গ্রেপ্তার মিজানুর রহমান। ছবি : সংগৃহীত
মাত্র ১০০ টাকায় গরুর মাংস দিয়ে ভাত বিক্রি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসা ‘ভাইরাল মিজানকে’ গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁও এলাকা থেকে মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ বিভাগ ফুটপাতসহ বিভিন্ন স্থাপনায় অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় আগারগাঁও এলাকায় মিজানের দোকানের অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে বিদ্যুৎ বিভাগের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা সেখানে যান। তখন মিজান তাদের ওপর চড়াও হন। এ সময় সিটি করপোরেশনের কর্মী ও পুলিশের সদস্যদেরও আঘাত করেন মিজান। পরে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়।
এ বিষয়ে কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়াসহ সংশ্লিষ্ট অপরাধের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আগারগাঁওয়ের ফুটপাতে ছোট একটি ভাতের দোকান চালিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচিতি পান মিজানুর রহমান। তার দোকানে ১০০ টাকায় এক পিস গরুর মাংসের সঙ্গে ভাত, ডাল ও আলু খাওয়ার সুযোগ থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দোকানটি পরিচিতি পায়।
‘যেখানে প্রয়োজন, সেখানেই লায়ন্স’—এই আন্তর্জাতিক সেবা দর্শনকে ধারণ করে লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ডের সদস্য লায়ন আলহাজ্ব আবুল মেছেরের উদ্যোগে রাজধানীর মালিবাগ চৌধুরীপাড়ায় বিনামূল্যে চক্ষু শিবির ও মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) মালিবাগ চৌধুরীপাড়ার আবুল হোটেল সংলগ্ন সাউথ পয়েন্ট স্কুলের মাঠে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি বৃক্ষরোপণ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে খাদ্য বিতরণ করা হয়।
সকাল ১০টায় আয়োজিত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ডের জেলা গভর্নর লায়ন নওজাত সারওয়াত ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন লায়ন আবুল মেছের এবং সঞ্চালনা করেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব।
অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছিলেন লায়ন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫-এ১-এর ইমিডিয়েট পাস্ট জেলা গভর্নর লায়ন এ কে এম গোলাম ফারুক, প্রথম ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন আবুল হোসেন খন্দকার, দ্বিতীয় ভাইস ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর লায়ন সাবিনা সিদ্দিকা, লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ড ক্লাবের প্রেসিডেন্ট লায়ন বিল্লাল হোসেন, চার্টার্ড প্রেসিডেন্ট লায়ন মো. শরিফুল ইসরাম (মঞ্জু), সাবেক ক্লাব প্রেসিডেন্ট লায়ন এড. মো. ইউসুফ খান, ভাইস প্রেসিডেন্ট লায়ন মো. আব্দুর রাজ্জাক এবং ডিরেক্টর লায়ন মো. আজাদুর রহমান।
এছাড়াও এই অনুষ্ঠানে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামপুরা থানা বিএনপির সদস্য মাহাবুবুর রহমান এবং শোয়েব জয়, ২৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আবু সায়েম মোল্লা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মীর্জা আকবর ইমাম বুলু, রামপুরা থানা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান টিটু সহ এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
এই মেডিকেল ক্যাম্পে চক্ষু পরীক্ষা, বিনামূল্যে চশমা বিতরণ, সাধারণ চিকিৎসাসেবা, চর্মরোগ ও শিশু চিকিৎসা, ডায়াবেটিস পরীক্ষা, ব্লাড গ্রুপ নির্ণয় এবং গাইনি চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি ছানি রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে অস্ত্রোপচারের ব্যবস্থাও করা হয়। এছাড়া পরিবেশ সুরক্ষায় বৃক্ষরোপণ এবং এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়।
এই সামাজিক কর্মসূচির মূল আয়োজক লায়ন আবুল মেছের এই প্রতিবেদককে বলেন, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ধর্মনিরপেক্ষ সেবামূলক সংগঠন লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল অন্ধত্ব প্রতিরোধ, ক্ষুধা নিরসন, ক্যানসার সচেতনতা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণসহ বিভিন্ন মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় লায়ন্স ক্লাব অফ ঢাকা বসুন্ধরা গোল্ড গত ৩৬ বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্যোগ মোকাবিলা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সেবাগ্রহণকারীরা বলেন, প্রান্তিক মানুষের দোরগোড়ায় বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ মানবিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং ভবিষ্যতেও এই ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।
বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। পুরোনো ছবি
রাজধানীর বারিধারায় বাসভবনে শর্টসার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে আহত হয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান। তাদের রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) রাতে এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে দুজনকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। এর পর থেকে তারা নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রের (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, ভোর আনুমানিক ৪টা ৫৫ মিনিটে বারিধারার পাকিস্তান হাইকমিশনারের বাসভবনে শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় আক্রান্ত হয়ে হাইকমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালে ভর্তি হন।
এ ছাড়া চিকিৎসক ডা. আমিনা সুলতানার তত্ত্বাবধানে তাদের চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে দুজনের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে তাৎক্ষণিক বিস্তারিত তথ্য জানা যায়নি।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর উত্তরখানে পরিচ্ছন্নকর্মীদের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেখানে উপস্থিত হওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান এবং স্থানীয় এমপি জাহাঙ্গীর হোসেনের উপর ‘হামলার’ অভিযোগ উঠেছে।
