• প্রকাশ : শুক্রবার ০৫ ডিসেম্বর, ২০২৫, সময় : ৪:৫১ এএম

ব্রিটিশ বিশ্ববিদ্যালয়গুলো দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ভারসাম্য বজায় রাখা ও বৈশ্বিক বৈচিত্র্যে পূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলার জন্য আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এখন বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ভর্তি আবেদন গ্রহণ করছে না।


বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বলছে, এ পদক্ষেপ বৈষম্য নয়, বরং যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কঠোর নির্দেশনা মেনে চলার অংশ।


ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের মতে, ভিসার অপব্যবহার ও স্বরাষ্ট্র দপ্তরের কঠোর নজরদারির কারণে যুক্তরাজ্যের অন্তত ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় ‘উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশ থেকে শিক্ষার্থী ভর্তির ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। ব্রিটেনে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের আশ্রয় দাবির হার বাড়ার মধ্যে এ বিষয়টি সামনে এলো।


দেশটির সীমান্ত নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী ডেম অ্যাঞ্জেলা ঈগল সতর্ক করে বলেন, ব্রিটেনে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ছাত্র ভিসাকে ‘পেছনের দরজা হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়।’


যেসব নতুন বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে


টাইমস অব ইন্ডিয়া গতকাল বৃহস্পতিবার লিখেছে, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান থেকে যাওয়া শিক্ষার্থীর ভর্তি ঠেকাতে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় সরাসরি পদক্ষেপ নিয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে ‘ভিসা প্রত্যাখ্যানের সাম্প্রতিক ও অপ্রত্যাশিত বৃদ্ধি’। এ কারণে যুক্তরাজ্যের চেস্টার ইউনিভার্সিটি ২০২৬ সালের শরৎকাল পর্যন্ত পাকিস্তান থেকে ভর্তি স্থগিত করে।


উলভারহ্যাম্পটন ইউনিভার্সিটিও বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের স্নাতক আবেদন গ্রহণ করছে না। ইউনিভার্সিটি অব ইস্ট লন্ডন পাকিস্তান থেকে ভর্তি স্থগিত করেছে। সান্ডারল্যান্ড ও কভেন্ট্রি বাংলাদেশ ও পাকিস্তান–উভয় দেশ থেকে নিয়োগ স্থগিত করেছে। লন্ডন মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ থেকে ভর্তি বন্ধের কথা জানিয়েছে। তারা ৬০ শতাংশ ভিসা প্রত্যাখ্যানকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছে।


স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মে পরিবর্তন


চলতি বছরের শুরুতে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর বেসিক কমপ্লায়েন্স অ্যাসেসমেন্ট বা বিসিএ মানদণ্ড কঠোর করেছে। এটি হলো বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ছাত্র ভিসা দেওয়ার কিছু নিয়ম, যা তাদের মেনে চলতে হয়। এর মধ্যে আছে, ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার এখন ১০ থেকে কমিয়ে ৫-এর নিচে রাখতে হবে। এটি অভিবাসন কমাতে নেওয়া সরকারি উদ্যোগগুলোর একটি।


বাংলাদেশ ও পাকিস্তান কেন বেশি প্রভাবিত


২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বছরের ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার ছিল–বাংলাদেশের ২২ শতাংশ, পাকিস্তানের ১৮ শতাংশ। উভয় দেশই নতুন ৫ শতাংশ সীমার চেয়ে অনেক বেশি। এ সময়ের মধ্যে স্বরাষ্ট্র দপ্তর প্রত্যাখ্যাত করেছে ২৩ হাজার ৩৬টি ভিসা, যেগুলোর অর্ধেকই এ দুই দেশের।


বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কেন চিন্তিত


যদি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রত্যাখ্যানের হারের সীমা অতিক্রম করে, তাহলে তারা স্পন্সরশিপ অধিকার হারানোর ঝুঁকিতে পড়বে। আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষা পরামর্শদাতা ভিনসেঞ্জো রাইমো বলেন, এ কঠোর ব্যবস্থা কম ফি-যুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর জন্য ‘প্রকৃত দ্বিধা’ তৈরি করেছে, যারা বিদেশি তালিকাভুক্তির ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল।


