ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:৫৯ পিএম

গরমে অনেকের চুল পড়ার সমস্যা বেড়ে যায়। চুলের গোড়া ও স্ক্যাল্পের যত্নে নিয়মিত পরিচর্যার পাশাপাশি কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত চুল পড়লে কারণ জানতে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।


ডিম ও অলিভ অয়েল


ডিমের সঙ্গে সামান্য অলিভ অয়েল মিশিয়ে চুলে লাগানো যেতে পারে। সপ্তাহে একবার এ ধরনের হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করা যায়। কিছুক্ষণ রেখে ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।


নারকেলের দুধ


নারকেলের দুধ চুল ও স্ক্যাল্পে ব্যবহার করা যায়। নারকেল কুচি সামান্য পানি দিয়ে ব্লেন্ড করে ছেঁকে দুধ বের করে নিতে হবে। এরপর চুল ও স্ক্যাল্পে লাগিয়ে কিছুক্ষণ পর শ্যাম্পু করে নিতে পারেন।


মেথি


মেথি হালকা ভেজে গুঁড়া করে নারকেল তেলের সঙ্গে মিশিয়ে নিতে পারেন। এই তেল স্ক্যাল্পে হালকা হাতে ম্যাসাজ করে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন।


মেহেদি


চুলের পরিচর্যায় দীর্ঘদিন ধরে মেহেদি ব্যবহার হয়ে আসছে। মেহেদির পাতা বেটে তেলের সঙ্গে মিশিয়ে চুলে ব্যবহার করা যায়। তবে ব্যবহারের আগে ত্বকের ছোট অংশে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।


পেঁয়াজের রস


পেঁয়াজে প্রচুর পরিমাণে সালফার থাকে। মাথায় পেঁয়াজের রস দিলে চুলের ফলিকলে রক্তপ্রবাহ বৃদ্ধি পায়। চুল হয় আরও মজবুত।


টক দই


টক দইয়ে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন থাকে। টক দইয়ের হেয়ার মাস্ক চুলে লাগালে চুল মজবুত হয়। মাথার তালুর সুস্থতা বজায় রাখতেও টক দই কার্যকর।


ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের পাশাপাশি চুল পরিষ্কার রাখা, পর্যাপ্ত পানি পান ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ার দিকেও নজর দেওয়া প্রয়োজন।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:১০ পিএম

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা জেন-এআই প্রযুক্তির নোটিফিকেইশন, সোশ্যাল মিডিয়ার অবাস্তব এয়ারব্রাশড ফিল্টার এবং ক্লিনিকে গিয়ে কৃত্রিম ফিলার্স বা বোটক্স ইঞ্জেকশন নেওয়ার অন্ধ জোয়ারে মানুষ দিন দিন ক্লান্ত হয়ে উঠছেন।


চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এবং কসমেটিক ডার্মাটোলজির সাম্প্রতিক তথ্যানুসারে, কৃত্রিম উপায়ে রাতারাতি ফর্সা বা নিখুঁত ‘গ্লাস স্কিন’ বা চকচকে ত্বক পাওয়ার চটকদার ‘ইনফ্লুয়েন্সার’গুলো ২০২৬ সালের এই সময়ে এসে মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা পুরোপুরি হারাচ্ছে।


সাধারণ মানুষ এখন বুঝতে পেরেছেন যে, মেকি নিখুঁত সৌন্দর্য বা অবাস্তব নিখুঁত অবয়ব আসলে কোনো প্রকৃত সুস্থ ত্বকের লক্ষণ নয়; বরং এটি হল এক ধরনের ফাঁদ। এর পরিবর্তে বিশ্বজুড়ে এখন শুরু হয়েছে নতুন বৈজ্ঞানিক বিপ্লব, যাকে চিকিৎসকেরা বলছেন ‘বায়োলজিক্যাল বিউটি’ বা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য।


চর্মরোগ ও প্রসাধনী বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রসাধন সামগ্রীর মনগড়া চটকদার বিজ্ঞাপনে না ভুলে, উপাদানের ঘনত্ব এবং নিজস্ব ত্বকের মান বুঝে পরিচর্যা করাই হবে উপকারী।


অস্ট্রেলিয়ার ‘ডা. তানিয়া স্কিনকেয়ার’-এর প্রতিষ্ঠাতা ও চর্মরোগ গবেষক ডা. তানিয়া উন্নি এবং কসমোপলিটান ডার্মাটোলজি প্যানেলের রূপচর্চা বিশেষজ্ঞরা ২০২৬ সালের এই সুনির্দিষ্ট রূপান্তর এবং ৬টি প্রধান নিয়ম বিস্তারিত আলোচনা করেছেন, ডা. তানিয়ার নিজস্ব ব্লগ সাইটে।


