প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬, সময় : ১:৫৬ এএম

‘আই হ্যাভ অ্য প্লান’ নিয়ে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেছেন, ‘বর্তমান কৃষি-বান্ধব সরকারের মূল লক্ষ্যে হল— একটি আত্মনির্ভর, জলবায়ু-সহিষ্ণু, প্রযুক্তি নির্ভর ও কৃষক-কেন্দ্রিক আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। যেখানে উৎপাদন ও বিপণন হবে সম্পূর্ণ তথ্য চালিত, আমাদের প্রান্তিক কৃষক হবেন ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা এবং কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি।’


আজ বুধবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের নবম দিন প্রশ্নোত্তর পর্বে লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। এদিন প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। বিকেল ৩টায় শুরু হওয়া সংসদে বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম সভাপতিত্ব করছেন। এদিন রাষ্ট্রীয় কাজে সরকার প্রধান ঢাকার বাইরে রয়েছেন।


সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজা প্রশ্ন রেখে বলেন, আমাদের কৃষি নির্ভর এই বাংলাদেশে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও মেহনতি কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে দেশের জনগণ কর্তৃক সাদরে গৃহীত আপনার বহুল জনপ্রিয় স্লোগান ‘আই হ্যাভ এ প্লান’ কর্মসূচির আওতায় কী কী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এবং উক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়িত হলে কৃষিতে অভূতপূর্ব বিপ্লব সাধনে আমরা আশান্বিত হতে পারি কিনা?


জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘বর্তমান কৃষি-বান্ধব সরকারের মূল লক্ষ্যে হল একটি আত্মনির্ভর, জলবায়ু-সহিষ্ণু, প্রযুক্তি নির্ভর ও কৃষক-কেন্দ্রিক আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা। যেখানে উৎপাদন ও বিপণন হবে সম্পূর্ণ তথ্য চালিত, আমাদের প্রান্তিক কৃষক হবেন ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা এবং কৃষিখাত হবে জাতীয় সমৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি।’


কৃষিক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে বলেন, ‘কৃষির উন্নয়ন ও কৃষকদের ইউনিক পরিচয় নিশ্চিতকরণে ন্যায্য মূল্যে কৃষি উপকরণ, সরকারি ভর্তুকি ও প্রণোদনা, স্বল্প মূল্যে সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদানের লক্ষ্যে ১৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। প্রি-পাইলটিং পর্যায়ে দেশের ৮টি বিভাগের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ১১টি কৃষি ব্লকে এ কার্যক্রম সম্পাদন করা হচ্ছে। অদ্যাবধি ২০ হাজার ৮৩২টি কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। সরকার ইতোমধ্যে শস্য, ফসল, পশুপালন ও মৎস্যখাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সম্পূর্ণ মওকুফ করেছে। এ লক্ষ্যে সরকার চলতি ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে ১৫৬৭.৯৬ (এক হাজার পাঁচশত সাতষট্টি কোটি ছিয়ানব্বই লাখ) কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ করেছে এবং এর ফলে সারাদেশের প্রায় ১৩ লাখ ১৭ হাজার ৫০০ জন কৃষক উপকৃত হবে।


প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার দেশব্যাপী ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন/পুনঃখননের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে, জলাবদ্ধতা নিরসন হবে, সেচ সুবিধা নিশ্চিত হবে এবং গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিত হবে। ইউরিয়া, ডিএপি, টিএসপি এবং এমওপি সার অত্যন্ত সুলভ মূল্যে সরাসরি কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, বিএডিসির মাধ্যমে উচ্চফলনশীল ও জলবায়ু সহনশীল বীজের সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।


উচ্চ ফলনশীল ও প্রতিকূলতা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের পাশাপাশি স্মার্ট কৃষি ও প্রিসিশন এগ্রিকালচার-এর ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান ও গম সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং দেশব্যাপী ‘কৃষকবাজার’ স্থাপন করা হচ্ছে।


কৃষিখাতে সেন্সর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অফ থিংস  এবং ড্রোনের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যে কৃষি মন্ত্রণালয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করছে।


টাঙ্গাইল-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রবিউল আওয়াল প্রশ্ন রেখে বলেন, ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে আাদেশ পৃথিবীর অন্যতম একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ এবং জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিশ্বের ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের মধ্যে অন্যতম। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা এবং বাংলাদেশকে উন্নত দেশে রূপান্তর আবার লক্ষ্যে সরকার কোনও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে কিনা?


জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ভৌগোলিক অবস্থান, ঘনবসতি, বিস্তৃত নদ-নদী ব্যবস্থা এবং উপকূলীয় বৈশিষ্ট্যের বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে জলোচ্ছ্বাস, বন্যা, আকস্মিক বন্যা, নদীভাঙন, খরা, অতিবৃষ্টি, বজ্রপাত, তাপ ও লবণাক্ততার মতো দুর্যোগের প্রকোপ ও তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষি, অবকাঠামো, পরিবেশ ও অর্থনীতির ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে।


বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলা পানি সম্পদ খাতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তারমধ্যে- পদ্মা ব্যারেজ বাস্তবায়ন; তিস্তা মহাপরিকল্পনা; নদীভাঙন রোধ; বন্যায় সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ; এবং কৃষিজমিতে লবণাক্ততা হ্রাসকরণ অন্যতম।


গত ১৩ মে ৩৪ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প ১ম পর্যায়ে বাস্তবায়নের জন্য অনুমোদিত হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে শুষ্ক মৌসুমে পদ্মা নদীতে পানি সংরক্ষণপূর্বক পানির প্রবাহ বৃদ্ধি করে পদ্মানির্ভর এলাকায় নদী সিস্টেমকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। এছাড়া, দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ হ্রাস, সুন্দরবন ইকোসিস্টেমের ভারসাম্য পুনরুদ্ধার, নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও জলাবদ্ধতা হ্রাস, সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং পানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভবপর হবে। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ১১৩ মেগাওয়াট জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে এবং দেশের জিডিপিতে শতকরা শূন্য দশমিক ৪৫ ভাগ অতিরিক্ত প্রবৃদ্ধি অর্জিত হবে। অধিকন্তু, ভূ-উপরিস্থ পানি ব্যবহার বৃদ্ধি, সেচ ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিসহ পরিবেশ প্রতিবেশ উন্নয়নে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি চলমান রয়েছে।


জলবায়ু পরিবর্তনজনিত নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। 


সরকার কর্তৃক বিভিন্ন উদ্যোগ


তারেক রহমান জানান, আগামী পাঁচ বছরে দেশে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিবছরের ন্যায় এ বছরও জাতীয় পর্যায়সহ সারাদেশে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৃক্ষমেলার আয়োজন করা হচ্ছে এবং তিন মাসব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান পরিচালনা করা হবে। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট কর্তৃক জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবিলায় গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কার্যক্রমকে অগ্রাধিকার দিয়ে বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন- প্রায় উপকূলীয় জেলাগুলোতে গ্রামীণ প্রাকৃতিক জলাধার গড়ে তোলা হবে যাতে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করে পানীয় জলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। 




সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:১৩ পিএম

সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের জামিন বাতিল এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। এ লক্ষ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে একটি ল’ ফার্ম নিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। 


রোববার রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতে ‘২৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচ ১ম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ’ অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ দুবাইয়ের আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়েছেন বলে আমরা জেনেছি। তার জামিন আদেশ বাতিলের জন্য বাংলাদেশ সরকার দুবাইয়ে একটি ল’ ফার্ম নিয়োগ করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আমরা আশাবাদী।

সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিতেস্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ

তিনি আরও বলেন, আমরা ল’ ফার্ম নিয়োগ করেছি। আদালতের আদেশের সার্টিফায়েড কপি সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। আশা করছি, দ্রুত জামিন বাতিল করতে পারব এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হব।


আওয়ামী লীগের কার্যক্রম ঘিরে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে


স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, অগাস্ট মাসে নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী আওয়ামী লীগের কার্যক্রম পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। এছাড়া ঢাকায় বোমা সদৃশ কয়েকটি বস্তু পাওয়ার ঘটনাগুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


আগস্ট মাসে পুলিশ সারাদেশে সতর্কতা জারি করেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠী, যেটা নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক গোষ্ঠী- তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম আগস্ট মাসে পরিলক্ষিত হচ্ছে। সেজন্য আমরা সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেছি।’


এদিকে, ঢাকায় গত কয়েকদিনে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে, এর মধ্যে শনিবার দুপুরে মিরপুর - ১০ মেট্রো স্টেশনে সন্দেহজনক বস্তা পড়ে থাকার ঘটনাও ঘটে। এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, পুলিশের বম্ব ডিসপোজাল ইউনিট পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে সেটিতে কোনো বিস্ফোরক দ্রব্য নেই বলে জানিয়েছে। তবে, প্রতিটি ঘটনাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।


