ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে স্পাতে চলছে বিশেষ ওয়েলনেস অফার

  • প্রকাশ : বুধবার ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৫:১৯ এএম

শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তির সমন্বয়ে পরিপূর্ণ ওয়েলনেস অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট উপস্থাপন করছে ডিআর ফিটনেস ও স্পা-তে বিশেষ ওয়েলনেস অফার। এই সীমিত সময়ের অফারে, নিয়মিত অতিথিরা ডিআর ফিটনেস মেম্বারশিপে পাচ্ছেন ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বিশেষ ছাড়।


ডিআর ফিটনেসে চলছে বিশেষ ওয়েলনেস অফার


অন্যদিকে ঢাকা রিজেন্সি প্রিমিয়ার ক্লাব সদস্যদের জন্য রয়েছে এক্সক্লুসিভ ৬০ শতাংশ ছাড়, যা সুস্থ জীবনযাত্রাকে করে তুলছে আরও সহজ ও আকর্ষণীয়। এক্সপার্ট ট্রেইনার, অত্যাধুনিক ইকুইপমেন্ট আর আকর্ষণীয় পরিবেশে ডিআর ফিটনেস আপনাকে দিচ্ছে ইন্সপায়ারিং এক পরিবেশ।  


এছাড়া জুভেনেক্স স্পা অতিথিদের জন্য এনেছে স্পেশাল স্পা অফার। সকল অতিথির জন্য থাকছে ২৬ শতাংশ ছাড় এবং ঢাকা রিজেন্সি প্রিমিয়ার ক্লাব সদস্যদের জন্য ৪০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট। 


একক প্রশান্ত মুহূর্ত হোক কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে আরামদায়ক সময় কাটানো, সুইমিং পুল এনে দেবে স্বস্তির এক অনন্য অভিজ্ঞতা

প্রশান্ত পরিবেশে দক্ষ পেশাদারদের সেবায় উপভোগ করুন আরামদায়ক থেরাপি। ম্যাসাজ থেকে শুরু করে সতেজতা ফিরিয়ে আনা বিভিন্ন রিভাইটালাইজিং ট্রিটমেন্ট—জুভেনেক্স স্পা প্রতিদিনের ব্যস্ততা থেকে মুক্তির এক নিখুঁত আশ্রয়। 


দেশের সবচেয়ে সুন্দর রুফটপ গার্ডেন গ্রিল অন দ্য স্কাইলাইন-এর পাশেই অবস্থিত ঢাকা রিজেন্সির এই সুইমিং পুল, যা আপনাকে প্রকৃতির সঙ্গে একান্ত মুহূর্ত উপভোগের সুযোগ দেবে। অতিথিদের জন্য রয়েছে সুইমিং পুল ব্যবহারে বিশেষ মূল্য সুবিধা, যেখানে সিঙ্গেল মাত্র ১৯৯৯ টাকা এবং  কাপল প্যাকেজ মাত্র ২৯৯৯ টাকা, উভয়ের জন্যই থাকছে আকর্ষণীয় রেট। একক প্রশান্ত মুহূর্ত হোক কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে আরামদায়ক সময় কাটানো, সুইমিং পুল এনে দেবে স্বস্তির এক অনন্য অভিজ্ঞতা। 


সুস্থ, সক্রিয় ও ব্যালান্সড লাইফস্টাইলের প্রতি ঢাকা রিজেন্সি অঙ্গীকারাবদ্ধ 


আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, পেশাদার প্রশিক্ষক ও শান্ত পরিবেশে ডিআর ফিটনেস ও স্পা, ঢাকা রিজেন্সি নগরজীবনে সুস্থতা ও আরামের এক নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। এই ওয়েলনেস অফার সুস্থ, সক্রিয় ও ব্যালান্সড লাইফস্টাইলের প্রতি ঢাকা রিজেন্সির অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন।


মানসিক প্রশান্তির সমন্বয়ে পরিপূর্ণ ওয়েলনেস অভিজ্ঞতা নিয়ে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট উপস্থাপন করছে স্পাতে বিশেষ অফার


বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করা যাবে 01713332661 নম্বরে। অথবা https://www.facebook.com/share/1atnLUFZAo/ এই ঠিকানায় ভিজিট করে জানা যাবে।



সর্বশেষ সব খবর

শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৪ পিএম

শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির ফ্যাশন মানেই কখনো মায়াবী, কখনো গ্ল্যামারাস, আবার কখনো একেবারে সাহসী স্টাইল স্টেটমেন্ট। বয়স, সময় কিংবা জীবনের নানা বাঁকও তার ফ্যাশন সেন্সে কোনো নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারেনি। বরং প্রতিটি নতুন লুকেই নিজের আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতিকে আরও স্পষ্ট করে তুলছেন এই টালিউড অভিনেত্রী। সম্প্রতি জন্মদিনেও ইভিন্টের কয়েকটি ছবিতে তার সাজ-পোশাকও ভক্তদের নজর কেড়েছে।


জন্মদিনের পালনের ছবিতে নৌকার ওপর বসে শ্রাবন্তীকে দেখা গেছে হালকা পুদিনা সবুজ বা সি-গ্রিন রঙের শর্ট গাউনে। ওয়ান-শোল্ডার নেকলাইন পোশাকটিকে দিয়েছে আধুনিক ও গ্ল্যামারাস আবেদন।


এক পাশে ফুল-স্লিভ, অন্য পাশে উন্মুক্ত কাঁধের ডিজাইনের এই অসমতা লুকটিকে করেছে আরও আকর্ষণীয়। কোমরের কাছ থেকে নিচের অংশে থাকা স্লিট এবং সূক্ষ্ম স্বচ্ছ জালের ডিটেইলিং পোশাকটিকে দিয়েছে আরও গ্ল্যামারাস মাত্রা।


এই লুকে মেকআপও ছিল পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। চোখে হালকা কাজল ও আইলাইনার, গালে মৃদু ব্লাশ এবং মুখে সফট হাইলাইটারের ছোঁয়া তাঁর স্বাভাবিক সৌন্দর্যকে আরও উজ্জ্বল করেছে। ঠোঁটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক রেখে মেকআপে রাখা হয়েছে ন্যাচারাল ফিনিশ। অর্থাৎ গ্ল্যামার থাকলেও কোথাও বাড়াবাড়ি নেই।


চুলে ছিল হালকা ঢেউ। পেছনে বাঁধা চুলের কিছু অংশ ইচ্ছেমতো মুখের পাশে নেমে এসেছে, যা পুরো লুকে দিয়েছে এর ছোঁয়া। গয়নার ক্ষেত্রেও মিনিমালিজম বজায় রেখেছেন তিনি। ছোট ঝোলানো দুল, হাতে ব্রেসলেট ও আংটি- অল্প গয়নাতেই সাজটি সম্পূর্ণ করেছেন অভিনেত্রী।


অন্য এক ছবিতে একেবারেই ভিন্ন মুডে ধরা দিয়েছেন শ্রাবন্তী। পিংক রঙের ছিমছাম অথচ গ্ল্যামারাস টু-পিস কো-অর্ড সেটে। নরম গোলাপি রঙের পোশাকটি তার লুকে এনেছে এক ধরনের কোমল ও নারীত্বপূর্ণ আবহ।


কো-অর্ড সেটের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক ছিল এর সাদামাটা সিলুয়েটের মধ্যেও থাকা আধুনিকতার ছোঁয়া। শরীরের গড়নকে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা এই পোশাকের সঙ্গে খুব বেশি বাড়তি আয়োজনের প্রয়োজনও হয়নি।


লুকে শ্রাবন্তীর স্টাইল হয়ে উঠেছে আরও পরিশীলিত ও বোল্ড। অফ-শোল্ডার ড্র্যাপড র‍্যাপ টপের সঙ্গে জুড়েছেন হাই-ওয়েস্টেড পেন্সিল মিডি স্কার্ট। শরীরের গড়নকে অনুসরণ করা এই সিলুয়েট তার লুকে এনেছে আধুনিক ফ্যাশনের স্পষ্ট ছাপ।


