স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন

  • প্রকাশ : সোমবার ০৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৪:১৪ এএম

সিজারিয়ান ডেলিভারি নিরুৎসাহিত করতে দেশের সব ক্লিনিকে লেবার রুম চালু করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়। লেবার রুম চালু না করলে ক্লিনিকের লাইসেন্স বাতিল করে দেওয়া হবে। আজ সোমবার সকালে বাংলাদেশ মিডওয়াইফরি সোসাইটির এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।


তিনি বলেন, ‘আপনারা জেনে খুশি হবেন, এর মধ্যে আমরা নির্দেশ দিয়েছি, আগামী শনিবারের মধ্যে বাংলাদেশের সকল ক্লিনিকগুলোতে লেবার রুম প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। যারা করবে না, তাদের লাইসেন্স বাতিল করে দেবো এবং সেই ক্লিনিক বন্ধ করে দেবো।’


মায়েদের নরমাল ডেলিভারিতে উদ্বুদ্ধ করতে সব প্রাইভেট ক্লিনিকে মিডওয়াইফ নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হবে। এছাড়া নিয়োগ পাওয়া মিডওয়াইফরা গ্রামে গ্রামে বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে মায়েদের কাউন্সেলিং দেবে।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মায়েরা ভীতির কারণে দালালদের কথা শোনে। এমনভাবে ভয় দেখানো হয়, যেখানে চিন্তা করার কোনো রকম বিকল্প থাকে না। এর হাত থেকে এই জাতিকে আমাদের রক্ষা করতে হবে।’


তিনি বলেন, ‘সুস্থ সবল জনগোষ্ঠী ছাড়া একটা জাতির উন্নয়ন হয় না। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের দেশে বর্তমানে এত মুনাফাভিত্তিক, এত লোভি একটি শ্রেণি গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, যারা শুধু অর্থটাকেই চেনে। মানুষের কল্যাণ চিন্তা করে না, দেশের কথা চিন্তা করে না। আমাদের মা-বাবা, আরেক প্রজন্মকে আমরা দেখেছি—আমাদের দাদা-দাদি। তখন তো ক্লিনিক ছিল না দেশে। সিজারিয়ান শব্দের সাথে আমাদের মা-বাবারা পরিচিত ছিলেন না! একেকজন মায়ের ১৩-১৪ টা পর্যন্ত বাচ্চা হয়েছে। নরমাল ডেলিভারি হয়েছে,’ উল্লেখ করেন তিনি।


দাইদের মাধ্যমে সন্তান প্রসবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘দ্যাট ওয়াজ দ্য বিউটি অব আওয়ার ভিলেজেস। দ্যাট ওয়াজ দ্য বিউটি অব আওয়ার নিউবর্ন বেবিস। আজকে কিন্তু সেই গ্রামীণ পদ্ধতিটা নেই। দেশ উন্নত হচ্ছে, কোনো সন্দেহ নেই। এখন আর ঘরে বসে না করতে চাইলে, না করতে পারেন। কিন্তু যে কাজটা এখন হচ্ছে সেটা হলো, মেয়েদের প্রেগন্যান্সির সময় চারটি ধাপে পরীক্ষা করতে হয়। দুটি ধাপ পর্যন্ত কথা শোনে। দুটি স্টেজের পরে দালাল লাগে পেছনে, বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখায়। আপনার এই সমস্যা, ওই সমস্যা। অপারেশন না করলে মারা যাবে। আর স্বামীকে বলে বাচ্চা চান না বউ চান? একজন কিন্তু মারা যাবে, যদি (সিজারিয়ান অপারেশন) না করেন। ওই স্টেজে কেউ কোনো ঝুঁকি নিতে চান না। কারণ আমি একটা কথা বলি যে, আল্লাহর পরে ডাক্তাররাই মানুষের সবচেয়ে বড় অভিভাবক। কিন্তু সেই জায়গাটি আমাদের ঘাটতি আছে!’