উপাদানের ঘনত্ব ও রাসায়নিক পরিচর্যা


ডা. তানিয়া উন্নি জানান, ২০২৬ সালের আধুনিক রূপচর্চায় চটকদার ব্র্যান্ডের লেবেল দেখে পণ্য কেনার অন্ধ বাতিক পুরোপুরি বর্জন করতে হবে।


যেকোনো সেরাম বা ক্রিম কেনার আগে বোতলের লেবেলে থাকা সুনির্দিষ্ট উপাদান এবং কনসেন্ট্রেশন বা ঘনত্বের মান পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে দেখে নেওয়া জরুরি।


যেমন, উজ্জ্বলতা বাড়াতে ভিটামিন-সি সেরাম মাখা কার্যকর হলেও সংবেদনশীল ত্বকে ‘১০% এল-অ্যাসকরবিক অ্যাসিড’-এর কড়া ডোজ তীব্র প্রদাহ তৈরি করতে পারে।


দীর্ঘমেয়াদী কোলাজেন ব্যাংকিং বনাম সাময়িক রূপচর্চা


গবেষণায় দেখা গেছে, বিশ শতকের গোড়ার দিকে নারীদের মনে বার্ধক্যের অবান্তর আতঙ্ক তৈরি করে করপোরেট সংস্থাগুলো অ্যান্টি-এইজিং ক্রিম বিক্রি শুরু করেছিল, যা কেবল ত্বকের উপরিভাগে সাময়িক আস্তরণ তৈরি করত।


তবে ২০২৬ সালের আধুনিক বিজ্ঞান বলছে, সাময়িক ‘ফিলার্স’ বা ‘বোটক্স’-এর ক্ষতিকর শর্টকাট বর্জন করে ত্বকের অভ্যন্তরীণ কোষের ভেতরের অবস্থা উন্নত করাই আসল লক্ষ্য হওয়া উচিত। একে বলা হয় ‘কোলাজেন ব্যাংকিং’ বা দীর্ঘমেয়াদী সেলুলার স্বাস্থ্য।


ল্যাবরেটরি টেস্টে প্রমাণিত যে, কড়া পেপটাইডস স্নায়ুতন্ত্রের কোষীয় যোগাযোগ বাড়িয়ে দেয় এবং প্রদাহ বা ইনফ্লেমেইশন নিয়ন্ত্রণে রেখে কোষের বার্ধক্যের গতি ধীর করতে জাদুকরী ভূমিকা রাখে।


‘বায়োলজিক্যাল বিউটি’ ও বাস্তব ত্বকের গঠন


ত্বক-বিজ্ঞানিদের মতে, “বাস্তব ও স্বাভাবিক ত্বকে প্রাকৃতিকভাবেই সুক্ষ্ম লোমকূপ, গঠন এবং ছোটখাটো খামতি থাকবেই। এটিই সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষের স্বাভাবিক লক্ষণ।”


রূপচর্চার চাবিকাঠি হল, কৃত্রিম প্লাস্টিক উজ্জ্বলতা বা ‘ফেইস লিফট’ বর্জন করে ত্বকের নিজস্ব রক্ষাকবচ বা স্কিন ব্যারিয়ারের যত্ন নেওয়া।


ত্বক যখন ভেতর থেকে সুস্থ থাকে, তখন কোষের আর্দ্রতা সচল হয়ে প্রাকৃতিকভাবেই মখমলে প্রাকৃতিক দীপ্তি ফুটে ওঠে।


প্রসাধনী মাখার কৌশল


ডা. তানিয়া উন্নি পরামর্শ দেন, “অতিরিক্ত মিক্সড সেরাম মুখে মাখলেই ভালো ফল মেলে না; বরং এটি উল্টো ত্বকের রক্ষাকবচ পুড়িয়ে একজিমা বা মারাত্মক ডার্মাটাইটিসের সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য মাত্র দুটি সামঞ্জস্যপূর্ণ সেরামের জোড় বা ‘স্মার্ট পেয়ারিং’ করা আসল নিয়ম।”


রূপচর্চার প্রধান কৌশল হল— সবচেয়ে পাতলা তরল আগে মাখতে হবে এবং ক্রমান্বয়ে ঘন ক্রিমের দিকে যেতে হবে।


> হায়ালুরোনিক অ্যাসিড ও রেটিনল: আর্দ্রতা ধরে রাখার পাশাপাশি কোষের পুনর্নবীকরণ ঘটায়।


> ভিটামিন সি ও হায়ালুরোনিক অ্যাসিড: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সুরক্ষা ও মুখের বলিরেখা হ্রাস করে।


