বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইকিউএসি এবং প্রশাসন বিভাগের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাউবির ই-লার্নিং সেন্টার-এ "ডি-নথি ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক" প্রশিক্ষণ কর্মশালার দুটি ব্যাচের দুদিন করে চার দিনব্যাপী (২২ ও ২৩ জুন এবং ২৪ ও ২৫ জুন) অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের ২৫ জুন ২০২৬ তারিখ বৃহস্পতিবার সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের গাজীপুরস্থ ক্যাম্পাস-এর শিক্ষক সেমিনার হলে ‘ডি-নথির ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ’ কর্মসূচির ১ম ও ২য় ব্যাচের সমাপনী ও সদন বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান।
সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন," বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় (বাউবি)-এর আইকিউএসি এবং প্রশাসন বিভাগের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা শাখার যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত বাউবির ই-লার্নিং সেন্টার-এ "ডি-নথি ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক এই ডি-নথি ব্যবহার ও বাস্তবায়ন বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। যারা সফলভাবে এই প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন, তাদের প্রত্যেককে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন।”
বর্তমান বিশ্বে প্রশাসনিক কার্যক্রম দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব, তথ্যপ্রযুক্তির বিস্তার এবং স্মার্ট সেবার যুগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ, স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও জনবান্ধব করতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় ডি-নথি কেবল একটি সফটওয়্যার বা প্রযুক্তিগত প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি ও কর্মপদ্ধতির একটি মৌলিক রূপান্তরের প্রতীক।
বাংলাদেশ সরকার একটি স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের লক্ষ্যে প্রশাসনের সর্বস্তরে ই-গভর্ন্যান্স এবং ডিজিটাল সেবা সম্প্রসারণের যে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে, ডি-নথি তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। কাগজভিত্তিক দাপ্তরিক কার্যক্রম থেকে ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনায় রূপান্তর প্রশাসনিক প্রক্রিয়াকে করেছে অধিকতর গতিশীল, কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব বলেও উপাচার্য তাঁর অভিমত ব্যক্ত করেন।
এছাড়াও উপাচার্য বলেন, 'ডি-নথির মাধ্যমে- ফাইল নিষ্পত্তির সময় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে; প্রশাসনিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়; নথির নিরাপত্তা ও সংরক্ষণ নিশ্চিত হয়; সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া দ্রুততর হয়; অফিস ব্যবস্থাপনায় সময়, শ্রম ও ব্যয় সাশ্রয় হয়; এবং সর্বোপরি, সেবাগ্রহীতারা দ্রুত ও মানসম্মত সেবা লাভ করেন'।
প্রশিক্ষণ যে কোনো প্রতিষ্ঠানের মানবসম্পদ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। পরিবর্তিত প্রযুক্তি ও নতুন কর্মপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে নিয়মিত প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। একটি প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত শক্তি তার অবকাঠামো নয়, বরং দক্ষ, জ্ঞানসমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিবান্ধব মানবসম্পদ। তাই এই ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা উন্নয়ন এবং পরিবর্তিত প্রশাসনিক পরিবেশের সঙ্গে অভিযোজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বিশেষ করে, একটি বৃহৎ ও প্রযুক্তিনির্ভর ওপেন অ্যান্ড ডিস্ট্যান্স লার্নিং (ODL) প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ডিজিটাল প্রশাসনিক ব্যবস্থা আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অংশীজনদের দ্রুত, নির্ভুল এবং সময়োপযোগী সেবা প্রদানের জন্য প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। ডি-নথির কার্যকর প্রয়োগ সেই লক্ষ্য অর্জনের অন্যতম পূর্বশর্ত।
উপাচার্য আরো বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আজকের প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা আপনারা কেবল নিজেদের কর্মক্ষেত্রেই প্রয়োগ করবেন না, বরং সহকর্মীদের মধ্যেও এর ইতিবাচক চর্চা ও ব্যবহার বিস্তারে ভূমিকা রাখবেন। একটি প্রশিক্ষণের প্রকৃত সফলতা তখনই আসে, যখন অর্জিত জ্ঞান বাস্তব কর্মপরিবেশে প্রতিফলিত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি করে।
