• প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৭ এএম

ব্যস্ত জীবনে খাবার গরম করতে অনেকেই মাইক্রোওয়েভের উপর নির্ভর করেন। এতে খাবার গরম করতে ২-৩ মিনিটের বেশি সময় লাগে না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ধরনের খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়। কারণ এমন কিছু খাবার আছে, যা মাইক্রোওয়েভে গরম করার পরে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। আবার কিছু খাবারের স্বাদ, গঠন ও টেক্সচার বদলে যায়। কোন খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয় তা জেনে নিন-


খোসাসহ ডিম


মাইক্রোওয়েভে ডিম সিদ্ধ করা ঠিক নয়। ডিমের ভিতরের জলীয় বাংশ বাষ্পীভূত হয়ে ভিতরেই তীব্র চাপ তৈরি করে। সিদ্ধের পরে ডিমের খোসা ছাড়ানো পরে সমস্যা হতে পারে। এ কারণে মাইক্রোওয়েভেই ডিম সিদ্ধ করতে চাইলে উপরের দিকে একটু অংশ ভেঙে খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপরে সিঙ্গল এগ হোল্ডারে বসেই গরম করে নিন।


কাঁচা মরিচ


মাইক্রোওয়েভে কাঁচা মরিচ গরম করা একদমই উচিত নয়। গরম করার পরে যখন মাইক্রোওয়েভের দরজা খুলবেন, চোখে-মুখে মরিচের ঝাঁজ এসে লাগবে। তবে তরকারিতে কাঁচা মরিচ মিশিয়ে গরম করলে সমস্যা নেই। 


ফ্রায়েড ফুড


অনেকেই ভাজাভুজি খাবার ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার মাইক্রোওয়েভে গরম করেন। এটা ঠিক নয়। এতে খাবারের মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রায়েড ফুড আবার গরম করতে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।


সি ফুড


সামুদ্রিক মাছ বা খাবার মাইক্রোওয়েভে আবার গরম করলে তা রাবারের মতো হয়ে যায়। পাশাপাশি তীব্র গন্ধ বেরোতে পারে। যদি মাইক্রোওয়েভে সি ফুড গরম করতে হয় তাহলে এতে অল্প পানি বা সস মিশিয়ে ঢেকে গরম করুন।


প্রক্রিয়াজাত মাংস


সসেজ বা হট ডগের মতো প্রক্রিয়াজাত মাংস মাইক্রোওয়েভে সঠিক ভাবে গরম হয় না। এই ধরনের খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্যাট ও লবণ থাকে। এগুলো মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়। এগুলো ছাঁকা তেলে বা গরম পানিতে ফুটিয়েই রান্না করা উচিত। খাবার থেকে গরম ধোঁয়া না বেরোনো পর্যন্ত রান্না করুন।

বিষয় : খাবার




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ০৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪৯ এএম

হজ ও ওমরাহ পালন করতে প্রতি বছর সৌদি আরবের পবিত্র নগর মক্কা ও মদিনায় যান বিশ্বের ধর্মপ্রাণ বিপুলসংখ্যক মুসলমান। এর বাইরেও সৌদিতে রয়েছে দর্শনীয় অনেক স্থান। সৌদি ভ্রমণে দীর্ঘদিন বেশ কিছু প্রতিবন্ধকতা থাকলেও পর্যটকদের জন্য এখন সেটি অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। ভ্রমণকারীদের জন্য দেশটি দুয়ার খুলে দিয়েছে, যাতে করে পর্যটকরা সেখানকার সব আকর্ষণীয় ও ধর্মীয় স্থান ঘুরে আসতে পারেন।


অবকাশযাপন, বোমাঞ্চ বা সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য উপভোগ করতে দূরদুরান্তের মানুষ এখন সৌদিতে ভিড় জমাচ্ছেন। পিছিয়ে নেই বাংলাদেশি পর্যটকরাও, তবে আপনি যদি প্রথমবারের মতো সৌদি আরব বেড়াতে যেতে চান, তাহলে কিছু বিষয় জানা জরুরি।


