• প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৮:৫১ এএম

বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ বা স্থানীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ভোটের ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে ইলেকশন কমিশন (ইসি) সম্প্রতি চালু করেছে ‘Smart Election Management BD’ নামের একটি মোবাইল অ্যাপ। এই অ্যাপের মাধ্যমে ভোটাররা রিয়েল টাইমে ভোটের ফলাফল দেখতে পারবেন এবং নির্বাচনি তথ্য সহজে জানতে পারবেন।


অ্যাপ ব্যবহার করার ধাপগুলো হলো:


১. ডাউনলোড ও ইনস্টলেশন:


অ্যাপটি অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মে পাওয়া যাবে। গুগল প্লে স্টোর বা অ্যাপল অ্যাপ স্টোরে ‘Smart Election Management BD’ লিখে সার্চ করে ডাউনলোড ও ইনস্টল করা যাবে।


২. অ্যাকাউন্ট বা লগইন:


সাধারণভাবে ভোটের ফলাফল দেখার জন্য লগইন প্রয়োজন নেই। তবে ব্যক্তিগত ভোটার তথ্য বা ইভিএম সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য পেতে ভোটার আইডি বা জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে লগইন করতে হবে। লগইন করলে ভোটার স্ট্যাটাস, ভোটের নথি এবং নির্বাচনী কেন্দ্রের তথ্য পাওয়া যায়।


৩. ভোটের ফলাফল দেখা:


নির্বাচন ও কেন্দ্র নির্বাচন: অ্যাপের হোম স্ক্রিনে ‘ইলেকশন রেজাল্টস’ বা ‘ভোটিং রেজাল্টস’ অপশন থেকে নির্বাচনের ধরন ও জেলা/ওয়ার্ড নির্বাচন করতে হবে।


কাস্টিং ও ফলাফল: প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গণনার পর ফলাফল সরাসরি অ্যাপে আপলোড হবে। প্রার্থী বা দল অনুযায়ী ভোটের সংখ্যা, ভাগফল এবং শতাংশ দেখা যাবে।


গ্রাফ ও চার্ট: ফলাফলকে সহজে বোঝার জন্য গ্রাফ বা চার্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হবে। লাইভ আপডেটের মাধ্যমে ভোটের ধাপে ধাপে অগ্রগতি দেখা সম্ভব।


ইসির এই নতুন অ্যাপ ভোটারদের জন্য ভোটের তথ্য সহজলভ্য ও স্বচ্ছভাবে জানার সুযোগ তৈরি করেছে।



সর্বশেষ সব খবর

অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে নতুন বেশ কিছু সুবিধা যুক্ত করেছে গুগল

  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৬:৫৬ পিএম

অ্যান্ড্রয়েড ১৭ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারীর অনলাইন গোপনীয়তা ও নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন বেশ কিছু সুবিধা যুক্ত করেছে গুগল। এর মধ্যে রয়েছে এনক্রিপ্টেড ক্লায়েন্ট হ্যালো (ইসিএইচ), স্থানীয় নেটওয়ার্ক সুরক্ষা, সার্টিফিকেট ট্রান্সপারেন্সি ও মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে ডিফল্টভাবে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখার সুবিধা। গত বৃহস্পতিবার এসব সুবিধার ঘোষণা দিয়েছে গুগল।


নতুন সুবিধাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো এনক্রিপ্টেড ক্লায়েন্ট হ্যালো বা ইসিএইচ। এই প্রযুক্তি ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট সংযোগের গোপনীয়তা বাড়াবে। বিশেষ করে ব্যবহারকারী কোন ওয়েবসাইটে যাচ্ছেন, সেই তথ্য নেটওয়ার্ক পর্যায় থেকে আড়াল করতে ইসিএইচ কাজ করবে। ফলে ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বা নেটওয়ার্কে নজরদারি করা কেউ সহজে জানতে পারবেন না, ব্যবহারকারী কোন ওয়েবসাইট বা অ্যাপে প্রবেশ করছেন। 


গুগলের ব্রাম বনে ও শুয়াইবো হুয়াং বলেন, ইসিএইচ ব্যক্তিগত ডিএনএসের সঙ্গে সমন্বয় করে ব্যবহারকারী কোন ডোমেইনে যাচ্ছেন, সেই তথ্যও গোপন রাখবে। এর ফলে ব্যবহারকারীর অনলাইন কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে তার সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ বা একটি নির্দিষ্ট প্রোফাইল তৈরি করা কঠিন হবে। ওয়েবসাইটের নাম সংযোগের শুরুতেই এনক্রিপ্ট করা থাকায় ইসিএইচ সমর্থনকারী ওয়েবসাইট ও অ্যাপের ক্ষেত্রে নেটওয়ার্ক সেবাদাতা বা অন্য কোনো নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষক সহজে ব্যবহারকারীর গন্তব্য শনাক্ত করতে পারবেন না। 