আজ রোববার ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন এক জরুরি বার্তায় সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য দিয়েছেন।
উত্তর সিটির অঞ্চল-৮ এর অধীন ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তরখান রাজাবাড়ি এসটিএস (সেকেন্ডারি ট্রান্সফার স্টেশন) এলাকায় দুপুরের দিকে এ ঘটনা ঘটে। ।
জরুরি বার্তায় বলা হয়, “উত্তরখান রাজাবাড়ি এসটিএস এলাকায় ডিএনসিসির পরিচ্ছন্নকর্মীদের ওপর স্থানীয় কিছু 'সন্ত্রাসী' অতর্কিত আক্রমণ করে। খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে যান ডিএনসিসির প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান, স্থানীয় সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন এবং পুলিশের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উপকমিশনার।
“কিন্তু সেখানে হামলাকারীরা প্রশাসক ও সংসদ সদস্যের ওপরও চড়াও হয় এবং হামলা চালায়।”
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুর-১০ ও ফার্মগেট মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পাওয়া ‘বোমাসদৃশ’ দুটি পরিত্যক্ত বস্তু পাওয়া যাওয়ার খবরে জনমনে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের বোম্ব ডিসপোজাল টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করে। পরে বস্তা খুলে দেখা যায়, বোমা নেই তাতে।
ডিএমপি জানিয়েছে, মিরপুর-১০ স্টেশনের নিচে পাওয়া বস্তায় ছিল জর্দার কৌটা ও পান। আর ফার্মগেট এলাকায় পাওয়া বস্তায় কোনো ধরনের বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু পাওয়া যায়নি।
আজ শনিবার ডিএমপির মিডিয়া শাখা জানায়, মিরপুর-১০ মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে সন্দেহজনক একটি ব্যাগ পড়ে থাকার খবর পেয়ে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট সেখানে যায়। প্রাথমিকভাবে ব্যাগটি এক্স-রে পরীক্ষার মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এতে কৌটাসদৃশ একটি বস্তুর ছবি দেখা যায়।
পরে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) অনুসরণ করে ফ্র্যাঞ্জিবল ডিসরাপ্টর ব্যবহার করে বস্তুটি নিষ্ক্রিয় করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এরপর ব্যাগটি খুলে দেখা যায়, এর ভেতরে জর্দার একটি কৌটা ও পান রয়েছে। সেখানে কোনো বিস্ফোরক বা ক্ষতিকর বস্তু পাওয়া যায়নি।
ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের বস্তার ঘটনায় ডিএমপি জানায়, তেজগাঁও থানার ফার্মগেট এলাকায় পরিত্যক্ত একটি বস্তাকে ঘিরেও বোমা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে সিটিটিসির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। পরে নিরাপত্তা নিশ্চিত করে হ্যান্ড এন্ট্রির মাধ্যমে বস্তাটি পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষা শেষে নিশ্চিত হওয়া যায়, ওই বস্তার ভেতরেও কোনো বিস্ফোরক বা বিপজ্জনক বস্তু ছিল না।
ছবি : সংগৃহীত
রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু পাওয়ার খবরে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে কাজ শুরু করেছে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের সদস্যরা।
শনিবার দুপুরে সিটিটিসির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, মিরপুর ও তেজগাঁও-দুই জায়গায় একসঙ্গে বোমা পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি যাচাই করতে পুলিশের দল কাজ করছে।
মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার জানান, মিরপুর ১০ নম্বর মেট্রো স্টেশনের নিচে সন্দেহজনক একটি বস্তু পাওয়ার খবর পেয়েছেন তারা। সিটিটিসির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা করছেন। এটি আইইডি কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
অন্যদিকে, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি পিলারের কাছে একটি বস্তা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান। সন্দেহজনক হওয়ায় সেখানে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকে ডাকা হয়েছে।
ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিমসহ তেজগাঁও থানার ওসি ক্যশৈনু মারমা উপস্থিত রয়েছেন।
এর মধ্যে বেলা ১টা ২৮ মিনিটে ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের একটি টিম ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তবে এখনো পাশ দিয়ে সাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
রাজধানীর সড়কে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর
রাজধানী ঢাকাকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তোলার অংশ হিসেবে উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সড়ক পুনরায় ঘুরে দেখেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (৩১ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়ি চালিয়ে গুলশান, শ্যামলীসহ বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করেন। তার উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
উপ-প্রেস সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিকেল ৪টা ৫ মিনিটে গুলশানের বাসভবন থেকে বের হন। তিনি নিজেই গাড়ি চালিয়ে উত্তর সিটির বিভিন্ন সড়কের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন। বিকেল ৬টা ১০ মিনিটের দিকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়ি শ্যামলী এলাকা অতিক্রম করতে দেখা যায়।
প্রধানমন্ত্রী বারবার তাগিদ দিয়েছেন যে তিনি ঢাকাকে আধুনিক ও ‘ক্লিন সিটি’ হিসেবে দেখতে চান। সেই প্রতিশ্রুতি থেকেই রাজধানীর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম কেমন চলছে, তা দেখতে তিনি নিজেই সরেজমিনে বের হন।
পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িতে তার সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন, বিএনপির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব মেহেদুল ইসলাম এবং সহকারী একান্ত সচিব আব্দুর রহমান সানী।