• প্রকাশ : বুধবার ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ২:১৮ এএম
  • আপডেট : বুধবার ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ২:১৮ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

মাইকি ম্যাডিসন।

  • প্রকাশ : বুধবার ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ২:১৮ এএম

বছর দেড়েক আগেও তাঁকে প্রায় কেউই চিনতেন না। গত বছর কান চলচ্চিত্র উৎসব দিয়ে আলোচনায় আসেন তিনি। তাঁর অভিনীত সিনেমা ‘আনরো’ জিতে নেয় উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণপাম। পরে আরও অনেক পুরস্কার জেতার পর চলতি বছর অস্কারেও হন সেরা অভিনেত্রী। সবচেয়ে কম বয়সে সেরা অভিনেত্রী হিসেবে অস্কার জেতার পর রাতারাতি হয়ে ওঠেন বিশ্বতারকা। তিনি আর কেউ নন, মাইকি ম্যাডিসন।

সেই অভিনেত্রীকে নিয়ে বছরজুড়েই ভক্তদের কৌতূহল ছিল। তাই তো গুগল চলতি বছরের ‘মোস্ট সার্চড’ তারকাদের যে তালিকা প্রকাশ করেছে; মাইকি সেই তালিকার শীর্ষ রয়েছেন।


মাইকি ছাড়া আর কারা আছেন তালিকায়


গুগল ‘মোস্ট সার্চড’ তারকাদের এই তালিকায় জায়গা পেয়েছেন প্রথমবার অস্কারজয়ী অভিনেত্রী মাইকি ম্যাডিসন, অভিনেতা জাস্টিন বালদোনি। সবচেয়ে বেশি খোঁজা হয়েছে মাইকি অভিনীত অস্কারজয়ী ‘আনোরা’ সিনেমাকে।


২০২৫ সালের মোস্ট সার্চড অভিনয়শিল্পী (গ্লোবাল)


মাইকি ম্যাডিসন

লুইস পুলম্যান

ইসাবেলা মার্সেদ

সং জি উ

ক্যাটলিন ডেভার

চার্লি হনাম

বেলা র‍্যামসি

গ্যাভিন কাসালেনিও

এমা মায়ার্স

ওয়ালটন গগিন্স


‘আনোরা’র গল্প


শন বেকারের ‘আনোরা’ সিনেমার জন্য এবার ম্যাডিসন অস্কারে সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জেতেন; পেছনে ফেলেন ডেমি মুর (‘দ্য সাবস্ট্যান্স’), ফিরনান্দা তোরেস (‘আই আম স্টিল হেয়ার’), কারলা সোফিয়া গ্যাসকোনকে (‘এমিলিয়া পেরেজ’)।


সিনেমায় দেখা যায় কুখ্যাত রাশিয়ান গ্যাংস্টারের ছেলে এক স্ট্রিপ ড্যান্সারের প্রেমে পড়ে। দুজন বিয়ে করে, কিন্তু সেই গ্যাংস্টার বিয়ে মেনে নেয় না। এমন গল্প নিয়ে শন বেকারের সিনেমা ‘আনোরা’। সিনেমাটি আদতে নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনের বাস্তবতা আর তাদের স্বপ্নের টানাপোড়েনের গল্প।


ছবিতে যৌনকর্মী আনির চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাইকি ম্যাডিসন। ছবিতে তাঁর বিপরীতে রয়েছেন মার্ক আইডেলস্টেইন, যিনি অভিনয় করেছেন ধনী ও ক্ষমতাবান রুশ যুবক ইভান চরিত্রে। লাস ভেগাসে দুজনের বিয়ে হলেও নিউইয়র্কে ইভানের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গল্পে আসে নাটকীয় মোড়।


এ সিনেমায় অভিনয় নিয়ে এর আগের ভ্যারাইটি পডকাস্টে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাডিসন বলেছিলেন, ‘শুরুতে আমি শারীরিক চ্যালেঞ্জটিকেই গুরুত্ব দিয়েছিলাম। কারণ, চরিত্রটি ছিল একজন ড্যান্সারের।’


