বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা।

  • প্রকাশ : সোমবার ০৫ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ২:৩১ এএম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে ব্যবসায় সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও সবক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনার বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। 


গতকাল রোববার (৪ জানুয়ারি) রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ীরা বৈঠক করেন তারেক রহমানের সঙ্গে। বৈঠকে তারা দেশের অর্থনৈতিক বর্তমান অবস্থান, বেকারত্বসহ বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শুরু হয়ে আড়াই ঘণ্টাব্যাপী এ বৈঠক হয়। এসময় তারেক রহমান ব্যবসায়ীদের সমস্যার কথা শোনেন ও ক্ষমতায় গেলে সেসব সমাধানের আশ্বাস দেন।


বৈঠকের পর এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, আমরা আজ আলোচনা করেছি ব্যবসা ক্ষেত্রে চলমান যে সমস্যা রয়েছে আমাদের, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিকে চালিয়ে রাখা, কর্মসংস্থানকে ঠিক রাখা এবং বর্ধিত করা- সেটা নিয়ে আমরা আমাদের কথাগুলো বলেছি। আমরা বলতে চেয়েছি যে, সরকারে যেই আসুক অর্থনৈতিক উন্নয়ন করতে ব্যবসায়ীদের কনফিডেন্স আনতে হবে। কারণ, আমাদের সফলতা কিন্তু সরকারের সফলতা। আমরা আমাদের আলোচনাগুলো করেছি। আমরা আমাদের সমস্যাগুলো বলেছি। তারেক রহমান ওয়েল নোট করেছেন। ওনারা আসলে হয়তো সব জায়গায় (সমস্যা সমাধান করতে) পারবেন না বা কিছু জায়গায় পারবেন। বাট আন্তরিকভাবে তারা করতে চান।


বিসিআই সভাপতি আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, ইকোনমি যদি ঠিক করতে হয় ব্যবসায়ীদের কিন্তু সঙ্গে নিয়ে কাজ করা উচিত। সেটাই কিন্তু আমরা তারেক রহমানকে বলেছি। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো কর্মসংস্থান তৈরি করা। এখন কিন্তু আস্তে আস্তে অনেক বেকারত্ব বেড়ে যাচ্ছে। ইন্ডাস্ট্রিগুলো বসে যাচ্ছে। আমরা বলেছি যে এগুলো আসলে কীভাবে রিভাইভ করা যায় সেটা নিয়ে আমরা ওনার সঙ্গে বিস্তারিত আলোপ আলোচনা করেছি।


তিনি বলেন, আমাদের কথা হলো যে দলই ক্ষমতায় আসুক না কেন তারা যাতে সেই দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করেন। ইকোনমি ইজ নাম্বার ওয়ান, যদি সেটাকে দাঁড় করাতে হয় তাহলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়েই সরকারকে কাজ করা উচিত। যেটা উনি (তারেক রহমান) পরবর্তীতে বললেন, হ্যাঁ উনিও মনে করেন যে উনারা যদি আসতে পারেন তাহলে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে নিয়ে পলিসিগুলি যেখানে যেখানে যাওয়া দরকার এবং কিছু কিছু জায়গায় হয়তো পারা যাবে। কিছু কিছু জায়গায় হয়তো পারা যাবে না। বাট একটা স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করবেন এবং ব্যবসায় সহায়ক একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।


এক প্রশ্নের জবাবে আনোয়ার উল আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমানে সবার আগে যে জিনিসটা ইমিডিয়েটলি দরকার বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি করা উচিত। মব কালচার থেকে আমাদের বের হওয়া উচিত। এই জিনিসটা আমরা ওনাদের বারবার বলেছি এবং এটা না হলে ব্যবসা কেন আমরা সাধারণ মানুষই তো আর নড়তে চড়তে পারি না।


তারেক রহমানের আশ্বাসের বিষয়ে এক প্রশ্নে মীর নাসির হোসেন বলেন, বডি ল্যাংগুয়েজে আমাদের পজিটিভ মনে হয়েছে। তারেক রহমান আন্তরিকতার সঙ্গে শুনেছেন এবং আশ্বাস দিয়েছেন যে- যদি ক্ষমতায় আসতে পারেন আমাদের নিয়ে কাজ করবেন। যাতে দেশের উন্নয়ন হয়, অর্থনৈতিকভাবে আমরা এগিয়ে যাই।


বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন- আইসিসির সভাপতি মাহবুবুর রহমান, এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ, বিজেএমইএর সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, বিসিআইয়ের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রীতি চক্রবর্তী, এমসিসিআইয়ের সভাপতি কামরান টি রহমান, ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ, বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল, বিকেএমএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বিএসএমএ সভাপতি মইনুল ইসলাম স্বপন, বিএবি সভাপতি আবদুল হাই সরকার, বিজিএপিএমইএ সভাপতি মো. শাহরিয়ার, স্টিল মিল মালিক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম, বিএপিআইয়ের আব্দুল মুক্তাদির, বিএসআরএম সভাপতি আলী হুসাইন আকবর আলী, এমপ্লয়ার্স ফেডারেশনের সভাপতি ফজলে শামীম এহসান।


ব্যবসায়ীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যার আহসান খান চৌধুরী, স্কয়ার গ্রুপের তপন চৌধুরী, উত্তরা মোটরসের মতিউর রহমান, ট্রান্সকম গ্রুপের সিমিন রহমান, মেঘনা গ্রুপের মোস্তফা কামাল, সিকম গ্রুপের আমিরুল হক, পারটেক্স গ্রুপের আজিজুল কায়সার টিটু, ইউসিবিএল চেয়ারম্যান শরীফ জহির প্রমুখ।


এছাড়া বিজেএমইএর সাবেক সভাপতি কুতুব উদ্দিন আহমেদ, ফজলুল হক, বিটিএমএর সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন চৌধুরী, এমসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি নাহিদ কবির, ডিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি হোসেন খালেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



সর্বশেষ সব খবর

প্রধানমন্ত্রী

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৩ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৫:০৮ এএম

২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তর করতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


আজ বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত ‘ফিকি এফডিআই কনফারেন্স-২০২৬: ড্রাইভিং ফরেন ইনভেস্টমেন্ট ফর জবস অ্যান্ড প্রসপারিটি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও ইনভেস্টরস এক্সপোতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে যেমন নানা চ্যালেঞ্জ রয়েছে, তেমনি রয়েছে বিপুল সম্ভাবনাও। সেই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে নিরাপদ ও টেকসই বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে কর ও ভ্যাট ব্যবস্থার সরলীকরণ, বিনিয়োগ-সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রশাসনিক জটিলতা কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ স্বল্পমেয়াদি নয়, দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বিদেশি বিনিয়োগ চায়।


তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। অর্থনীতির বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার পাশাপাশি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে ভ্যাট ও কর ব্যবস্থার সংস্কার, সরকারি সেবার ডিজিটালাইজেশন এবং বিনিয়োগকারীদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : বুধবার ২২ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৭:১৭ এএম

চলতি করবর্ষে আয়কর বিবরণী বা রিটার্ন প্রথম প্রান্তিকেই দাখিল করে প্রণোদনা পেতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের জন্য ই-রিটার্ন সেবা চালু করেছে এনবিআর।


করদাতাদের জন্য ২০২৬-২০২৭ করবর্ষের ই-রিটার্ন সেবা চালু করে বুধবার এনবিআর সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এর ফলে এখন থেকেই অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা যাচ্ছে।


এনবিআর বলছে, করসেবা সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ করার জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বুধবার থেকে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের এই সুবিধা দিচ্ছে; এতে করে করদাতারা এখন ঘরে বসেই তাদের বার্ষিক আয়কর রিটার্ন প্রস্তুত ও দাখিল করতে পারবেন।


২০২৬-২০২৭ করবর্ষ হতে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা বছরের জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে রিটার্ন দাখিল করলে নিট প্রদেয় করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা প্রণোদনা পাওয়ার বিধান রয়েছে।


ফলে এ সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিল ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা প্রণোদনা পাবেন। এই সময়ের পর দাখিলকৃত রিটার্নের ক্ষেত্রে এই প্রণোদনা প্রযোজ্য হবে না বরং ডিসেম্বর পরবর্তী সময়ে দাখিলকৃত রিটার্নে অতিরিক্ত কর প্রদান করতে হবে।


তাই এনবিআর 'যথাসময়ে রিটার্ন দাখিলের জন্য করদাতাদের ‘বিশেষ অনুরোধ করছে' বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়।


২০২১ সালে অনলাইন রিটার্ন দাখিল পদ্ধতি চালুর পর থেকে পদ্ধতিটা করদাতাদের মাঝে সাড়া ফেলে।


২০২৫-২০২৬ করবর্ষে রেকর্ড প্রায় ৪৭ আখ ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা ই-রিটার্ন সিস্টেমের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন।


এদিকে এনবিআর এবারেও গত করবর্ষের মতই বিশেষ আদেশ জারির মাধ্যমে স্বাভাবিক ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করেছে।