যুক্তরাজ্য সরকারের এ উদ্যোগ দেশটির রাজস্বেও বড় প্রভাব ফেলতে পারে। বিভিন্ন দেশ থেকে শিক্ষার্থীরা বড় অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে যুক্তরাজ্যে পড়ালেখা করতে যান। ক্ষতিগ্রস্ত হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও। গত মে মাসে প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের অনুমানে বলা হয়, ২২টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান কমপক্ষে একটি কঠোর বিসিএ মানদণ্ডে ব্যর্থ হবে। পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয় কমপক্ষে এক বছরের জন্য স্পন্সরশিপ অধিকার হারাবে; ছাঁটাই হতে পারেন ১২ হাজার আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী।




  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৮:১৭ পিএম

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জব কর্নারের সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রসংগে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ কে এম মতিনূর রহমান বরাবর  স্মারকলিপি দিয়েছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) দুপুর ২ টার দিকে স্মারকলিপিটি উপাচার্যের কাছে জমা দেন তারা।


স্মারকলিপিতে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকেই জব কর্নারটি বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার সম্মুখীন হয়ে আসছে, দিন দিন শিক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে তীব্র স্থানসংকট সৃষ্টি হয়েছে। প্রতিদিন অনেক শিক্ষার্থী আসন সংকটের কারণে পড়াশোনার সুযোগ না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছে। এছাড়া প্রচণ্ড গরমের মধ্যেও সংকীর্ণ পরিবেশে গাদাগাদি করে পড়াশোনা করতে হচ্ছে, যা একটি স্বাস্থ্যকর ও মনোযোগী শিক্ষার পরিবেশের পরিপন্থী। সেই ধারাবাহিকতায় দাবিগুলো বাস্তবায়নের জন্য উপাচার্যের সদয় দৃষ্টি ও কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছি।


স্মারকলিপিতে তারা ৭ টি দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো: জব কর্নারের জন্য আরও একটি রিডিং রুম সংযোজন করা; শুক্রবারে জব কর্নার খোলা রাখার ব্যবস্থা করা;‎ ‎আবাসিক হলসমূহের ছুটির সঙ্গে জব কর্নারের ছুটির সামজস্য বিধান করা; উচ্চগতির ও নিরবচ্ছিন্ন ওয়াই-ফাই সুবিধা নিশ্চিত করা; ‎রিডিং রুমে পর্যান্ত ডেস্ক ও উপযুক্ত আসবাবপত্র সংযোজন করা; নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা; জব কর্নারে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ (এসি) ব্যবস্থা স্থাপন করা।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৬:০১ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হকৃবি) উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।

সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্যের অনুমোদনক্রমে হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২০-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুযায়ী তাঁকে চার বছরের জন্য উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে এ মেয়াদকালে তাঁর চাকরির নির্ধারিত বয়সসীমা পূর্ণ হলে সেদিন পর্যন্তই তিনি দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তিনি বর্তমান পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা ও বিধি অনুযায়ী অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পাবেন। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সার্বক্ষণিক অবস্থান করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি ও বিধি অনুসারে এবং উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত দায়িত্ব পালন করবেন। প্রয়োজনবোধে রাষ্ট্রপতি ও আচার্য এ নিয়োগাদেশ বাতিল করতে পারবেন বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিবিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগে শিক্ষকতা ও গবেষণার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র কৃষি অর্থনীতি, এগ্রিবিজনেস ও কৃষি বিপণন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছেন এবং দেশি-বিদেশি সাময়িকীতে তাঁর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:৫৩ পিএম

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) কৃষি সম্প্রসারণ শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকার।

মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সরকারি সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ নিয়োগ দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৫-এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের আচার্যের অনুমোদনক্রমে অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান সরকারকে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর অথবা অবসরের নির্ধারিত বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে ঘটবে) উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি উপাচার্যের পদমর্যাদা অনুযায়ী বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে তাঁকে সার্বক্ষণিক ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও আচার্য প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।


ছবি: নওরোজ

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১২:৪০ পিএম

ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (WUB)-এর মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, নেতৃত্বের বিকাশ এবং অ্যাকাডেমিক ও সহ-শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যে ‘মেকানিক্যাল ক্লাব’-এর ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।


সম্প্রতি বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত “মেকানিক্যাল কার্নিভাল-২০২৬” অনুষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে নবগঠিত কমিটির নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ও অনুমোদন দেওয়া হয়।