সহজ ভিসা প্রক্রিয়া


বাংলাদেশিদের জন্য এখন সৌদিতে ওমরাহ, ট্যুরিজম বা স্টপওভার ভিসার আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। ফলে সৌদি ভ্রমণ হয়ে উঠেছে আগের তুলনায় অনেক সহজ। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও শেনজেন ভিজিট ভিসা আছে এমন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা অন অ্যারাইভাল ভিসার জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। তা ছাড়া সম্প্রতি চালু হওয়া ৯৬ ঘণ্টার স্টপওভার ভিসা ব্যবহার করে গন্তব্যে যাওয়ার আগে সৌদিতে ৯৬ ঘণ্টা সময় কাটানোর সুযোগ পাওয়া যায়। ফলে দেশটি স্টপওভার হিসেবে বাংলাদেশিদের জন্য চমৎকার গন্তব্য।


বাংলাদেশ থেকে সহজলভ্য ফ্লাইট


সৌদির বিমান চলাচল খাত বিশ্বে অন্যতম প্রধান স্থান অধিকার করে আছে। সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে এই খাত কাজ করে। নতুন নতুন এয়ারলাইনস সৌদির সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।


সম্প্রতি দ্বিতীয় রুট হিসেবে চট্টগ্রামের সাথে যুক্ত হয়েছে সৌদিয়া। এর আওতায় সপ্তাহে চারবার ফ্লাইট পরিচালনা করা হবে। জেদ্দা, মদিনা ও রিয়াদ থেকে ঢাকার বিদ্যমান রুটের সাথে এটি যুক্ত হবে।


সৌদিয়ার এ নতুন ফ্লাইটের পাশাপাশি বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে জেদ্দা পর্যন্ত সপ্তাহে তিনটি ফ্লাইট পরিচালনা করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ঘটাচ্ছে ফ্লাইনাসও। ফলে বাংলাদেশ-সৌদির মধ্যে সংযোগ আরও বৃদ্ধি পাবে।


পর্যটকদের কাছে সৌদির জনপ্রিয়তা


সৌদি ২০২৩ সালে ১০০ মিলিয়নেরও বেশি পর্যটককে স্বাগত জানিয়েছে, যা ২০১৯ সালের চেয়ে ১৫৬ শতাংশ বেশি। এর মাধ্যমে নির্ধারিত সময়ের সাত বছর আগেই ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন পর্যটক নিশ্চিত করার লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়েছে।


ওয়ার্ল্ড ট্যুরিজম অর্গানাইজেশনের (ইউএনটিডব্লিউও) ২০২৪ সালের ব্যারোমিটার রিপোর্ট অনুযায়ী, পৃথিবীর অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল পর্যটন গন্তব্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে সৌদি।


নারীদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা


আন্তর্জাতিক সূচক অনুসারে, জি২০ দেশগুলোর মধ্যে সৌদি সবচেয়ে নিরাপদ। এ ছাড়া টানা তৃতীয়বারের মতো মদিনা সারা পৃথিবীর মাঝে একা ভ্রমণকারী নারীদের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ দেশের রেটিং দিয়েছে ইনশিওরমাইট্রিপ।


ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত স্থান


১০ হাজারের বেশি প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সাতটি স্থান আছে সৌদিতে। স্থানগুলো হলো উরুক বানি মা’রিদ, হিমা সাংস্কৃতিক অঞ্চল, আল-আহসা মরুদ্যান, হাইল অঞ্চলের পাথর শিল্প, ঐতিহাসিক জেদ্দা, মক্কার প্রবেশদ্বার, আদ-দিরিয়াহ্‌র আত-তুরাইফ জেলা ও হেগরা প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।


ডাইভারদের জন্য স্বপ্নের জায়গা


সৌদি পৃথিবীর অন্যতম সেরা ডাইভিং স্পট। লোহিত সাগর উপকূল আর আরব সাগরের আদিম পানি, সাদা বালির সৈকত, সমৃদ্ধ প্রবাল প্রাচীর ও চমৎকার কিছু জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখার মতো আছে অনেক কিছুই। সুন্দর ও দুর্লভ কিছু সামুদ্রিক প্রাণীর দেখাও পেতে পারেন ডাইভার।


