• প্রকাশ : মঙ্গলবার ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৮:৩৩ এএম

৫০তম বিসিএস প্রিলিমিনারির ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে মোট উত্তীর্ণ হয়েছেন ১২ হাজার ৩৮৫ জন। উত্তীর্ণ প্রার্থীরা সবাই বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। আজ (মঙ্গলবার) বিকেলে ফল প্রকাশ করে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। 


প্রকাশিত ফলে প্রিলিমিনারিতে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের মধ্যে নির্ধারিত সংখ্যক প্রার্থীকে লিখিত পরীক্ষার জন্য যোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে। পিএসসি জানায়, ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার ফলাফল কমিশনের ওয়েবসাইট (www.bpsc.gov.bd) এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে (http://bpsc.teletalk.com.bd) পাওয়া যাবে।


এ ছাড়া টেলিটকের মাধ্যমে এসএমএস করেও ফল জানা যাবে। সে ক্ষেত্রে যে কোনো মোবাইল ফোন থেকে PSC50 লিখে একটি স্পেস দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নম্বর লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি এসএমএসে প্রার্থীর রেজিস্ট্রেশন নম্বরসহ ‘Qualified’ অথবা ‘Not Qualified’ হিসেবে ফল জানানো হবে।


এদিকে ৫০তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা শুরুর সম্ভাব্য তারিখও জানিয়েছে পিএসসি। কমিশনের তথ্যমতে, আগামী ৯ এপ্রিল থেকে লিখিত পরীক্ষা শুরু হতে পারে। সব পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তীতে জানিয়ে দেওয়া হবে।


পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাসুমা আফরীনের সই করা ফল প্রকাশের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সাময়িকভাবে যোগ্য ঘোষিত কোনো প্রার্থীর নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে, কমিশন নির্ধারিত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস, সনদ বা প্রত্যয়নপত্র উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে কিংবা প্রতারণার আশ্রয় নিলে প্রার্থিতা বাতিল করা হবে।


এ ছাড়া আবেদনপত্রে কোনো ভুল বা মিথ্যা তথ্য প্রদান, প্রয়োজনীয় তথ্য গোপন, জাল সনদ উপস্থাপন, বয়স বা শিক্ষাগত যোগ্যতা সংক্রান্ত সনদে টেম্পারিং বা পরিবর্তন, কিংবা গুরুতর কোনো ত্রুটি বা ঘাটতি পাওয়া গেলে লিখিত পরীক্ষার আগে বা পরে যে কোনো পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করা হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।


গত ৩০ জানুয়ারি ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের ১৯০টি কেন্দ্রে ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়। এ পরীক্ষায় আবেদন করেছিলেন মোট ২ লাখ ৯০ হাজার ৯৫১ জন প্রার্থী।


৫০তম বিসিএসে ক্যাডার ও নন-ক্যাডার মিলিয়ে মোট দুই হাজার ১৫০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে। এর মধ্যে এক হাজার ৭৫৫টি ক্যাডার পদের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬৫০ জন নেওয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এ ছাড়া প্রশাসন ক্যাডারে ২০০ জন এবং পুলিশ ক্যাডারে ১১৭ জন নিয়োগ দেওয়ার কথা রয়েছে। নন-ক্যাডার পদ রয়েছে ৩৯৫টি।



  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০৪ পিএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০৪ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের হত্যা করা হয় মুজিবনগর সরকারের চার নেতাকে। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৭:০৪ পিএম

আজ ৩ নভেম্বর, জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশের ইতিহাসে দিনটি গভীর শোক ও বেদনার। ১৯৭৫ সালের এই দিনে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয় মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের চার গুরুত্বপূর্ণ নেতা- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।


এর আগে একই বছরের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। ওই হত্যাকাণ্ডের পর তার ঘনিষ্ঠ রাজনৈতিক সহকর্মী জাতীয় চার নেতাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা ও ক্ষমতার পালাবদলের ধারাবাহিকতায় কারাগারের মতো নিরাপদ স্থানেও রক্ষা পাননি তারা। ৩ নভেম্বর রাতের অন্ধকারে তাদের হত্যা করা হয়।


জাতীয় চার নেতার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর তৎকালীন কারা উপমহাপরিদর্শক কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি ‘জেলহত্যা মামলা’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। দীর্ঘ ২১ বছর মামলাটির তদন্ত ও বিচারপ্রক্রিয়া কার্যত স্থবির ছিল। ১৯৯৬ সালের জুনে আওয়ামী লীগ (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) ক্ষমতায় ফেরার পর মামলাটির কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ২৯ বছর পর, ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।


