ভোগান্তিতে রিয়াদগামী যাত্রীরা
সৌদি আরবের দাম্মামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন ভোলা জেলার চাঁদপুরের বাসিন্দা মো. আশরাফ। সাত বছর পর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পাঁচ মাসের ছুটিতে দেশে এসেছেন।
আজ রোববার ছুটি শেষে কর্মস্থলে যোগদানের জন্য দুপুর সাড়ে ১২টায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পৌঁছেন। বিকেল ৩টা ৫৫ মিনিটে ভারতের ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের রিয়াদগামী একটি ফ্লাইটের মাধ্যমে মুম্বাই হয়ে দাম্মামে যাবেন। বিকেল ৩টায় বিমানবন্দরের বহির্গমন ২ নম্বর টার্মিনালের সামনে অবস্থান করার সময় কথা হয় তাঁর সঙ্গে।
আশরাফ বলেন, ‘দাম্মামে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার উদ্দেশ্যে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিমানবন্দরে এসেছি। দুপুর ১টায় বিমানবন্দরের বহির্গমন টার্মিনালে গেটে লাগেজ ও দেহ তল্লাশি শেষে প্রবেশ করানো হয়। এ সময় নির্ধারিত ইন্ডিগো ফ্লাইটের বোর্ডিং পাস নেওয়ার জন্য কাউন্টারের সামনে লাইনে দাঁড়াই। কিছু সময় পর কাউন্টার থেকে জানানো হয়, রিয়াদগামী ফ্লাইট বন্ধ। বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় রিয়াদ বিমানবন্দরে বন্ধ আছে ফ্লাইট চলাচল।’
এমন ঘোষণা ঢাকা বিমানবন্দরে আশরাফের মতো রিয়াদগামী বিভিন্ন ফ্লাইটের অনেক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েন। ভুক্তভোগী আশরাফ জানান, ইন্ডিগো কাউন্টার থেকে যাত্রীদের জানানো হয়েছে, রিয়াদের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট বন্ধ থাকবে। সংশ্লিষ্ট ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ফেরত দিয়ে নতুন করে টিকিট সংগ্রহ করতে বলেছেন এয়ারলাইন্স কর্মীরা।
এদিকে ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের রিয়াদগামী ফ্লাইটের যাত্রী মিজানুর রহমান জানান, চার বছর ধরে সৌদি আরবের রিয়াদে বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন তিনি। দুই মাসের ছুটি শেষে কর্মস্থল যোগদানের উদ্দেশ্যে মুঞ্জিগঞ্জ থেকে বিমানবন্দরে আসেন। তাকে বিদায় জানাতে সঙ্গে এসেছেন সুমন নামে এক আত্মীয়। দুপুর ১টায় ফ্লাইট।
যাত্রী মিজানুর জানান, বিমানবন্দরে আসার পর এয়ারলাইন্স কর্মীরা জানান, ঢাকা–রিয়ামগামী ফ্লাইট বন্ধ। বিমানবন্দরে মাহবুব নামে আরেকজন যাত্রীর অভিযোগও একই। তিনি জানান, এ ঘটনায় যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার।
তিনি বলেন, ‘একজন যাত্রীর সঙ্গে স্বজনরা বিমানবন্দরে এসেছেন বিদায় জানাতে। কিন্ত ফ্লাইট বন্ধ থাকার কারণে আর্থিক ক্ষতি ছাড়াও গন্তব্যে পৌঁছতে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে।’
জানা যায়, ঢাকা–রিয়াদগামী ফ্লাইট হঠাৎ বন্ধ থাকার কারণে গন্তব্যে পৌঁছতে বিমানবন্দরে ভোগান্তিতে পড়েন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সসহ সরকারি–বেসরকারি বিভিন্ন ফ্লাইটের শত শত যাত্রী। বিদেশের কর্মস্থলে যোগদানের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে তারা হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেন। ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, তাদের কর্মস্থল ছিল সৌদির আরবের রিয়াদসহ বিভিন্ন স্থানে। পরে বিমানবন্দর থেকে তারা বাড়ি ফেরেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ থাকায় আজ ভোর ৮টা থেকে এ পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে পাঁচটি ফ্লাইটের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসসহ বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট রয়েছে। এ ছাড়া সৌদি আরবের বিভিন্ন এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোর ৮টা থেকে এ পর্যন্ত ঢাকা-রিয়াদ রুটে পাঁচটি ফ্লাইটের চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজি-৩৩৯, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের বিএস-৩৮১ এবং সৌদি এয়ারলাইন্সের এসবি-৮০৪ ও এসবি-৮০৬ ফ্লাইট রয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রিয়াদ বিমানবন্দর ১২ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিমানবন্দরের কার্যক্রম কখন পুরোপুরি চালু হবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ রিয়াদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিমানবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বেসরকারি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম জানান, ইউএস বাংলার রিয়াদগামী সব ফ্লাইট বন্ধ। এ বিষয়ে যাত্রীদের অবহিত করা হয়েছে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, ঢাকা থেকে রিয়াদগামী ফ্লাইট চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি ও পরবর্তী নির্দেশনার ওপর নির্ভর করে ফ্লাইট চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ শাখা জানিয়েছে, ১১ অক্টোবর ঢাকা থেকে রিয়াদগামী বিজি-৩৩৯ এবং রিয়াদ থেকে ঢাকাগামী বিজি-৩৪০ ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত ফ্লাইট চলাচল নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