> ভিটামিন বি৫ ও নিয়াসিনামাইড: স্কিন ব্যারিয়ার বা ত্বকের রক্ষাকবচ মেরামত ও লোমকূপের পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।


প্রাচ্যের আয়ুর্বেদ প্রজ্ঞা ও প্রাশ্চাত্যের আধুনিক নিউরোসায়েন্স


রূপচর্চায় এই বছরের আলোচিত ধারা হল, প্রাচ্যের ঐতিহ্যবাহী আয়ুর্বেদিক ভেষজ প্রজ্ঞার সঙ্গে প্রাশ্চাত্যের আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের মেলবন্ধন। শতাব্দী প্রাচীন আয়ুর্বেদে ব্যবহৃত ‘তুলসী’-কে আধুনিক রূপসজ্জার বিজ্ঞানে  শক্তিশালী ‘অ্যাডাপ্টোজেন’ হিসেবে প্রামাণ্য স্বীকৃতি দিয়েছে।


তুলসী সমৃদ্ধ ক্রিম মানসিক চাপের কারণে ত্বকে তৈরি হওয়া কর্টিসল হরমোনের ক্ষতিকর দহন শান্ত করে এবং কোষের প্রদাহ নিয়ন্ত্রণ করে দীর্ঘমেয়াদে সজীবতা ফিরিয়ে আনে।


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:৪২ পিএম

সংসারে ভালোবাসা আছে, যত্ন আছে, দায়িত্ব আছে কিন্তু প্রশংসা? সেটাই যেন অনেক সময় ব্যস্ততার ভিড়ে হারিয়ে যায়। অথচ একটি ছোট্ট প্রশংসা, একটি আন্তরিক কথা কিংবা হঠাৎ বলা ‘তোমাকে আজ খুব সুন্দর লাগছে’ সম্পর্কে এনে দিতে পারে আলাদা উষ্ণতা। বিশেষ করে আজ যদি স্ত্রীর প্রশংসা করার একটা উপলক্ষই থাকে, তাহলে সুযোগটা হাতছাড়া করবেন কেন? তবে সাবধান! প্রশংসা করতে গিয়ে এমন কিছু বলে বসবেন না, যার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে রাত কাবার হয়ে যায়। 


যেমন, ‘আগের চেয়ে আজ তোমাকে অনেক রোগা লাগছে’ এটা প্রশংসা নাকি নতুন ঝামেলার সূচনা, সেটা নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর! বরং সহজ, স্বাভাবিক এবং মন থেকে বলা কথাই সবচেয়ে বেশি কাজ করে।


চলুন জেনে নেওয়া যাক, স্ত্রীর প্রশংসা করার ১০ মজার ও সুন্দর উপায়-


১. আজ তোমাকে একটু বেশি সুন্দর লাগছে


প্রতিদিন দেখা হয় বলে সৌন্দর্য চোখে অভ্যাস হয়ে যায়। তাই হঠাৎ একদিন বলুন, ‘আজ তোমাকে বেশ সুন্দর লাগছে।’ চেনা মানুষটির মুখে নতুন করে মুগ্ধ হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করলে খারাপ লাগার কথা নয়।


তবে কথাটি যেন সত্যি হয়, মুখস্থ ডায়লগের মতো না শোনায়। কিন্তু এই ছোট্ট বাক্যটি কিছু খুব কাজের দাম্পত্য সুখের করতে। প্রতিদিন কথাটা বলুন।


২. তার রান্নার প্রশংসা করুন


স্ত্রীর রান্না খেয়ে যদি শুধু ‘হুম, ভালো’ বলে প্লেট পরিষ্কার করে উঠে যান, তাহলে কিন্তু বড় সুযোগ নষ্ট করছেন। আজ একটু বাড়িয়ে বলতেই পারেন, ‘এই রান্নাটা তো রেস্টুরেন্টেও পাওয়া যাবে না!’ তবে একেবারে একই কথা প্রতিদিন বলবেন না। নইলে পরদিন রান্না একটু অন্যরকম হলে প্রশ্ন আসতে পারে ‘কাল তাহলে মিথ্যা বলেছিলে?’


