• প্রকাশ : বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৭:২৭ পিএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর

  • প্রকাশ : বুধবার ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৭:২৭ পিএম

আন্তর্জাতিক শিল্পমঞ্চে বড় সাফল্য অর্জন করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়-এর ফিল্ম এন্ড  মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহমেদ শ্রাবন। বৈশ্বিক জলবায়ু সচেতনতা বিষয়ক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা রি-আর্থ ইন্টারন্যাশনাল আর্ট প্রাইজ–২০২৫-এর ফটোগ্রাফি বিভাগে তিনি প্রথম স্থান (১st Prize) অর্জন করেছেন।


শ্রাবনের বিজয়ী ছবির শিরোনাম “Dreams Floating on the River”। একই প্রতিযোগিতায় তার আরেকটি আলোকচিত্র “Sleeping on the Edge of Survival” “জুরি চয়েস অ্যাওয়ার্ড” লাভ করে। পাশাপাশি ফটোগ্রাফি বিভাগে আরও একটি সম্মাননা অর্জন করেন তিনি। এ সাফল্যের জন্য তিনি মোট ১ লাখ ২২ হাজার টাকা পুরস্কার পাবেন।


জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাত, নিউজিল্যান্ড, বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ফ্রান্স, ইতালি, রোমানিয়া, চীন, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, তানজানিয়া, কেনিয়া, ফিলিপাইন, তাইওয়ান, রাশিয়া, ব্রাজিল ও সৌদি আরবসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শিল্পীরা অংশ নেন।


প্রতিযোগিতাটি যৌথভাবে আয়োজন করে নিউজিল্যান্ডভিত্তিক এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহভিত্তিক । আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ৪ থেকে ২৫ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীরা ফটোগ্রাফি, পেইন্টিং, ড্রইং, ডিজিটাল আর্ট ও ইলাস্ট্রেশন এবং এআই জেনারেটিভ আর্ট বিভাগে জলবায়ুকেন্দ্রিক কাজ জমা দিতে পারেন। নির্বাচিত শিল্পকর্ম আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর মাধ্যমে বৈশ্বিক দর্শকের সামনে উপস্থাপন করা হয়।


পুরস্কারপ্রাপ্ত ছবি “Dreams Floating on the River” সম্পর্কে শ্রাবন বলেন,

 “নদী শুধু একটি ভৌগোলিক উপাদান নয়, এটি আমাদের অস্তিত্বের অংশ। আমার ছবিতে নদীর বুকে ভাসমান স্বপ্ন আসলে মানুষের টিকে থাকার সংগ্রাম ও আশার প্রতীক। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে নদীভাঙন, বাস্তুচ্যুতি ও অনিশ্চয়তা—এসব বাস্তবতাকেই আমি শিল্পের ভাষায় ধরতে চেয়েছি।”


তার আরেকটি ছবি “Sleeping on the Edge of Survival” প্রসঙ্গে তিনি বলেন,

 “এই ছবিটি প্রান্তিক মানুষের জীবনযাপন ও টিকে থাকার সীমারেখাকে তুলে ধরে। আমরা যারা তুলনামূলক নিরাপদ জায়গায় আছি, তাদের জন্য এটি হয়তো একটি ছবি; কিন্তু কারও কারও জন্য সেটিই নির্মম বাস্তবতা।”


অনুভূতি ব্যক্ত করে তিনি বলেন, "দেশের গণ্ডি পেরিয়ে এবার আমার তোলা একটি ছবি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পুরস্কার অর্জন করেছে। এটি যেমন আমার ব্যক্তিগতভাবে আনন্দের, তেমনি বাংলাদেশের জন্যও সম্মানের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অসংখ্য প্রতিভাবান ও নামিদামি শিল্পী এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিলেন—সেই ভিড়ে বাংলাদেশের একটি কাজের স্বীকৃতি পাওয়া সত্যিই গর্বের।


আমি বিশ্বাস করি, এই পুরস্কার শুধু আমার একার নয়; এটি বাংলাদেশের। কারণ আমি আমার দেশের মানুষ, তাদের জীবনসংগ্রাম ও বাস্তবতার গল্পই ছবির মাধ্যমে তুলে ধরেছি—আর সেই গল্পই আন্তর্জাতিক মঞ্চে সম্মানিত হয়েছে।আমার জন্য দোয়া করবেন সবাই।"


উল্লেখ্য, reEarth International Art Prize হলো জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই ভবিষ্যৎ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক শিল্প উদ্যোগ। শিল্পকে মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে আগামী প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য। নির্বাচিত কাজগুলো আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী ও প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী উপস্থাপন করা হয়।




বেলা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে রাজধানীর আকাশ।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ১:২৪ পিএম

ছুটির দিন আজ শুক্রবারে সকালের আকাশ বেশ ঝকঝকে ছিল। কিন্তু বেলা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সময়ের জন্য অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে রাজধানীর আকাশ। 


এ পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে নগরীর বিভিন্ন স্থানে। হঠাৎ এমন পরিস্থিতি কেন? এ কি দূষণ, না সাগরে সৃষ্টি হওয়া কোনো লঘুচাপের প্রভাব? এ সময়টায় এমন অবস্থা কি এবারই প্রথম হচ্ছে?