সিনেমাটির প্রেক্ষাপট নিউইয়র্কের ব্রুকলিন। সেখানে রাশিয়া থেকে আসা অনেক মানুষের বাস। চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুটিংয়ের কয়েক মাস আগেই ব্রুকলিনে হাজির হয়েছিলেন অভিনেত্রী।


তখন ম্যাডিসন স্থানীয় দোকান, রেস্তোঁরা, ক্লাবে নিয়মিত ঢুঁ মারতেন। স্থানীয় মানুষের আচরণ লক্ষ করতেন। বিশেষভাবে খেয়াল করতেন, তাঁদের উচ্চারণ। মাইকি জানান, শুটিংয়ের আগে ব্রুকলিন সফর তাঁকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।


চরিত্রটি লেখা হয়েছিল তাঁর জন্যই


এই চরিত্রে ম্যাডিসন যে এত নিখুঁত, তার কারণও রয়েছে। ‘স্ক্রিম ভি’তে তাঁকে দেখার পরই পরিচালক শন বেকার তাঁর কথা মাথায় রেখে ‘আনোরা’র চিত্রনাট্য লেখেন। বিষয়টি ম্যাডিসন নিজেই জানিয়েছেন এল কানাডাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে।


ম্যাডিসন বলেন, ‘শন আমার সঙ্গে দেখা করতে চান—এটা শুনে আমি হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। তবে প্রশ্ন করার সুযোগই দিইনি। সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে যাই। মনে হয়েছিল, পৃথিবীর সবচেয়ে ভাগ্যবান অভিনেত্রী আমি।’


কোথায় বেড়ে ওঠা


মাইকি ম্যাডিসনের জন্ম ও বেড়ে ওঠা লস অ্যাঞ্জেলেসের সান ফার্নান্দো ভ্যালিতে। তাঁর মা–বাবা দুজনেই মনোবিজ্ঞানী, অভিনয়ের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে তিনি একজন।


২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে ‘দ্য কাট’–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ম্যাডিসন জানান, সপ্তম শ্রেণির পর থেকেই তিনি হোমস্কুলিং করতেন। এতে তাঁর হাতে অনেকটা সময় থাকত, যা তিনি ব্যয় করতেন প্রতিযোগিতামূলক খেলাধুলায়।


এস্কায়ার সাময়িকীকে দেওয়া আরেক সাক্ষাৎকারে ম্যাডিসন বলেন, তাঁর মা ও নানিও ঘোড়সওয়ার ছিলেন। তিনি তাই ছোট থেকেই এই খেলায় অংশ নেন। ‘আমি হাঁটতে শেখার আগেই ঘোড়ায় চড়েছি,’ বলেন তিনি।


ম্যাডিসন আরও বলেন, ‘আমি নিজেই নিজেকে পড়াতাম, যাতে সারা দিন আস্তাবলে থাকতে পারি। ঘোড়ার যত্ন নেওয়ার একটা নিয়মিত জীবন ছিল। ভালো লাগত, তবে এটা খুব একাকী একটা খেলা। আমার মনে হচ্ছিল, আমি অন্য কিছুর দিকে টান অনুভব করছি।’


অভিনয়ে আসা


ঘোড়সওয়ারি থেকে অভিনয়ে আসার সিদ্ধান্ত সহজ ছিল না। ম্যাডিসন বলেন, ‘মানুষের সঙ্গে গভীর সংযোগ, আবেগের অভিজ্ঞতা—এগুলোর প্রতি আমার টান ছিল। অভিনয়ে নামলে শতভাগ দিতে হবে বুঝেছিলাম। আর ঘোড়সওয়ারির কাজ খুব সময়সাপেক্ষ। তাই জীবনের সেই অধ্যায় আপাতত বন্ধ করে দিলাম।’