৩. তার পরিশ্রমটা স্বীকার করুন


ঘরের কাজ, অফিস, সন্তান সামলানো কিংবা পরিবারের নানা দায়িত্ব অনেক কাজই চোখে পড়ে না। তাই শুধু চেহারা নয়, তার পরিশ্রমেরও প্রশংসা করুন। বলুন, ‘তুমি যেভাবে সবকিছু সামলে রাখো, সত্যিই সেটা সহজ নয়।’ এই ধরনের প্রশংসা অনেক বেশি অর্থবহ।


৪. তার সিদ্ধান্তের প্রশংসা করুন


স্ত্রী কোনও সিদ্ধান্ত নিলে সেটি নিয়ে সবসময় নিজের মত চাপিয়ে দেওয়ার বদলে তার ভালো সিদ্ধান্তের কথাও বলুন। ‘তুমি যেভাবে ব্যাপারটা ভেবেছ, সেটা ভালো হয়েছে’ এমন একটি বাক্য সম্পর্কের পারস্পরিক সম্মান বাড়াতে পারে।


৫. তার পোশাক বা সাজের প্রশংসা করুন


নতুন পোশাক, চুলের স্টাইল কিংবা ছোট কোনো পরিবর্তন চোখে পড়লে সেটা বলুন। কারণ ‘কিছুই তো বদলায়নি’ বলে তাকিয়ে থাকা স্বামীদের তালিকায় থাকতে কে চায়? তবে প্রশংসা করতে গিয়ে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা না করাই ভালো।


৬. তার হাসির প্রশংসা করুন


খুব সাধারণ একটি কথা, কিন্তু বেশ কার্যকর। ‘তোমার হাসিটা খুব সুন্দর’ এমন কথা শুনতে কে না ভালোবাসে? আর স্ত্রী যদি হাসেন, তাহলে বুঝবেন প্রশংসার ফলাফল ইতিমধ্যেই হাতে চলে এসেছে।


৭. তার রসবোধের প্রশংসা করুন


সংসারে হাসতে পারাটা কম গুরুত্বপূর্ণ নয়। স্ত্রী যদি আপনাকে হাসাতে পারেন, তার সেই গুণটিরও প্রশংসা করুন। বলতে পারেন, ‘তোমার সঙ্গে থাকলে জীবনটা অন্তত বোরিং হয় না।’ অবশ্য তিনি যদি পাল্টা বলেন, ‘তাই নাকি? তাহলে আজ বাসনগুলোও তুমি মাজো’ তখন কিন্তু প্রশংসার সঙ্গে কাজের অর্ডারও আসতে পারে!


৮. তার যত্ন নেওয়ার বিষয়টি বলুন


আপনি অসুস্থ হলে ওষুধ মনে করিয়ে দেওয়া, সময়মতো খেয়েছেন কি না জিজ্ঞেস করা কিংবা ছোটখাটো প্রয়োজনের কথা মনে রাখা এসবই ভালোবাসার প্রকাশ। তাই শুধু সুবিধা নেওয়া নয়, সেই যত্নের কথাও মুখে বলুন। ‘তুমি আমার এত যত্ন নাও, সেটা আমি সত্যিই অ্যাপ্রিসিয়েট করি’ এমন কথা সম্পর্ককে আরও উষ্ণ করতে পারে।


৯. সবার সামনে সম্মান করুন


একান্তে প্রশংসা ভালো, তবে পরিবার বা বন্ধুদের সামনে স্ত্রীর কোনো ভালো দিক তুলে ধরলে সেটার আলাদা গুরুত্ব আছে। তার কাজ, সাফল্য বা কোনো গুণের কথা অন্যদের সামনে বলুন। এতে তিনি বুঝবেন, আপনি শুধু সামনে নয়, অন্যদের কাছেও তাকে সম্মান করেন।


১০. শেষমেশ সরাসরি বলুন ‘তোমাকে পেয়ে আমি খুশি’


সব প্রশংসার মধ্যে সবচেয়ে সহজ এবং সম্ভবত সবচেয়ে গভীর কথাটি হতে পারে ‘তোমাকে আমার জীবনে পেয়ে আমি খুশি।’ এর সঙ্গে নিজের কোনো মজার স্মৃতিও যোগ করতে পারেন। যেমন, ‘তুমি না থাকলে আমার মোবাইল, চাবি আর চার্জার কোনোটাই ঠিক জায়গায় থাকত না!’ হাসির সঙ্গে কথাটাও পৌঁছে যাবে।


প্রশংসার জন্য বিশেষ কোনো দিন অবশ্যই প্রয়োজন নেই। তবে এমন একটি উপলক্ষ থাকলে সেটিকে কাজে লাগানো যায়। কারণ সংসারে বড় উপহার, দামি রেস্তোরাঁ বা চমকপ্রদ আয়োজনের পাশাপাশি কখনো কখনো কয়েকটি আন্তরিক কথাই সবচেয়ে বেশি মনে থাকে।


আর একটা কথা আজ স্ত্রীকে প্রশংসা করতে গিয়ে নিজের প্রশংসা চেয়ে বসবেন না। ‘আমি তো তোমারও অনেক প্রশংসা করি, আমারটা কোথায়?’ এই প্রশ্নটি আজ না করাই ভালো। 


কারণ প্রশংসার দিনকে ‘পারস্পরিক হিসাব-নিকাশের দিন’ বানিয়ে ফেললে রোমান্সের বদলে সংসারে অডিট শুরু হয়ে যেতে পারে!