এর আগে শনিবার, পুলিশ সদর দপ্তর পুলিশের ব্যবহৃত যানবাহন হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে সারাদেশে সতর্কতা জারি করেছে। পুলিশ সদর দপ্তরের অপারেশন্স নিয়ন্ত্রণকক্ষ থেকে এক জরুরি বার্তায় তাৎক্ষণিকভাবে মাঠ পর্যায়ের সকল ইউনিটকে নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৫০ পিএম

মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ। ‘প্রতিবেশী প্রথম’ নীতির আওতায় দুই দেশের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতা বাড়াতে চায় সরকার। আজ রোববার সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত উ কিয়াও সোয়ে মোয়ের বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়। 


বৈঠকে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে। তাই মিয়ানমার থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস আমদানিতে বাংলাদেশ আগ্রহী। জবাবে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আকারেও গ্যাস সরবরাহের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন তিনি।


বৈঠকে মিয়ানমার থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত গ্যাস পাইপলাইন নির্মাণের পুরোনো প্রস্তাবও নতুন করে আলোচনায় আসে। 


জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া পাইপলাইনের মাধ্যমে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির প্রস্তাব দিয়েছিলেন। সেই উদ্যোগ আবারও বিবেচনায় আনা যেতে পারে।


বিষয়টি এগিয়ে নিতে দুই দেশের জ্বালানিমন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের প্রস্তাব দেন ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি মিয়ানমারের জ্বালানিমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রয়োজনে নিজেও মিয়ানমার সফরে যাওয়ার আগ্রহের কথা জানান।


সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের কথা স্মরণ করিয়ে মন্ত্রী বলেন, চীন মিয়ানমার বাংলাদেশ করিডোর করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এ করিডোর বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি ও বাণিজ্য সহযোগিতা আরও জোরদার করা সম্ভব হবে বলে মত দেন জ্বালানিমন্ত্রী।


মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ-মিয়ানমার যৌথ কারিগরি কমিটির বৈঠক পুনরায় শুরু করে এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা যেতে পারে।


বৈঠকে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৩৬ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরো চার জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে হাম ও ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে এ রোগে ৮৪৪ জন প্রাণ হারিয়েছে।


রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়, শনিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় আরো ১১৫ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর গেল ১৫ মার্চ থেকে হামের তথ্য প্রকাশ করে আসছে। তখন থেকে এ পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে ৭৪৮ জন প্রাণ হারিয়েছে। আর ৯৬ জন মারা গেছে, যাদের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।


হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩২৫ জন মারা গেছে ঢাকা বিভাগে। এর পরেই আছে সিলেট বিভাগ, সেখানে মারা গেছে ১১১ জন। এছাড়া রাজশাহীতে ৯১, চট্টগ্রামে ৬১, বরিশালে ৪৫, ময়মনসিংহে ৭১, খুলনায় ৩২ ও রংপুর বিভাগে ১২ জন মারা গেছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, গেল ২৪ ঘণ্টায় আরো ১ হাজার ২২ জন হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে গেছে। তাদের মধ্যে ভর্তি হয়েছে ৯৪৬ জন।


ঢাকা বিভাগে ভর্তি ২৮৩ জন, রাজশাহীতে ২৬, সিলেটে ৬৩, চট্টগ্রামে ২৪০, বরিশালে ১৪২, ময়মনসিংহে ৬৫, খুলনায় ২২, রংপুরে ৪৫ জন।


এ নিয়ে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম রোগী ভর্তির সংখ্যা দাঁড়াল এক লাখ ১২ হাজার ৬২০। যার মধ্যে ১ লাখ ৮ হাজার ২৮৩ জন হাসপাতাল ছেড়েছে।


আর দেশে সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক লাখ ৩০ সহাজার ৮৩। শনাক্ত হওয়া হাম রোগীর সংখ্যা ১৬ হাজার ২৯৫।

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:২৫ পিএম
  • আপডেট : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:৩২ এএম


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:২৫ পিএম

ভোক্তা পর্যায়ে গৃহস্থালিতে বহুল ব্যবহৃত ১২ কেজির তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। এর ফলে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৫৯৮ টাকা, যা দাম বাড়ার আগে ছিল ১ হাজার ৫২৮ টাকা।রোববার বিইআরসি এ-সংক্রান্ত পৃথক আদেশ ও প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে। নতুন এই মূল্য একই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা বলবৎ থাকবে।


বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারে প্রোপেন ও বিউটেনের দাম বৃদ্ধি, জাহাজভাড়া, ট্রেডারের প্রিমিয়াম এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হার বিবেচনা করে বেসরকারি এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে। 


আদেশ অনুযায়ী, আগস্ট মাসের জন্য সৌদি আরামকো ঘোষিত প্রোপেনের মূল্য প্রতি মেট্রিক টন ৬২০ মার্কিন ডলার এবং বিউটেনের মূল্য ৬৪০ মার্কিন ডলার। গড়ে সৌদি আরামকোর কন্টাক্ট প্রাইস (সৌদি সিপি) ধরা হয়েছে প্রতি মেট্রিক টন ৬৩৩ মার্কিন ডলার। এর সঙ্গে প্রতি মেট্রিক টনে ১৮০ মার্কিন ডলার জাহাজভাড়া ও ট্রেডারের প্রিমিয়াম এবং প্রতি ডলারের গড় বিনিময় হার ১২৩ টাকা ৬৯ পয়সা বিবেচনায় নিয়ে এই নতুন মূল্য সমন্বয় করা হয়। 


আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি এলপিজির খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৩৩ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করেছে বিইআরসি। এই কেজিপ্রতি দর অনুযায়ী বিভিন্ন আকারের সিলিন্ডারের দামও নতুন করে নির্ধারিত হয়েছে।


নতুন দর অনুযায়ী, ৫ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৩২ টাকা। এছাড়া ১২ দশমিক ৫ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৬৬৪ টাকা, ১৫ কেজির সিলিন্ডার ১ হাজার ৯৯৭ টাকা, ১৬ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ১৩০ টাকা এবং ১৮ কেজির সিলিন্ডার ২ হাজার ৩৯৭ টাকায় বিক্রি হবে। তুলনামূলক বড় আকৃতির সিলিন্ডারের মধ্যে ২০ কেজির দাম ২ হাজার ৬৬৩ টাকা, ২২ কেজির দাম ২ হাজার ৯২৯ টাকা, ২৫ কেজির দাম ৩ হাজার ৩২৯ টাকা, ৩০ কেজির দাম ৩ হাজার ৯৯৫ টাকা, ৩৩ কেজির দাম ৪ হাজার ৩৯৪ টাকা, ৩৫ কেজির দাম ৪ হাজার ৬৬০ টাকা এবং সর্ববৃহৎ ৪৫ কেজি ধারণক্ষমতার সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৯৯২ টাকা।


সিলিন্ডার গ্যাসের পাশাপাশি রেটিকুলেটেড ও অটোগ্যাসের দামও বাড়ানো হয়েছে। বাসা-বাড়িতে পাইপলাইনের মাধ্যমে তরল অবস্থায় সরবরাহ করা বেসরকারি রেটিকুলেটেড এলপিজির মূল্য প্রতি কেজি ১২৯ টাকা ৪০ পয়সা করা হয়েছে। আর গ্যাসীয় অবস্থায় সরবরাহ করা এলপিজির মূল্য প্রতি লিটার ২৮ টাকা ৭৫ পয়সা বা প্রতি ঘনমিটার ২৮৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। অন্যদিকে, যানবাহনে ব্যবহৃত অটোগ্যাসের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে প্রতি লিটার ৭৩ টাকা ৬৭ পয়সা।


তবে বেসরকারি খাতের গ্যাসের দাম বাড়লেও সরকারি এলপিজির দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বিইআরসির পূর্বের নির্দেশনানুযায়ী সরকারি ১২ দশমিক ৫ কেজি সিলিন্ডারের ভোক্তা মূল্য পূর্বের ৭৭৬ টাকা ৯৩ পয়সাতেই অপরিবর্তিত থাকবে।


সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিইআরসি সতর্ক করে দিয়েছে যে, এলপিজি মজুদকরণ, বোতলজাতকরণ, পরিবেশক কিংবা খুচরা বিক্রির কোনো ধাপেই নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম নেওয়া যাবে না। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


বেনজীর আহমেদ

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

বাংলাদেশের অনুরোধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ে গ্রেপ্তার সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ সেখানে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বলে খবর দিয়েছে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম।


এশিয়া পোস্ট লিখেছে, কারামুক্তির পর বেনজীর আহমেদের সঙ্গে তাদের প্রতিবেদকের কথাও হয়েছে।


পত্রিকাটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৭ জুলাই সংযুক্ত আরব আমিরাতের একটি আদালত বেনজীরের জামিন আবেদন মঞ্জুর করে। সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৩০ জুলাই কারামুক্ত হন সাবেক আইজিপি।


