিনেমা দিয়ে। শাহরুখ খানের পর নতুন ‘ডন’ হিসেবে রণবীর সিংয়ের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই সিনেমাটি নিয়ে প্রচুর আগ্রহ ছিল। কিন্তু হঠাৎই খবর আসে, রণবীর এ প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নির্মাতাদের থেকে অনুরূপ তথ্য আসে, তাঁর এ সিদ্ধান্তে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। শুটিংয়ের পরিকল্পনা, সেট নির্মাণ, আন্তর্জাতিক সূচি—সবকিছুই নতুন করে সাজাতে হচ্ছে। এরপরই বিষয়টি এফডব্লিউআইসিইয়ের কাছে পৌঁছে যায়। সংগঠনটির সভাপতি অশোক পণ্ডিত দাবি করেন, নির্মাতাদের অভিযোগের পর তাঁরা রণবীরের বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করেছিলেন। কিন্তু রণবীর প্রথমে নীরব ছিলেন। পরে তাঁর পক্ষ থেকে ই-মেইলে জানানো হয়, এটি একটি চুক্তিভিত্তিক বিরোধ, তাই এফডব্লিউআইসিইয়ের এখতিয়ারে পড়ে না। এ জবাবে ক্ষুব্ধ হয় সংগঠনটি।


কতটা শক্তিশালী এফডব্লিউআইসিই 

বলিউডের বাইরের দর্শকদের কাছে এটি খুব পরিচিত না হলেও এফডব্লিউআইসিই ভারতীয় চলচ্চিত্রশিল্পে অত্যন্ত শক্তিশালী। মেকআপ আর্টিস্ট, লাইটম্যান, স্পটবয়, ক্যামেরা ইউনিট, জুনিয়র আর্টিস্ট, টেকনিশিয়ান—চলচ্চিত্রের প্রায় সব ধরনের কর্মীদের ৩৮টি ইউনিয়ন দিয়ে গঠিত এই ফেডারেশন। অর্থাৎ একটি সিনেমা বানাতে যে বিশাল কর্মী বাহিনী লাগে, তাদের বড় অংশই এফডব্লিউআইসিইয়ের আওতায়। ফলে তারা যদি কোনো শিল্পীর বিরুদ্ধে অসহযোগিতার নির্দেশ দেয়, তাহলে সেই শিল্পীর জন্য নতুন সিনেমার কাজ করা কঠিন হয়ে যায়।


‘নিষেধাজ্ঞা’ না ‘চাপ প্রয়োগ’?

এফডব্লিউআইসিই আনুষ্ঠানিকভাবে রণবীরের বিরুদ্ধে ‘নন-কো-অপারেশন ডিরেক্টিভ’ জারি করার পর মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে, রণবীর সিং ‘নিষিদ্ধ’ হয়েছেন। তবে আইনি দিক থেকে বিষয়টি এতটা সরল নয়। ভারতের আইন অনুযায়ী, এফডব্লিউআইসিই কোনো আদালত নয়। তারা কাউকে আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করতে পারে না; বরং ট্রেড ইউনিয়নের চাপ প্রয়োগের মতো। সংগঠনটি তাদের সদস্যদের নির্দেশ দিতে পারে, কিন্তু কোনো অভিনেতাকে অভিনয় থেকে আইনিভাবে আটকাতে পারে না। এ কারণেই রণবীরের পক্ষ থেকেও দাবি করা হয়েছে, চুক্তিভঙ্গ বা আর্থিক ক্ষতির অভিযোগ আদালত বা সালিসি ব্যবস্থার বিষয়—এফডব্লিউআইসিইয়ের নয়। তবু বাস্তবতা হলো, বলিউডে শ্রমিকসংগঠনগুলোর প্রভাব বিশাল। তাই আইনি ক্ষমতা সীমিত হলেও শিল্পে তাদের সামাজিক ও পেশাগত চাপ কার্যকর হয়ে ওঠে। রণবীরের নীরবতা ও পরে প্রতিক্রিয়া পুরো বিতর্কে দীর্ঘ সময় নীরব ছিলেন রণবীর সিং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।