মন্ত্রী বলেন, ‘ভয় দেখায়। অধিকাংশরাই সিজারিয়ান অপারেশন করে ফেলে। সিজারিয়ানের কী সমস্যা এবার আমি হামের প্রাদুর্ভাবে হারে হারে টের পাচ্ছি বিভিন্ন ডাক্তারদের সাথে আলাপ করে। ইউনিসেফ ও ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন কথা বলে। আমার কোনো অভিজ্ঞতা নেই। ওরা বলেছে, সিজারিয়ান হলে বেবিকে মায়ের শাল দুধ দেওয়া হয় না। এই যে পুষ্টির একটা ঘাটতি, সেই ঘাটতিটা দীর্ঘায়িত হয় ছয় মাস পর্যন্ত।’


স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘হামকে ঘামাচির বড় ভাই বলা হতো গ্রামে। সেই হাম হয়ে গেছে এখন ঘাতকব্যাধি। হাম থেকে নিউমোনিয়া হয়ে যাচ্ছে। আমি প্রত্যেকটা মিজেলস ওয়ার্ড ভিজিট করেছি। বিশ্বাস করবেন কি না, একটা বাচ্চার গায়েও কোনো মাংস নেই। কোনো প্রোটিন মায়েদের গায়ে নাই। তারা কীভাবে বাচ্চাদের প্রোটিন দেবে? কীভাবে ব্রেস্ট ফিডিং করাবে? ওদের গায়েই প্রোটিন নেই।’


তিনি বলেন ‘এর মধ্যে কেউ পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেছে। কারও বাবা-মা গরিব, অল্প বয়সে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। বিয়ের পরেই একটা বাচ্চা হয়েছে। বাচ্চার দেখাশোনা করতে পারে নাই। জ্বর হয়েছে, চার-পাঁচ দিন বাসায় রেখেছে, শেষে হাসপাতালে নিয়েছে। এর মধ্যে লাংস চুপসে গেছে, অক্সিজেন ধারণ করতে পারে না। এই অবস্থা থেকে একমাত্র উদ্ধার করতে পারে মিডওয়াইফ। এটা আমার ও প্রধানমন্ত্রীর উপলব্ধি। মিডওয়াইফের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রতিটি জায়গায় মিডওয়াফদের চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে’।




পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:৪৯ পিএম

সৌদি আরবে একাধিক হুতি হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এসব হামলায় ৩ বাংলাদেশি নিহত ও বেশ কয়েকজন হতাহতের ঘটনাও রয়েছে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নিন্দা জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে। একই সঙ্গে সৌদি সরকার ও জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছে।


বাংলাদেশ সব ধরনের হামলা অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। পাশাপাশি কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।







ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৬:১৮ পিএম

আসছে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা কমে ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে বলে আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এরইমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে।


আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির শুক্রবার বলেন, “উত্তরের দিকে তাপমাত্রা কিছুটা কমছে। রংপুর বিভাগের কথা চিন্তা করলে তেঁতুলিয়ায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রয়েছে। রাজারহাট ও দিনাজপুরেও তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে আছে। রাজশাহী ও ঈশ্বরদীতেও তাপমাত্রা কমেছে।


“সামনের সপ্তাহে আবহাওয়ার বর্তমান ব্যবস্থাটি কেটে গেলে তাপমাত্রা আরও কিছুটা কমতে পারে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে তাপমাত্রা আরও কমার সম্ভাবনা রয়েছে। তখন ঢাকাসহ সারাদেশে শীতের অনুভূতি বাড়তে পারে।”


এদিকে বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে তথ্য দিয়ে এই আবহাওয়াবিদ বলেন, “পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। এটি আরও ঘনীভূত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার এটি নিম্নচাপে এবং পরে গভীর নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে।


“এই মুহূর্তে এর কোনো প্রভাব আমাদের ওপর নেই। তবে ২৫ অক্টোবরের পর উপকূলীয় এলাকায় কিছুটা বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।”