পায়ে ন্যুড রঙের ওপেন-টো প্ল্যাটফর্ম হিল বেছে নিয়ে লুকটিকে আরও লম্বা ও এলিগ্যান্ট দেখিয়েছেন তিনি। গলায় লেয়ার্ড ডায়মন্ড নেকলেসের সঙ্গে পান্নার পেনডেন্ট ছিল সাজের অন্যতম আকর্ষণ। সঙ্গে মানানসই দুল ও ব্রেসলেট যোগ করেছে সূক্ষ্ম রাজকীয়তা।


শ্রাবন্তীর এই লুকগুলো যেন প্রমাণ করে, ফ্যাশনের আসল সৌন্দর্য বয়সে নয়, বরং নিজের স্টাইলকে কতটা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বহন করা যায় সেখানেই। 

সর্বশেষ সব খবর
  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ এএম


  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৩ পিএম

দাম্পত্য জীবনে সুখ ও স্থায়িত্বের জন্য স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান কত হওয়া উচিত—এ প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোনো উত্তর নেই। সমবয়সী দম্পতি যেমন সুখী সংসার করতে পারেন, তেমনি এক বা দেড় দশকের বয়সের ব্যবধান থাকা দম্পতিরাও দীর্ঘদিন ভালোভাবে সংসার করছেন। আবার বয়সের ব্যবধান কম হলেও অনেক সম্পর্কে দেখা দিতে পারে নানা জটিলতা।


বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সফল দাম্পত্যের মূল ভিত্তি বয়সের ব্যবধান নয়; বরং পারস্পরিক শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, বোঝাপড়া, মানসিক পরিপক্বতা ও খোলামেলা যোগাযোগ। তবে বয়সের ব্যবধানের ওপর ভিত্তি করে সম্পর্কের কিছু বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য দেখা যেতে পারে।


৫ থেকে ৭ বছরের ব্যবধান


বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ৫ থেকে ৭ বছরের বয়সের ব্যবধান থাকলে অনেক ক্ষেত্রে মানসিক পরিপক্বতা ও পারস্পরিক বোঝাপড়ার মধ্যে ভালো ভারসাম্য তৈরি হতে পারে। এতে মতবিরোধ সামাল দেওয়া তুলনামূলক সহজ হতে পারে। তবে এটিকে কোনোভাবেই সুখী দাম্পত্যের নিশ্চয়তা হিসেবে দেখা যায় না।


১০ বছরের ব্যবধান


১০ বছরের বয়সের ব্যবধানও একটি সম্পর্কে বাধা হয়ে দাঁড়ায় না, যদি দুজনের মূল্যবোধ, জীবনযাপনের ধরন ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় মিল থাকে। তবে বয়সে বড় সঙ্গীর একক কর্তৃত্ব যেন সম্পর্কে তৈরি না হয়, সেদিকে নজর রাখা গুরুত্বপূর্ণ।


২০ বছর বা তার বেশি ব্যবধান


বয়সের ব্যবধান ২০ বছর বা তার বেশি হলে জীবনধারা, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি কিংবা সন্তান নেওয়ার সময় নিয়ে মতপার্থক্যের সম্ভাবনা বাড়তে পারে। তবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও বোঝাপড়া থাকলে এমন সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।


গবেষণায় কী পাওয়া গেছে?


২০১৭ সালের একটি অস্ট্রেলীয় গবেষণায় দেখা যায়, যেসব দম্পতির বয়সের ব্যবধান ১ থেকে ৩ বছর এবং পুরুষ সঙ্গী বয়সে বড়, তাদের সম্পর্কের সন্তুষ্টির মাত্রা তুলনামূলক বেশি ছিল। একই গবেষণায় দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের ক্ষেত্রে বয়সের ব্যবধানের সঙ্গে সন্তুষ্টির পরিবর্তনের বিষয়টিও উঠে আসে।


তবে গবেষণার কোনো ফলাফলকেই সবার জন্য প্রযোজ্য চূড়ান্ত নিয়ম হিসেবে দেখা যায় না। কারণ একটি দাম্পত্য সম্পর্কের সাফল্যের পেছনে ব্যক্তিত্ব, আর্থিক স্থিতিশীলতা, পারিবারিক পরিবেশ, মূল্যবোধ ও পারস্পরিক যোগাযোগের মতো বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।