শেষ পর্যন্ত রণবীর সিংয়ের মুখপাত্র একটি বিবৃতি দেন। সেখানে বলা হয়, ‘রণবীর সিং চলচ্চিত্র অঙ্গন এবং “ডন” ফ্র্যাঞ্চাইজির সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাশীল। সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবে নীরব থেকেছেন। কারণ, তিনি বিশ্বাস করেন, পেশাগত আলোচনা ও ব্যক্তিগত সম্পর্ক মর্যাদা, পরিপক্বতা ও পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে সামলানো উচিত।’ বিবৃতিতে আরও বলা হয়, নানা গুঞ্জন ও জল্পনা তৈরি হলেও রণবীর কখনোই প্রকাশ্যে পাল্টা প্রতিক্রিয়া দেওয়াকে প্রয়োজন মনে করেননি। তাঁর মনোযোগ এখন শুধু কাজ এবং ভবিষ্যৎ প্রতিশ্রুতিগুলোর দিকে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল শেষের বার্তা—‘তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি শ্রদ্ধা ও শুভকামনা রাখেন এবং “ডন” ফ্র্যাঞ্চাইজির ভবিষ্যৎ সাফল্য কামনা করেন। এমন পরিস্থিতিতে সংযম ও সৌজন্য বজায় রাখা সব সময়ই তাঁর সচেতন সিদ্ধান্ত ছিল।’ এ বক্তব্য অনেকের কাছে ‘সমঝোতার ইঙ্গিত’ হিসেবেও দেখা হয়েছে।


বলিউডে নতুন বিতর্ক: তারকা বনাম সংগঠন

এ ঘটনা নতুন করে একটি পুরোনো প্রশ্ন সামনে এনেছে—বলিউডে প্রকৃত ক্ষমতা কার হাতে? একদিকে তারকারা কোটি কোটি রুপির প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু; অন্যদিকে চলচ্চিত্র নির্মাণ পুরোপুরি নির্ভর করে বিশাল কর্মী বাহিনীর ওপর। তাই একজন সুপারস্টারও বাস্তবে একা নন। বলিউড বিশ্লেষকদের মতে, এফডব্লিউআইসিইয়ের এ পদক্ষেপ শুধু রণবীরকে ঘিরে নয়; বরং এটি পুরো শিল্পের জন্য একটি বার্তা—বড় তারকারাও সংগঠনকে এড়িয়ে যেতে পারবেন না। আবার অনেকে বলছেন, এটি তারকাদের ওপর অযৌক্তিক চাপ তৈরি করতে পারে। কারণ, যেকোনো চুক্তিগত বিরোধকে যদি শ্রমিকসংগঠন ‘নৈতিক ইস্যু’ হিসেবে তুলে ধরে, তাহলে তা শিল্পের স্বাধীনতার জন্যও প্রশ্ন তৈরি করে।


বড় অনিশ্চয়তায় ‘ডন ৩’

সবচেয়ে বড় অনিশ্চয়তা এখন ‘ডন ৩’–কে ঘিরে। নির্মাতা ফারহান আখতার এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন অভিনেতার নাম ঘোষণা করেননি। তবে বলিউডে গুঞ্জন চলছে, নতুন করে কাস্টিংয়ের প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে। প্রশ্ন উঠেছে, এত বড় বিতর্কের পর ছবিটির শুটিং ও মুক্তির সময়সূচি কতটা প্রভাবিত হবে। কারণ, বড় বাজেটের আন্তর্জাতিক লোকেশনভিত্তিক সিনেমায় সময় নষ্ট মানেই বিপুল আর্থিক ক্ষতি। এ বিতর্কের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে রণবীরের আসন্ন সিনেমায়। পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক ঘরানার নতুন সিনেমায় দেখা যাবে অভিনেতাকে। জয় মেহতা পরিচালিত সিনেমাটি প্রযোজনা করেছেন হংসল মেহতা। আগামী আগস্টে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু যদি এফডব্লিউআইসিইয়ের নির্দেশ কার্যকর থাকে, তাহলে ইউনিট গঠন, টেকনিশিয়ান নিয়োগ কিংবা শুটিং ব্যবস্থাপনায় জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও বলিউডে এর আগেও এমন অসহযোগিতা নির্দেশ দেখা গেছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হয়েছে।