আদালতের রায়ে ১১ জন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়। তাদের মধ্যে তিনজনের মৃত্যুদণ্ড এবং আটজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়। তবে সাজাপ্রাপ্তদের অধিকাংশই এখনো পলাতক রয়েছেন। ১১ আসামির মধ্যে মাত্র একজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে।


যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের একজন ক্যাপ্টেন (বরখাস্ত) আবদুল মাজেদ দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাতেও তার মৃত্যুদণ্ডের আদেশ হয়েছিল। দীর্ঘদিন পর ২০২০ সালের এপ্রিলে দেশে ফেরার পর তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই মাসে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।


কালবেলা/এফএফ/এমএইচ

কারাগারজেলহত্যা দিবসআদালতমামলা


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৪:২৯ পিএম

আগামী বছর জাতীয় গ্রিডে ৩-৪ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, খরচও কমাতে চায় সরকার।’মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ সোলার এক্সপো-২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনে বিগত সরকারগুলোর ব্যর্থতা কিংবা ভূমিকা নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা করে সময় নষ্ট করার পরিবর্তে আমি মনে করি, আগামী দিনগুলোতে কীভাবে বিদ্যুতের চাহিদা মেটানো যায়, বাসাবাড়ি এবং ব্যবসা-বাণিজ্যে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়, বর্তমান সরকারের কাছে সেটাই অগ্রাধিকার।’


অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন– বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মিরানা মাহরুখ।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৫৬ পিএম

রাস্তায় বর্তমানে যারা আন্দোলন করছেন, তাদের সঙ্গে শ্রমিকদের কোনো সম্পর্ক নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে একটি মহল অপচেষ্টা চালাচ্ছে।মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সচিবালয়ে চিংড়ি মহাল ব্যবস্থাপনা বিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বন্ধ থাকা কারখানাগুলো শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে এবং মালিক ও শ্রমিকপক্ষ উভয়েই এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন।


তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে সরকার কাজ করছে। এ খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির কোনো সুযোগ নেই।


মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ছবি: সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০২ নভেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৩২ পিএম

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে অশোভন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া থেকে মাদরাসা শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। ফেসবুকে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে অশোভন, শিষ্টাচারবহির্ভূত ও উসকানিমূলক পোস্ট দেওয়া থেকে মাদরাসা শিক্ষকদের বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর। এ ধরনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।


সোমবার (২ নভেম্বর) অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখা থেকে জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। এতে অধিদপ্তরের আওতাধীন মাদরাসায় কর্মরত শিক্ষক-কর্মচারীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার কথা বলা হয়েছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি কয়েকজন শিক্ষক ফেসবুকের ব্যক্তিগত ওয়াল ও বিভিন্ন গ্রুপে কর্তৃপক্ষের নেওয়া সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তিকর ও উসকানিমূলক মন্তব্য করছেন। এসব পোস্টের কারণে দেশের বিভিন্ন এলাকার মাদরাসা শিক্ষকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পাশাপাশি মাদরাসা শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে এবং অধিদপ্তরের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হচ্ছে।


অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ ধরনের কর্মকাণ্ড ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯’-এর ১০ (ঙ), ১০ (ছ) ও ১০ (ঝ) অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। একই সঙ্গে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (মাদরাসা) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা, ২০২৬’-এর ১৮ (গ) অনুযায়ী এসব কর্মকাণ্ড শাস্তিযোগ্য। এ অবস্থায় মাদ্রাসায় কর্মরত সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মচারীদের ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ধরনের পোস্ট ও কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে অধিদপ্তর।


মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক মুহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন খানের সই করা বিজ্ঞপ্তিটি দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ, সুপার ও ইবতেদায়ি প্রধানের কাছে পাঠানো হয়েছে।


  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:২৯ এএম

প্রাইজবন্ডের ১২৫তম ড্র আগামী রোববার অনুষ্ঠিত হবে। এ ড্রয়ে প্রথম পুরস্কার হিসেবে বিজয়ী পাবেন ৬ লাখ টাকা। এছাড়া দ্বিতীয় পুরস্কার ৩ লাখ ২৫ হাজার, তৃতীয় পুরস্কার ১ লাখ, চতুর্থ পুরস্কার ৫০ হাজার এবং পঞ্চম পুরস্কার হিসেবে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সঞ্চয়ের প্রবণতা বাড়াতে সরকার বাংলাদেশ প্রাইজবন্ড চালু করে। প্রাইজবন্ডের অন্যতম সুবিধা হলো, এটি যেকোনো সময় কেনা ও ভাঙানো যায়। পাশাপাশি নির্ধারিত ড্রয়ে বিজয়ী হলে বন্ডের বিপরীতে পুরস্কারের অর্থ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।