গুগলের জিগস বিভাগের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসিএইচ একটি গোপন এনক্রিপশন কি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটের ডোমেইন নাম আড়াল করে। এই তথ্য শুধু সংশ্লিষ্ট গন্তব্যের ওয়েবসাইটই উন্মুক্ত করতে পারে। তবে এখনো সব ওয়েবসাইটের সার্ভারে ইসিএইচ সমর্থন চালু হয়নি।


ইসিএইচ সমর্থন করে না, এমন ওয়েবসাইটের কারণে যাতে ব্যবহারকারীর সংযোগ আলাদাভাবে শনাক্ত করা না যায়, সে জন্য অ্যান্ড্রয়েড ১৭–এ ইসিএইচ গ্রিজের সুবিধা ডিফল্টভাবে চালু থাকবে। এই সুবিধা ইসিএইচ সমর্থন না করা ওয়েবসাইটেও এলোমেলো ও ভুয়া ইসিএইচ তথ্য পাঠাবে। ফলে নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ করে কোন সংযোগ ইসিএইচ সুরক্ষা ব্যবহার করছে আর কোনটি করছে না, তা আলাদা করা কঠিন হবে। ইসিএইচ প্রযুক্তি একেবারে নতুন নয়। গুগল ক্রোমের ১১৭ সংস্করণ ও মজিলা ফায়ারফক্সের ১১৮ সংস্করণে এরই মধ্যে এই সুবিধা যুক্ত হয়েছে। 


তবে অ্যান্ড্রয়েড ১৭–এ ইসিএইচের সুরক্ষা শুধু নির্দিষ্ট ব্রাউজারে সীমাবদ্ধ থাকছে না। পুরো অপারেটিং সিস্টেমে এই প্রযুক্তির ব্যবহার সম্প্রসারিত হচ্ছে।


অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ নির্মাতারাও ইসিএইচের সুবিধা কাজে লাগাতে পারবেন। গুগলের ওপেন সোর্স এইচটিটিপি ও এইচটিটিপি/২ ক্লায়েন্ট ওকেএইচটিটিপির মূল লাইব্রেরিতে ইসিএইচ সমর্থন যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ নির্মাতারা তাদের তৈরি অ্যাপের নেটওয়ার্ক সংযোগেও এই নিরাপত্তার সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন। অ্যান্ড্রয়েড ১৭–এ লোকাল নেটওয়ার্কের নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে। কোনো অ্যাপ লোকাল নেটওয়ার্কে থাকা অন্য ডিভাইস খুঁজতে বা সেগুলোর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করতে চাইলে এখন ব্যবহারকারীর অনুমতি নিতে হবে। ফলে একই ওয়াই–ফাই নেটওয়ার্কে থাকা স্মার্টফোন, কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিভাইসের সঙ্গে অ্যাপের অননুমোদিত সংযোগের ঝুঁকি কমবে।


এ ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ১৭–এ সার্টিফিকেট ট্রান্সপারেন্সি বা সিটি সুবিধা ডিফল্টভাবে চালু থাকবে। এই ব্যবস্থায় ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা সনদ প্রকাশ্য নিবন্ধনে নথিভুক্ত হয়েছে কি না, তা যাচাই করা যায়। এর ফলে ভুয়া বা অননুমোদিত নিরাপত্তা সনদ ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর ইন্টারনেট সংযোগে আড়ি পাতার চেষ্টা শনাক্ত করা সহজ হবে।


মোবাইল নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা বাড়াতেও নতুন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। মোবাইল অপারেটররা চাইলে গ্রাহকদের জন্য ডিফল্টভাবে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ রাখতে পারবে। এতে আধুনিক নেটওয়ার্ক থেকে পুরোনো ২জি নেটওয়ার্কে জোর করে সংযোগ নামিয়ে আনার মাধ্যমে চালানো ‘ডাউনগ্রেড’ হামলার ঝুঁকি কমবে। পাশাপাশি ভুয়া মোবাইল টাওয়ার বা ‘এসএমএস ব্লাস্টার’ ব্যবহার করে কাছাকাছি থাকা ডিভাইসে ক্ষতিকর খুদে বার্তা পাঠানো কিংবা তথ্য সংগ্রহের সুযোগও কমবে। ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার সুবিধা অ্যান্ড্রয়েডে আগেও ছিল। অ্যান্ড্রয়েড ১২ থেকেই ব্যবহারকারীরা চাইলে ফোনের হার্ডওয়্যার পর্যায়ে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করতে পারেন। অ্যান্ড্রয়েড ১৪–এ এই ব্যবস্থাপনার আওতায় থাকা ডিভাইসে ২জি নেটওয়ার্ক বন্ধ করার সুযোগ দেওয়া হয় তথ্যপ্রযুক্তি প্রশাসকদের। 