চুলের যত্ন

  • প্রকাশ : বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:০৯ পিএম

দূষণ, অস্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া এবং পরিচর্যার অভাবে চুল নিষ্প্রাণ হওয়া স্বাভাবিক। এর ফলে চুলের স্বাভাবিক ঔজ্জ্বল্য হারিয়ে যায়। খুশকি চুল পড়ার সমস্যা বাড়ায়। অনেকে চুলের যত্ন নিতে নামিদামি প্রসাধনী ব্যবহার করেন। কেউ কেউ চুলের হেয়ার স্পা, হেয়ার প্যাকও ব্যবহার করেন। এতে সাময়িক মুক্তি মিললেও চুলের যত্নে তেলের বিকল্প নেই। 


তবে অনেক সময় বাজারে পাওয়া তেলে এমন অনেক রাসায়নিক পণ্য মেশানো থাকে; যা চুল ও মাথার ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এর চেয়ে ভরসা রাখতে পারেন ভেষজ তেলের ওপর। ভেষজ তেল চুলে পুষ্টি জোগায়, চুলের গোড়া মজবুত করার পাশাপাশি চুল নরম ও সিল্কি করে তোলে। দোকান থেকে না কিনে বাড়িতে বানিয়ে নিতে পারেন বিভিন্ন ভেষজ তেল। চুলের ধরন ও মাথার ত্বকের প্রয়োজন অনুযায়ী এসব তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। 


আমলকী-নারকেল তেল


চুলের পরিচর্যায় আমলকীর ব্যবহার বেশ পুরোনো। আমলকীর সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়ে তৈরি করা যায় ভেষজ তেল। শুকনো আমলকী টুকরা করে নারকেল তেলে অল্প আঁচে গরম করে নিতে পারেন। ঠান্ডা হলে ছেঁকে পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করুন।


জবা ফুলের তেল 


জবা ফুল চুলের অনেক ধরনের সমস্যার সমাধান করে দিতে পারে। এতে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-সি ও অন্যান্য খনিজ রয়েছে; যা চুলকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এই তেল তৈরি করতে ১০টি জবা ফুল এবং ১০টি জবা ফুলের পাতা নিন। এ দুটি উপকরণ বেটে নিন। এবার পরিমাণ মতো নারকেল তেল নিন। এতে জবা ফুল ও পাতা বাটার মিশ্রণটা নারকেল তেলে মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন। তেলের রং লাল হতে শুরু করলে নামিয়ে নিন। ঠান্ডা করে জবা ফুলের তেল ব্যবহার করুন।


মেথির তেল


চুলের যত্নে মেথিও বেশ প্রচলিত। নারকেল বা তিলের তেলের সঙ্গে মেথি দিয়ে তৈরি করা যায় মেথির তেল। এক কাপ তেলে এক থেকে দুই চা চামচ মেথি দিয়ে অল্প আঁচে গরম করে নিন। ঠান্ডা করে ছেঁকে চুলে ব্যবহার করুন। 


কালোজিরার তেল


কালোজিরা বাঙালির রান্নাঘরের পরিচিত মসলা। চুলের পরিচর্যাতেও এটি ব্যবহৃত হয়। অল্প পরিমাণ কালোজিরা নারকেল বা অন্য কোনো ক্যারিয়ার অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে হালকা গরম করা যায়। তেল ঠান্ডা হলে ছেঁকে ব্যবহার করতে হবে।


নিমের তেল


অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টিফ্যাঙ্গাল উপাদান থাকায় নিমের তেল মাথার ত্বক ও চুলের জন্য খুব উপকারী। এ তেল ব্যবহারে চুল নরম হয়, চুল ভেঙে যাওয়া রোধ হয়। নিমের তেল সাধারণ খুশকি সমস্যা, মাথার ত্বকের অস্বস্তি দূর করতে ব্যবহার করা হয়। এই তেল তৈরি করতে প্রথমে নিমের পাতা পরিষ্কার করে পেস্ট করে নিন। ভালো করে ফুটিয়ে নিন। ৫ মিনিট ফুটিয়ে দেখে নিন রং পরিবর্তন হচ্ছে কিনা। এবার ওই পেস্ট ছেঁকে নিন।