ফ্লাইট স্থগিত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট যাত্রীদের ভ্রমণসূচিতে পরিবর্তন আসতে পারে। এ অবস্থায় যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সৌদি আরবে একাধিক হুতি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এসব হামলায় ৩ বাংলাদেশি নিহত ও বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনাও রয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।
বাংলাদেশ সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
ছবি : সংগৃহীত
আসছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা কমে ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরইমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির শুক্রবার বলেন, “উত্তরের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা কমছে। রংপুর বিভাগের কথা চিন্তা করলে তেঁতুলিয়ায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রয়েছে। রাজারহাট ও দিনাজপুরেও তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে আছে। রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতেও তাপমাত্রা কমেছে।
“সামনের সপ্তাহে আবহাওয়ার বর্তমান ব্যবস্থাটি কেটে গেলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।”
এদিকে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে তথ্য দিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, “পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার এটি নিম্নচাপে এবং পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।
“এই মুহূর্তে এর কোনো প্রভাব আমাদের ওপর নেই। তবে ২৫ অক্টোবরের পর উপকূলীয় এলাকায় কিছুটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।”
আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, “আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশে বৃষ্টিপাতের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। পুরো দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।”
প্রতীকী ছবি
সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৯৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের মৃত্যু হয়েছে।
এতে চলতি বছর মশাবাহিত রোগটিতে এ পর্যন্ত মোট প্রাণহানি ৩৭১ জনে দাঁড়াল।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাহিরে) সবচেয়ে বেশি ২৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩১, খুলনা বিভাগে ১৪৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০০, রাজশাহী বিভাগে ১১৩ ও রংপুর বিভাগে ৩৮ ও সিলেট বিভাগে দুইজন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
সবমিলিয়ে চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ১৭৯ জন মারা গেছেন।
এ ছাড়া উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন, বরিশাল বিভাগে ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, রংপুরে ৭ জন ও সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
প্রতীকী ছবি
দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৪ জনে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।
বুলেটিনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট বিভাগেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ১৩৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৯৪ জন, বরিশালে ১১৫ জন, সিলেটে ৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৬৫ জন, খুলনায় ৬০ জন, রংপুরে ২৪ জন এবং রাজশাহীতে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৮ জন।
এদিকে, ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জনে। তাদের মধ্যে ২৩ হাজার ২৭৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।
ছবি : সংগৃহীত
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখে এলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বঙ্গভবন জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান রাষ্ট্রপতি। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ চিকিৎসকরা আবদুল মঈন খানের সর্বশেষ অবস্থা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।
গত বুধবার বুকে ব্যথা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মঈন খান। তিনি শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে ভুগছেন। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।
শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীরা (ফাইল ছবি)
৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন।
ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সোয়া আটটায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।
বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ফেরত আসা বাংলাদেশিদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, একটি বিশেষ বিমানে করে ৩৫ বাংলাদেশি শুক্রবার সকালে ঢাকায় এসেছেন। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন।
তাদের সবাইকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রত্যাশা-২ প্রকল্প থেকে বিমানবন্দরে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কাউন্সিলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে সবাইকে অর্থনৈতিক সহায়তা করা হবে।