সন্তান নেওয়ার ক্ষেত্রে বয়স গুরুত্বপূর্ণ


দাম্পত্যের বয়সের ব্যবধানের চেয়ে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনায় স্বামী-স্ত্রীর বয়স বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে নারীর ক্ষেত্রে বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রজননক্ষমতা কমে যায়। পুরুষের ক্ষেত্রেও বয়স বাড়ার সঙ্গে শুক্রাণুর মান ও প্রজনন সক্ষমতায় পরিবর্তন আসতে পারে।


তাই সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে শুধু বয়সের ব্যবধান নয়, উভয়ের বয়স, স্বাস্থ্য, প্রজননক্ষমতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।


উল্লেখ্য, স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধানের কোনো ‘আদর্শ সংখ্যা’ নেই। ২ বছর, ৫ বছর কিংবা ১৫ বছরের ব্যবধান—কোনোটিই একা একটি দাম্পত্যকে সুখী বা অসুখী করে না। বরং পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস, দায়িত্ববোধ, মানসিক সামঞ্জস্য এবং কঠিন সময়ে একে অপরের পাশে থাকার মানসিকতাই সম্পর্কের স্থায়িত্বে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে

সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৭ এএম

ব্যস্ত জীবনে খাবার গরম করতে অনেকেই মাইক্রোওয়েভের উপর নির্ভর করেন। এতে খাবার গরম করতে ২-৩ মিনিটের বেশি সময় লাগে না। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, সব ধরনের খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়। কারণ এমন কিছু খাবার আছে, যা মাইক্রোওয়েভে গরম করার পরে বিষাক্ত হয়ে ওঠে। আবার কিছু খাবারের স্বাদ, গঠন ও টেক্সচার বদলে যায়। কোন খাবার মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয় তা জেনে নিন-


খোসাসহ ডিম


মাইক্রোওয়েভে ডিম সিদ্ধ করা ঠিক নয়। ডিমের ভিতরের জলীয় বাংশ বাষ্পীভূত হয়ে ভিতরেই তীব্র চাপ তৈরি করে। সিদ্ধের পরে ডিমের খোসা ছাড়ানো পরে সমস্যা হতে পারে। এ কারণে মাইক্রোওয়েভেই ডিম সিদ্ধ করতে চাইলে উপরের দিকে একটু অংশ ভেঙে খোসা ছাড়িয়ে নিন। তারপরে সিঙ্গল এগ হোল্ডারে বসেই গরম করে নিন।


কাঁচা মরিচ


মাইক্রোওয়েভে কাঁচা মরিচ গরম করা একদমই উচিত নয়। গরম করার পরে যখন মাইক্রোওয়েভের দরজা খুলবেন, চোখে-মুখে মরিচের ঝাঁজ এসে লাগবে। তবে তরকারিতে কাঁচা মরিচ মিশিয়ে গরম করলে সমস্যা নেই। 


ফ্রায়েড ফুড


অনেকেই ভাজাভুজি খাবার ঠান্ডা হয়ে গেলে আবার মাইক্রোওয়েভে গরম করেন। এটা ঠিক নয়। এতে খাবারের মুচমুচে ভাব নষ্ট হয়ে যায়। ফ্রায়েড ফুড আবার গরম করতে এয়ার ফ্রায়ার ব্যবহার করতে পারেন।


সি ফুড


সামুদ্রিক মাছ বা খাবার মাইক্রোওয়েভে আবার গরম করলে তা রাবারের মতো হয়ে যায়। পাশাপাশি তীব্র গন্ধ বেরোতে পারে। যদি মাইক্রোওয়েভে সি ফুড গরম করতে হয় তাহলে এতে অল্প পানি বা সস মিশিয়ে ঢেকে গরম করুন।