তবে, ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বয়সের প্রবীণ করদাতা, সনদপত্র দাখিল সাপেক্ষে শারীরিকভাবে অসমর্থ বা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন করদাতা, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি করদাতা, মৃত করদাতার পক্ষে প্রতিনিধি অথবা বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকরা অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার পরিবর্তে পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।


এছাড়াও, ই-রিটার্ন সিস্টেমে নিবন্ধন সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অন্যান্য স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতাগণ অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিলে সমর্থ না হলে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত বা যুগ্মকর কমিশনারের অনুমোদনক্রমে পেপার রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন।


জাতীয় রাজস্ব বের্ডের www.etaxnbr.gov.bd সিস্টেমে করদাতারা ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড, বিকাশ, রকেট, নগদ অথবা অন্য কোনো মোবাইল ফাইন্যানশিয়াল সার্ভিস এর মাধ্যমে ঘরে বসেই কর পরিশোধ করতে পারবেন। পাশাপা<ই সঠিক তথ্য দিয়ে নির্ভুলভাবে রিটার্ন প্রস্তুতপূর্বক রিটার্ন জমা দিয়ে তাৎক্ষণিক প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও আয়কর সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।


অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করার ক্ষেত্রে কোন সমস্যা হলে তা সমাধানের জন্য রাজস্ব বোর্ডের কর্মকর্তারা সরকারি ছুটি ছাড়া অফিস চলাকালীন কল সেন্টার (০৯৬৪৩৭১৭১৭১) এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সেবা দেবেন।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২১ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:৪১ এএম

দেশের বাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) শুক্রবার সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন মূল্য ঘোষণা করে। নতুন দাম সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। বাজুস জানিয়েছে, খাঁটি স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে দাম সমন্বয় করা হয়েছে।


নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।


বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, নতুন মূল্য ভ্যাটসহ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে অলংকারের ডিজাইন ও কারুকাজভেদে মজুরি আলাদাভাবে যুক্ত হবে। রুপার অলংকারের ভ্যাট বিষয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।


এদিকে ২২ ক্যারেট রুপার দাম ভরিপ্রতি ৪ হাজার ৬০৭ টাকা। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা। ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৭৯০ টাকা, সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৭ টাকা।


সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : রবিবার ১৯ জুলাই, ২০২৬, সময় : ৩:৩২ এএম

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ডলারের দাম ক্রমাগত বাড়ছে; আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে তিন সপ্তাহে দর বেড়েছে ৬৩ পয়সা বা দশমিক ৫১ শতাংশ।


সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ডলারের সর্বোচ্চ দাম ছিল ১২৩ টাকা ৫৫ পয়সা; সর্বনিম্ন ১২৩ টাকা। গড় দাম ছিল ১২৩ টাকা ৩৮ পয়সা। কয়েকটি ব্যাংক ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে নগদ ডলার বিক্রি করছে। পণ্য আমদানিতে এলসি (ঋণপত্র) খোলার ক্ষেত্রে দাম রাখা হয়েছে ১২৪ টাকার বেশি। আর খোলা বাজারে ডলারের দর ১২৬ টাকা ৬০ পয়সায় উঠেছে।


বুধবার আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের গড় দাম ছিল ১২৩ টাকা। সপ্তাহের প্রথম দিন রোববার ছিল ১২২ টাকা ৯৭ পয়সা। আর তিন সপ্তাহ আগে ২৪ জুন গড় দাম ছিল ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা।


এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ৯ জুলাই আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের গড় দর ছিল ১২২ টাকা ১ পয়সা।


এ হিসাবে দেখা যাচ্ছে, বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশি মুদ্রা টাকার বিপরীতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত মুদ্রা মার্কিন ডলারের দাম বেড়েছে ১ টাকা ৫৪ পয়সা বা ১ দশমিক ২৬ শতাংশ।


বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বলছেন, চাহিদা বাড়ায় ডলারের দাম বাড়ছে। তবে ব্যাংক খাতের কেউ কেউ বলছেন, সফররত আইএমএফ প্রতিনিধিদলকে ‘খুশি করতে’ ডলারের দর বাড়ানো হচ্ছে। আইএমএফ বরাবরই টাকা-ডলারের বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের উপর ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আসছে।


আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দর বাড়ায় ব্যাংকগুলোর পাশাপাশি খোলা বাজারেও (কার্ব মার্কেট) বাড়ছে দাম।


রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ও জনতা ব্যাংক বৃহস্পতিবার ১২৪ টাকা দরে নগদ ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ১২৩ টাকায়।


বেসরকারি ইস্টার্ন ব্যাংক ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ১২৩ টাকা ৫০ পয়সা দরে।


সিটি ব্যাংকও ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি করেছে; কিনেছে ১২৩ টাকা ৫০ পয়সা দরে।