পর্যটকদের হঠাৎ চোখে পড়ে যেতে পারে মিনিটে ১০৯ কিলোমিটার গতিতে চলা পৃথিবীর দ্রুততম মাছ ব্ল্যাক মার্টিন কিংবা বিপন্ন প্রজাতির নেপোলিয়ন ফিশ, যেটি কুইন অফ দ্য কোরাল রিফ নামেও পরিচিত।


লোহিত সাগর এলাকার আবহাওয়া রৌদ্রোজ্জ্বল এবং তাপমাত্রা ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে থাকে। ফলে সাঁতারু ও ডাইভাররা বছরজুড়েই পাবেন উষ্ণ পানি।


আতিথেয়তা


আতিথেয়তাকে সৌদিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া হয়। এটি এ দেশের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিশেষত পর্যটকদের সঙ্গে উদার ও সদয় আচরণের জন্য সৌদির মানুষ পরিচিত। তাই ভ্রমণকারীরা স্থানীয়দের কাছ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনা পাওয়ার আশা করতেই পারেন। এ ছাড়া দেশটিতে সুনির্দিষ্ট পোশাক পরার বিধান অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। আর নারীরা চাইলেই গলায় রঙিন স্কার্ফ কিংবা দেশটির ঐতিহ্যবাহী ঢিলেঢালা লম্বা পোশাক আবায়াও পরতে পারেন।


ঐতিহ্যবাহী বাজার


নামকরা ফ্যাশন ও ফুড অ্যান্ড বেভারেজ ব্র্যান্ড সংবলিত আধুনিক ও বিলাসবহুল অনেক শপিং মল সৌদিতে আছে। সেই সঙ্গে আছে সুন্দরভাবে সংরক্ষিত ঐতিহ্যবাহী বাজার বা সুউক। গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় আল বালাদের রাস্তাগুলো জীবন্ত হয়ে ওঠে।


ঐতিহাসিক নাইটস রুফটপ ক্যাফে থেকে উপভোগ করুন জেদ্দার আকাশ আর প্রদর্শিত শত শত প্রাচীন জিনিসপত্র। ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ‘ঐতিহাসিক জেদ্দা’ কিংবা পুরোনো শহর নামে পরিচিত জেদ্দার আল বালাদ জেলা।


সপ্তম শতকের প্রাচীন ভবনের দেখা মিলবে এ জায়গায়। এর অসাধারণ স্থাপত্য দেখে দর্শনার্থীদের মনে হতে পারে যে, তারা অনেকটা সময় পিছিয়ে গিয়েছেন। এ ছাড়া আগ্রহী ক্রেতাদের জন্য এর রাস্তায় রাস্তায় আছে অনেক পণ্য।


আল বালাদের ভিড়ে ভরা বাজারগুলোতে মিলতে পারে অনেক গুপ্তধনের দেখা। পুরোনো শহরেই আছে সাতটি সুউক। সুউক আল আলাউয়ি নামক জেদ্দার সবচেয়ে পুরোনো সুউকটিও এখানেই অবস্থিত। চামড়ার জিনিস, আরবীয় সুগন্ধি, গহনা, পোশাকসহ আরও অনেক পণ্যসম্ভারের কারণে স্যুভেনির কেনাকাটার জন্য স্থানটি দারুণ।


  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১২ পিএম

সবার কাছেই ডিম খুবই পরিচিত একটি খাবার। এটি খুবই সহজলভ্য ও সুস্বাদু হওয়ায় প্রায়ই বাসা-বাড়িতে রকমারি পদের সঙ্গে রান্না করা হয়। কেউ ডিম সেদ্ধ খেতে পছন্দ করেন, কেউ ভাজি বা অমলেট, কেউ আবার ডিম ভুনা বা ডিমের কুরমা খেতে ভালোবাসেন। সাধারণত, পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় সবাই খাদ্যতালিকায় রাখেন ডিম। এমনকি, এ কারণে কেউ কেউ নিয়ম করে প্রতিদিন খেয়ে থাকেন।