প্রক্রিয়াজাত মাংস


সসেজ বা হট ডগের মতো প্রক্রিয়াজাত মাংস মাইক্রোওয়েভে সঠিক ভাবে গরম হয় না। এই ধরনের খাবারে অতিরিক্ত পরিমাণে ফ্যাট ও লবণ থাকে। এগুলো মাইক্রোওয়েভে গরম করা ঠিক নয়। এগুলো ছাঁকা তেলে বা গরম পানিতে ফুটিয়েই রান্না করা উচিত। খাবার থেকে গরম ধোঁয়া না বেরোনো পর্যন্ত রান্না করুন।

বিষয় : খাবার

সর্বশেষ সব খবর

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট ও ট্রাস্ট ব্যাংকের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠান

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৯ পিএম

ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহকরা ঢাকা রিজেন্সির গ্র্যান্ডিওজ রেস্টুরেন্টে প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্র ও শনিবার বছরব্যাপী বুফে ডিনারে 'বাই ওয়ান গেট থ্রি' অফার উপভোগ করতে পারবেন।   


সোমবার বিকেলে ঢাকা রিজেন্সি হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে এ উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এ সময় ঢাকা রিজেন্সির ম্যানেজিং ডিরেক্টর (কারেন্ট চার্জ) মো. মিজানুর রহমান সিদ্দিকী এবং ট্রাস্ট ব্যাংকের কার্ড ডিভিশনের প্রধান এবং এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. মোস্তফা মোশাররফ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 


চুক্তি অনুযায়ী, প্রযোজ্য শর্ত ও নিয়ম সাপেক্ষে ট্রাস্ট ব্যাংকের গ্রাহকরা প্রতি বৃহস্পতিবার, শুক্র ও শনিবার গ্র্যান্ডিওজ রেস্টুরেন্টে বুফে ডিনারে বিশেষ 'বাই ওয়ান গেট থ্রি' সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন। 


এই অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের জন্য উন্নত সেবা, বিশেষ সুবিধা এবং স্মরণীয় ডাইনিং অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে।

সর্বশেষ সব খবর

ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪১ এএম

কাশির সঙ্গে রক্ত দেখা গেলে অনেকেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তবে সব ক্ষেত্রে এটি গুরুতর রোগের লক্ষণ নয়। অতিরিক্ত কাশির কারণে গলা বা শ্বাসনালিতে সামান্য ক্ষত তৈরি হলেও কফের সঙ্গে রক্ত আসতে পারে। আবার কখনো এটি ফুসফুসের সংক্রমণ বা অন্য কোনো গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে।


কাশি দেয়ার সময় কফ, লালা বা শ্লেষ্মার সঙ্গে রক্ত বের হওয়াকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় হেমোপ্টাইসিস বলা হয়। সাধারণত রক্ত অল্প পরিমাণে থাকে এবং গোলাপি, লাল কিংবা মরিচা-রঙের হতে পারে। অনেক সময় কফের সঙ্গে মিশে এটি ফেনার মতোও দেখাতে পারে। তবে কাশির সঙ্গে রক্ত আসা আর রক্তবমি এক বিষয় নয়। কাশির সঙ্গে বের হওয়া রক্ত সাধারণত শ্বাসনালি বা ফুসফুসের দিক থেকে আসে, আর রক্তবমি সাধারণত পরিপাকতন্ত্রের ওপরের অংশ থেকে হয়ে থাকে।


যেসব কারণে কাশির সঙ্গে রক্ত আসতে পারে?


কাশির সঙ্গে রক্ত আসার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ কারণগুলো হলো—


> ব্রঙ্কাইটিস বা শ্বাসনালির প্রদাহ


> নিউমোনিয়া


> যক্ষ্মা (টিবি)


> দীর্ঘসময় বা অতিরিক্ত কাশি


> ফুসফুসের কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগ


> রক্ত পাতলা করার ওষুধ সেবন


> নাক, দাঁত, টনসিল বা গলা থেকে রক্ত শ্বাসনালিতে চলে আসা


এ ছাড়া ফুসফুসে রক্ত জমাট বাঁধা, রক্তনালির সমস্যা, কিছু অটোইমিউন রোগ, হৃদযন্ত্রের সমস্যা এবং বিরল ক্ষেত্রে ফুসফুসের ক্যানসার থেকেও এমন হতে পারে। বিশেষ করে ধূমপায়ী ও বয়স্ক ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কাশির সঙ্গে রক্ত আসাকে অবহেলা করা উচিত নয়।