আমাদের মনে রাখতে হবে, ডিজিটাল রূপান্তর কেবল প্রযুক্তি গ্রহণের বিষয় নয়; এটি মানসিকতা, কর্মসংস্কৃতি এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনেরও বিষয়। পরিবর্তনকে গ্রহণ করার সক্ষমতাই একটি প্রতিষ্ঠানকে সময়ের চাহিদার সঙ্গে এগিয়ে নিয়ে যায়। আমি এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজক, প্রশিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জানাই। আশা করি, ভবিষ্যতেও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং ডিজিটাল সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ ধরণের যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সকল কর্মকর্তার পেশাগত সাফল্য ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উত্তরোত্তর অগ্রগতি কামনা করছি।"
সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের মাননীয় সদস্য অধ্যাপক ড.আব্দুল্লাহ-আল-মামুন। তিনি বলেন, "সরকারের মূল লক্ষ্য উচ্চশিক্ষার রূপান্তর, যেখানে একাডেমিক উন্নয়ন, গবেষণা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ডিজিটালাইজেশন এবং মানবসম্পদ উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা উল্লেখ করেন। এই প্রশিক্ষণ প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্বচ্ছতা বাড়াবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।"
অতিথিবৃন্দের বক্তব্য শেষে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়। মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড.আব্দুল্লাহ- আল-মামুন কর্মকর্তাদের হাতে ডি-নথির ব্যবহার ও বাস্তবায়ন শীর্ষক প্রশিক্ষণের সনদপত্র তুলে দেন।
আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহির রায়হান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাউবির মাননীয় প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোঃ সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, "সার্টিফিকেটের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা, যা বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে হবে। নিজের দায়িত্ব ও মেধা সঠিকভাবে ব্যবহার করাই প্রকৃত সফলতা। তিনি সবাইকে দায়িত্বশীলভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাউবির মাননীয় প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আনিসুর রহমান। আরো উপস্থিত ছিলেন, রিসোর্স পারসন এটুআই-এর সিনিয়র কনসালটেন্ট আবু সালেহ মো. মাহফুজুল আলম ও এটুআই-এর জুনিয়র কনসালটেন্ট মো. সজিবুর রহমান, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা এবং প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা।
সমাপনী বক্তব্য রাখেন, কম্পিউটার বিভাগের পরিচালক মোঃ মাসুম বিল্লাহ। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এসএসএস বিভাগের উপ-পরিচালক ড মোঃ জাহাঙ্গীর আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন প্রশাসন বিভাগের প্রশিক্ষণ ও গবেষণা শাখার যুগ্ম-পরিচালক ড. মোঃ শওকত আলী।
মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময়সীমা আগামী ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নম্বরপ্লেট সংযোজনের বাস্তবতা বিবেচনায় এ সময় বাড়ানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।
বিআরটিএর চেয়ারম্যানের বিবেচ্যপত্রে বলা হয়েছে, দেশে নিবন্ধিত মোটরযানের সংখ্যা প্রায় ৬৮ লাখ। এর মধ্যে মোটরসাইকেলের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ, যা মোট নিবন্ধিত মোটরযানের প্রায় ৭৪ শতাংশ। এত বিপুলসংখ্যক মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন সম্পন্ন করা অত্যন্ত কঠিন।
বিষয়টি নিয়ে মোটরসাইকেল মালিকদের বিভিন্ন মতামত ও মন্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এ নিয়ে আলোচনা চলছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পূর্বনির্ধারিত সময়সীমা ১৫ নভেম্বরের পরিবর্তে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে বিআরটিএর এক গণবিজ্ঞপ্তিতে মোটরসাইকেলের সম্মুখভাগে ম্যানুয়াল নম্বরপ্লেট সংযোজন করে প্রদর্শনের জন্য ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহণ আইন, ২০১৮ ও সড়ক পরিবহণ বিধিমালা, ২০২২ অনুযায়ী মোটরসাইকেলের পেছনে কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত আরএফআইডিসহ উন্নতমানের রেট্রো-রিফ্লেক্টিভ ধাতব প্লেটে নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের বিধান রয়েছে। এর পাশাপাশি মোটরসাইকেলের সামনের অংশেও নিবন্ধন নম্বর প্রদর্শনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, স্কুটারের সম্মুখভাগে নম্বরপ্লেটের দৈর্ঘ্য ২০০ মিলিমিটার ও প্রস্থ ১০০ মিলিমিটার হতে হবে। অন্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে প্লেটের দৈর্ঘ্য ২৮৫ মিলিমিটার ও প্রস্থ ৫০ মিলিমিটার নির্ধারণ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই অক্ষর ও সংখ্যার উচ্চতা কমপক্ষে ২০ মিলিমিটার হতে হবে।
নম্বরপ্লেটটি স্টেইনলেস স্টিল অথবা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হতে হবে। সাদা পটভূমির ওপর কালো রঙে বাংলা অক্ষর ও সংখ্যা লিখতে হবে। এতে কোনো শোভাবর্ধক উপাদান বা নকশা ব্যবহার করা যাবে না। স্কুটার ছাড়া অন্যান্য মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে নিবন্ধন নম্বর একটি আনুভূমিক রেখায় প্রদর্শনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে মোটরসাইকেল মালিকদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় এসব শর্ত মেনে সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজন করতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা সংযোজন না করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও গণবিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে সময়সীমা ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়ানোর বিষয়টি প্রস্তাব আকারে এসেছে।
ছবি : সংগৃহীত
জাপানের বিশ্বখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টয়োটার মোতোমাচি কারখানা (Toyota Motomachi Factory) পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টায় কারখানাটি পরিদর্শনে যান তিনি। এসময় টয়োটার প্রথম প্রাইভেট কার পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
কারখানায় পৌঁছানোর পর টয়োটা কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীকে গাড়িতে ওঠার আমন্ত্রণ জানান। এসময় সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানকে নিয়ে গাড়িটিতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি কারখানার গাড়ি সংযোজন (অ্যাসেম্বলি) প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন টয়োটা মোটর করপোরেশনের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাসাহিকো মোয়েদা (Masahiko Moeda), টয়োটা সুশো করপোরেশনের মোবিলিটি বিভাগের সিইও শিগেরু হারাদা (Shigeru Harada) এবং প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) শিনিচিরো ওতসুকাসহ (Shinichiro Otsuka) সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৈদেশিক কর্মসংস্থানবিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ড. মো. শাকিরুল ইসলাম খান, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং গবেষণা কর্মকর্তা আবদুস সাত্তার পাটোয়ারীসহ অন্যরা।
১৯৩৫ সালে তৈরি হয় টয়োডা পরিবারের প্রথম গাড়ির প্রোটোটাইপ টয়োডা মডেল এ১। আর এই ধারাবাহিকতায় ১৯৩৬ সালে তৈরি হয় টয়োডা মডেল এএ, যা টয়োটার প্রথম উৎপাদিত যাত্রীবাহী গাড়ি।
বর্তমানে জাপানের টয়োটা সংগ্রহশালায় সংরক্ষিত রয়েছে গাড়িটির প্রতিরূপ। চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে এখন জাপানে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তাহসিফ সাউরি
বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। রাজধানীর উত্তরখানে তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধারের পর সামনে এসেছে তার সামরিক জীবন, বিমানবাহিনী থেকে অবসর এবং ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশত্যাগের সময়কার আলোচিত ভিডিও নিয়ে বিতর্কের নানা দিক।
গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন তাহসিফ। পরদিন বুধবার বিকালে উত্তরখানের রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
১৯৯৮ সালে জন্ম নেওয়া তাহসিফের বয়স হয়েছিল ২৮ বছর। তার বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল। পরিবার নিয়ে রাজধানীর উত্তরার ১৮ নম্বর সেক্টরে বসবাস করতেন তিনি।
পরিচিতজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তাহসিফ ঢাকার আদমজী ক্যান্টনমেন্ট কলেজে পড়াশোনা করেন। পরে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ৭৯তম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের সমমানের জয়েন্ট সার্ভিস কোর্স সম্পন্ন করে বিমানবাহিনীতে যোগ দেন। সামরিক পাইলট হিসেবে ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট পদে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।
তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টের বায়োতে লেখা ছিল, ‘Veteran Military Pilot | Strategist | Entrepreneur’। মৃত্যুর তিন দিন আগে ভাটারায় এক অতিরিক্ত ডিআইজির বাসায় মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে একটি বেসরকারি টেলিভিশনের প্রতিবেদন শেয়ার করে তিনি লিখেছিলেন, ‘Lol! Shame on DMP, Government needs to verify this case’। তার ফেসবুক আইডিতে অনুসারীর সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে ৯ হাজার।
৫ আগস্টের ভিডিও নিয়ে কেন আলোচনা?
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছেড়ে দেশত্যাগ করেন শেখ হাসিনা। ওই দিন গণভবন এলাকা থেকে তার দেশত্যাগের ঘটনাপ্রবাহের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওটি ধারণ ও প্রকাশের সঙ্গে তাহসিফ সাউরির নাম জড়িয়ে যায়।
বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনেও ভিডিওটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে তার নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। তবে তাহসিফ নিজেই ভিডিওটি ধারণের বিষয়টি অস্বীকার করেছিলেন।
তার পরিচিতজনদের কারও কারও দাবি, ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের নেতিবাচক প্রচার শুরু হয়। ফলে ভিডিওটি ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক তার পরিচিতির অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে ওঠে।
বিমানবাহিনী থেকে অবসর কেন?
তাহসিফের বিমানবাহিনী থেকে অবসর নেওয়ার বিষয়টিও তাকে ঘিরে আলোচনার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট এক বিবৃতিতে জানায়, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরি ও ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট রিফাত আশরাফীকে বিমানবাহিনীর প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় অবসর দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাদের অবসরের সঙ্গে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সংশ্লিষ্টতার কোনো সম্পর্ক নেই। এর আগে একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ওই দুই কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়। আইএসপিআর ওই দাবিকে বিভ্রান্তিকর বলে উল্লেখ করেছিল।
যেভাবে উদ্ধার হলো তাহসিফের মরদেহ
মঙ্গলবার রাত থেকে নিখোঁজ থাকার পর বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ খবর আসে, উত্তরখান থানার রাজাবাড়ী ঘাটসংলগ্ন তুরাগ নদে একটি মরদেহ ভাসছে। খবর পেয়ে টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করেন।
নৌ পুলিশের প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, উদ্ধারের সময় তাহসিফের পরনে ছিল সাদা পায়জামা ও কালো জামা। তার হাতে ঘড়ি ছিল এবং পকেটে পাওয়া যায় একটি আইফোন। ফোনের সূত্র ধরে পরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
আজ বৃহস্পতিবার নৌ পুলিশের ঢাকা অঞ্চলের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, মরদেহের শরীরে বাইরে থেকে দৃশ্যমান কোনো আঘাত বা জখমের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে বাইরে থেকে আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
তাহসিফের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
তাহসিফের মৃত্যু, ৫ আগস্টের ভিডিও নিয়ে বিতর্ক এবং বিমানবাহিনী থেকে তার অবসর-এই তিনটি বিষয়কে ঘিরে আবারও আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি
জাপান থেকে ঢাকায় ফেরার পথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিমানবন্দরে আটকে আছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট। ৩ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ত্রুটি সারানো সম্ভব হয়নি। এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বিমান থেকে নেমে গেছেন। অন্য যাত্রীদেরও নেয়া হয়েছে বিমানবন্দরের লাউঞ্জে।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিমানের জনসংযোগ বিভাগ জানিয়েছে, প্রকৌশলীরা ত্রুটি সারাতে কাজ করছেন। এজন্য আরও দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
এর আগে স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টার দিকে (বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা) ফ্লাইটটির উড্ডয়নের কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাত্রায় বিলম্বের কথা জানান এবং দুঃখপ্রকাশ করেন।
এদিকে সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি ৩৭৭ যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জাপানের নারিতা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়নে বিলম্ব হচ্ছে। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এয়ার ক্রু ও প্রকৌশল দল ত্রুটি নিরসনে কাজ করছে। এ বিষয়ে পরবর্তী তথ্য যথাসময়ে জানানো হবে।