নতুন বিতর্ক

রণবীরকে ঘিরে বিতর্ক যখন তুঙ্গে, তখনই ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার প্রোডাকশন ডিজাইনার সাইনি এস জোহরের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে এফআইআর দায়ের হয়। এক নারী অভিযোগ করেছেন, চণ্ডীগড়ের একটি হোটেলে তাঁকে ডেকে নিয়ে মদে নেশাজাতীয় কিছু মিশিয়ে যৌন হয়রানি করা হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। এ ঘটনায় সরাসরি রণবীরের বিরুদ্ধে অভিযোগ না থাকলেও তাঁর নতুন সিনেমাকে ঘিরে নেতিবাচক আলোচনার পরিমাণ আরও বেড়েছে।


ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে রণবীর

রণবীর সিংয়ের ক্যারিয়ার সব সময়ই উত্থান-পতনে ভরা। ‘ব্যান্ড বাজা ভারত’ দিয়ে অভিষেকের পর তিনি দ্রুত বলিউডের অন্যতম আলোচিত অভিনেতা হয়ে ওঠেন। ‘বাজিরাও মাস্তানি’, ‘পদ্মাবৎ’, ‘গলি বয়’–এর মতো সিনেমা রণবীরকে সমকালীন বলিউডের অন্যতম বড় তারকায় পরিণত করে। কিন্তু গত কয়েক বছরে রণবীর সিংয়ের কিছু সিনেমা প্রত্যাশামতো ব্যবসা করতে পারেনি। ফলে ‘ডন ৩’ ছিল তাঁর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের সুযোগ। এ প্রকল্পকে ঘিরেই এখন সবচেয়ে বড় বিতর্ক।


শেষ পর্যন্ত কী হতে পারে

বলিউডের অভিজ্ঞরা বলছেন, এই বিরোধ দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনা কম। কারণ, একদিকে রণবীর সিংয়ের মতো তারকাকে পুরোপুরি উপেক্ষা করা সহজ নয়, অন্যদিকে বড় বাজেটের সিনেমাগুলোও দীর্ঘ অনিশ্চয়তা সহ্য করতে পারে না। সম্ভাবনা বেশি—দুই পক্ষ আলোচনায় বসবে। হয়তো আইনি সমঝোতা হবে, নয়তো প্রকাশ্যে না এলেও মধ্যস্থতার মাধ্যমে সমাধান বের হবে।


বিরোধ মেটাতে মাঠে সালমান খান

এদিকে ‘ডন ৩’ বিতর্কে এবার মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় নেমেছেন সালমান খান। পরিচালক ফারহান আখতার ও অভিনেতা রণবীর সিংয়ের মধ্যে চলমান বিরোধ মেটাতে দুজনকে একসঙ্গে বসার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সম্প্রতি সালমান আলাদাভাবে ফারহান আখতার ও রণবীর সিংয়ের সঙ্গে কথা বলেছেন। পরে নিজের উপস্থিতিতে দুজনের মধ্যে একটি বৈঠকের প্রস্তাব দেন। উভয় পক্ষই এতে সম্মতি জানিয়েছে বলে জানা গেছে।


‘ডন ৩’ সিনেমা থেকে রণবীর সিংয়ের সরে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে এই বিরোধের সূত্রপাত। শুটিং শুরুর প্রস্তুতির শেষ পর্যায়ে এসে রণবীরের সরে যাওয়ায় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ও নির্মাতারা আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। সূত্রের দাবি, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ফারহান আখতারের জন্য ভবিষ্যতে আরেকটি সিনেমায় কাজ করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন রণবীর। সেই প্রস্তাব ফারহান আখতার ও তার প্রযোজনা অংশীদার রিতেশ সিধওয়ানি গ্রহণ করেননি।


এ অবস্থায় সালমান খান নাকি ফারহানকে পরামর্শ দিয়েছেন, ‘ডন ৩’-এর পরিবর্তে অন্য কোনো সিনেমায় রণবীরকে নিয়ে কাজ করার বিষয়টি বিবেচনা করতে। বলিউডে ফারহান আখতার ও তার পরিবারের সঙ্গে সালমানের দীর্ঘদিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। একই সঙ্গে রণবীর সিংয়ের সঙ্গেও তার সুসম্পর্ক আছে। সে কারণেই দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি। তবে সম্ভাব্য বৈঠকের ফল কী হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।