কখন সতর্ক হবেন 


অল্প পরিমাণ রক্ত একবার দেখা গেলেই যে গুরুতর রোগ হয়েছে, এমন নয়। কিন্তু অনেকটা রক্ত কাশির সঙ্গে বের হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নেয়া প্রয়োজন। বিশেষ করে রক্তের সঙ্গে যদি—


> শ্বাসকষ্ট,


> বুকে ব্যথা,


> উচ্চ জ্বর,


> দুর্বলতা বা মাথা ঘোরা,


> প্রস্রাব বা পায়খানায় রক্ত থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত। এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে অল্প অল্প করে কাশির সঙ্গে রক্ত আসলেও চিকিৎসকের কাছে গিয়ে কারণ খুঁজে বের করা জরুরি।


রোগ নির্ণয়


চিকিৎসক প্রথমে জানতে চান কতটা রক্ত বের হচ্ছে, কতদিন ধরে হচ্ছে, কতবার হচ্ছে এবং রক্তটি কফের সঙ্গে কীভাবে মিশে আছে। প্রয়োজনে করা হতে পারে—


বুকের এক্স-রে: ফুসফুসে সংক্রমণ, তরল বা অন্য কোনো অস্বাভাবিকতা খুঁজতে।


সিটি স্ক্যান: এক্স-রেতে সন্দেহজনক কিছু দেখা গেলে আরও বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করতে।


ব্রঙ্কোস্কপি: শ্বাসনালির ভেতর সরাসরি দেখে রক্তপাতের উৎস খুঁজে বের করতে।


রক্ত পরীক্ষা: রক্তক্ষরণ, সংক্রমণ বা রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা আছে কি না তা দেখতে।


কফ পরীক্ষা: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা যক্ষ্মার মতো সংক্রমণ শনাক্ত করতে।


কাশির সঙ্গে রক্ত মানেই ক্যানসার নয়। সাধারণ সংক্রমণ বা অতিরিক্ত কাশির কারণেও অল্প রক্ত আসতে পারে। তবে এর কারণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি অবহেলা করা ঠিক নয়। অনেকটা রক্ত, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথার সঙ্গে কাশিতে রক্ত এলে দেরি না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।

বিষয় : কাশি

সর্বশেষ সব খবর

প্রতীকী ছবি

  • প্রকাশ : শনিবার ২২ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:০৬ পিএম

মিষ্টি খাবার মানেই যে অস্বাস্থ্যকর, এমনটা নয়। ডেজার্ট তৈরিতে কী ধরনের উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, তার ওপর অনেকটাই নির্ভর করে খাবারটি কতটা পুষ্টিকর হবে। অতিরিক্ত চিনি ও প্রক্রিয়াজাত উপাদানের বদলে ফল, দই, বাদাম, খেজুর কিংবা আঁশযুক্ত উপাদান ব্যবহার করলে মিষ্টি খাবারও তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর হতে পারে।


গ্যাস্ট্রোএন্টেরোলজিস্ট ডা. সৌরভ শেঠি সম্প্রতি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক হতে পারে এমন সাত ধরনের ডেজার্টের কথা জানিয়েছেন। এসব খাবারে থাকা আঁশ, প্রোবায়োটিক, প্রিবায়োটিক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হজম প্রক্রিয়া এবং অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য সহায়ক হতে পারে।


তরমুজ ও লেবু


তরমুজে প্রচুর পানি ও কিছু আঁশ রয়েছে। এর সঙ্গে সামান্য লেবুর রস মিশিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় হালকা ও সতেজ একটি ডেজার্ট। গরমের দিনে এটি শরীরে পানির ঘাটতি পূরণেও সহায়তা করতে পারে। চাইলে এর সঙ্গে কয়েকটি পুদিনা পাতা যোগ করা যায়। বাড়তি চিনি না দিলেই খাবারটি আরও স্বাস্থ্যকর থাকে।