তবে নিম সবার মাথার ত্বকে একইভাবে কাজ করবে তা নয়। তাই প্রথমবার ব্যবহারের আগে অল্প পরিমাণ তেল ত্বকে লাগিয়ে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো।


তেল ব্যবহারের সঠিক নিয়ম


তেল ব্যবহারের সময় শুধু চুলে নয়, মাথার ত্বকেও সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। যে তেল ব্যবহার করবেন তা আঙুলের ডগা দিয়ে আলতোভাবে কয়েক মিনিট মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করতে পারেন। অনেকে তেল গরম করে চুলে লাগান। মনে রাখবেন, চুলে ব্যবহারের জন্য হালকা গরম তেল উপযোগী। বেশি গরম তেল ব্যবহার করবেন না। চুলে অনেকক্ষণ তেল রেখে দিলে বেশি উপকার হবে–এমন কোনো কথা নেই। চুলের ধরন ও মাথার ত্বকের অবস্থা অনুযায়ী এক থেকে দুই ঘণ্টা পর মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন।


কার্নিভাল মেকওভারের স্বত্বাধিকারী ও রূপ বিশেষজ্ঞ তাসলিমা পলাশী বলেন, পুষ্টির ঘাটতি, হরমোনের পরিবর্তন, বংশগত কারণ, মানসিক চাপ, মাথার ত্বকের সমস্যাসহ বিভিন্ন কারণে চুল পড়তে পারে। তাই কারও যদি দীর্ঘদিন ধরে অস্বাভাবিক হারে চুল পড়ে তাহলে শুধু ভেষজ তেল ব্যবহার করলে কাজ হবে না। একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। তাঁর মতে, চুলের নিয়মিত পরিচর্যায় তেল খুবই উপকারী। 


তবে ভেষজ উপাদান প্রাকৃতিক বলে যে তা সবার জন্য নিরাপদ বা সব সমস্যার সমাধান করবে, তা নয়। নতুন কোনো উপাদান ব্যবহারের আগে ত্বকে পরীক্ষা করে নেওয়া ভালো বলে পরামর্শ দেন এই রূপ বিশেষজ্ঞ। 


প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ২:১৩ পিএম

উচ্চ কোলেস্টেরল প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত তেল-মসলা ও ফাস্টফুড এড়িয়ে শাকসবজি, ফলমূল, ওটস ও আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। এর পাশাপাশি নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ করা এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন


কোলেস্টেরল মানবদেহের কোষ তৈরি ও হরমোন উৎপাদনের জন্য একটি অত্যন্ত জরুরি উপাদান। তবে রক্তে এর পরিমাণ স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে বেড়ে গেলে তা স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা রক্তনালির দেয়ালে জমে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে। 


সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, শরীরে কোলেস্টেরল বাড়লেও প্রাথমিক অবস্থায় অনেক সময় কোনো স্পষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। এ কারণে চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে নীরব ঘাতক বলা হয়ে থাকে। তবে সতর্ক দৃষ্টি রাখলে এবং শরীরের কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করলে কোলেস্টেরল বাড়ার ইঙ্গিত পাওয়া সম্ভব।


হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্কে প্রভাব


রক্তনালিতে চর্বি জমার কারণে রক্ত চলাচল ব্যাহত হয়, যার প্রথম প্রভাব পড়ে হৃদযন্ত্র ও রক্ত সংবহনতন্ত্রে। বুক ধড়ফড় করা, সামান্য পরিশ্রমে বা হাঁটাচলা করলে বুক চেপে আসা বা ব্যথা অনুভূত হওয়া উচ্চ কোলেস্টেরলের অন্যতম প্রধান লক্ষণ। রক্তপ্রবাহ কমে যাওয়ার কারণে শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না, ফলে সার্বক্ষণিক ক্লান্তি ও দুর্বলতা অনুভব হতে পারে। এছাড়া মস্তিষ্কে সঠিক মাত্রায় অক্সিজেন ও রক্ত না পৌঁছালে হঠাৎ করে মাথা ঘোরানো, মাথা ঝিমঝিম করা বা ঘন ঘন তীব্র মাথাব্যথা হতে পারে।

 

হাত ও পায়ে রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা


শরীরের প্রান্তিক অংশগুলোতে যেমন হাত ও পায়ে কোলেস্টেরল বাড়ার লক্ষণ তুলনামূলক বেশি স্পষ্ট হয়। রক্তনালিতে চর্বির আস্তরণ জমার ফলে হাত ও পায়ে রক্ত সঞ্চালন কমে যায়। এর ফলে হাত বা পা ঘন ঘন অবশ হয়ে যাওয়া, ঝিমঝিম করা কিংবা ঠান্ডা হয়ে থাকার অনুভূতি হতে পারে। অনেকে হাঁটার সময় পায়ে বা মাংসপেশিতে তীব্র টান ও ব্যথা অনুভব করেন, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ বলা হয়। এ ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