স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম ইটিং ওয়েলের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ডিম কারও কাছে উপকারী খাবার হলেও সাম্প্রতিক সময়ে বিতর্কেও জড়িয়েছে। যে কারণে এর পুষ্টিগুণ নিয়ে কিছু ভুল ধারণা রয়েছে। যখন কম-ফ্যাটযুক্ত ডায়েটের প্রচলন ছিল, তখন ডিমকে অবহেলা করা হতো। আবার এখন চর্বি বা ফ্যাট নিয়ে বেশ আলোচনা হয়, এ কারণে ডিম নিয়ে বিতর্ক কিছুটা কমেছে।


আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনও মানসম্মত প্রোটিনের উৎস হিসেবে দিনে ১-২টি ডিম খাওয়ার পরামর্শ দেয়। এটি ফ্রিজে প্রায় পাঁচ সপ্তাহ পর্যন্ত রাখা যায়। এ কারণে মাছ-মাংস বা মুরগির মতো অন্যান্য প্রোটিনের মতো দ্রুত নষ্ট হওয়ার ভয় থাকে না। তবে প্রশ্ন থেকে যায়, ডিম কি শরীরের জন্য ভালো? আর এটি প্রতিদিন খেলে কী ঘটে?


দীর্ঘক্ষণ তৃপ্ত ও শক্তিশালী রাখতে সহায়তা করে:


ডিম আকারে ছোট হলেও এর পুষ্টিগুণ বেশ অসাধারণ। বিশেষ করে ডিমের কুসুম ভিটামিন বি১২, ভিটামিন ডি এবং কোলিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টির উৎস। যা শরীরকে খাবার থেকে ব্যবহারযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর করতে সহায়তা করে। পাশাপাশি প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর চর্বির সমন্বয় ডিমকে দীর্ঘক্ষণ পেটে থাকার শক্তি দেয়। ফলে ক্ষুধা কম লাগে।


চুল ও ত্বককে অধিকতর স্বাস্থ্যকর করে তুলে:


ডিম হচ্ছে ভিটামিন বি২, বি৫ এবং বি১২-সহ কয়েকটি বি ভিটামিনের দারুণ উৎস। এসব পুষ্টি উপাদান শরীরে কিছু কাজ করে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যকর ত্বক ও চুল বজায় রাখা অন্যতম। এসব পানিতে দ্রবণীয়, অর্থাৎ―এগুলা শরীরে বেশি সময় থাকে না এবং সহজে জমাও থাকে না। এ কারণে প্রতিদিনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে নিয়মিত ডিম খাওয়া যেতে পারে। ডিমে মেথিওনিনের মতো অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে, যা ত্বকের লাবণ্য ও নমনীয়তা এবং চুল ও নখের শক্তি বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।


চিন্তাশক্তি তীক্ষ্ম করে:


ডিমে কোলিন নামক অণু-পুষ্টি উপাদান (মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট) থাকে প্রচুর পরিমাণ। যা কোষের ঝিল্লি (সেল মেমব্রেন) এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে কাজে লাগে। কোলিন স্মৃতিশক্তি, মেজাজ, পেশি নিয়ন্ত্রণ ও সার্বিক স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য স্বাভাবিকভাবে উপাদানটি পর্যাপ্ত পরিমাণ না পেলে বিভ্রান্তি বোধ বা মস্তিস্কে অসচ্ছলতা (ব্রেইন ফগ) অনুভব করতে পারেন। এছাড়া একটি ডিম দৈনিক কোলিনের চাহিদার প্রায় ৬ শতাংশ যোগান দেয়; অর্থাৎ ডিম খাওয়া হলে মস্তিস্কের সুস্থতায় সহায়ক হয়।


দৃষ্টিশক্তি উন্নত করে:


ডিমের কুসুমে দুটি ক্যারোটিনয়েড থাকে- লুটিন ও জিয়াজ্যানথিন। যা আপনার চোখের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। ক্যারোটিনয়েডগুলো চোখের বিকাশ ও দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে অবদান রাখে। গবেষণায় দেখা গেছে, বয়সের সঙ্গে সম্পর্কিত চোখ বা দৃষ্টিশক্তির সাধারণ রোগগুলোর ঝুঁকি কমাতেও সহায়তা করতে পারে।


হাড় মজবুত করে:


ভিটামিন ডি শরীরের অসংখ্য প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বেশ জরুরি। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নির্দিষ্ট কিছু ক্যানসারের ঝুঁকিও কমায় এবং মানসিক স্বাস্থ্যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে। ভিটামিন ডি’র অন্যতম কাজ হচ্ছে হাড় সুস্থ রাখা। যা অন্ত্রে ক্যালসিয়াম শোষণ বৃদ্ধি করে এবং ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মাত্রা এমন পর্যায়ে রাখে, যা হাড়ের সুস্থ বৃদ্ধি ও পুনর্গঠনে সহায়তা করে। প্রতিদিন যদি একটি করে ডিম খাওয়া হয়, তাহলে একটি ডিম ভিটামিন ডি-এর চাহিদার ৬ শতাংশ পূরণ করে।


হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো করে:


যদিও ডিমে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন, খনিজ ও পুষ্টি উপাদান; এরপরও অনেকে ডিমের কোলেস্টেরলের পরিমাণ নিয়ে চিন্তিত থাকেন। অথচ, একটি ডিমে প্রায় ২০৭ মিলিগ্রাম কোলেস্টেরল থাকে। এদিকে আগে খাদ্যাভ্যাস নির্দেশিকায় প্রতিদিন খাদ্যতালিকার কোলেস্টেরল ৩০০ মিলিগ্রাম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়েছিল।


তবে বর্তমান নির্দেশিকায় এই নির্দিষ্ট সংখ্যা থেকে সরে আসতে বলা হয়েছে। কারণ, খাবার থেকে কোলেস্টেরল গ্রহণ করলে তা সরাসরি রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায় না। প্রকৃতপক্ষে খাবারের কোলেস্টেরলের রক্তের কোলেস্টেরলের মাত্রার ওপর কিছুটা প্রভাব রয়েছে। এছাড়া উচ্চ-কোলেস্টেরলযুক্ত কিছু খাবার তাদের স্যাচুরেটেড ফ্যাট বা সম্পৃক্ত চর্বির জন্য হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। কিন্তু ডিম ও চিংড়ি তাদের উচ্চ পুষ্টিগুণের কারণে এর ব্যতিক্রম।

বিষয় :

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ এএম
  • আপডেট : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ এএম

এ সম্পর্কিত আরও খবর


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ০৭ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৫৪ এএম

সবচেয়ে জটিল ক্যানসারগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রোস্টেট ক্যানসার। পুরুষরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। পুরুষের প্রজনন ক্ষমতার গ্রন্থি প্রোস্টেটে ক্যানসার ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পায়। প্রাথমিক পর্যায়ে এটি প্রোস্টেট গ্রন্থির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। পরবর্তীতে অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। 


প্রোস্টেট ক্যানসারের ধরন


প্রোস্টেট ক্যানসার কয়েক ধরনের হয়। যেমন—


১. অ্যাসিনার অ্যাডেনোকার্সিনোমা: প্রোস্টেট গ্রন্থির ভেতরের আস্তরণের গ্রন্থিকোষগুলোতে বিকশিত হয়। প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত প্রায় সবার এই ধরনের ক্যানসার থাকে;


২. ট্রানজিশনাল সেল বা ইউরোথেলিয়াল ক্যানসার: এ ধরনের ক্যানসার সাধারণত মূত্রাশয়ে শুরু হয়ে প্রোস্টেটে ছড়িয়ে পড়ে;


৩. স্কোয়ামাস সেল ক্যানসার: এ ধরনের ক্যানসার প্রোস্টেট গ্রন্থিকে আবৃত করে থাকা চ্যাপ্টা কোষ থেকে বিকশিত হয়। এটি প্রেস্টেটের অ্যাডেনোকার্সিনোমার চেয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ছড়িয়ে পড়ে।


প্রোস্টেট ক্যানসার কাদের হয় ও কেন হয়


প্রোস্টেট ক্যানসার বেশ কয়েকটি মিউটেশন কোষের ক্ষতি করে এবং দ্রুত হারে ছড়িয়ে পড়ে। প্রোস্টেটে ক্যানসার কোষগুলো বৃদ্ধি করতে পারে এমন কয়েকটি কারণ হলো-


* যদি কোনো ব্যক্তির প্রোস্টেট ক্যানসারের ইতিহাস থাকে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের এই ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে;