আবহাওয়াবিদ ও দূষণ বিশেষজ্ঞদের কথা হলো, ফেব্রুয়ারির শেষ এবং মার্চের শুরুতে আকাশ হঠাৎ এভাবে মেঘাচ্ছন্ন হয়ে যায়। মনে হয় যেন চারদিক অন্ধকার করে এসেছে, এই বুঝি মেঘ হয়ে বৃষ্টি এলে। শেষতক বৃষ্টি হয় না। 


আকাশও কিছু সময় পর পরিষ্কার হয়ে যায়। এই যে পরিস্থিতি, এটা কিন্তু বরাবরই হয়। আকাশের এই পরিস্থিতিকে ‘ধোঁয়াশা’ বলেন আবহাওয়াবিদেরা। নগরীর দূষণ, হাওয়ার বদল, বাতাসে জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি আর সাগরের লঘুচাপের সীমিত প্রভাব- এসব কারণেই পরিস্থিতি এমন হয়ে যায়।


রাজধানী ঢাকা এখন বিশ্বের দূষিত নগরীগুলোর মধ্যে প্রথম সারিতে আছে। এটাও দীর্ঘ সময় ধরেই আছে। আজ বেলা ১১টার দিকে এ প্রতিবেদন লেখার সময় বিশ্বের ১২৩টি নগরীর মধ্যে ঢাকা ছিল দ্বিতীয় স্থানে। ঢাকার বায়ুর মান ২৮৪।


বায়ুদূষণের এ পরিস্থিতি তুলে ধরেছে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার। প্রতিষ্ঠানটি বায়ুদূষণের অবস্থা নিয়মিত তুলে ধরে। বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা এই লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় ও সতর্ক করে।


বায়ুদূষণের মাত্রা ২০০-এর বেশি হলে সেটিকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০০ হয়ে গেলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে গণ্য করা হয়।


নগরীর এই দূষণের উৎসগুলোর মধ্যে আছে ইটভাটা ও কলকারখানার ধোঁয়া, যানবাহনের কালো ধোঁয়া ইত্যাদি। এসব উৎসের পাশাপাশি আন্তমহাদেশীয় দূষিত বায়ুপ্রবাহেরও ভূমিকা আছে। এই বায়ু ভারতের দিল্লি, পাকিস্তানের লাহোর ও করাচি এবং ভারতের বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এই দূষিত বায়ুর একটি স্তর সৃষ্টি হয়। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় এটি আপাতত স্থায়ী হয়ে গেছে।


গত জানুয়ারি মাস এবং চলতি ফেব্রুয়ারি মাসে প্রায় প্রতিদিন বায়ুদূষণে বিশ্বের নগরীগুলোর মধ্যে একেবারে সামনের সারিতে থেকেছে ঢাকা।


এখন আবার প্রকৃতিতে শীতের বিদায় হয়ে বসন্ত এসেছে। তাপমাত্রা বাড়তে শুরু করেছে। শীতকালে উত্তর-পশ্চিম বায়ু বয়ে যায়। আর গরমে আসে দক্ষিণের বায়ু।


আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক বলছেন, প্রকৃতিতে বায়ুপ্রবাহের পরিবর্তন হচ্ছে। একটির সঙ্গে আরেক প্রবাহের সংঘাত হচ্ছে। বায়ু এখন এলোমেলো আচরণ করে। এর সঙ্গে রাতের কমতে থাকা তাপমাত্রা এবং দূষণ মিলে এ সময়ের শেষ বিকেল এবং সকালে সূর্য ওঠার পর আকাশ মেঘলা মনে হয়। এটা আসলে ‘ধোঁয়াশা’। শেষ ফেব্রুয়ারি এবং মার্চের শুরু পর্যন্ত এমনটা থাকেই। বৃষ্টি না হলে এ পরিস্থিতি চলতে থাকবে। বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বাড়ছে। এটিও এই ধোঁয়াশা সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখে।


এরই মধ্যে সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, আগামী সোমবার অথবা মঙ্গলবার বরিশাল, খুলনা বা চট্টগ্রাম বিভাগের কোনো কোনো স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক বলছিলেন, মূলত উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। এতে এই ধোঁয়াশা কাটতে পারে।


  • প্রকাশ : রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬, সময় : ১১:৪৫ এএম

এ বছরের আয়কর রিটার্ন জমার সময় শেষ হচ্ছে ২৮ ফেব্রুয়ারি। এর আগে তিন দফা সময় বাড়ানো হয়। গতবারের মতো সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত আছে।


তবে এবার রিটার্ন জমায় পাঁচটি বিষয়ে কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাই শেষ মুহূর্তে আয়কর রিটার্ন জমা দেবেন, তাঁদের এই সময়ে এসব নতুন বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। 