আগামী কয়েক দিনের আবহাওয়া পরিস্থিতি সম্পর্কে তরিফুল নেওয়াজ কবির বলেন, “আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় দেশে বৃষ্টিপাতের তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। পুরো দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।”



প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:৫০ পিএম

সারা দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ২৯৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু-বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে চট্টগ্রাম বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) দুজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাইরে) একজনের মৃত্যু হয়েছে।


এতে চলতি বছর মশাবাহিত রোগটিতে এ পর্যন্ত মোট প্রাণহানি ৩৭১ জনে দাঁড়াল।


এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে (সিটি করপোরেশনের বাহিরে) সবচেয়ে বেশি ২৭৪ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ১৫৯ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১৯, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১১৬, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১৩১, খুলনা বিভাগে ১৪৭, ময়মনসিংহ বিভাগে ১০০, রাজশাহী বিভাগে ১১৩ ও রংপুর বিভাগে ৩৮ ও সিলেট বিভাগে দুইজন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


সবমিলিয়ে চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গুতে মোট ৩৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ১৭৯ জন মারা গেছেন।


এ ছাড়া উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ৬৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৩০ জন, বরিশাল বিভাগে ২৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ২৩ জন, রংপুরে ৭ জন ও সিলেট বিভাগে ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৪:২২ পিএম

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০৪ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২১৪ জনে। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।


বুলেটিনে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে সিলেট বিভাগেই তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ১৩৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।


বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৫৫৮ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়া চট্টগ্রামে ১৯৪ জন, বরিশালে ১১৫ জন, সিলেটে ৯৪ জন, ময়মনসিংহে ৬৫ জন, খুলনায় ৬০ জন, রংপুরে ২৪ জন এবং রাজশাহীতে ২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৯৪ হাজার ৬৩৩ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৮৬ হাজার ৭৯৮ জন।


এদিকে, ১৫ মার্চ থেকে দেশে সন্দেহজনক হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৮ হাজার ৮৭০ জনে। তাদের মধ্যে ২৩ হাজার ২৭৩ জনের শরীরে হাম নিশ্চিতভাবে শনাক্ত হয়েছে।








ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৩:২৫ পিএম

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী আবদুল মঈন খানকে দেখে এলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


বঙ্গভবন জানিয়েছে, শুক্রবার সকালে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে যান রাষ্ট্রপতি। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।


স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর স্ত্রী অ্যাডভোকেট রোকসানা খন্দকার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


এভারকেয়ার হাসপাতালের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক সাহাবুদ্দিন তালুকদারসহ চিকিৎসকরা আবদুল মঈন খানের সর্বশেষ অবস্থা রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।


গত বুধবার বুকে ব্যথা নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন মঈন খান। তিনি শ্বাসকষ্ট ও হৃদরোগে ভুগছেন। চিকিৎসকরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।


শাহজালাল বিমানবন্দরে যাত্রীরা (ফাইল ছবি)

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৩ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:১০ পিএম

৩৫ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে ইউরোপের কয়েকটি দেশ। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। 


ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকাল সোয়া আটটায় একটি বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে (পিভিজি ৯৪৪৫) তারা ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান।


বিমানবন্দরে সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটি ও প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতায় ফেরত আসা বাংলাদেশিদের জরুরি সহায়তা, কাউন্সেলিং এবং নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করে ব্র্যাকের মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।


বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, একটি বিশেষ বিমানে করে ৩৫ বাংলাদেশি শুক্রবার সকালে ঢাকায় এসেছেন। এর মধ্যে ইতালি থেকে ১৯ জন, গ্রিস থেকে ১০ জন এবং সাইপ্রাস থেকে ছয়জন বাংলাদেশি দেশে ফিরছেন। 


তাদের সবাইকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রত্যাশা-২ প্রকল্প থেকে বিমানবন্দরে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে কাউন্সিলিং ও প্রশিক্ষণ শেষে সবাইকে অর্থনৈতিক সহায়তা করা হবে।