বৃহস্পতিবার খোলা বাজারে ১২৬ টাকা ৬০ পয়সা দরে ডলার বিক্রি হয়েছে; ক্রয় মূল্য ছিল ১২৬ টাকা ৩০ পয়সা।


গত সপ্তাহের শেষ দিন বৃহস্পতিবার ১২৫ টাকা ৫০ পয়সায় বিক্রি হয়; কেনা হয় ১২৫ টাকা ২০ পয়সায়।


মতিঝিলের এক ডলার ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “হঠাৎ করেই ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে; সে তুলনায় সরবরাহ নেই। সে কারণেই দাম বাড়ছে।”


একই কথা বলেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।


তিনি বলেন, “সরকারি কয়েকটি পেমেন্ট ছিল। সে কারণে ডলারের চাহিদা বাড়ায় ডলারের দাম বেড়েছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের ঊর্ধ্বমুখী ধারা অব্যাহত থাকলে ডলারের দর আর বাড়বে না।”


তিনি বলেন, বাজারে চাহিদা বাড়ায় কিছুদিন ধরে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে ডলার কিনছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক।


নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) একটি প্রতিনিধি দল ঢাকা সফর করছে। প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ইতোমধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাসহ অর্থ মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।


আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সফরের সঙ্গে ডলারের দাম বাড়ার কোনো সম্পর্ক আছে কি না—এ প্রশ্নের উত্তরে আরিফ খান বলেন, “আইএমএফ প্রতিনিধি দলের সফর বা তাদের শর্তের সঙ্গে ডলারের দাম বাড়ার কোনো সম্পর্ক নেই। মূলত চাহিদা বাড়ার কারণেই বেড়েছে।”


তবে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন, “আইএমএফ বহুদিন ধরেই টাকা-ডলারের বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারের উপর ছেড়ে দিতে বলছে। সংস্থাটির সঙ্গে নতুন সরকারের নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ঋণ পাওয়ার পথ সহজ করতে আইএমএফকে খুশি করতে ডলারের দাম বাড়ানো হতে পারে।”


আইএমএফ যা বলছে


এদিকে বৃহস্পতিবার বিকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে সচিবালয়ে বৈঠক করেন সফররত আইএমএফের প্রতিনিধিরা। এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে প্রতিনিধি দলটি তাদের এবারের বৈঠক শেষ করেছে।


১২ জুলাই থেকে এই প্রতিনিধিদল ঢাকা সফর করছে। অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর আইএমএফ একটি বিবৃতি দিয়েছে, তাতে মুদ্রা বিনিময় বিষয়ে বলা হয়েছে, মূল্যস্ফীতি কমানো এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পুনর্গঠনের জন্য কঠোর মুদ্রানীতি বজায় রাখার পাশাপাশি বাংলাদেশকে ফলপ্রসূ রাজস্বনীতি অব্যাহত রাখতে হবে।


সংস্থাটি বলেছে, ২০২৫ সালে বৈদেশিক মুদ্রার বিনিময় হার ব্যবস্থায় যে ‘ক্রলিং পেগ’ চালু করেছিল বাংলাদেশ, তা ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করা হলে বিনিময় হার আরও নমনীয় হবে এবং বৈদেশিক খাতের স্থিতিশীলতাও সুরক্ষিত থাকবে।


ক্রলিং পেগ হচ্ছে এমন একটি বিনিময় হার ব্যবস্থা, যেখানে একটি দেশের মুদ্রার বিনিময় হারকে একবারে পুরোপুরি বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয় না, আবার পুরোপুরি স্থিরও রাখা হয় না। কেন্দ্রীয় ব্যাংক নির্দিষ্ট নিয়মে ধীরে ধীরে বিনিময় হার সমন্বয় করে। ডলারের বিপরীতে টাকার দাম এক দিনে বড় পরিবর্তন না করে ধাপে ধাপে বৃদ্ধি বা কমানোই হচ্ছে ক্রলিং পেগ।

সর্বশেষ সব খবর

সোনার দাম দ্বিগুণ হবে

  • প্রকাশ : শনিবার ১৮ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১১:৫৯ এএম

আন্তর্জাতিক বাজারে আগামী ৫ বছরের মধ্যে সোনার দাম দ্বিগুণ হয়ে প্রতি আউন্স ৮,০০০ মার্কিন ডলারে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছেন জার্মানির ডয়চে ব্যাংকের অর্থনীতিবিদরা। 


বিশ্বব্যাপী চলমান অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, মূল্যস্ফীতি এবং বিভিন্ন দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর রেকর্ড পরিমাণ সোনা মজুত করার প্রবণতাই দাম এতোটা বৃদ্ধির মূল কারণ।