খেজুর ও বাদামের মিশ্রণ


চিনি ব্যবহার না করেও খেজুর দিয়ে মিষ্টি খাবার তৈরি করা যায়। বিচি ছাড়ানো খেজুরের সঙ্গে কাজু, কাঠবাদাম বা আখরোট মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করা যেতে পারে। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক মিষ্টতা ও আঁশের পাশাপাশি বাদাম থেকে পাওয়া স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদান খাবারটিকে পুষ্টিকর করে। বিকেলের নাশতা হিসেবেও এটি খাওয়া যায়।


ডার্ক চকলেট ও ফল


ডার্ক চকলেটের সঙ্গে স্ট্রবেরি, আপেল বা কমলার মতো ফল মিশিয়ে তৈরি করা যায় সহজ ডেজার্ট। ডার্ক চকলেটে থাকা কোকো পলিফেনল এবং ফলে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের জন্য উপকারী। স্ট্রবেরি সবসময় সহজলভ্য না হলে পেয়ারা, আপেল বা কমলার সঙ্গে অল্প পরিমাণ ডার্ক চকলেট খাওয়া যেতে পারে।


আপেল, দই ও দারুচিনি


আপেল ছোট টুকরো করে এর সঙ্গে টক দই, সামান্য মধু ও এক চিমটি দারুচিনি মিশিয়ে নেওয়া যায়। কয়েক মিনিটেই তৈরি হয়ে যায় এই ডেজার্ট। আপেলের আঁশ এবং দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য সহায়ক হতে পারে। বাড়তি চিনি না দিয়ে খেলে এটি আরও ভালো বিকল্প হতে পারে।


মিষ্টি আলু ও দারুচিনি


মিষ্টি আলু সাধারণত ভর্তা বা নাশতা হিসেবে খাওয়া হলেও এটি মিষ্টি খাবার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। সেদ্ধ বা বেক করা মিষ্টি আলুর সঙ্গে সামান্য দারুচিনি ও মধু মিশিয়ে নিতে পারেন। মিষ্টি আলুতে আঁশ ও রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ রয়েছে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার জন্য খাবার হিসেবে কাজ করতে পারে।


কিউই ও দই


কিউই ছোট টুকরো করে দই ও সামান্য মধুর সঙ্গে মিশিয়ে তৈরি করা যায় সহজ একটি ডেজার্ট। কিউইতে আঁশের পাশাপাশি অ্যাক্টিনিডিন নামের একটি এনজাইম রয়েছে, যা হজম প্রক্রিয়ায় ভূমিকা রাখতে পারে। কিউই না পাওয়া গেলে পাকা পেঁপে বা পেয়ারা দিয়েও দইয়ের সঙ্গে একই ধরনের ডেজার্ট তৈরি করা যায়।


ফল ও দইয়ের ঘরোয়া ডেজার্ট


পাকা কলা, পেঁপে, আপেল বা পেয়ারা কেটে এর সঙ্গে টক দই মিশিয়ে নেওয়া যায়। চাইলে সামান্য খেজুর কুচি, চিয়া সিড বা বাদাম যোগ করা যেতে পারে। ফল থেকে আঁশ ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান পাওয়া যায়, আর দইয়ের প্রোবায়োটিক অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য সহায়ক হতে পারে। তাই অতিরিক্ত চিনি দেওয়া মিষ্টির পরিবর্তে এটি সহজ একটি বিকল্প হতে পারে।


মিষ্টি খাবার পুরোপুরি বাদ দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তবে ডেজার্টে কতটা চিনি, ক্রিম বা প্রক্রিয়াজাত উপাদান ব্যবহার করা হচ্ছে, সেদিকে নজর রাখা জরুরি। ফল, দই, বাদাম ও খেজুরের মতো উপাদান দিয়ে ঘরে তৈরি ডেজার্ট তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে। তবে এসব খাবার কোনো রোগের চিকিৎসা নয়। অন্ত্র বা হজমের সমস্যা নিয়মিত হলে শুধু খাবারের ওপর নির্ভর না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।


সর্বশেষ সব খবর