 

চোখ ও ত্বকের পরিবর্তন


উচ্চ কোলেস্টেরলের কিছু স্পষ্ট লক্ষণ চোখে ও ত্বকেও ফুটে ওঠে। চোখের পাতার ওপর বা চোখের চারপাশে নরম, হলুদ রঙের চর্বির ছোট ছোট দলা দেখা দিতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় জান্থেলাস্মা। এটি রক্তে অতিরিক্ত চর্বি বা কোলেস্টেরলের একটি প্রত্যক্ষ ইঙ্গিত। অনেক সময় বয়স্কদের ক্ষেত্রে অথবা উচ্চ কোলেস্টেরলে আক্রান্ত ব্যক্তিদের চোখের মণির চারপাশে একটি ধূসর বা সাদা রঙের বলয় বা রিং তৈরি হতে দেখা যায়। এছাড়া কনুই, হাঁটু বা হাতের তালুর ত্বকের নিচে ছোট ছোট চর্বির গুটি বা গুটি দেখা দিতে পারে।


হজমপ্রক্রিয়া ও ঘুমের ব্যাঘাত


হজমপ্রক্রিয়া ও শরীরের অন্যান্য অঙ্গের কাজের পরিবর্তন থেকেও কোলেস্টেরল বাড়ার আঁচ পাওয়া যায়। যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমলে বা রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হলে হজমে গোলযোগ দেখা দিতে পারে। সামান্য খাবার খেলেই পেট ভারী লাগা, গ্যাস বা অম্লতার সমস্যা বেড়ে যাওয়া এবং যকৃতে অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণে পেটের ডান দিকের উপরিভাগে এক ধরনের অস্বস্তি বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, রক্তে চর্বির মাত্রা অত্যধিক বাড়লে রাতে ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট হওয়া কিংবা পা কামড়ানোর মতো অস্বস্তি হতে পারে, যা ঘুমের গুণগত মান নষ্ট করে।

 

উচ্চ রক্তচাপ ও মানসিক ক্লান্তি


উচ্চ কোলেস্টেরল এবং উচ্চ রক্তচাপ একে অপরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে। রক্তনালির ভেতর চর্বি জমে সরু হয়ে গেলে হৃদযন্ত্রকে আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিতে রক্ত পাম্প করতে হয়, যা রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়। অনিয়ন্ত্রিত রক্তচাপের কারণে মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মনোযোগে ঘাটতি এবং মানসিক ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।


কোলেস্টেরল নির্ণয়ের উপায়


উচ্চ কোলেস্টেরল নির্ণয়ের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও সুনির্দিষ্ট উপায় হলো রক্ত পরীক্ষা করা, যাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় লিপিড প্রোফাইল টেস্ট বলা হয়। এই পরীক্ষার মাধ্যমে রক্তে মোট কোলেস্টেরল, ভালো কোলেস্টেরল বা এইচডিএল, খারাপ কোলেস্টেরল বা এলডিএল এবং ট্রাইগ্লিসারাইডের সঠিক মাত্রা জানা যায়। কুড়ি বছর বয়সের পর থেকে প্রত্যেক মানুষেরই অন্তত প্রতি কয়েক বছরে একবার এই পরীক্ষা করানো উচিত। পরিবারে হৃদরোগ বা চর্বির সমস্যা থাকলে আরও অল্প বয়স থেকে নিয়মিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।


প্রতিরোধ ও প্রতিকার


উচ্চ কোলেস্টেরল প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনা অপরিহার্য। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত তেল-মসলা ও ফাস্টফুড এড়িয়ে শাকসবজি, ফলমূল, ওটস ও আঁশযুক্ত খাবার গ্রহণ করা উচিত। এর পাশাপাশি নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম, প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণ করা এবং ধূমপান থেকে বিরত থাকা প্রয়োজন। নিয়মিত পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের মাধ্যমে কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করে সুস্থ ও দীর্ঘজীবন বজায় রাখা সম্ভব। 

বিষয় :


ফাইবারযুক্ত খাবার

  • প্রকাশ : সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ১০:৪৮ এএম

শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মেজাজ ভালো রাখতে পরিপাকতন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া দারুণ কাজ করে। পরিপাকতন্ত্রে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য ঠিক রাখাকেই 'গাট হেলথ' বা পেটের স্বাস্থ্য বলা হয়। পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ফাইবারযুক্ত খাবার খুবই উপকারী। যেমন-