নতুন কমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষকদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধান ও দিকনির্দেশনায় পরিচালিত হবে। ক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগের প্রফেসর ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মিজানুর রহমান। সহকারী পৃষ্ঠপোষক হিসেবে রয়েছেন সহকারী প্রফেসর মো. সোহেল রানা। এছাড়া সহযোগী উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন বিভাগের লেকচারার মো. ইউসুফ আলী এবং আহমেদ আব্দুল্লাহ মুজাহিদ।


নবগঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির নেতৃত্বে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মারুফ আহমেদ। সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন প্রিতম দেবনাথ, আবু রায়হান শাফী ও নুর আমিন। সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন মোব্বাসিরা আক্তার।


নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর কমিটির পক্ষ থেকে ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। আগামী মেয়াদে কারিগরি সেমিনার, ওয়ার্কশপ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ভিজিট এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের মেকানিক্যাল ও রোবোটিক্স প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।


এ উপলক্ষে প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. মিজানুর রহমান বলেন, মেকানিক্যাল ক্লাব শিক্ষার্থীদেরবাস্তবমুখী অভিজ্ঞতা  নেতৃত্বগুণ অর্জনের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম। আশা করিসভাপতি মারুফ আহমেদ  সাধারণ সম্পাদকমোব্বাসিরা আক্তারের নেতৃত্বে নতুন কমিটি ক্লাবের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করবে।


অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আশা প্রকাশ করেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নবগঠিত কমিটি মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে উদ্ভাবন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের পেশাগত প্রস্তুতি জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৫১ এএম


দ্য ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি)-এর সভাপতি প্রকৌশলী মো. এনায়েত হোসেনের নেতৃত্বে সংগঠনটির ১৫তম কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের নবনির্বাচিত সদস্যরা বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।


সোমবার মন্ত্রীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে আইটিইটি’র নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ নিজেদের পরিচয় তুলে ধরেন এবং সংগঠনের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।


এ সময় উপস্থিত ছিলেন দ্য ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিভিশনের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ সেলিম এবং টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স ফোরাম, বাংলাদেশ-এর সভাপতি প্রকৌশলী এ. টি. এম. শামসুদ্দিন খানসহ অন্যান্যরা।


সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী আইটিইটি’র নবনির্বাচিত কর্মকর্তাদের আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি দেশের টেক্সটাইল ও পোশাক খাতের বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ, চলমান সংকট নিরসন এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা করেন। পাশাপাশি শিল্পখাতের টেকসই প্রবৃদ্ধি ও বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আইটিইটি’র কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট লিখিত পরামর্শ আহ্বান করেন।


আলোচনার এক পর্যায়ে আইটিইটি’র পক্ষ থেকে দেশের টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোতে মানসম্মত ও বাস্তবমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। এ বিষয়ে মন্ত্রী জানান, শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষক সংকট নিরসনে চীনসহ বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্টুডেন্ট ও টিচার এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম চালুর পরিকল্পনা বিবেচনা করা হচ্ছে।


দেশের টেক্সটাইল খাতের সার্বিক উন্নয়ন এবং প্রকৌশলীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারের সঙ্গে আইটিইটি’র এই গঠনমূলক সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।


অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন

  • প্রকাশ : সোমবার ২৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:১৬ পিএম

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) নতুন কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন।


আজ সোমবার (২৭ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন সহকারী সচিব মো. শাহ আলম সিরাজ।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে 'নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০১' এর ১৩ (১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীনকে নোবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ পদে নিয়োগ প্রদান করা হলো।


প্রজ্ঞাপনে নিয়োগের শর্তে বলা হয়, কোষাধ্যক্ষ পদে তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ হতে ৪ (চার) বছর অথবা তাঁর অবসর গ্রহণের তারিখের মধ্যে যা পূর্বে ঘটে, সেই সময় পর্যন্ত কার্যকর হবে। তিনি মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক পূর্বের প্রজ্ঞাপন (২৭.১২.২০২০ তারিখে জারিকৃত) অনুযায়ী মাসিক সম্মানী প্রাপ্য হবেন।বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধা ভোগ করবেন এবং তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় সংবিধি ও আইন দ্বারা নির্ধারিত এবং ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করবেন।মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলর প্রয়োজনে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।


জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়। অনুলিপিটি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মন্ত্রিপরিষদ সচিব, ইউজিসি চেয়ারম্যান, নোবিপ্রবি ও পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এবং রেজিষ্ট্রারসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে।