ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:১১ পিএম

দুর্গাপূজা উপলক্ষে আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) থেকে শুরু হয়েছে টানা পাঁচ দিনের ছুটি। সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি কাটাবেন। একই সঙ্গে বন্ধ রয়েছে ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শেয়ারবাজার ও আদালত। ছুটির আগে গতকাল সোমবার (১৯ অক্টোবর) ছিল শেষ কর্মদিবস। দুর্গাপূজার ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে টানা পাঁচ দিনের ছুটি হওয়ায় সোমবার বিকেল থেকেই বাসস্ট্যান্ড, রেলস্টেশন ও লঞ্চ টার্মিনালে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে।


শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর পর্যন্ত তিন দিনের ছুটি ঘোষণা করে গত ৭ অক্টোবর প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। এর সঙ্গে ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি পেয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীরা।


২০২৬ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০ অক্টোবর মঙ্গলবার মহানবমী উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে এবং ২১ অক্টোবর বুধবার বিজয়া দশমী উপলক্ষে সাধারণ ছুটি নির্ধারিত ছিল। ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার ছিল কর্মদিবস। পরে ওই দিনও নির্বাহী আদেশে ছুটি ঘোষণার প্রস্তাব অনুমোদন করে মন্ত্রিসভা। ফলে তিন দিনের পূজার ছুটির সঙ্গে দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটি যুক্ত হয়ে পাঁচ দিনের ছুটি তৈরি হয়।


এর আগে গত ৫ অক্টোবর সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে সাধারণ ছুটি ও নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটির তারিখ পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। এ ছুটির কারণে গত ১৭ অক্টোবর শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও সরকারি অফিস খোলা রাখা হয়েছিল।


প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ২০ থেকে ২২ অক্টোবর মঙ্গলবার, বুধবার ও বৃহস্পতিবার ছুটি থাকবে। এরপর ২৩ ও ২৪ অক্টোবর শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিনের ছুটি ভোগ করা যাবে।


তবে জরুরি সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর, পরিচ্ছন্নতা, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এসব সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির বাইরে থাকবেন।


এ ছাড়া হাসপাতাল ও জরুরি চিকিৎসাসেবা, চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্ট কর্মী এবং ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম পরিবহনকারী যানবাহন ও কর্মীদের ছুটি প্রযোজ্য হবে না। জরুরি কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসও এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।


ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রমের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে। বেসরকারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও কলকারখানার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।




ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১:৩৯ পিএম

জানুয়ারিতে শুরু হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সামনে রেখে চলমান ভোটার স্থানান্তরের আবেদন আগামী ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। হালনাগাদের পর এ ভোটার তালিকা ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত করা হবে। যারা ভোটার তালিকায় থাকবেন, তারাই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।


ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, প্রথম ধাপের ভোট হবে আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি, দ্বিতীয় ধাপের ভোট ৪ ফেব্রুয়ারি, তৃতীয় ধাপে ২৯ এপ্রিল, চতুর্থ ধাপে ১৩ মে এবং পঞ্চম ও শেষ ধাপের ভোটগ্রহণ হবে ২৭ মে। এসব নির্বাচনের তফসিল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তারা ঘোষণা করবেন।


ভোটার তালিকা মুদ্রণ চূড়ান্ত ২৫ নভেম্বর


ইসি সোমবার এক নির্দেশনায় দেশের সব উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা এর আগে যাদের জন্ম, তাদের মধ্যে যারা এ বছরের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভোটার ডেটাবেজে নিবন্ধিত হবেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হবে।


এজন্য ৫ নভেম্বর সারা দেশে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। দাবি-আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ২৫ নভেম্বর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।


স্থানান্তর নিষ্পত্তির নির্দেশ


স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য আবেদন করা যাবে। এসব আবেদন ৫ নভেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে।


স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে হালনাগাদ ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করার পরিকল্পনা ছিল আগস্টে। ইসির পরিকল্পনা ছিল, নভেম্বরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু হবে এবং সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণা করা হবে। এ লক্ষ্যে ভোটার তালিকা মুদ্রণের কাজও শুরু করার পরিকল্পনা ছিল।


তবে ভোট পিছিয়ে যাওয়ায় দেশজুড়ে ফের ভোটার স্থানান্তর কার্যক্রম চালু করে নির্বাচন কমিশন।


ইশরাক হোসেন ও জন এফ ড্যানিলোভিচ,

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:৫১ পিএম

অস্ত্র উঁচিয়ে মাদকবিরোধী অভিযানের জেরে সমালোচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের ঘটনাকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি ‘সঠিক ও দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক উপ-রাষ্ট্রদূত জন এফ ড্যানিলোভিচ। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে অতীতের নেতিবাচক ধারা থেকে বের করে ভিন্ন ও ইতিবাচক পথে এগিয়ে নিতে তারেক রহমানের নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।