১. মসুর ডাল, ছোলা, কালো বিনস এবং কিডনি বিনসে প্রচুর পরিমাণে দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় ফাইবার থাকে। এই ফাইবারগুলো পেটের উপকারী ব্যাকটেরিয়াকে শক্তি জোগাতে সাহায্য করে।


২. ওটস, বার্লি এবং ব্রাউন রাইসের মতো গোটা শস্য পরিপাকতন্ত্রকে পুষ্টি জোগায়। এসব খাবার নিয়মিত পেট পরিষ্কার রাখতেও দারুণ সাহায্য করে।


৩, আপেল, খোসাসহ নাশপাতি, রাস্পবেরি এবং ব্ল্যাকবেরির মতো ফলগুলো পেটের জন্য খুব ভালো। এগুলো থেকে শরীর পেকটিন এবং প্রয়োজনীয় পুষ্টি পায়।


৪. ব্রকলি, সবুজ শাকসবজি এবং খোসাসহ আলু পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। নিয়মিত এসব খাবার খেলে পেট পরিষ্কার হওয়ার প্রক্রিয়া অনেক সহজ হয়।


৫.চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড এবং আমন্ডে প্রচুর পরিমাণে প্রিবায়োটিক ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট থাকে। এসব খাবার পেটে ভালো ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য করে।


৬. মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম, বিটা ক্যারোটিন, বি ভিটামিন এবং ফাইবার থাকে। একটি মাঝারি আকৃতির মিষ্টি আলুতে প্রায় ৪ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার পাওয়া যায়।


৭. গাজরে থাকা বিটা ক্যারোটিন শরীরে গিয়ে ভিটামিন এ-তে পরিণত হয়, যা পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে। এক কাপ কাটা গাজরে ৪.৬ গ্রাম ডায়েটারি ফাইবার পাওয়া যায়।


সূত্র: এশিয়াননেট


নদীর রূপালি ইলিশের চিরন্তন স্বাদ ফিরে পাবেন ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, সময় : ৩:২১ পিএম

বাঙালির রসনা ও ঐতিহ্যের অবিচ্ছেদ্য অংশ ইলিশকে ঘিরে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট আয়োজন করছে ‘ইলিশ উৎসব’। ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে ১ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই বিশেষ উৎসব, যেখানে ইলিশের চিরচেনা স্বাদে অতিথিরা উপভোগ করবেন বাঙালিয়ানার এক অনন্য রসনাযাত্রা।


উৎসব চলাকালীন প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত থাকছে বিশেষ ইলিশ মেনু। আয়োজনে থাকছে বাঙালির প্রিয় ইলিশ খিচুড়ি, সর্ষে ইলিশ, ইলিশ ভাজা, ইলিশ পোলাও ও দই ইলিশ, যেখানে প্রতিটি পদে ফুটে উঠবে দেশীয় মসলা, ঐতিহ্যবাহী রান্নার ঘ্রাণ এবং আধুনিক পরিবেশনের নান্দনিকতা।

আয়োজনে থাকছে বাঙালির প্রিয় ইলিশ খিচুড়ি, সর্ষে ইলিশ, ইলিশ ভাজা, ইলিশ পোলাও ও দই ইলিশ

সুগন্ধি ভুনা খিচুড়ির সঙ্গে মচমচে ইলিশ ভাজা, সর্ষের ঝাঁঝালো ঘ্রাণে সর্ষে ইলিশ, কিংবা বাঙালির চিরন্তন স্বাদের ইলিশ পোলাও, প্রতিটি পদই অতিথিদের নিয়ে যাবে বাংলার শিকড় ও স্মৃতিমাখা রান্নাঘরের স্বাদে।

প্রতিটি পদই অতিথিদের নিয়ে যাবে বাংলার শিকড় ও স্মৃতিমাখা রান্নাঘরের স্বাদে

নদীর রূপালি উপহার, বাঙালির হৃদয়ের ভালোবাসা এই ইলিশ উৎসবে একেকটি পদে ফিরে আসুক বাংলার চিরন্তন স্বাদ ও গল্প।


পরিবার, বন্ধু ও প্রিয়জনদের সঙ্গে স্বাদ, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ায় ভরা ইলিশের এই উৎসব উপভোগ করতে সকলকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে ঢাকা রিজেন্সি।


বিস্তারিত তথ্য ও বুকিং এর জন্য যোগাযোগ করুন 01713-332661 নম্বরে অথবা ভিজিট করুন- https://www.facebook.com/share/1C64roDE3a এই ঠিকানায়।