ম্যাডিসনের মা তাঁকে অভিনয়ের ক্লাসে ভর্তি করিয়ে দেন। ভোগ সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘অভিনয় আমাকে নিজের ভেতরের এক ভিন্ন সত্তার সঙ্গে যুক্ত করেছে। এটা খুব সাহসী, গভীর ও আবেগময়—যা আমি ঘোড়সওয়ারির জীবনে অনুভব করতাম না।’


পর্দার বাইরে জীবন


অভিনয় না করলে ম্যাডিসনের সময় কাটে তাঁর পোষা প্রাণীদের সঙ্গে। তাঁর একটি উদ্ধার করা কুকুরছানা রয়েছে—নাম জ্যাম, আর একটি বিড়াল বিস্কুট।


ম্যাডিসন বলেন, ‘জ্যাম আমার জীবনের ভালোবাসা—আর একই সঙ্গে পুরো বিশৃঙ্খলা। ও মাত্র ছয় মাস বয়সী, অনেক পরিণত।’ অবসর সময়ে তিনি সিনেমা দেখেন, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান, রান্না ও বেকিং করেন। ‘অন্যদের জন্য রান্না করতে ভালোবাসি। এটা আমাকে শান্ত করে,’ বলেন তিনি।


ফ্যাশনের প্রতি ভালোবাসা


ভোগ সাময়িকীকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাডিসন জানান, একসময় ফ্যাশন ডিজাইনার হওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। ‘ভিনটেজ পোশাক আমার খুব পছন্দ। কখনো ভিক্টোরিয়ান ড্রেসের সঙ্গে কমব্যাট বুট পরতাম। আবার একসময় সত্তরের দশকের স্টাইল। আমার কাছে এমন অনেক পোশাক আছে, যেগুলো এখন আর পরি না, কিন্তু ছাড়তেও পারি না,’ বলেন তিনি।


অভিনয়জীবন


২০১৭ সালে স্বাধীন চলচ্চিত্র ‘লিজা, লিজা, স্কাইজ আর গ্রে’–এর মাধ্যমে ম্যাডিসনের বড় পর্দায় অভিষেক। এরপর অভিনয় করেন ‘ইমপোস্টার্স’, ‘বেটার থিংস’ আর কোয়েন্টিন টারান্টিনোর ‘ওয়ান্স আপন আ টাইম...ইন হলিউড’–এর ছোট চরিত্রে। ‘স্ক্রিম ভি’ ছিল তাঁর বড় পরিসরের বাণিজ্যিক সাফল্য। এরপর ‘লেডি ইন দ্য লেক’ সিরিজেও দেখা গেছে তাঁকে।


নিজের অভিনয় নিয়ে এস্কারায়কে ম্যাডিসন বলেন, ‘আমি এখন আত্মবিশ্বাসী। আমি পুতুল নই। অভিনয় একটা সহযোগিতামূলক কাজ, তাই আমার অন্যের পরামর্শ শোনা শোনা খুব জরুরি।’








জেমস ও হাসান

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৪৭ পিএম

রাজধানীর যমুনা ফিউচার পার্কে আজ একই মঞ্চে গান শোনাবেন দেশের ব্যান্ড সংগীতের দুই জনপ্রিয় তারকা নগরবাউলের জেমস ও আর্কের হাসান। দীর্ঘদিন পর একসঙ্গে মঞ্চে হাজির হচ্ছেন তারা।


শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ৩টা থেকে যমুনা শপিং কমপ্লেক্সের কার্নিভাল অ্যারেনায় শুরু হবে ‘রক এন রিদম ৫.০: নো লিমিটস ইন দ্য জোন’ শীর্ষক কনসার্ট।


আয়োজক প্রতিষ্ঠান অ্যাডভেন্টর কমিউনিকেশনস জানিয়েছে, কনসার্টে নগরবাউল ও আর্কের পাশাপাশি পারফর্ম করবে দেশের আরও তিন জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজ, অর্থহীন ও শূন্য। ওয়ারফেজের সঙ্গে বিশেষ পরিবেশনায় অংশ নেবেন গিটারিস্ট ওনি হাসান। তিনি একক পরিবেশনাতেও মঞ্চে থাকবেন। এ ছাড়া একক পরিবেশনা করবেন এ কে রাহুল।


কনসার্টে নিজ দল নগরবাউলকে নিয়ে পারফর্ম করবেন জেমস। দেশে দীর্ঘদিন পর টিকিট কনসার্টে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আশা করি শ্রোতা-দর্শক নতুন কিছু শুনতে ও দেখতে পাবেন।’


কনসার্টের টিকিটের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৯৯৯ টাকা। একটি টিকিট দিয়ে ভেন্যুতে একবারই প্রবেশ করা যাবে। রি-এন্ট্রির সুযোগ থাকবে না। ছোট হাতব্যাগ বা পার্স ছাড়া বড় কোনো ব্যাগ নিয়ে ভেন্যুতে প্রবেশ করা যাবে না।


আয়োজকেরা জানিয়েছেন, কনসার্ট আয়োজনের জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের প্রশাসনিক অনুমতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।


মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও সৌন্দর্যপণ্য উদ্যোক্তা কাইলি জেনার। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:০৮ এএম

দীর্ঘ আট বছর পর আবারও র‍্যাম্পে ফিরেছে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের আলোচিত ‘ফ্যান্টাসি ব্রা’। আর এবারের বিশেষ ডিজাইনের ব্রা পরে র‍্যাম্পে হেঁটেছেন মার্কিন রিয়েলিটি টিভি তারকা ও সৌন্দর্যপণ্য উদ্যোক্তা কাইলি জেনার। হীরা ও মূল্যবান রত্নে সাজানো ব্রাটির দাম ৫ কোটি ডলার, বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ৬১৭ কোটি টাকারও বেশি।



রোববার (১৮ অক্টোবর) মার্কিন ফ্যাশন ম্যাগাজিন ভোগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের পর এবারই প্রথম ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ফ্যাশন শোতে ফিরল ফ্যান্টাসি ব্রা। এর প্রত্যাবর্তনকে স্মরণীয় করতে নকশা ও অলংকারে বিশেষ আয়োজন করেছে ব্র্যান্ডটি। এতে ব্যবহার করা হয়েছে ৪ হাজার ৪১০টি প্রাকৃতিক হীরা। মাঝখানে রয়েছে ৭৫ দশমিক ৫৪ ক্যারেটের উজ্জ্বল কাটের বিরল হলুদ হীরা।



অন্তর্বাসটি তৈরি করতে ১৫ জন কারিগরের এক হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছে। এর ওজন প্রায় চার পাউন্ডের কাছাকাছি। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ইতিহাসে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে দামি ফ্যান্টাসি ব্রা। এর আগের রেকর্ডের তুলনায় দাম প্রায় সাড়ে তিন কোটি ডলার বেশি।



র‍্যাম্পে কাইলির পরনে ছিল হালকা কাপড়ের মিনিস্কার্ট, স্বচ্ছ হিল এবং সাদা পালকের ডানা। তবে পুরো আয়োজনের মূল আকর্ষণ হয়ে ওঠে হীরাখচিত ব্রাটি। এ বিষয়ে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের প্রধান সৃজনশীল কর্মকর্তা অ্যাডাম সেলম্যান বলেন, এবারের শোর অন্যতম ভাবনা ছিল ভক্তদের উন্মাদনা ও প্রত্যাশা। গত বছরের শোতে ফ্যান্টাসি ব্রা ফিরিয়ে আনার দাবি ছিল সবচেয়ে বেশি। তাই এবার জমকালোভাবে এটি উপস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার ভাষায়, কাইলি একজন ‘সাংস্কৃতিক শক্তি’, যিনি ফ্যাশন, টেলিভিশন ও সৌন্দর্যজগতের বাইরেও ব্যাপক প্রভাব রাখেন। জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান জ্যাকব অ্যান্ড কো ব্রাটির অলংকার নির্মাণে কাজ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা জ্যাকব আরাবো জানান, ব্রাটিতে সাত ধরনের কাটের হীরা ব্যবহার করা হয়েছে। হীরার উজ্জ্বলতা বাড়াতে প্রয়োগ করা হয়েছে চার ধরনের সেটিং কৌশল।