২০২০ সালে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল প্রায় ১,৫৮৫ ডলার, যা বর্তমানে রেকর্ড ভেঙে ৪,৫০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে।


জার্মানির ডয়চে ব্যাংকের (Deutsche Bank) বিশেষজ্ঞদের একটি গবেষণা অনুযায়ী, ২০৩১ সালের মধ্যে সোনার দাম আউন্স প্রতি ৮,০০০ ডলারে পৌঁছাতে পারে, যা বর্তমান মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ। জেপি মরগ্যান (J.P. Morgan) এবং ইউবিএস (UBS)-এর মতো শীর্ষস্থানীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মতে, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ সোনার দাম ৫,০০০ থেকে ৫,৫০০ ডলারে উঠে যেতে পারে। 


চীন, রাশিয়া, ভারত ও তুরস্কসহ বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাপকভাবে তাদের সোনা মজুত (Gold Reserves) বাড়াচ্ছে। বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং ব্যাংকগুলোর সুদের হার তুলনামূলক কম থাকায় বিনিয়োগকারীরা কাগজের মুদ্রার চেয়ে সোনাকে সবচেয়ে নিরাপদ মনে করছেন। 


মধ্যপ্রাচ্য ও বৈশ্বিক বিভিন্ন যুদ্ধবিগ্রহ এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে সরবরাহ ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ওপর চাপ তৈরি হচ্ছে। এই বৈশ্বিক মূল্যের প্রভাব বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারেও পড়তে পারে, যেখানে বর্তমানে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ২,১৯,৮০৮ টাকা। আন্তর্জাতিক বাজারে এভাবে দাম বাড়তে থাকলে দেশের বাজারেও সোনা সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদল

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৭ জুলাই, ২০২৬, সময় : ১০:১৮ এএম

স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণে বাংলাদেশের পাশে থাকার ব্যাপারে আবারও আশ্বাস দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং গ্রুপ অব ৭৭ অ্যান্ড চায়না (জি-৭৭)। 


জাতিসংঘ সদরদপ্তরে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের প্রধান রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস এবং জি-৭৭ অ্যান্ড চায়নার চেয়ারম্যান ও জাতিসংঘে উরুগুয়ের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে এ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করা হয়।


শুক্রবার (১৭ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।


বৈঠকে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী, ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি সৈয়দ নাসিম মঞ্জুর এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি মাহমুদ হাসান খান উপস্থিত ছিলেন।


বৈঠকে বাণিজ্যমন্ত্রী এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিকাল তিন বছর বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশের অনুরোধের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, চলমান অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক রূপান্তর, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ এবং চলমান কাঠামোগত সংস্কারের সফল বাস্তবায়নের স্বার্থে অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন।


তিনি আরও বলেন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, আর্থিক খাত শক্তিশালীকরণ, অবকাঠামো উন্নয়ন, অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে সরকার দৃঢ়ভাবে কাজ করছে।


মন্ত্রী জানান, প্রস্তাবিত প্রস্তুতিকাল সংস্কার কার্যক্রমকে আরও সুসংহত করতে, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দূর করতে, শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে এবং বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণকে মসৃণ, টেকসই ও অপরিবর্তনীয় করতে সহায়ক হবে।


সুশাসন ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রদূত স্টাভরোস ল্যামব্রিনিডিস। তিনি বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়ে আলোচনা শুরুকে স্বাগত জানান এবং বাংলাদেশের মসৃণ এলডিসি উত্তরণে ইইউর অব্যাহত সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। একইসঙ্গে এ প্রক্রিয়ায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের মধ্যে আরও ঘনিষ্ঠ অংশীদারিত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।


বাংলাদেশের প্রস্তুতিকাল বাড়ানোর পক্ষে উপস্থাপিত যুক্তিকে শক্তিশালী ও গ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেন রাষ্ট্রদূত লরা দুপুই লাসেরে। সরকারের বাস্তবমুখী সংস্কার কর্মসূচির প্রশংসা করে বাংলাদেশের প্রতি জি-৭৭-এর সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি। পাশাপাশি সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাংলাদেশের এলডিসি উত্তরণ কৌশল বিষয়ে একটি বিশেষ ব্রিফিং আয়োজনের প্রস্তাব দেন তিনি। বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানায়।


বৈঠক শেষে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের ছিদ্দিকী বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ হয়েছে। তিনি জানান, বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মসৃণ, টেকসই ও স্থিতিশীল উত্তরণ নিশ্চিত করতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তাদের অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেছে।


























































































































































































































সর্বশেষ সব খবর