• প্রকাশ : শনিবার ০৯ মে, ২০২৬, সময় : ৪:০৩ এএম

সরকারি অফিসকে বাসা বানিয়ে বসবাস এবং নিজ নামে বরাদ্ধকৃত টিএন্ডটি অফিস কর্তৃক ফ্ল্যাটের প্রতি মাসে ৬৯৮০/- হারে ১৪,২৩৯২০/- টাকা ভাড়া আত্মসাত'সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে বাসাইলে কর্মরত বিটিসিএল লাইন ম্যান শামীমের বিরুদ্ধে।অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে বাসাইলে তার কর্মস্থলে গেলে অভিযোগের সততা স্বীকার করে তিনি বলেন আমাকে ডিজিএম স্যার থাকতে দিয়েছে। 


স্থানীয় ব্যক্তিদের সাথে কথা বলে জানা যায় তার বাড়ি বগুড়া জেলায় সে ২০০৯ সাল থেকে অদ্যবধি প্রায় দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত টিএন্ডটি অফিসে লাইনম্যান হিসেবে বাসাইলে কর্মরত আছেন। 


এ অবস্থায় সে বিনা অনুমতিতে অবৈধ ভাবে সরকারি গাছ কেটে বিক্রি করাসহ অফিসের চারপাশে বরাদ্দকৃত জমিতে শাকসব্জি আবাদ ও উক্ত জমিতে মাছ চাষ করে ব্যক্তি স্বার্থ হাসিল করেন। তার বিরুদ্ধে ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটস্ অফ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন টাঙ্গাইল জেলা শাখায় দায়িত্বরত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ঘটনা তদন্তে টিএন্ডটি (বিটিসিএল) এর ডিজিএম মাহাবুব হাসান বরাবর অভিযোগ দায়ের করেন। 


অভিযোগের অনুলিপি দুর্নীতি দমন কমিশন টাঙ্গাইল জেলা কার্যালয়, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাব, টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসক, মহাপরিচালক বিটিসিএল ও ডাক ও টেলি যোগাযোগ মন্ত্রণালয় মন্ত্রী বরাবর প্রেরণ করা হয়েছে। 


এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল জেলায় দায়িত্বরত টিএন্ডটি'র (বিটিসিএল) ডিজিএম মাহবুব হাসান বলেন, ইতোমধ্যে বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। এ ব্যাপারে একটি অফিসিয়ালি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আমাদের রিপোর্ট পেশ করবে। সেই রিপোর্ট আমরা ঢাকায় প্রেরণ করবো। সেখান থেকে কি ধরনের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সেটা আমরা এই মুহূর্তে বলতে পারছি না। তবে আমি তাকে পরিবার-পরিজনসহ অফিসে থাকার অনুমতি না থাকায় অফিসকে বাসা হিসেবে ব্যবহার করতে নিষেধ করেছি। অসুস্থ থাকায় কর্মস্থলে সে অনুপস্থিত আছে।




  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:৫৮ পিএম

নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব মো.ইসমাঈল হোসেনের ক্রয়কৃত সম্পত্তি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে।


গত বৃহস্পতিবার গভীর রাতে উপজেলার চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের উপদ্দি লামছি মৌজার ২৮৫১ হালদাগের ওই সম্পত্তি দখলের ঘটনা ঘটে।


মো. ইসমাঈল হোসেন বলেন, চাপরাশিরহাট ইউনিয়নের উপদ্দি লামছি মৌজায় তাঁর বেশ কিছু ক্রয়কৃত জায়গা রয়েছে। এর মধ্যে ২৮৫১ নম্বর হালদাগের প্রায় এক ডিসমিল জায়গা স্থানীয় একেএম জায়েদুল হক জাবেদ পুরোনো সীমানা প্রাচীর ভেঙে দখল করে নেন। পরে রাতের আঁধারে সেখানে নতুন সীমানাপ্রাচীর নির্মাণ করে জায়গাটি পুরোপুরি দখলে নেওয়া হয়েছে।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিষয়টি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানালে জাবেদ গং তাঁর বিরুদ্ধে কুৎসা রটানোর পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকি দেন। এছাড়া তিনি বা তাঁর লোকজন জায়গায় গেলে শিক্ষক পরিচয় দেওয়া এক নারী তাদের বেজায় গালমন্দ করেন বলেও অভিযোগ করেন।


অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে একেএম জায়েদুল হক জাবেদ বলেন, জায়গাটি তাঁর পৈতৃক সম্পত্তি। সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ইসমাঈল হোসেন সেখানে কিছু জায়গা কিনেছেন, তবে কতটুকু কিনেছেন তা কাউকে জানাননি।


এ বিষয়ে কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোমেল বড়ুয়া বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। দুই পক্ষ স্থানীয়ভাবে বসে বিষয়টি সমাধান করবে বলে জানা গেছে।


আবু নাছের ওরফে সোহাগ

  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:১৬ পিএম

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আবু নাছের ওরফে সোহাগ (৪৪) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।