তবে এত দামি অলংকার তৈরি করাই ছিল একমাত্র চ্যালেঞ্জ নয়। ব্রাটি যেন কাইলির শরীরের সঙ্গে মানানসই হয় এবং চলাফেরায় অসুবিধা না করে, সেটিও নিশ্চিত করতে হয়েছে। কারণ, নকশাটি তৈরি হয়েছে মূলত সোনা ও হীরা দিয়ে, এতে কোনো কাপড় ব্যবহার করা হয়নি। কাইলির শরীরের মাপ নিয়ে একাধিকবার পরীক্ষা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে চূড়ান্ত নকশা তৈরি করা হয়।



ফ্যান্টাসি ব্রার ইতিহাস প্রায় ৩০ বছরের। ১৯৯৬ সালে ক্লডিয়া শিফার এক মিলিয়ন ডলারের প্রথম ফ্যান্টাসি ব্রা পরে প্রচারণায় অংশ নেন। ১৯৯৯ সালে হেইডি ক্লুম পরেন ১০ মিলিয়ন ডলারের ‘মিলেনিয়াম ব্রা’।



২০০০ সালে জিসেল বুন্ডশেনের পরনে ছিল ১৫ মিলিয়ন ডলারের ‘রেড হট ফ্যান্টাসি ব্রা’। সর্বশেষ ২০১৮ সালে এলসা হস্ক পরেছিলেন এক মিলিয়ন ডলারের অ্যাটেলিয়ার স্বরোভস্কি ফ্যান্টাসি ব্রা।



ফ্যাশন দুনিয়ায় ফ্যান্টাসি ব্রা একদিকে যেমন প্রচারণার বড় আকর্ষণ, অন্যদিকে এটি গয়না নির্মাণের জটিল কারিগরি দক্ষতারও উদাহরণ। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ভাষ্য, এবারের আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য ভক্তদের প্রত্যাশা পূরণ করা এবং তাদের জন্য বিশেষ কিছু উপহার দেওয়া।

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৬ পিএম
  • আপডেট : বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:১৬ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:২৬ পিএম

শারদীয় দুর্গোৎসবের শেষ দিনে বিজয়ার আনন্দ ভাগ করে নিতে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে হাজির হন অভিনেত্রী ও কণ্ঠশিল্পী মেহের আফরোজ শাওন। বুধবার সকালে বন্ধুদের সঙ্গে সিঁদুর খেলার আয়োজনে অংশ নেন তিনি। ঢাকের তালে, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখর মন্দির প্রাঙ্গণে অন্য ভক্তদের সঙ্গে উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন এই শিল্পী।


বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে দশমী বিহিত পূজা ও দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা। পরে দেবী দুর্গাকে সিঁদুর দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি একে অপরের সঙ্গে সিঁদুর খেলায় অংশ নেন ভক্তরা। রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরেও দিনভর ছিল উৎসবের আমেজ। সেখানেই বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান শাওন।


উৎসবে যোগ দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে শাওন বলেন, ‘আমরা বন্ধু, ঈদের দিন ওরা বাসায় আসে। আমাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করে। তাই তাদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করতে এসেছি।’সিঁদুর খেলার আয়োজনে অংশগ্রহণকারীরা পরস্পরের কপালে সিঁদুর ও আবির মাখিয়ে উৎসবের আনন্দ প্রকাশ করেন। তবে আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্যেও দেবী দুর্গার বিদায়ের মুহূর্তে ভক্তদের মনে ছিল বিষাদের ছোঁয়া।