সর্বশেষ সব খবর

শ্রেয়া কালরা, রাম কাপুর ও গৌতমী কাপুর

  • প্রকাশ : শনিবার ০১ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:১৯ পিএম

রিয়েলিটি শো 'লক আপ: সাচ ইয়া সাজা’র দ্বিতীয় মৌসুম' নতুন মোড় নিয়েছে আলোচিত বিতর্ক। পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের বিশেষ পর্বে প্রতিযোগী রাম কাপুরের স্ত্রী অভিনেত্রী গৌতমী কাপুর শোতে এসে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরার কাছে স্বামীর আচরণের জন্য প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।


কয়েক সপ্তাহ ধরে ‘লক আপ ২’-এ রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে। বিশেষ করে সহপ্রতিযোগী শ্রেয়া কালরা অভিযোগ করেন, রাম কাপুর একাধিকবার তাঁর ব্যক্তিগত পরিসীমা অতিক্রম করেছেন। বিভিন্ন টাস্ক শেষে তাঁর গালে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুম্বন করায় তিনি অস্বস্তি বোধ করেন বলেও জানান।


একটি পর্বে শ্রেয়া ও সহপ্রতিযোগী শিল্পা শিন্দে বলেন, ‘একটু সীমারেখা বজায় রাখুন। আমার বাবা পর্যন্ত আমাকে এত চুমু দেন না। দয়া করে এখন আর আমাকে চুমু দেবেন না।’ 


তাঁর এই মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। বিতর্কের শুরুতে গৌতমী কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করে স্বামীকে সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি রামকে ‘খুবই ভালো মনের মানুষ’ বলে উল্লেখ করেন। তবে পরিবারের সদস্যদের সাক্ষাতের পর্বে তাঁর অবস্থানে পরিবর্তন দেখা যায়।


শ্রেয়ার প্রেমিক ঋষভ জয়সওয়ালের সঙ্গে শোতে প্রবেশ করে গৌতমী সরাসরি শ্রেয়ার কাছে যান। দুই হাত জোড় করে তিনি বলেন, ‘আপনার যদি কোনো কষ্ট হয়ে থাকে, তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন। রাম যদি আপনাকে অনুচিতভাবে স্পর্শ করে থাকেন, তাহলে তাঁর পক্ষ থেকে আমি ক্ষমা চাইছি।’


শুধু শ্রেয়ার কাছেই নয়, অনুষ্ঠানের অন্য কোনো নারী প্রতিযোগীও যদি রাম কাপুরের আচরণে অস্বস্তি বোধ করে থাকেন, তাঁদের কাছেও ক্ষমা চান গৌতমী। তবে একই সঙ্গে গৌতমী বলেন, ‘আমি ওর পক্ষ নিয়ে সাফাই গাইছি না। ওর স্বভাবটাই এমন।’ 


গৌতমীর ক্ষমা প্রার্থনা ইতিবাচকভাবেই গ্রহণ করেন শ্রেয়া কালরা। হাসিমুখে তিনি জানান, এ নিয়ে তাঁর মনে কোনো ক্ষোভ নেই।


রাম কাপুরের আচরণ নিয়ে বিতর্ক এখনো দর্শকদের আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছে। গৌতমীর এই প্রকাশ্য ক্ষমা চাওয়ার পর বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এখন দেখার বিষয়, শোয়ের পরবর্তী পর্বগুলোতে এই ঘটনার কী প্রভাব পড়ে।

সর্বশেষ সব খবর

চিত্রনায়িকা পরীমণি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:২৯ পিএম

চিত্রনায়িকা পরীমণি। অভিনয় ছাড়াও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বছরজুড়ে আলোচনায় কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপ খেলার সময় বিয়ে নিয়ে আলোচনায় ছিলেন এই নায়িকা। 


বুধবার রাজধানীর শুটিং ক্লাবে আয়োজতি একটি অনুষ্ঠান শেষে নিজের ব্যক্তিগত জীবন, আইনি লড়াই, গ্রেপ্তার ও ফের বিয়ে করা নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন পরীমণি।