* যৌনরোগ প্রোস্টেট ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়;


* পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি;


* ক্যাডমিয়ামের মতো কার্সিনোজনিক রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকা পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসারের উচ্চঝুঁকি আছে;


* আফ্রিকান ও আমেরিকান পুরুষদের অন্য জাতির তুলনায় প্রোস্টেট ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি।


প্রোস্টেট ক্যানসারের লক্ষণ


* ঘন মূত্রত্যাগ;


* প্রসাবে রক্ত;


* বেদনাদায়ক বীর্যপাত;


* ওজন কমা;


* হাড়ে ব্যাথা;


* পেলভিক অঞ্চলে অস্বস্তি;


* ইরেক্টাইল ডিসফাংশন।


প্রোস্টেট ক্যানসারের চিকিৎসা


প্রোস্টেট ক্যানসার চিকিৎসায় বিভিন্ন বিকল্প রয়েছে। চিকিৎসাগুলো নির্ভর করে ক্যানসার কত দ্রুত বাড়ছে, কতটা ছড়িয়েছে বা সামগ্রিক স্বাস্থ্য। 


* বিকিরণ থেরাপি;


* হরমোন থেরাপি;


* জৈবিক থেরাপি;


* কেমোথেরাপি;


* প্রোস্টেট অপসারণের জন্য অস্ত্রপচার।


প্রোস্টেট ক্যানসারের বয়স ৫ বছর হলে আক্রান্ত ব্যক্তির বেঁচে থাকার হার প্রায় ১০০%। যেখানে ১০-১৫ বছর পরে প্রোস্টেট ক্যানসারে হলে বেঁচে থাকার হার ৯৮%-৯৬% শতাংশ।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৩৭ এএম

দেখতে খুব ছোট হলেও সূর্যমুখীর বীজে রয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। উদ্ভিজ্জ প্রোটিন, ফাইবার, অসম্পৃক্ত চর্বি, ভিটামিন-ই, ম্যাগনেশিয়াম এবং সেলেনিয়ামের ভালো উৎস এ বীজ। অর্থাৎ প্রায় ৩০ গ্রাম বা এক মুঠো সূর্যমুখীর বীজে ৫ গ্রাম প্রোটিন, প্রায় ৩ গ্রাম ফাইবার, ভিটামিন-ই, ম্যাগনেশিয়াম ও অসম্পৃক্ত চর্বি পাওয়া যায়। তাই প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় এটি রাখতে পারেন। পুষ্টিবিদরা বলেন, সূর্যমুখীর বীজে থাকা বিভিন্ন পুষ্টি উপাদানের সমন্বয় হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


স্বাস্থ্য উপকারিতা


সূর্যমুখীর বীজে থাকা অসম্পৃক্ত চর্বি হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। বিশেষ করে স্যাচুরেটেড ফ্যাটসমৃদ্ধ খাবারের পরিবর্তে এটি খেতে পারেন। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা বজায় রাখতে সহায়তা করে। তাই সুষম খাদ্যতালিকায় সূর্যমুখীর বীজ যুক্ত করা যেতে পারে।


সূর্যমুখীর বীজে ভিটামিন-ই, ম্যাগনেশিয়াম, অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিডসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ রয়েছে। এগুলো শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। বিভিন্ন প্রদাহ কমাতে সূর্যমুখীর বীজ খেতে পারেন। এতে থাকা অসম্পৃক্ত ফ্যাটি অ্যাসিড, ভিটামিন-ই, ম্যাগনেশিয়াম ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যৌগ কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করে। 


সূর্যমুখীর বীজে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বিশেষ করে ভিটামিন-ই ও সেলেনিয়াম, শরীরে তৈরি হওয়া ফ্রি র‌্যাডিক্যালের ক্ষতিকর প্রভাব কমাতে সহায়তা করে। ফ্রি র‌্যাডিক্যাল কোষের ক্ষতি করতে পারে। তাই অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখলে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস মোকাবিলায় শরীরকে সহায়তা করা সম্ভব।


শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ম্যাগনেশিয়াম প্রয়োজন হয়। এর মধ্যে পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কার্যক্রম অন্যতম। সূর্যমুখীর বীজ ম্যাগনেশিয়ামের দৈনিক চাহিদা পূরণে অবদান রাখে। আবার শরীরে শক্তি তৈরির প্রক্রিয়ায় ম্যাগনেশিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এটি খাবার থেকে পাওয়া পুষ্টি উপাদানকে শক্তিতে রূপান্তরের প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়। অবশ্য সূর্যমুখীর বীজ তাৎক্ষণিকভাবে শক্তি বাড়িয়ে দেয় না। তবে এতে থাকা স্বাস্থ্যকর চর্বি, প্রোটিন, ফাইবার ও ম্যাগনেশিয়ামের সমন্বয় এটিকে পুষ্টিকর ও শক্তিসমৃদ্ধ খাবারের অংশ করে তোলে।


কাঁচা নাকি ভাজা, কোনটি বেশি উপকারী?


সূর্যমুখীর বীজের উপকারিতা পেতে কাঁচা খেতেই হবে, তা নয়। কাঁচা কিংবা হালকা ভাজা, দুই ভাবেই এ বীজ খেতে পারেন। তবে বীজ কেনার সময় অতিরিক্ত লবণযুক্ত, অপ্রয়োজনীয় তেল কিংবা অতিরিক্ত প্রিজারভেটিভযুক্ত কিনা তা দেখে কিনুন।


কফির ত্বকে ব্যবহার

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৫:০১ পিএম

মানসিক চাপ, রোদের তীব্রতা, রাস্তার ধুলাবালি, দূষণের কারণে ত্বক নিস্তেজ হয়ে পড়ে। ত্বকের উজ্জ্বলতা ফেরাতে অনেকেই পার্লারে যান। চাইলে বাড়িতেও ঘরোয়া পদ্ধতি অনুসরণ করে ত্বকের সজীবতা ফেরাতে পারেন। এক্ষেত্রে কফি হতে পারেন দারুন বিকল্প। 


কফি খেলে শুধু শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি পাওয়া যায় তাই নয়, এটি ব্যবহারে ত্বকেরও উপকার হয়। কফি দিয়ে তৈরি স্ক্রাব ও ফেসপ্যাক ব্যবহারে ত্বক হয়ে উঠে উজ্জ্বল। যেমন-


কফি ও মধু  


কফির গুঁড়োর সাথে মধু মিশিয়ে মুখে লাগান। কয়েক মিনিট পর ধুফে ফেলুন। এটি ত্বকে আর্দ্রতা ধরে রাখে। সেই সঙ্গে ত্বকে সতেজ লুক দেয়।


কফি স্ক্রাব 


কফির গুঁড়োর সঙ্গে মধু বা দই মিশিয়ে মুখে আলতোভাবে ম্যাসাজ করুন। এটি ত্বকের মৃত কোষ দূর করে ত্বককে নরম ও মসৃণ করতে সাহায্য করে। 


কফি-দই প্যাক


কফির গুঁড়োর সঙ্গে দই মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। দইয়ে থাকা ল্যাকটিক অ্যাসিড ত্বককে নরম করে। সেই সঙ্গে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।


কফি ও অ্যালোভেরা


কফির গুঁড়োর সঙ্গে অ্যালোভেরা জেল মিশিয়ে মুখে ব্যবহার করতে পারেন। অ্যালোভেরা ত্বককে ঠান্ডা রেখে ত্বকের আর্দ্রতা জোগায়। এতে ত্বক হয়ে উঠে সতেজ। 


কফি আইস কিউব


ব্ল্যাক কফি তৈরি করে ঠান্ডা করে নিন। এরপর এটি আইস কিউব ট্রেতে জমিয়ে নিন। পরে কাপড়ে মুড়িয়ে আলতো করে মুখে ঘষুন। এটি ব্যবহারে ত্বক তাৎক্ষণিক সতেজ হয়। 


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ২:৩৭ পিএম

যে হারে সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বাড়ছে তাতে হিমশিম খাচ্ছেন সবাই। রান্না করা থেকে শুরু করে পানি গরম করা— প্রতিদিনের নানা কাজে গ্যাস সিলিন্ডার অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। সহজ কিছু কৌশল জানা থাকলে খরচ কমানো সম্ভব। যে সিলিন্ডার গ্যাস দিয়ে হয়তো ২০ দিন যেত তা দিয়ে ২৫ দিন চালানো যাবে। এতে কিছুটা সাশ্রয়ও হবে। যেমন-