এর আগে জাপান সফর শেষে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঢাকায় ফেরার ফ্লাইটে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৪০ মিনিট পর ককপিট থেকে পাইলট যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে যাত্রা বিলম্ব হওয়ার কথা জানান। সেই সঙ্গে এ জন্য তিনি দুঃখপ্রকাশও করেন।
গত ২৬ অক্টোবর চার দিনের সরকারি সফরে জাপানে পাড়ি জমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সফরকালে তিনি দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক শীর্ষ বৈঠকে অংশ নেন।
এ ছাড়াও সরকারপ্রধান জাপানের বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
এসব বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহযোগিতা জোরদার এবং বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়াও জাপান সফরকালে প্রধানমন্ত্রী দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
ছবি : সংগৃহীত
মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল জানার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। বিগত বছরগুলোতে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফলাফল জানা গেলেও এবার শিক্ষার্থীদের ১৬১৪০ নম্বরে মেসেজ পাঠাতে হবে।
বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ৩১ অক্টোবর বেলা ১১টায় সারাদেশে একযোগে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে ফল জানতে পারবেন।
এসএমএসে ফল জানার নতুন নিয়ম
মোবাইল ফোনের মেসেজ অপশনে গিয়ে ইংরেজিতে HSC লিখে একটি স্পেস দিতে হবে। এরপর শিক্ষা বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে এসএমএস পাঠাতে হবে। উদাহরণ: ‘HSC DHA 123456 2026’ লিখে পাঠাতে হবে ১৬১৪০ নম্বরে।
অনলাইনে ফল জানার নিয়ম
এসএমএসের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাবে। এছাড়া, নিচের দুটি ওয়েবসাইট থেকেও ফল জানা যাবে। সেগুলো হলো- eduboardresult.gov.bd ও educationboardresults.gov.bd। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা পত্রিকা অফিসে সরাসরি কোনো ফলাফল পাওয়া যাবে না।
পুনর্নিরীক্ষণ আবেদন শুরু ১ নভেম্বর
এদিকে, প্রকাশিত ফল পুনর্নিরীক্ষণ ও উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য আগামী ১ নভেম্বর থেকে ৭ নভেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। এ-সংক্রান্ত আবেদনপ্রক্রিয়া ও নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।
চলতি বছর এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা গত ২ জুলাই শুরু হয়, যা শেষ হয় ৮ আগস্ট। তবে, বন্যার কারণে চট্টগ্রাম বোর্ডের কয়েকটি বিষয়ের লিখিত পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে স্থগিত পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ায় ওই বোর্ডের লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ৯ সেপ্টেম্বর।
এবার দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী।
আশকোনা হজ ক্যাম্প
যাত্রীদের টিকিট-সংক্রান্ত সেবা সহজ করতে রাজধানীর আশকোনা হজ ক্যাম্পে পুনরায় চালু করা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের টিকিট বিক্রির কাউন্টারের সময়সূচি সংশোধন করা হয়েছে। নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, রোববার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কাউন্টারে সেবা পাওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংশোধনী বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এর আগে, গত ২৮ অক্টোবর প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আশকোনা হজ ক্যাম্পের টিকিট বিক্রির কাউন্টারের সেবার সময়সূচি উল্লেখ করা হয়েছিল। সংশোধনীতে জানানো হয়েছে, নতুন সময়সূচি অনুযায়ী কাউন্টারটিতে সেবা দেয়া হবে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বলাকায় অবস্থিত বিক্রয় বুথে কারিগরি জটিলতা দেখা দেওয়ায় যাত্রীদের টিকিট-সংক্রান্ত সেবা স্বাভাবিক রাখতে আশকোনা হজ ক্যাম্পের কাউন্টারটি পুনরায় চালু করা হয়েছে। এ ছাড়া টিকিট পুনরায় ইস্যু করার প্রয়োজন হলে যাত্রীরা আশকোনা হজ ক্যাম্পের কাউন্টারের পাশাপাশি বিমানের মতিঝিল বিক্রয়কেন্দ্র থেকেও সেবা নিতে পারবেন।