বিয়ে নিয়ে চলা নানা আলোচনা প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, ‘আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, তবুও গালি খেতে হয়। মানুষ আমাকে কোনো পুরুষের সঙ্গে দেখতে চায় না। তারা শুধু আমাকে সিঙ্গেল এবং আমার সন্তানদের সঙ্গে দেখতে চায়। কেন এমনটা হয়, আমি সত্যিই জানি না।’


নিজের গ্রেপ্তারের প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী বলেন, জেল থেকে বের হওয়ার পর তিনি এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেননি। তার দাবি, গ্রেপ্তারের সময় আইনগত প্রক্রিয়া যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি।


পরীমণির ভাষ্য, ‘তখন গ্রেপ্তারের কোনো ওয়ারেন্ট ছিল না। এমনকি আমার বাসায় তল্লাশি চালানোর অনুমতিও তাদের কাছে ছিল না। পরে পুরো ঘটনার বর্ণনা শুনে আমার মনে হয়েছে, অনেক কিছুই পরিকল্পিত ছিল।’


আইনি লড়াই চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, কোনো সত্য চিরদিন চাপা থাকে না। এই বিশ্বাস নিয়েই ছয় বছর পার করেছি। আমি আইনের ওপর আস্থা রাখি। একদিন আদালত অবশ্যই আমাকে সেই সম্মান ফিরিয়ে দেবে।’


মামলায় নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন পরীমণি। তিনি বলেন, ‘মামলাটি কোনো ব্যক্তি করেননি। বলা হয়েছিল, আমি নাকি বিভিন্ন মানুষকে বিরক্ত করি, ব্ল্যাকমেইল করি-এ ধরনের নানা অভিযোগ আনা হয়েছিল। আমি আইনের ওপর বিশ্বাসী। যতদিন লাগে, যেভাবে লাগে, ততদিন হাজিরা দেব। কারণ, আমার বিশ্বাস সত্য একদিন না একদিন প্রকাশ হবেই।’


দেশে শিল্পীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে পরীমণি বলেন, ‘শুধু শিল্পী নয়, বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। শিল্পী, রিকশাচালক বা অন্য যে-ই হোক, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া উচিত। আমরা সবাই হেনস্তা থেকে মুক্তি চাই।’

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:০৪ পিএম

ঢালিউডের জনপ্রিয় ও চর্চিত অভিনেত্রী পরীমনি। সম্প্রতি ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যাতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। বর্তমানে পরীমনির ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি। 


অন্যদিকে সাকিব আল হাসানের অনুসারী ১ কোটি ৬০ লাখের বেশি। ফলে দেশের তারকাদের মধ্যে ফেসবুক অনুসারীর সংখ্যায় শীর্ষে এগিয়ে পরীমনি।


সাকিব একজন আন্তর্জাতিক তারকা। তাই তার সঙ্গে নিজের তুলনা চলে বলে মনে করেন পরীমনি। সম্প্রতি রাজধানীতে আয়োজিত এক পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের সংবাদ সম্মেলনে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘সাকিব আল হাসান একজন আন্তর্জাতিক মানের মানুষ, বিশ্বজুড়ে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা। আর আমি তো দেশের গণ্ডি পেরিয়ে তেমন কোনো কাজই করিনি। সেই জায়গা থেকে তার সঙ্গে আমার কোনো তুলনাই চলে না।’


এছাড়াও পরীমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অযাচিত মন্তব্য ও প্রতিনিয়ত সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন পরীমণি। 

তিনি বলেন, ‘আমি জানি সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়। আমি যদি আমার ভাইয়ের সঙ্গেও ছবি দিই, গালি খাই! সবাই আমাকে সিঙ্গেল দেখতে চায়, আমার বাচ্চাটার সঙ্গে দেখতে চায়। এতে কী আনন্দ, আমি জানি না।’


এ সময় প্রিয় দল আর্জেন্টিনাকে নিয়েও কথা বলেন পরীমনি। আর্জেন্টিনার হার নিয়ে তার অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভাই, এই রিস্ক থেকেই তো বলেছিলাম আবার বিয়ে করবো (জিতলে)।’

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৩৬ পিএম

বলিউড বাদশা শাহরুখ খানের জ্যেষ্ঠ পুত্র আরিয়ান খান আবারও খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন। 