এবার অনলাইনে রিটার্ন জমা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তাই সনাতনি পদ্ধতিতে কাগুজে রিটার্ন জমার সুযোগ নেই।


এবার দেখা যাক রিটার্ন জমার ক্ষেত্রে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা এবার যে পাঁচটি কর ছাড় পাচ্ছেন, তা জানা যাক-


১. ভাইবোনের দেওয়া টাকায় কর নেই


রিটার্ন নথিতে ভাইবোনের দান করা অর্থ বা সম্পদ করমুক্ত থাকবে। অনেকেই বিদেশ থেকে দেশে থাকা ভাইবোনকে টাকা পাঠান কিংবা বিভিন্ন ধরনের উৎসবে উপহার কেনার জন্য দেশ ও বিদেশ থেকে টাকা পাঠান। এমনিতে অনেকে ভাইবোনদের টাকা দেন। এসব টাকার ওপর কর বসবে না। তবে পাঁচ লাখ টাকার বেশি হলে অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলে দিতে হবে।


এ উদ্যোগের ফলে পারিবারিক জমি, ফ্ল্যাটসহ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ হস্তান্তরও আরও সহজ হবে। এত দিন শুধু স্বামী-স্ত্রী, মা-বাবা ও সন্তানেরা দান করলেই করমুক্ত থাকত।


২. কৃষি খাতের আয়ে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত ছাড়


এ বছরের বাজেটে ব্যক্তিশ্রেণির কারদাতাদের কৃষি খাতের আয়ে ছাড় দেওয়া হয়েছে। এ খাতের আয় পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হবে না। বাণিজ্যিক কৃষিকে উৎসাহিত করতেই এই উদ্যোগ। অনেকে এখন জমি লিজ নিয়ে কৃষিকাজ করেন।


৩. বেসরকারি চাকরিজীবীর করের হিসাবে ছাড়


বেসরকারি চাকরিজীবীদের করযোগ্য আয় গণনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বাদযোগ্য অঙ্কের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। নানা ধরনের ভাতাসহ এত দিন সাড়ে চার লাখ টাকা পর্যন্ত আয় বাদ দেওয়া যেত। এটি এখন থেকে পাঁচ লাখ টাকা হবে।


৪. পেনশনের আয় করমুক্ত


জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের আয় ও জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সর্বজনীন পেনশন স্কিম থেকে প্রাপ্ত আয় করমুক্ত রাখা হয়েছে। এতে পেনশনভোগীরা কিছুটা স্বস্তি পাবেন। সর্বজনীন পেনশন স্কিমের আওতায় এখন গ্রাহকসংখ্যা প্রায় দুই লাখের কাছাকাছি।


৫. মরণব্যাধির চিকিৎসা খরচে কর নেই


চাকরিজীবীদের কিছুটা স্বস্তি দেওয়া হয়েছে। তাদের মরণব্যাধির চিকিৎসা খরচকে এবার করমুক্ত রাখা হয়েছে। মরণব্যধির তালিকায় আছে কিডনি, লিভার, ক্যানসার, হার্টের চিকিৎসার পাশাপাশি মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার ও কৃত্রিম অঙ্গ প্রতিস্থাপন ইত্যাদি। এসব রোগের চিকিৎসা বাবদ নিজের প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত টাকা করমুক্ত থাকবে। এসব রোগের চিকিৎসায় লাখ লাখ টাকা খরচ হয়।

বিষয় :


পরিবেশের অবনতি হচ্ছে ইউরোপে, ইইএর সতর্কবার্তা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২০ নভেম্বর, ২০২৫, সময় : ৩:০১ পিএম

ইউরোপে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানো ও নবায়নযোগ্য শক্তির ব্যবহার বেড়েছে। তবু ইউরোপের পরিবেশ পরিস্থিতি এখনও খারাপের দিকেই যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছে ইউরোপীয় পরিবেশ সংস্থা (ইইএ)। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে সংস্থাটি এ কথা বলেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ইইউ দেশগুলো ১৯৯০ সালের পর নিঃসরণ ৩৭ শতাংশ কমালেও জীববৈচিত্র্য, পানি ও মাটির অবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সংরক্ষিত অভয়ারণ্যের ৮১ শতাংশ এখন ঝুঁকিতে, ৬০–৭০ শতাংশ মাটি ক্ষয়ে গেছে, আর ৬২ শতাংশ জলাশয় দূষিত।

ইইএ জানায়, তাপমাত্রা বাড়লেও ৩৮ সদস্য দেশের মধ্যে মাত্র ২১টিতে স্বাস্থ্য সুরক্ষার পরিকল্পনা আছে। ইউরোপের অনেক ভবন তাপ সহনীয় নয়, ফলে ১৯ শতাংশ মানুষ আরামদায়ক তাপমাত্রা বজায় রাখতে পারছেন না।

সংস্থাটি বলছে, সুশাসন, প্রযুক্তি ও পানির পুনর্ব্যবহার বাড়ালে কৃষি, জ্বালানি ও পানি খাতে ৪০ শতাংশ পানি সাশ্রয় সম্ভব।