সোমবার (১৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় সাবেক এই প্রভাবশালী মার্কিন কূটনীতিক এ প্রতিক্রিয়া জানান।


এক্স পোস্টে জন এফ ড্যানিলোভিচ উল্লেখ করেন, ‘ইশরাক হোসেনের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের পর তার পদত্যাগ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এটি সর্বশেষ এমন একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত, যা প্রমাণ করে নিজ সরকারের সদস্যদের কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনতে তারেক রহমান আন্তরিক। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎকে অতীতের চেয়ে ভিন্ন পথে এগিয়ে নিতে তাঁর নেতৃত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’


জন এফ ড্যানিলোভিচ ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ২০০৭ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত দূতাবাসের পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কাউন্সিলর এবং পরবর্তীতে ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ডেপুটি চিফ অব মিশন (ডিসিএম) বা উপ-রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি আন্তর্জাতিক থিংকট্যাংক ‘আটলান্টিক কাউন্সিল’-এর দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক সিনিয়র ফেলো হিসেবে ভূরাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষণে যুক্ত রয়েছেন।


এর আগে সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ সূত্র নিশ্চিত করেছে যে তাঁর পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে এবং এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া চলছে।


বিতর্কের সূত্রপাত ঘটে গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশন-সংলগ্ন দয়াগঞ্জ গুমটিঘর রেলগেট এলাকায় ইশরাক হোসেনের একটি ব্যক্তিগত মাদকবিরোধী অভিযানকে কেন্দ্র করে। ওই দিন তাঁর ফেসবুক পেজে প্রচারিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমে তিনি ব্যক্তিগত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে কয়েকজনকে ধরতে নির্দেশ দিচ্ছেন। এ সময় তাঁর দেহরক্ষীরা এক তরুণকে লাথি মারেন এবং একজনকে গুলি করার হুমকিও দেওয়া হয়।


একজন মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর এভাবে সরাসরি অস্ত্র হাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মতো অভিযানে অংশ নেওয়ার আইনি বৈধতা নিয়ে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়া হলেও ঘটনাটি তদন্তে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ওয়ারী বিভাগের উপকমিশনারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) শফিকুল ইসলাম জানান, তদন্তে আইনের কোনো লঙ্ঘন পাওয়া গেলে বিধি মোতাবেক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে একটি সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৯:৪৮ এএম

দেশব্যাপী চলমান শারদীয় দুর্গোৎসবে ঢাকার বাইরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় শুভেচ্ছা জানাতে রংপুর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী।


মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সকাল ৯টায় প্রধানমন্ত্রী তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সামরিক বিমানে রংপুরের উদ্দেশে রওনা হন। সৈয়দপুর বিমানবন্দরে নামবেন তিনি। সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শনে যাবেন তারেক রহমান।


এর আগে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, ‘পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করতে তিন বিভাগের তিন জেলায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমে রংপুর এরপর রাজশাহী এবং সবশেষে চট্টগ্রাম যাবেন তিনি।’


আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপগুলোতে পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।


রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনের পর রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে অবতরণ করে দুপুর দেড়টায় ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন তারেক রহমান। পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে বিকেল ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠের জনসভায় ভাষণ দেবেন।


পরে রাজশাহী থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে সাময়িক বিশ্রাম শেষে রাতে তিনি বিমানযোগে ঢাকা ফিরবেন।


এর আগে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মহাখালী ও বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. জুবাইদা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।


আজ উদযাপিত হচ্ছে দুর্গাপূজার মহানবমী। আগামীকাল বুধবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে শারদীয় দুর্গোৎসব।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১২:২৬ এএম

একদিনেই রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ) তিন বিভাগের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। সফরে রাজশাহীতে একটি জনসভায়ও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।


প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সফরসূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৯টায় সামরিক বিমানে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে রংপুরের ধর্মসভা বা রাধা গোবিন্দ মন্দির পরিদর্শন করবেন।


এরপর রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে পৌঁছে দুপুর দেড়টায় রাজশাহী ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে রাজশাহী সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে বেলা ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন।


রাজশাহী থেকে বিমানে করে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। সন্ধ্যায় নগরীর রহমতগঞ্জের জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে তিন বিভাগের তিন জেলায় যাচ্ছেন। মঙ্গলবার সকালে তিনি প্রথমে রংপুর, এরপর রাজশাহী এবং সবশেষে চট্টগ্রাম যাবেন।


তিনি আরও বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশের কোনো সরকারপ্রধান ঢাকার বাইরে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় অনুষ্ঠান শারদীয় দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রী  পূজারীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা ও কুশল বিনিময় করবেন।


চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে একই দিন রাতেই তিনি ঢাকা ফিরবেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।এর আগে রোববার রাতে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার মহাখালী ও বনানী পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় ডা. জুবাইদা রহমান তার সঙ্গে ছিলেন।মঙ্গলবার উদযাপিত হবে দুর্গাপূজার মহানবমী। পরদিন বুধবার প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শেষ হবে।


ফাইল ফটো

  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ১১:৪০ পিএম

কলকাতা মহানগরীর মানিকতলায় অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী চোরবাগান সর্বজনীন পূজামণ্ডপে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ১৯ জনের প্রাণহানির ঘটনায় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ গভীর শোক প্রকাশ করছে। রোববার সংগঠনটির পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠায় এক শোকবার্তায় বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নিহত ব্যক্তিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে। 



হতাহতদের শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছে প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের শোক। একই সঙ্গে দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করা হয় শোকবার্তায়। 



বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের সভাপতি প্রফেসর ড. এম. ওয়াহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মাহবুবর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. পূর্বা ইসলাম ও সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. মশিউর রহমানের পাঠানো শোকবার্তায় বলা হয়, শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দমুখর পরিবেশে এমন মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি অত্যন্ত বেদনাদায়ক। এ অপূরণীয় ক্ষতিতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।



এই শোকাবহ মুহূর্তে আমরা বিশ্বাস করি, মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহমর্মিতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধের চর্চা ভারত ও বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহাসিক বন্ধন, সৌহার্দ্য ও পারস্পরিক সংহতিকে আরও সুদৃঢ় ও অটুট রাখবে। মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের সহযোগিতা ও আত্মত্যাগ দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের এক অবিস্মরণীয় দলিল।



বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নিহত ব্যক্তিদের বিদেহী আত্মার চিরশান্তি কামনা করছে এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজনকে এই অপূরণীয় ক্ষতি সহ্য করার শক্তি প্রদানের জন্য মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করছে।



  • প্রকাশ : সোমবার ১৯ অক্টোবর, ২০২৬, সময় : ৮:৪৫ পিএম

সরকার গঠনের মাত্র আট মাসের মধ্যে বিএনপি সরকারের তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। একই সময়ে পদত্যাগ করেছেন সংরক্ষিত নারী আসনের একজন সংসদ সদস্যও। 


এসব পদত্যাগের পেছনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা কাজ করেছে বলে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে। সর্বশেষ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।


গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন ইশরাক হোসেন। অভিযানের সময় তার নিজের হাতে এবং সঙ্গে থাকা সহযোগীদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যায়। অস্ত্র উঁচিয়ে অভিযান পরিচালনার ভিডিও তিনি নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এরপর দেশজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিএনপি ও সরকারের উচ্চপর্যায়েও এ ঘটনায় অস্বস্তি ও অসন্তোষ তৈরি হয়।


এরপর রোববার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশনার পর সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি।


ইশরাকের পদত্যাগের বিষয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন-কেউ মানুষের প্রত্যাশার পরিপন্থী কোনো কাজ করলে, তিনি যত ঘনিষ্ঠই হোন না কেন, তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী ইতোমধ্যে তা প্রমাণ করেছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


আইনমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নই। সুতরাং এটা আমাদের সবার মাথায় রাখতে হবে।’


ইশরাক হোসেনের আগে পদত্যাগ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। দায়িত্ব নেওয়ার সাড়ে তিন মাসের মাথায় গত ১ জুন তিনি সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তা গৃহীত হয়।


পদত্যাগপত্রে শারীরিক অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছিলেন দীপেন দেওয়ান। তিনি লেখেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগছেন তিনি। এ কারণে মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত দায়িত্ব পালনে সমস্যা হচ্ছে। সরকারের উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের গতি বাড়াতে মন্ত্রীর পদ থেকে অব্যাহতি নেওয়া প্রয়োজন বলে তিনি মনে করছেন।


গত ২২ আগস্ট তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন জহির উদ্দিন স্বপন। তবে একই দিন তাকে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।


এর আগের দিন তথ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান আন্দালিভ রহমান পার্থ। এ পরিস্থিতিতে জহির উদ্দিন স্বপনের মন্ত্রিত্ব কার্যত কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা রয়েছে।


মিরপুরের রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকেও পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


গত ১ অক্টোবর জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পদত্যাগপত্র জমা দেন মিষ্টি। এরপর জাতীয় সংসদ সচিবালয় তার আসন শূন্য ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।


সরকার গঠনের আট মাসের মধ্যে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ধারাবাহিক পদত্যাগ এবং একজন সংসদ সদস্যের বিদায়কে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে এসব সিদ্ধান্তের পেছনে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনার ভূমিকা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।