তবে এবার কোনো চলচ্চিত্র কিংবা নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ডের কারণে নয়, সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত জীবনের এক নতুন অধ্যায়কে ঘিরে তাকে নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। 


সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এক রহস্যময় নারীর সঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গেছে তাকে, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের প্রেমের গুঞ্জনকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। প্রাথমিক অবস্থায় সেই নারীর পরিচয় নিয়ে ধোঁয়াশা থাকলেও নেটিজেনরা দ্রুতই নিশ্চিত করেছেন যে তিনি পেশায় একজন শিল্পী, নাম ভিনি তাকাইর।  


সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ছবি ও ভিডিওতে দেখা যায়, লন্ডনের একটি নামীদামি ক্যাসিনো থেকে একসঙ্গে বেরিয়ে আসছেন আরিয়ান ও ভিনি। ক্যাসিনো থেকে বের হওয়ার মুহূর্তেই ক্যামেরাবন্দি হন তারা। 


ভাইরাল হওয়া সেই ছবিতে আরিয়ানকে দেখা গেছে সাধারণ কিন্তু মার্জিত ক্যাজুয়াল পোশাকে, আর তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ভিনির পরনে ছিল সম্পূর্ণ কালো রঙের পোশাক। ছবিগুলো দেখার পর অনুরাগী ও সামাজিক মাধ্যমের ব্যবহারকারীদের মধ্যে শুরু হয়েছে ব্যাপক কৌতূহল ও আলোচনা। 


তাদের এই হঠাৎ সফর ও একসঙ্গে উপস্থিতি কেবল সাধারণ বন্ধুত্বের পরিচয় নাকি এর গভীরে অন্য কোনো সম্পর্কের সূচনা রয়েছে, তা নিয়ে নানা সমীকরণ মেলাচ্ছেন ভক্তরা। ক্যাসিনো সফরের দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরপরই আলোচনার নতুন উপাদান জোগান স্বয়ং ভিনি তাকাইর। তিনি তার নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেল থেকে লন্ডনের কয়েকটি সুন্দর মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লেখেন, লন্ডন, আই এলওয়াই (লন্ডন, আই লাভ ইউ)। 


ছবি প্রকাশের সঠিক সময় এবং ভিনির করা এই মন্তব্য নেটিজেনদের মনে সন্দেহ আরও দৃঢ় করেছে। এর ওপর আরিয়ান ও ভিনি উভয়ই সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে একে অপরকে অনুসরণ করেন, যা তাদের পূর্বপরিচয়ের ইঙ্গিত দেয়। 


অবশ্য এই আলোচনার জোয়ার উঠলেও নতুন প্রেমের এই গুঞ্জন নিয়ে এখন পর্যন্ত আরিয়ান খান কিংবা ভিনি তাকাইর-কারও পক্ষ থেকেই কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা মন্তব্য পাওয়া যায়নি।  


উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মিডিয়ার সামনে খুব একটা কথা না বললেও আরিয়ান খানের ব্যক্তিগত জীবন এর আগেও একাধিকবার চর্চার কেন্দ্রে চলে এসেছে। এর আগে, তার প্রতিষ্ঠিত পোশাক ব্র্যান্ড ‘ডি’ইয়াভল এক্স’-এর বেশ কয়েকটি প্রচারণামূলক বিজ্ঞাপনে দেখা যাওয়া অভিনেত্রী ও মডেল ল্যারিসা বোনেসির সঙ্গেও আরিয়ানের নাম জড়িয়ে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছিল। এমনকি আরিয়ান পরিচালিত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘দ্য ব্যাস্টার্ডস অব বলিউড’-এর প্রিমিয়ার প্রদর্শনীতেও তাকে দেখা গিয়েছিল। 


তবে সাম্প্রতিক লন্ডন সফর এবং ভিনির সঙ্গে এই বিশেষ আড্ডা আরিয়ানের জীবনধারা নিয়ে বলিপাড়ায় নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।


সূত্র: এনডিটিভি

সর্বশেষ সব খবর

পরীমনি

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ব্যক্তিগত জীবন থেকে শুরু করে ক্যারিয়ার সবকিছু নিয়ে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন। 