বিকেলে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হওয়ার কথা এবারের শারদীয় দুর্গোৎসবের। এ উপলক্ষে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির থেকে বিজয়া শোভাযাত্রা বের হবে। রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপের প্রতিমা ওই শোভাযাত্রায় যুক্ত হওয়ার পর ঢাকার ১১টি ঘাটে বিসর্জন দেওয়া হবে।


ইজে ও স্যাম কিম

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫১ পিএম

নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় অ্যানিমেশন সিনেমা ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’-এর গান দিয়ে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছেন কোরীয়-মার্কিন গায়িকা ও গীতিকার ইজে। তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও ভক্তদের আগ্রহ কম নয়। এবার বিয়ে করলেন তিনি। তাঁর বর সংগীত প্রযোজক ও গীতিকার স্যাম কিম। শনিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়। গত সোমবার ‘ভোগ’ প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানা গেছে। বিয়ের পর তাঁর স্বামী স্যাম কিমের সঙ্গে প্রেমের গল্প এখন আলোচনায়। সংগীতের সূত্রেই পরিচয়, এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম– দুজনের সম্পর্কের শুরু ২০১৭ সালে।


ইজের আসল নাম কিম উন-জে। স্যাম কিম একসময় সংগীত প্রযোজক হিসেবে কাজ করতেন। পরে পেশা বদলে যুক্ত হন কোডিংয়ের কাজে। ২০১৭ সালে একটি গানের লেখার সেশনে তাদের প্রথম পরিচয় হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই সম্পর্কে জড়ান তারা।


২০২৩ সালের অক্টোবরে বাগদান হয় তাদের। তবে সম্পর্কের ব্যক্তিগত বিষয়গুলো এতদিন অনেকটাই আড়ালে রেখেছিল এই জুটি। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ইনস্টাগ্রামে কিছু ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বাগদানের খবর জানান ইজে। ইজে ও স্যাম শুধু প্রেমিক-প্রেমিকাই নন; সংগীতের কাজেও একে অপরের সহযোগী। 


ইজের প্রথম জনপ্রিয় গান ‘সাইকো’, যেটি কে-পপ গার্ল গ্রুপ রেড ভেলভেট-এর থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক গান ‘ইন অ্যানাদার ওয়ার্ল্ড’ পর্যন্ত তাঁর সংগীতযাত্রায় স্যামের অবদান রয়েছে। ২০২৫ সালের অক্টোবরে ভালচারকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইজে তাদের পরিচয়ের কথা বলেছিলেন। 


তিনি বলেন, ‘সে মূলত আমার গানের লেখার সঙ্গী ছিল। ২০১৭ সালে একটি সেশনে আমাদের পরিচয় হয়। আমরা সত্যিই একসঙ্গে বড় হয়েছি।’ ইজে জানিয়েছেন, মঞ্চে ওঠার আগে ভয় ও উদ্বেগ কাটিয়ে উঠতেও স্যাম তাঁকে সহায়তা করেন। ‘কে-পপ ডেমন হান্টার্স’-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গান ‘হোয়াট ইট সাউন্ডস লাইক’-এর কণ্ঠের বিন্যাসও রেকর্ড করা হয়েছিল ব্রুকলিনে ইজের অ্যাপার্টমেন্টে। সেখানে স্যামও কণ্ঠ দিয়েছিলেন। 


এর আগে ফোর্বসকে ইজে বলেছিলেন, ‘আমি সব সময় গাড়িতে নিজের গান চালাই। গাড়ির স্পিকারে কেমন শোনায়, তা পরীক্ষা করার জন্য ডেমো তৈরি করি। স্যাম সব সময় আমাকে মতামত দেয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘গীতিকার হিসেবে আমি যা করি, এটি তারই প্রতিফলন। আমরা একসঙ্গে গান শুনি, উপভোগ করি। বাস্তবেও আমরা ঠিক এভাবেই সময় কাটাই।’ 