তবে অ্যান্ড্রয়েড ১৭–এর নতুন ব্যবস্থাটি আরও স্বয়ংক্রিয়। যেসব মোবাইল অপারেটর এই সুবিধা চালু করবে, তাদের গ্রাহকদের ডিভাইসে ২জি নেটওয়ার্ক ডিফল্টভাবে বন্ধ থাকবে। ফলে ব্যবহারকারীকে নিজে থেকে কোনো সেটিংস পরিবর্তন করতে হবে না। গুগলের মতে, এই ব্যবস্থা পুরোনো ২জি নেটওয়ার্কের নিরাপত্তাঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি এসএমএস ব্লাস্টারের মতো হামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল প্রতিরোধে সহায়তা করবে।


সূত্র: দ্য হ্যাকারনিউজ

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শনিবার ২৯ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:৪৫ পিএম

দোকানে পেমেন্ট, রেস্তোরাঁর মেনু দেখা, ওয়েবসাইট খোলা কিংবা কোনো পণ্যের বিস্তারিত তথ্য জানা প্রতিদিনের নানা কাজে কিউআর কোড এখন আমাদের সঙ্গী। ফোনের ক্যামেরা দিয়ে কয়েক মুহূর্ত স্ক্যান করলেই প্রয়োজনীয় তথ্য সামনে চলে আসে। দেখতে অবশ্য মনে হয়, ছোট ছোট কালো-সাদা ঘরের সমষ্টি। কিন্তু এই সামান্য জায়গার মধ্যেই কীভাবে এত তথ্য রাখা সম্ভব? এর পেছনে রয়েছে বেশ চমকপ্রদ একটি ডিজিটাল প্রযুক্তি।


কিউআর কোড কী?

কিউআর কোডের পূর্ণরূপ কুইক রেসপন্স কোড। এটি মূলত দ্বিমাত্রিক বা ২ডি বারকোডের একটি ধরন। প্রচলিত বারকোডে যেখানে মূলত একদিকে তথ্য সাজানো হয়, কিউআর কোডে তথ্য দুই দিকেই আড়াআড়ি ও লম্বালম্বিভাবে সংরক্ষণ করা যায়। এই কারণেই একই জায়গার মধ্যে সাধারণ বারকোডের তুলনায় অনেক বেশি ডেটা রাখা সম্ভব হয়। কিউআর কোডের কালো ও সাদা ছোট ছোট ঘরগুলোকে বলা হয় মডিউল। এই মডিউলগুলোর নির্দিষ্ট বিন্যাসের মধ্যেই ডিজিটাল তথ্য প্রকাশ পায়।


কোডের প্রতিটি অংশের রয়েছে আলাদা কাজ

কিউআর কোডের পুরো নকশাটি এলোমেলো নয়। এর বিভিন্ন অংশ স্ক্যান করার সময় আলাদা আলাদা ভূমিকা পালন করে।কোডের তিনটি কোণে থাকা বড় বর্গাকার চিহ্নগুলোকে বলা হয় পজিশন মার্কার। স্মার্টফোনের ক্যামেরা বা স্ক্যানার এই চিহ্নগুলোর সাহায্যে কিউআর কোডের অবস্থান ও দিক শনাক্ত করতে পারে। ফলে কোডটি উল্টো, বাঁকা কিংবা কিছুটা কাত হয়ে থাকলেও সেটিকে সঠিকভাবে পড়া সম্ভব হয়।


এছাড়া রয়েছে টাইমিং প্যাটার্ন, যা কিউআর কোডের ছোট মডিউলগুলোর অবস্থান এবং তাদের মধ্যকার বিন্যাস বুঝতে স্ক্যানারকে সহায়তা করে। আর যে অংশটিতে মূল তথ্য সংরক্ষিত থাকে সেটি হলো ডাটা এরিয়া। কোনো ওয়েবসাইটের লিংক, লেখা, পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য কিংবা অন্য কোনো ডিজিটাল ডাটা এখানে রাখা যেতে পারে।


কালো-সাদা ঘরে কীভাবে তথ্য ঢোকে?