প্রাইজবন্ডের ড্রয়ে ঘোষিত প্রতিটি বিজয়ী নম্বরের বিপরীতে সব সিরিজের একই নম্বরের বন্ড পুরস্কারের জন্য বিবেচিত হবে। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ড্রয়ের তারিখের আগের ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ড এ ড্রয়ের আওতায় থাকবে। এ ক্ষেত্রে বন্ড বিক্রির দিন গণনায় অন্তর্ভুক্ত হলেও ড্রয়ের তারিখ গণনা করা হবে না।


আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ দেওয়া হবে। নিয়ম অনুযায়ী, নির্ধারিত ড্রয়ের তারিখের আগের ৬০ দিনের মধ্যে বিক্রি হওয়া প্রাইজবন্ড এ ড্রয়ের আওতায় থাকবে। এ ক্ষেত্রে বন্ড বিক্রির দিন গণনায় অন্তর্ভুক্ত হলেও ড্রয়ের তারিখ গণনা করা হবে না।


আয়কর আইন, ২০২৩-এর ১১৮ ধারা অনুযায়ী, প্রাইজবন্ডের পুরস্কারের অর্থ থেকে ২৫ শতাংশ হারে উৎসে কর কাটা হয়। ফলে বিজয়ীকে কর কর্তনের পর অবশিষ্ট অর্থ দেওয়া হবে।


আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন

  • প্রকাশ : শুক্রবার ৩০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:০৮ এএম

মোটরসাইকেলের বিনামূল্যে সার্ভিসিং দিচ্ছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকাল ৪টা ৩৪ মিনিটে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন ফাউন্ডেশনটির চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ।


ফেসবুক পোস্টে শায়খ আহমাদুল্লাহ লিখেছেন, ‘এ যাবৎ ২৮০০+ মোবাইল এবং ৫০০+ মোটরসাইকেল ফ্রি সার্ভিসিং করেছে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন। আপনিও নিতে পারেন আমাদের সেবা।’


তবে কীভাবে এ সেবা গ্রহণ করা যাবে, সে বিষয়ে পোস্টে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানাননি শায়খ আহমাদুল্লাহ। এদিকে, মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগানোর সময়সীমা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। আগামী ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।


বিআরটিএ চেয়ারম্যানের পাঠানো বিবেচ্যপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


বিবেচ্যপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। এর মধ্যে প্রায় ৭৪ শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ লাখই মোটরসাইকেল। এত বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলের সামনে স্বল্প সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজন করা প্রায় অসম্ভব।


এ বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মোটরসাইকেল চালক ও মালিকদের নানা মতামত ও আলোচনা সামনে এসেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই নম্বরপ্লেট লাগানোর সময়সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


এর আগে বিআরটিএর পক্ষ থেকে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে মোটরসাইকেলের সামনে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট লাগিয়ে প্রদর্শন করতে হবে।


সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ ও সড়ক পরিবহন বিধিমালা-২০২২ অনুযায়ী, মোটরসাইকেলের পেছনে আগে থেকেই আরএফআইডি সংবলিত উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেকটিভ ধাতব প্লেটে নম্বর প্রদর্শনের নিয়ম রয়েছে। এর ধারাবাহিকতায় এখন মোটরসাইকেলের সামনের দিকেও নম্বরপ্লেট লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


বিআরটিএর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্কুটারের নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য হতে হবে ২০০ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার। অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ধরনের নম্বরপ্লেটেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা অন্তত ২০ মিলিমিটার হতে হবে। নম্বরপ্লেট তৈরিতে ব্যবহার করতে হবে স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়াম।


এ ছাড়া নম্বরপ্লেটের সাদা পটভূমিতে কালো রঙে বাংলা হরফ ও সংখ্যা লিখতে হবে। এতে কোনো ধরনের অতিরিক্ত নকশা বা শোভাবর্ধক উপাদান ব্যবহার করা যাবে না।


স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নম্বরটি সোজাসুজি এক লাইনে বসানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।