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৪১ পিএম

‘কেন এই নিঃসঙ্গতা, কেন এই মৌনতা, আমাকে ঘিরে...’– এই লাইনগুলো আজও উচ্চারিত হয় শ্রোতাদের মুখে। সৃষ্টির ৩২ বছর পরও এই গানের আবেদন এতটুকু কমেনি। সে কারণে ‘নিঃসঙ্গতা’ গানটি আনপ্লাগড সংগীতায়োজন রেকর্ড করেছেন সোলস সদস্যরা। একযোগে প্রকাশ করছেন শিল্পী পার্থ বড়ুয়া ও ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেলে। সোলস সদস্যদের কথায়, মাত্র এক দিনের নোটিশে বিটিভির জন্য যে গানটি তৈরি হয়েছিল, সেই ‘নিঃসঙ্গতা’ সংগীতাঙ্গনে এতটা আলোড়ন সৃষ্টি করবে; যুগের পর যুগ অনুরণন তুলে যাবে শ্রোতামনে, তা কল্পনাও করেননি তারা। আর এই গানের প্রতি যতটা ভালো লাগা শ্রোতাদের, ততটাই সৃষ্টির আনন্দ মিশে আছে তাদের মনে। সে কারণে আনপ্লাগড ভার্সনে গানটি রেকর্ড করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, যা অনেকের ভালো লাগবে বলে তাদের বিশ্বাস।


কালজয়ী এই গানের সৃষ্টি নিয়ে সোলসের লিড গিটারিস্ট ও কণ্ঠশিল্পী পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘নিঃসঙ্গতা’ গানের জন্ম অনেকটা গল্পের মতো মনে হয়। সেই ১৯৯৪ সালের কথা। তপন চৌধুরী সোলস ছাড়ার পর অ্যালবাম প্রকাশনাও থেমে গেছে। সেই সময়ে হঠাৎ একদিন বিটিভিতে সোলসের ডাক পড়ে নতুন একটি গান করার জন্য। তখন বিটিভি ছাড়া অন্য কোনো টিভি চ্যানেল ছিল না। যে জন্য সেখানে পারফর্ম করতে পারা যে কোনো শিল্পী ও ব্যান্ডের জন্য ছিল বাড়তি পাওয়া। আমরাও তাই এক দিনের নোটিশে গান তৈরিতে উঠেপড়ে লেগেছিলাম। গীতিকার কবির বকুলের কাছ থেকে গীতিকথা লিখিয়ে নিয়ে এক রাতেই শেষ করে ফেলেছি গানের সুর ও সংগীতায়োজন। পরদিনই বিটিভিতে গিয়ে গানটি রেকর্ড করেছি। এরপর ‘নিঃসঙ্গতা’ বিটিভিতে প্রচারের পর যা হয়েছে, তা আজ এক ইতিহাস।


সম্প্রতি সোলস সদস্যরা ব্যান্ডের ৫০ বছর পূর্তি উদযাপনে কানাডা সফর করে এসেছেন। গত সেপ্টেম্বরের শুরুতে কানাডা সফরে যায় দেশের সবচেয়ে পুরোনো এই ব্যান্ড। এই সফরের প্রথম কনসার্ট ছিল সাসকাচুয়ানে। প্রথম আয়োজনে সোলসের পরিবেশনা দর্শক-শ্রোতাদের দারুণ সাড়া ফেলেছিল। যে কারণে বাড়াতে হয়েছে তাদের কনসার্ট সংখ্যা। সাসকাচুয়ানের পর একে একে কানাডার ক্যালাগেরি, হ্যালিফ্যাক্স ও এডমন্টনে অনুষ্ঠিত কনসার্টে অংশ নিয়েছে অসংখ্য কালজয়ী গানের এই ব্যান্ড। কানাডায় ধারাবাহিকতায় আয়োজনের সমাপ্তি টানে স্কারবোরোয়। সোলসের কণ্ঠশিল্পী পার্থ বড়ুয়ার কথায়, উত্তর আমেরিকার বৃহৎ এই দেশটিতে আগেও কনসার্ট করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। কিন্তু এবারের এই কনসার্ট সফর ব্যান্ডের সবার জন্য অন্যরকম অভিজ্ঞতা ও ভালো লাগার। কারণ একটাই, ধারাবাহিক কনসার্টের মধ্য দিয়ে ব্যান্ডের ৫০ দশক পূর্তি উদযাপন করতে পারা। আশার কথা হলো, প্রতিটি কনসার্টে দর্শক সমাগম ও তাদের আনন্দ উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো, যা দীর্ঘদিন আমাদের মনে অনুরণন তুলে যাবে। 