তবে এবার কোনো নতুন সিনেমা বা ব্যক্তিগত ইস্যু নয়, বরং এক আবেগঘন মুহূর্তের জন্য আলোচনায় এলেন তিনি। গতকাল (২৯ জুলাই) রাতে রাজধানীর গুলশানে একটি ফ্যাশন শোতে অংশ নেন পরীমনি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীও। মঞ্চে বক্তব্য দিতে গিয়ে সবার সামনে চয়নিকা চৌধুরীকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেন পরীমনি।




শুধু তাই নয়, তাকে নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি, ভরসা ও সম্পদ বলেও উল্লেখ করেন এই অভিনেত্রী।


পরীমনি বলেন, উনি আমার কাছে শুধু মা। প্রথমত উনিই আমার মা। এরপর ধরেন আপনাদের চয়নিকা চৌধুরী। এই চয়নিকা চৌধুরী আমার জীবনের অনেক বড় সম্পদ। অনেক বড় একটা শক্তি। অনেক বড় একটা বিশ্বাস। অনেক বড় একটা ভরসার জায়গা। আমি সবার সামনে বলতে চাই ‘আই লাভ ইউ মা’।


তারপর চয়নিকা চৌধুরী বলেন, ‘আমিও বলতে চাই। আমার দেখা সব চেয়ে সুন্দর একটা মেয়ে। দেখতে অনেক সুন্দর না শুধু, মনের দিক থেকেও অনেক সুন্দর। আমি পরীকে অনেক ভালোবাসি।’


পরীমনির এমন বক্তব্যে মুহূর্তেই আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয়। উপস্থিত অতিথিরাও করতালির মাধ্যমে তাদের ভালোবাসা প্রকাশ করেন। চয়নিকা চৌধুরী ও পরীমনির সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ব্যক্তিগত নানা কঠিন সময়ে পরীমনির পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে এই নির্মাতাকে। বিভিন্ন সাক্ষাৎকার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন তারা।


উল্লেখ্য, চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় ‘বিশ্বসুন্দরী’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন পরীমনি। সেই কাজের সূত্র ধরেই দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। সময়ের সঙ্গে সেই সম্পর্ক আরও গভীর হয়েছে। তাই জনসমক্ষে নির্মাতাকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করে ভালোবাসা প্রকাশ করতে একটুও দ্বিধা করেননি পরীমনি।

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


অনুপম রায়

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ৩০ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১:৪৭ পিএম

ঢাকায় সংগীতপ্রেমীদের জন্য অপেক্ষার অন্যতম আয়োজন ছিল কলকাতার জনপ্রিয় গায়ক-গীতিকার অনুপম রায়ের একক কনসার্ট। আগামী ১ আগস্ট রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল ‘ওয়ান ট্রু সাউন্ড উইথ অনুপম রায়’ শীর্ষক এই আয়োজন। তবে সব ধরনের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন সম্পন্ন হওয়ার পরও শেষ মুহূর্তে কনসার্টটি স্থগিত করা হয়েছে।


আয়োজক প্রতিষ্ঠান ট্রিপল টাইম কমিউনিকেশন জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় সব প্রশাসনিক অনুমতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয়েছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ‘অনিবার্য কারণ’ উল্লেখ করে অনুষ্ঠানটি আয়োজন না করার নির্দেশ দেয়। এর ফলে আপাতত কনসার্টটি স্থগিত রাখতে হয়েছে। 


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে আয়োজকরা জানান, সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ থাকলেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে কনসার্ট স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে শুধু দর্শক নন, শিল্পী, স্পন্সর, পার্টনার এবং আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাই হতাশ হয়েছেন।


তবে টিকিট কেটে রাখা দর্শকদের জন্য স্বস্তির খবরও দিয়েছে আয়োজক প্রতিষ্ঠান। তারা জানিয়েছে, সব টিকিট ক্রেতাকে অফিসিয়াল টিকিটিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরত দেয়া হবে। আগামী রোববারের মধ্যে অর্থ ফেরতের বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানিয়ে দেওয়া হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।


কনসার্ট স্থগিত হওয়ার খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনুপম রায়ের ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক হতাশা দেখা গেছে। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে প্রিয় শিল্পীর লাইভ পারফরম্যান্স উপভোগের অপেক্ষায় ছিলেন।

সর্বশেষ সব খবর