গত বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিবাগত রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।


নিহত সোহাগ বসুরহাট পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কবুতর ব্যাপারী বাড়ির মৃত মো.আবু তাহেরের ছেলে। তিনি বসুরহাট পৌরসভা বহুমুখী সমবায় সমিতির আদায়কারী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।


স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২২ আগস্ট সোহাগ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মঙ্গলবার রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার করা হয়। তবে ঢাকায় নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।


কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সেলিম বলেন, সোহাগ ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথমে কোম্পানীগঞ্জের একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। পরে তার অবস্থার অবনতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। ঢাকায় নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।


তিনি আরও বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং জ্বর বা ডেঙ্গুর উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।


  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০১ পিএম

গাজীপুরের কালীগঞ্জে কুড়ালের কোপে মজিদ মোড়ল (৭০) নামের এক কলা ব্যবসায়ী শশুরকে হত্যা করে থানায় হাজির হয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেছে অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক ওরফে মুজা সরকার (৩৫)। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


পুলিশ ও মামলার এজাহার এবং নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১৭ বছর আগে উপজেলার জামালপুর এলাকার বাসিন্দা কলা ব্যবসায়ী আব্দুল মজিদ মোড়লের মেয়ে শাহানারা বেগমের (২৮) সঙ্গে একই এলাকার মধ্যপাড়ার বাসিন্দা মৃত নোয়াব আলী সরকারের ছেলে মোজাম্মেল হক ওরফে মুজা সরকারের বিয়ে হয়। তাদের সংসারে এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। 


অভিযোগ আছে, বিয়ের পর থেকেই মোজাম্মেল শশুর বাড়ী থেকে টাকা এনে দেওয়ার জন্য স্ত্রীর ওপর নিয়মিত শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাতেন। কলা বিক্রি করে সংসার চালানো পিতা আব্দুল মজিদ মোড়লের পক্ষে সব সময় মোজাম্মেলের দাবি মেটানো সম্ভব হতো না। আর তার জের হিসেবে প্রায়ই শাহনারা বেগমকে মারধরের শিকার হতে হতো। প্রায় ১৫ দিন আগে মোজাম্মেল মারধর করে শাহানারাকে বাড়ী থেকে বের করে দেন। তারপর থেকে শাহানারা বাবার বাড়ীতে আছেন। স্বামীর অত্যাচারে শাহানারা তার সংসারে না ফেরার সিদ্ধান্ত জানিয়ে ছিলেন।


মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই মো. মাসুদ রানা শামিম জানায়, শুক্রবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে প্রতিদিনের মতো বাড়ী থেকে জামালপুর বাজারের উদ্দেশে রওনা হন মজিদ মোড়ল। বেলা সাড়ে চারটার দিকে বাজারের ভাঙ্গারি পট্টি গলিতে ইলিয়াসের দোকানের সামনে দিয়ে মাথায় কলার ছড়া নিয়ে যাওয়ার সময় পেছন থেকে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ধারালো কুড়াল দিয়ে মোজাম্মেল তার শ্বশুর আব্দুল মজিদ মোড়লের মাথায় কোপ দেন। এতে গুরুতর জখম হন মজিদ মোড়ল। পরে স্থানীয়রা আব্দুল মজিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নেওয়ার পর কর্তব্যরত ডা. মো. জিয়াউর রহমান তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমেদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতেই নিহতের ছেলে মো. লিটন মোড়ল (২৬) বাদী হয়ে মোজাম্মেল হককে আসামি করে কালীগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন {মামলা নং ২৪(৮)২}। মামলার পর অভিযুক্ত মোজাম্মেল হককে গ্রেপ্তারে রাতভর অভিযান চালায় পুলিশ। আজ শনিবার (২৯ আগষ্ট) সকাল ১০টার দিকে মোজাম্মেল নিজেই থানায় হাজির হয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করে আত্মসমর্পণ করেন।


কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাকির হোসেন বলেন, আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অভিযুক্তকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।


  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

পঞ্চগড়ে সার সরবরাহ, সুষ্ঠু বিতরণ, মজুদ পরিস্থিতি ও সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে নিবন্ধিত রাসায়নিক সার ডিলারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।


আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ।


সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন,“দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ সার মজুদ রয়েছে। এই সার নিয়ে কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে গুজব ছড়ানোর কোনো রকম সুযোগ নেই।”




তিনি বলেন, বিগত দিনে একটি দলীয় মতের সঙ্গে সম্পৃক্ত অনেকেই সার ডিলার ছিলেন। তারা বহাল তবিয়তেই থাকবেন, তাদের বাদ দেওয়া হবে না। ডিলারদের বাদ দেওয়া হবে- এমন প্রচারণা সম্পূর্ণ গুজব। বরং কোনো ডিলারের পদ শূন্য হলে সেখানে একজন করে নতুন সার ডিলার নিয়োগ দেওয়া হবে।


ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেন, “এটাই হলো তারেক রহমান সরকার-যার কাছে দল-মত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থ এক হয়ে কাজ করার মানসিকতা রয়েছে।”


তিনি আরও বলেন, সার সুষ্ঠুভাবে বিতরণ নিশ্চিত করতে নতুন ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে নিজ গ্রামের ও নিজ ইউনিয়নের স্থায়ী বাসিন্দাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিয়ে যোগ্য ব্যক্তিরা ডিলার হওয়ার সুযোগ পাবেন।


সার নিয়ে কৃত্রিম সংকট ও গুজব ঠেকাতে জেলা প্রশাসনের প্রতি মনিটরিং টিম গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই টিম সার সরবরাহ, মজুদ ও বিতরণ পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক তদারকি করবে।


জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফরহাদ হোসেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আব্দুল মতিন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাহিরুল ইসলাম কাচ্চু এবং চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি শরিফ হোসেন।


এ সময় জেলার পাঁচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), পাঁচ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং নিবন্ধিত রাসায়নিক সার ডিলাররা উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:২৭ পিএম

শিশুদের ইসলামী শিক্ষা ও উত্তম চরিত্র গঠনে মাতা-পিতার ভূমিকা অপরিসীম। সন্তানকে ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিকতা, শিষ্টাচার ও মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে পরিবারের পাশাপাশি সমাজের সচেতন মানুষদেরও এগিয়ে আসতে হবে। শিশুদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে তারাই ভবিষ্যতে একটি সুন্দর, আদর্শ ও নৈতিক সমাজ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) সকাল ৭টায় নাটোরের লালপুর উপজেলার মাহরাজপুর জেনাস তালিমুল কোরআন মাদ্রাসা চত্বরে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন জেনাস সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (জিএসডিও) আয়োজিত ‘শিশুদের ইসলামী শিক্ষা ও উত্তম চরিত্র গঠনে মাতা-পিতার ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।


মাওলানা আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য দেন লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাহ উদ্দিন, জেনাস সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, মহারাজপুর মধ্যপাড়া জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আরিফুল ইসলাম, রামকৃষ্ণপুর জেনাস তালিমুল কোরআন মাদ্রাসার পরিচালক হাফেজ মাওলানা শৈয়ব প্রমুখ।


বক্তারা বলেন, শিশুর প্রথম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো তার পরিবার এবং প্রথম শিক্ষক মাতা-পিতা। বাবা-মায়ের আচার-আচরণ, কথাবার্তা ও নৈতিক মূল্যবোধ শিশুর চরিত্র গঠনে গভীর প্রভাব ফেলে। তাই সন্তানকে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত করলেই হবে না; ইসলামী শিক্ষা, নামাজের প্রতি আগ্রহ, সত্যবাদিতা, বড়দের সম্মান, ছোটদের স্নেহ এবং মানুষের প্রতি ভালোবাসার শিক্ষা দিতে হবে।


লালপুর উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সালাহ উদ্দিন বলেন, “শিশুরা আগামী দিনের দেশ ও সমাজের নেতৃত্ব দেবে। তাদের হাতে শুধু বই তুলে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয় না। তাদের নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পরিবারে বাবা-মায়ের নিজেদের আচরণও হতে হবে সন্তানের জন্য আদর্শ। কারণ শিশুরা উপদেশের চেয়ে বাবা-মায়ের কাজ ও আচরণ থেকেই বেশি শিক্ষা গ্রহণ করে।”


জিএসডিও পরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, “শিশুদের মেধা বিকাশের পাশাপাশি তাদের নৈতিক চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। মাদ্রাসা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার সঙ্গে পরিবারের নিয়মিত তদারকি থাকলে শিশুরা সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠবে।”


আলোচনা সভায় বক্তারা সন্তানদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা, তাদের নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া এবং মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে অভিভাবকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে শিশুদের ইসলামী ও নৈতিক শিক্ষার প্রসারে পরিবার, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং সামাজিক সংগঠনগুলোকে সমন্বিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় স্থানীয় মুসল্লি, অভিভাবক, মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।


  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:১৫ পিএম

লালপুরের ওয়ালিয়ায় নির্মাণাধীন ঘরের ভেতর থেকে প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।


পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ শনিবার (২৯ আগস্ট) গভীর রাতে লালপুর উপজেলার ওয়ালিয়া ইউনিয়নের ওয়ালিয়া মধ্যপড়া গ্রামের মৃত দেলু প্রামাণিকের ছেলে সোহরাব আলীর নির্মাণাধীন বিল্ডিং এ অভিযান চালিয়ে লালপুর থানা পুলিশ প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার গাঁজার গাছটি উদ্ধার করে।


এ সময় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে সোহরাব আলীকে আটক করে তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করছে। মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে গাঁজার গাছটি উদ্ধার করা হয়েছে এবং মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।