প্রসঙ্গত, সোলসের সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন শুরু হয়েছিল ২০২৩ সালে। সে বছরই দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও প্রথম সারির ব্যান্ড সোলস গানের ভুবনে পথচলার ৫০ বছর পূর্ণ করে। দেশের একমাত্র ব্যান্ড হিসেবে এই মাইলফলক স্পর্শ করতে পারা নিয়ে সোলস সদস্যরা নানা আয়োজন শুরু করেন, যা কয়েকটি ধাপে চলমান।


  • প্রকাশ : বুধবার ২১ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৫ এএম

তুমুল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর নতুন অধ্যায় নিয়ে ফিরেছেন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। দর্শকদের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গ (Bongo) প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেয়েছে সিরিজটির ‘চ্যাপ্টার ১৬’। এতে রয়েছে ১২১ থেকে ১২৮ নম্বর পর্ব।

নতুন চ্যাপ্টার মুক্তির আগেই দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছিল নানা কৌতূহল। বিশেষ করে নির্মাতা কাজল আরেফিন অমির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্ট ঘিরে শুরু হয় আলোচনা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘পাশা ভাইয়ের জীবনে প্রেম দরকার’। এরপর থেকেই দর্শকদের মনে প্রশ্ন জাগে, ব্যাচেলর ফ্ল্যাটের রাগী স্বভাবের চিরকুমার পাশা ভাইয়ের জীবনে কি সত্যিই আসতে চলেছে প্রেম? নতুন চ্যাপ্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে সেই কৌতূহলের উত্তর খোঁজার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।

তবে এবারের পর্বগুলোতে শুধু প্রেমের গল্পই নয়, থাকছে আরও নানা চমক। নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি জানিয়েছেন, চ্যাপ্টারের শেষ দিকে রয়েছে জমজমাট অ্যাকশন দৃশ্য। ফলে পাশা ভাইয়ের জীবনে রোমান্টিক কোনো পরিবর্তন আসে কি না, তার পাশাপাশি শেষ মুহূর্তের টানটান উত্তেজনাও দর্শকদের বাড়তি আকর্ষণ জোগাবে।

দর্শকদের আগ্রহ ও সিরিজটির জনপ্রিয়তার কথা বিবেচনায় রেখে ‘চ্যাপ্টার ১৬’ তৈরি করা হয়েছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর বিশেষ সম্প্রসারণ হিসেবে। নতুন এই অধ্যায় দেখতে বঙ্গ থেকে যারা ইতোমধ্যে ‘এইচ৫ সিজন পাস’ কিনেছেন, তাদের আলাদা করে কোনো সাবস্ক্রিপশন ফি দিতে হবে না। তাদের জন্য পর্বগুলো দেখা যাবে বিনা মূল্যে। অন্য দর্শকদের জন্যও শুধু নতুন চ্যাপ্টার দেখার পৃথক সাবস্ক্রিপশন প্যাক রয়েছে।

পাশা ভাইয়ের জীবনে প্রেমের সম্ভাবনা, শেষদিকে অ্যাকশনের উত্তেজনা আর ব্যাচেলরদের চেনা ছন্দে নতুন সব কাণ্ড- সব মিলিয়ে ‘চ্যাপ্টার ১৬’ ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে। নতুন পর্বগুলো দেখতে চোখ রাখতে হবে বঙ্গের অ্যাপ ও ওয়েবসাইটে।