ঢেকে রান্না করুন


রান্নার সময় পাত্রে ঢাকনা ব্যবহার করলে গ্যাস সাশ্রয় হতে পারে। ঢাকনা দিলে পাত্রের ভিতরের তাপ সহজে বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে না। এর ফলে খাবার দ্রুত সেদ্ধ বা রান্না হয়। তাতে গ্যাসের খরচও কমতে পারে। পানি ফোটানো থেকে শুরু করে ভাত বা তরকারি রান্নার সময় সম্ভব হলে পাত্র ঢেকে রাখুন।


পাত্রের আকার অনুযায়ী আঁচ


প্রয়োজনের তুলনায় বেশি আঁচ দিলে গ্যাস অপচয় হয়। রান্নার সময় আগুনের শিখা যেন পাত্রের তলার মধ্যেই থাকে এবং চারপাশ দিয়ে বাইরে বেরিয়ে না আসে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। পাত্রের আকার অনুযায়ী উপযুক্ত বার্নার ও আঁচ ব্যবহার করলে তাপ সরাসরি পাত্রে পৌঁছয়, এতে অপচয় কম হয়।


বার্নার পরিষ্কার রাখুন 


বার্নারের ছিদ্রে তেল, মসলা বা খাবারের কণা জমে গেলে আগুন ঠিক করে বেরোতে পারে না। এতে গ্যাসের খরচ বাড়তে পারে। তাই নিয়মিত বার্নার পরিষ্কার করুন এবং ছিদ্রগুলি পরীক্ষা করুন। আগুনের রং বা ধরন দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক থাকলে বার্নার পরীক্ষা করানো ভালো।


সব রান্নায় বেশি আঁচ নয়


অনেকেই মনে করেন বেশি আঁচে রান্না করলে দ্রুত খাবার তৈরি হবে। সেই সঙ্গে গ্যাস বাঁচবে। বাস্তবে সব রান্নার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি ঠিক নয়। ডাল,সবজির মতো কিছু পদ রান্নার সময় প্রয়োজন অনুযায়ী মাঝারি বা কম আঁচ ব্যবহার করুন। যখন বেশি আঁচ সত্যিই প্রয়োজন,তখনই শুধু তা ব্যবহার করুন। 


একসঙ্গে রান্নার প্রস্তুতি নিন


দিনে বার বার রান্না বা খাবার গরম করার বদলে সম্ভব হলে একসঙ্গে কিছুটা বেশি পরিমাণে রান্না করে রাখতে পারেন। এতে বার বার গ্যাস জ্বালানোর প্রয়োজন কমে। সেই সঙ্গে জ্বালানিও সাশ্রয় হতে পারে।


রান্না প্রায় হয়ে গেলে আঁচ বন্ধ করুন


কিছু খাবার গ্যাস বন্ধ করার পরও পাত্রের অবশিষ্ট তাপে কিছুক্ষণ রান্না হতে থাকে। তাই ভাত বা ধীর আঁচে রান্না হওয়া কিছু পদ প্রায় তৈরি হয়ে গেলে গ্যাস বন্ধ করে ঢেকে রাখুন।  তবে খাবার পুরোপুরি সেদ্ধ বা নিরাপদ ভাবে রান্না হয়েছে কি না, সেদিকে লক্ষ্য রাখুন। 


গ্যাস লিকেজকে অবহেলা নয়


সিলিন্ডার অস্বাভাবিক দ্রুত শেষ হলে শুধু রান্নার অভ্যাসকেই দায়ী করবেন না। পাইপ, রেগুলেটর বা সংযোগে লিকেজ থাকলেও গ্যাস কমে যেতে পারে। পাইপে ফাটল বা সংযোগে সমস্যা দেখলে প্রশিক্ষিত টেকনিশিয়ানের সাহায্য নিন। গ্যাসের গন্ধ পেলে আগুন, দেশলাই এবং বৈদ্যুতিক সুইচ থেকে দূরে থাকুন। 

বিষয় :