এখানেই রয়েছে কিউআর কোডের আসল প্রযুক্তি। কোনো লেখা বা লিংককে সরাসরি ছোট ছোট কালো-সাদা ঘরে বসিয়ে দেওয়া হয় না। প্রথমে সেই তথ্যকে নির্দিষ্ট ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করা হয়। কম্পিউটার ডাটাকে মূলত বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ০ এবং ১ হিসেবে প্রক্রিয়া করে। কিউআর কোড তৈরির সময় এই ডেটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজিয়ে কালো ও সাদা মডিউলের প্যাটার্নে রূপ দেওয়া হয়। অর্থাৎ, চোখে যে অসংখ্য ছোট বক্স দেখা যায়, সেগুলো আসলে ডিজিটাল তথ্যের একটি বিশেষ সাংকেতিক বিন্যাস।


ফোন কীভাবে কিউআর কোড পড়ে?

স্মার্টফোন দিয়ে কিউআর কোড স্ক্যান করার সময় ক্যামেরা প্রথমে পুরো কোডটির ছবি নেয়। এরপর সফটওয়্যার কোডের বিভিন্ন চিহ্ন শনাক্ত করে তার অবস্থান, দিক এবং মডিউলের বিন্যাস বিশ্লেষণ করে। এরপর কালো-সাদা প্যাটার্ন থেকে বাইনারি ডেটা উদ্ধার করা হয়। সেই ডেটাকে আবার ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপান্তর করে ফোনের স্ক্রিনে দেখানো হয়। তাই একটি কিউআর কোড স্ক্যান করে ওয়েবসাইট খুলে গেলে আসলে কয়েকটি ধাপে কাজটি সম্পন্ন হয় ক্যামেরায় কোড ধরা, প্যাটার্ন শনাক্ত করা, ডেটা ডিকোড করা এবং শেষ পর্যন্ত সেই তথ্য ব্যবহারকারীর সামনে তুলে ধরা।


কোডের কিছু অংশ নষ্ট হলেও কেন কাজ করে?

কিউআর কোডের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো ইরোর কারেকশন। এর ফলে কোডের একটি অংশ দাগ পড়ে গেলে, ছিঁড়ে গেলে বা সামান্য ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অনেক ক্ষেত্রে সেটি স্ক্যান করা সম্ভব হয়। কিউআর কোড তৈরির সময় মূল ডাটার পাশাপাশি কিছু অতিরিক্ত তথ্যও রাখা হয়। স্ক্যান করার সময় কোডের কোনো অংশ থেকে তথ্য পাওয়া না গেলে এই অতিরিক্ত ডাটার সাহায্যে হারানো অংশ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করা যায়। তবে কতটা ক্ষতি হলেও কিউআর কোড কাজ করবে, তা নির্ভর করে ব্যবহৃত ইরোর কারেকশনের মাত্রার ওপর।


কতটা তথ্য রাখা যায়?

কিউআর কোডের ধারণক্ষমতা নির্দিষ্ট একটি সংখ্যায় সীমাবদ্ধ নয়। কোডের আকার, ডাটার ধরন এবং ব্যবহৃত সেটিংসের ওপর এর ধারণক্ষমতা নির্ভর করে। সর্বোচ্চ আকারের কিউআর কোডে প্রায় ৭ হাজার সংখ্যাসূচক অক্ষর রাখা সম্ভব। আর অক্ষর, সংখ্যা ও বিভিন্ন চিহ্নের সমন্বয়ে প্রায় ৪ হাজারের কাছাকাছি ক্যারেক্টার সংরক্ষণ করা যায়। তবে ডাটার পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিউআর কোডের আকারও বড় এবং প্যাটার্ন আরও ঘন হয়ে যায়।


কোথায় কোথায় ব্যবহার হয়?

বর্তমানে কিউআর কোডের ব্যবহার শুধু ওয়েবসাইটের লিংকে সীমাবদ্ধ নেই। ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। দোকান বা রেস্তোরাঁয় পেমেন্টের পাশাপাশি খাবারের মেনু দেখতেও কিউআর কোড দেখা যায়।


এ ছাড়া পণ্যের প্যাকেট, বিজনেস কার্ড, পোস্টার, ব্রোশিওর, ইভেন্টের টিকিট এবং বিভিন্ন প্রচারমূলক উপকরণেও এটি ব্যবহার করা হয়। কোনো ভিডিও, ওয়েবপেজ বা অনলাইন পরিষেবায় দ্রুত পৌঁছানোর মাধ্যম হিসেবেও কিউআর কোড বেশ কার্যকর।


এমনকি ওয়াই-ফাইয়ের নাম ও পাসওয়ার্ড শেয়ার করার ক্ষেত্রেও কিউআর কোড ব্যবহার করা যায়। ফলে একটি ছোট্ট কালো-সাদা নকশা দেখতে সাধারণ মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে তথ্যকে সংকেত আকারে সাজানো এবং মুহূর্তে তা পড়ে ফেলার বেশ উন্নত প্রযুক্তি।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৭:৩১ পিএম

শিশুদের খুব কম বয়সে স্মার্টফোন বা অন্যান্য ক্রিনযুক্ত যন্ত্র ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া উচিত কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে। 


ফ্রান্সের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথ অ্যান্ড মেডিকেল রিসার্চ (ইনসার্ম) এবং সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নতুন এক গবেষণায় বলা হয়েছে, শৈশবের নির্দিষ্ট সময়ে বেশি স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব পরবর্তী জীবনেও থাকতে পারে। এর সঙ্গে শিশুদের পড়াশোনার ফলাফল খারাপ হওয়া এবং স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়ার সম্পর্কও পাওয়া গেছে। গবেষণার ফলাফল ‘ওয়ার্ল্ড জার্নাল অব পেডিয়াট্রিকস’ সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।


সিঙ্গাপুরের ৫০২ শিশুর ওপর পরিচালিত এ গবেষণায় শিশুদের বিভিন্ন বয়সে স্ক্রিন ব্যবহারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, শিশুদের জীবনের একেবারে শুরুর দিকে, বিশেষ করে এক বছর বয়সে, বেশি সময় স্ক্রিনের সামনে কাটানোর সঙ্গে পরবর্তী সময়ে তুলনামূলক খারাপ পড়াশোনার ফলাফল এবং দুর্বল কার্যকর স্মৃতিশক্তির সম্পর্ক রয়েছে। প্রায় ছয় বছর বয়সে বেশি স্ক্রিন ব্যবহারের সঙ্গেও একই ধরনের নেতিবাচক ফলাফলের সম্পর্ক পাওয়া গেছে।


গবেষকদের তথ্যমতে, শিশুদের জীবনের প্রথম কয়েক বছর এবং স্কুলে যাওয়ার শুরুর সময় স্ক্রিন ব্যবহারের প্রভাব বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। এই সময়ে অতিরিক্ত স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুর স্বাভাবিক শেখা ও বিকাশের জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রমের সময় কমে যায়। ফলে বেশি স্ক্রিন ব্যবহারের কারণে শিশুরা খেলাধুলা, বই পড়া এবং মা-বাবার সঙ্গে সরাসরি সময় কাটানোর জন্য কম সময় পায়। অথচ শিশুর শেখা, চিন্তাশক্তি ও মানসিক বিকাশে এসব কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তবে শুধু স্ক্রিনের সামনে কাটানো সময়ই শিশুর বিকাশে প্রভাব ফেলে না। শিশু স্ক্রিনে কী দেখছে, কতক্ষণ দেখছে এবং স্ক্রিন ব্যবহারের সময় মা-বাবা বা অন্য কোনো অভিভাবক তার সঙ্গে যুক্ত থাকছেন কি না, সেসব বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।


শিশুদের ভাষা বিকাশের সঙ্গে স্ক্রিন ব্যবহারের সম্পর্ক নিয়ে আগেও বিভিন্ন গবেষণায় উদ্বেগ জানানো হয়েছে।। ২০২০ সালে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ক্যালগারির শেরি ম্যাডিগানের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণায় দেখা যায়, যেসব শিশু বেশি সময় স্ক্রিন ব্যবহার করে, তাদের ভাষাগত দক্ষতা তুলনামূলকভাবে দুর্বল হওয়ার প্রবণতা থাকে।

সর্বশেষ সব খবর

পাসওয়ার্ড ছাড়াই অ্যাকাউন্ট সুরক্ষিত

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:০০ পিএম

অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য এতদিন মূল ভরসা ছিল পাসওয়ার্ড। তবে পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়া, অন্যের হাতে চলে যাওয়া কিংবা ফিশিংয়ের মাধ্যমে চুরি হওয়ার মতো ঝুঁকি রয়েছে। এসব সমস্যা কমাতেই জনপ্রিয় হচ্ছে পাসকী। পাসকী হলো পাসওয়ার্ডের বিকল্প একটি আধুনিক লগইন পদ্ধতি। এতে আলাদা কোনো জটিল পাসওয়ার্ড মনে রাখার দরকার হয় না। ব্যবহারকারীর স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করেই পরিচয় যাচাই করা যায়।


ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ফেস আনলক চালু থাকলে সেগুলো দিয়েই পাসকী ব্যবহার করে অ্যাকাউন্টে ঢোকা সম্ভব। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে পিন বা অন্য কোনো ডিভাইস-ভিত্তিক নিরাপত্তা পদ্ধতি ব্যবহার করা যায়।


কেন পাসকী ব্যবহার করবেন?


পাসকীর অন্যতম সুবিধা হলো এটি সাধারণ পাসওয়ার্ডের মতো সহজে অন্যকে বলে দেওয়া বা কপি করে নেওয়া যায় না। ফলে পাসওয়ার্ড চুরি এবং ফিশিংয়ের মতো প্রতারণার ঝুঁকি কমানো সম্ভব। 


এছাড়া ব্যবহারকারীর ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা মুখের তথ্য সরাসরি ওয়েবসাইটে পাঠানো হয় না। বায়োমেট্রিক পরিচয় যাচাই সাধারণত সংশ্লিষ্ট ডিভাইসেই সম্পন্ন হয়। ফলে ব্যক্তিগত বায়োমেট্রিক তথ্য সুরক্ষিত রাখার ক্ষেত্রেও এটি বাড়তি সুবিধা দেয়।


পাসকী ব্যবহারের আগে যা প্রয়োজন


পাসকী চালু করার আগে আপনার ডিভাইস ও ব্রাউজার সেটি সমর্থন করে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে। সাধারণভাবে উইন্ডোজ ১০ বা পরবর্তী সংস্করণ, ম্যাকওএস ভেনচুরা বা পরবর্তী সংস্করণ এবং ক্রোমওএস ১০৯ বা নতুন সংস্করণের কম্পিউটারে পাসকী ব্যবহার করা যায়।


স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে অ্যান্ড্রয়েড ৯ বা পরবর্তী সংস্করণ এবং আইওএস ১৬ বা পরবর্তী সংস্করণ প্রয়োজন হতে পারে। পাশাপাশি ক্রোম, সাফারি, এডজ বা ফায়ারফক্সের মতো সমর্থিত আধুনিক ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে। ডিভাইসে স্ক্রিন লক চালু থাকা জরুরি। ফোনের পাসকী ব্যবহার করে কম্পিউটারে লগইন করতে চাইলে দুই ডিভাইসে ব্লুটুথ চালু রাখতে হতে পারে। অ্যাপল ডিভাইসে আইক্লাউড কীচেইন সক্রিয় থাকাও প্রয়োজন।


গুগল অ্যাকাউন্টে পাসকী তৈরি করবেন যেভাবে


গুগল অ্যাকাউন্টে পাসকী তৈরির জন্য প্রথমে অ্যাকাউন্টের সেটিংসে প্রবেশ করুন। এরপর সিকিউরিটি বিভাগ থেকে পাসকীস অপশন নির্বাচন করুন। সেখানে গিয়ে ক্রিয়েট অ্যা পাসকীতে ক্লিক করুন। নিরাপত্তার জন্য বর্তমান পাসওয়ার্ড দিয়ে পরিচয় নিশ্চিত করতে হতে পারে। এরপর ফোন বা কম্পিউটারের ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আনলক কিংবা পিন-এর সঙ্গে পাসকী যুক্ত করে সেটআপ শেষ করুন।


পাসকী দিয়ে লগইন করবেন কীভাবে?


কোনো সমর্থিত অ্যাকাউন্টের সাইন-ইন পেজে গিয়ে প্রথমে ইউজারনেম বা ই-মেইল লিখুন। এরপর পাসকী দিয়ে লগইন করার অপশন নির্বাচন করুন। এবার ফোন বা কম্পিউটারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যবহার করে পরিচয় নিশ্চিত করতে হবে। ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আনলক কিংবা পিন দিয়ে যাচাই সফল হলেই অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যাবে।


ফোনের পাসকী দিয়ে কম্পিউটারে লগইন


কম্পিউটারে থাকা কোনো অ্যাকাউন্টে ফোনের পাসকী ব্যবহার করেও প্রবেশ করা যায়। এজন্য সাইন-ইন পেজ থেকে ট্রাই অ্যানাদার ওয়ে নির্বাচন করে ইউজ ইওর পাসকী অপশনে যেতে হবে। এরপর কম্পিউটারের স্ক্রিনে কিউআর কোড দেখা গেলে ফোনের ক্যামেরা দিয়ে সেটি স্ক্যান করুন। ফোনে ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফেস আনলক কিংবা পিন দিয়ে পরিচয় যাচাই করলেই কম্পিউটারে লগইন সম্পন্ন হবে।


পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা কমানোর পাশাপাশি ফিশিং ও পাসওয়ার্ড চুরির ঝুঁকি কমাতে পাসকী গুরুত্বপূর্ণ একটি বিকল্প হয়ে উঠছে। তবে ডিভাইসের স্ক্রিন লক এবং অ্যাকাউন্টের রিকভারি তথ্যও নিরাপদ রাখা জরুরি।

সর্বশেষ সব খবর

১ সেপ্টেম্বর দীর্ঘদিনের সিইও টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব তুলে নিচ্ছেন টার্নাস। ছবি: রয়টার্স

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১:৫৫ পিএম

নতুন সিইও জন টার্নাসের নেতৃত্বে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে অ্যাপলের বহুল প্রতীক্ষিত আইফোন ইভেন্ট। প্রযুক্তি সংবাদের সাইট এনগ্যাজেট প্রতিবেদনে লিখেছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ও সম্ভাব্য ফোল্ডএবল মডেলকে কেন্দ্র করে আয়োজিত ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ নামের ইভেন্টেই উন্মোচিত হতে পারে পরবর্তী প্রজন্মের আইফোন ১৮ সিরিজ।


বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় (ইস্টার্ন টাইম দুপুর ১টা) অ্যাপলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ইউটিউব চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে আয়োজনটি।


আসন্ন এই শরতের ইভেন্ট ঘিরে সবচেয়ে বড় গুঞ্জন হচ্ছে একটি ‘ফোল্ডএবল’ বা ভাঁজ করা যায় এমন আইফোন মডেল। অ্যাপল তাদের ‘আইওএস ২৭’-এর কোডে বেশ কিছুদিন ধরেই এ ধরনের ডিভাইসের সুবিধা যোগের কাজ কছে।


ধারণা করা হচ্ছে, ডিভাইসটির নাম হবে ‘আইফোন আল্ট্রা’, যা পকেটেও রাখা যাবে আবার ভাঁজ খুললে ‘আইপ্যাড মিনি’র মতো ট্যাবলেটের অভিজ্ঞতা দেবে।


এ বছর ‘আইফোন ১৮’ সিরিজ প্রকাশে কিছু নতুন কৌশল নিতে পারে অ্যাপল। আগামী মাসে ‘আইফোন আল্ট্রা’র পাশাপাশি ‘আইফোন ১৮ প্রো’ মডেলগুলো উন্মোচিত হতে পারে। অন্যদিকে, সাশ্রয়ী ‘আইফোন এয়ার ২’, ‘আইফোন ১৮ই’ ও মূল ‘আইফোন ১৮’ মডেলগুলোর জন্য ২০২৭ সালের বসন্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে গ্রাহকদের।


অ্যাপল তাদের নতুন ডিভাইসগুলোর মূল কেন্দ্রে এআইকে রাখছে এবং আসন্ন ইভেন্টে এটাই কোম্পানিটির আলোচনার প্রধান বিষয় হতে যাচ্ছে। জুনে অনুষ্ঠিত ডব্লিউডব্লিউডিসি কি-নোটের প্রচলিত ধারায় অ্যাপলের পরিবর্তনের বিষয়টি কোনো আকস্মিক সিদ্ধান্ত ছিল না।


প্রতিটি অপারেটিং সিস্টেমের জন্য আলাদা ফিচারের দিকে নজর না দিয়ে অ্যাপল দীর্ঘ প্রতীক্ষিত সিরি রিভ্যাম্প ‘সিরি এআই’ ও ‘অ্যাপল ইন্টেলিজেন্স’কে ঘিরে সমন্বিত ও ক্রস-প্ল্যাটফর্ম ইকোসিস্টেম গড়ে তোলার রূপরেখা তুলে ধরেছিল।


বিভিন্ন প্রতিবেদনের তথ্য অনুসারে, সিরি এআইকেন্দ্রিক এ ইকোসিস্টেমের সঙ্গে যোগ একঝাঁক নতুন ডিভাইস আনার পরিকল্পনা করছে অ্যাপল।