এশিয়া পোস্ট লিখেছে, বেনজীরকে ফেরত পাঠাতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণসংক্রান্ত নথিপত্র এবং আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে শুনানি হয়। পরে বেনজীরকে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয়।


জামিনের ক্ষেত্রে আদালত শর্ত দিয়েছে, বেনজীরের পাসপোর্ট আদালতের হেফাজতে থাকবে এবং অনুমতি ছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ত্যাগ করতে পারবেন না।


বেনজীরের পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে কালবেলা লিখেছে, জামিনের ক্ষেত্রে আদালত শর্ত আরোপ করলেও সাবেক এই পুলিশ প্রধান দুবাই থেকে ইউরোপের একটি দেশে যাওয়ার চেষ্টায় আছেন।


এদিকে ঢাকায় পুলিশ সদরদপ্তরে ইন্টারপোল শাখা ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি) এখনো বেনজীরের মুক্তির বিষয়ে কিছু জানে না।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ সদরদপ্তরে এআইজি এ এইচ এম শাহদাত হোসাইন রোববার দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সংবাদমাধ্যমে আসা খবরটি তিনি দেখেছেন এবং এ ব্যাপারে এনসিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলেছেন।


“তারা আমাকে বলেছে, এ ধরনের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।"


আওয়ামী লীগ আমলের আলোচিত পুলিশ কর্মকর্তা বেনজীরের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থপাচারসহ একাধিক অভিযোগে তদন্ত করছে দুদক। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় ২০২৫ সালের ১১ এপ্রিল তার বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিস জারি করা হয়।


সেই নোটিসের ভিত্তিতে দুবাই পুলিশ বেনজীরকে গ্রেপ্তার করে। সংযুক্ত আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষ ১২ জুন ই-মেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে বিষয়টি জানায়।


এরপর ১৪ জুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে বলেন, গ্রেপ্তারের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক প্রত্যর্পণ অনুরোধ পাঠাতে হবে। এনসিবি আবুধাবির সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত বেনজীরকে বাংলাদেশে নিয়ে আসার উদ্যোগ নেবে সরকার।


সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নথি প্রস্তুত করে প্রত্যর্পণের আবেদন পাঠানো হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এর এক মাস পর বেনজীরকে ফেরত দেওয়ার বিষয়ে ‘নীতিগত সম্মতি’র পাশাপাশি আরো কিছু তথ্য ও ব্যাখ্যা চেয়ে বাংলাদেশকে চিঠি দেয় দুবাই পুলিশ।


এই নথি চালাচালির মধ্যেই বেনজীরের জামিনে মুক্তি পাওয়ার খবর এল, যা তার প্রত্যাপর্ণের বিষয়টিই অনিশ্চয়তায় ফেলে দিল।


পাসপোর্টে জালিয়াতি এবং জ্ঞাত আয়বর্হিভূত সম্পদ অর্জনসহ বিভিন্ন অভিযোগে বেনজীরের বিরুদ্ধে ছয়টি দুর্নীতির মামলা করেছে দুদক। এর মধ্যে একটি মামলার বিচার চলছে। বাকি মামলাগুলো তদন্তাধীন।


প্রাথমিক-গণশিক্ষা-মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশ : রবিবার ০২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:০৫ পিএম

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকদের যোগদানের দিনক্ষণ জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ রোববার (২ আগস্ট) বেলা ১১টায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রাজীব কুমার সরকারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘সহকারী শিক্ষক নিয়োগ ২০২৫’-এর নিয়োগযোগ্য শূন্য পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা আগামী ১ অক্টোবর সংশ্লিষ্ট জেলার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করবেন।


এতে আরও বলা হয়, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যথাসময়ে নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের যোগদানের পর পদায়ন এবং পরবর্তী সময়ে প্রশিক্ষণে পাঠানো হবে। বিষয়টি সকলের অবগতির জন্য পাঠানো হলো।


এদিকে চলতি আগস্ট মাসের মধ্যেই যোগদান ও বিদ্যালয়ের পদায়ন চান সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। এ দাবিতে আজ রোববার বেলা ১১টা থেকে রাজধানীর শাহবাগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি শুরুর কথা রয়েছে তাদের।


এদিন সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জডড়ো হতে শুরু করেন প্রাথমিকের সুপারিশপ্রাপ্ত শিক্ষকরা। তারা জানিয়েছেন কিছুক্ষণের মধ্যেই শাহবাগ মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করবেন।