এর মধ্যে রয়েছে নতুন আইপ্যাড, হোমপড মিনি ও অ্যাপল টিভি বক্সের আপগ্রেডেড সংস্করণ ও ঘরের সংযোগ অন্যান্য ডিভাইস নিয়ন্ত্রণের জন্য ‘স্মার্ট ডিসপ্লে’।


অ্যাপলের ইতিহাস বিবেচনা করা হলে এই ইভেন্টের মূল আকর্ষণ বরাবরের মতো নতুন আইফোনগুলোর ওপরই নিবদ্ধ থাকবে। এ আইফোন ইভেন্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে অ্যাপলের নতুন সিইও জন টার্নাসের নেতৃত্বে প্রথম কোনো বড় উন্মোচন ইভেন্ট হতে যাচ্ছে।


আগামী ১ সেপ্টেম্বর দীর্ঘদিনের সিইও টিম কুকের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব তুলে নিচ্ছেন টার্নাস।

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৫৩ পিএম

শিক্ষার্থীদের এক বছরের জন্য বিনা মূল্যে গুগল এআই প্রো ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এই সুবিধা পেতে শিক্ষার্থী হওয়ার প্রমাণ দিতে হবে। ‘ব্যাক টু স্কুল’ প্রোগ্রামের আওতায় এ বিশেষ সুবিধা বিশ্বব্যাপী উন্মুক্ত করেছে গুগল। অফারের অধীনে এক বছরের জন্য শিক্ষার্থীরা গুগলের জেমিনাই ব্যবহারের সুবিধা পাবেন। জেমিনাইতে স্বাভাবিকের চেয়ে দ্বিগুণ ব্যবহারের সীমা এবং ৪০০ জিবি ফ্রি ক্লাউড স্টোরেজসহ আরও কিছু নতুন সুবিধা পাবেন শিক্ষার্থীরা।


এ বিশেষ সুবিধা কে কে পাবেন


বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা অফারটি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পাবেন। তবে সে জন্য তাঁদের কাছে থাকতে হবে নিজস্ব জিমেইল অ্যাকাউন্ট, দেশের স্বীকৃত কোনো একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রমাণপত্র। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক প্রদত্ত পরিচয়পত্র দরকার হবে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের ওপরে হতে হবে।


প্রথমে ব্রাউজারে ব্যক্তিগত জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করে ‘Google One Student Page’-এ যান। এরপর ‘Get Student Offer’ বাটনে ক্লিক করতে হবে। দেশের নাম Bangladesh সিলেক্ট করে নিজের বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম ও নিজের নাম লিখতে হবে শিক্ষার্থীদের।


এরপর নানা তথ্য চাইবে গুগল। সেগুলো পূরণ করতে হবে।


পড়াশোনায় জেমিনাইয়ের নতুন সুবিধা


শুধু সাবস্ক্রিপশন বিনা মূল্যে দেওয়াই নয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার কাজে জেমিনাইকে আরও কার্যকর করে তুলতে নতুন কিছু সুবিধাও যুক্ত করেছে গুগল। স্টুডেন্ট হাবের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের ক্লাসের নোট ও সিলেবাস আপলোড করতে পারবেন। এরপর জেমিনাই এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে তৈরি করতে পারবে ব্যক্তিগত পড়ার নোট, ছোট ছোট শিক্ষামূলক পাঠ ও কুইজ।


এমনকি শিক্ষার্থীর পড়াশোনার অগ্রগতিও পর্যবেক্ষণ করতে পারবে এই এআই (কৃত্রিম বুদ্ধমত্তা) ব্যবস্থা। ভিজ্যুয়াল মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুবিধা আনছে জেমিনাই। এটি জটিল বিষয় বোঝাতে ইন্টারঅ্যাকটিভ ভিজ্যুয়ালাইজেশন, ত্রিমাত্রিক সিমুলেশন এবং তথ্যের টেবিল তৈরি করতে পারবে। ফলে বিজ্ঞান, গণিত বা অন্য কোনো জটিল বিষয় বোঝার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীরা আরও সহজে ধারণা নিতে পারবেন। এ ছাড়া জেমিনাই লাইভের সঙ্গে ডিপ রিসার্চ সুবিধাও যুক্ত করা হচ্ছে।


গুগলের এই শিক্ষার্থী অফার ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত গ্রহণ করা যাবে। তাই যাঁরা যোগ্য শিক্ষার্থী, তাঁরা সময়সীমার আগেই অফারটি যাচাই করে নেওয়ার সুযোগ নিতে পারেন।

বিষয় : গুগল এআই

সর্বশেষ সব খবর