অভিনেত্রী চমক

  • প্রকাশ : রবিবার ২৩ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:৩৬ পিএম

অভিনেত্রী, মডেল ও ভ্লগার রুকাইয়া জাহান চমক এবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সাজ ধারণ করে আলোচনায় এসেছেন। নিজের ভ্লগ সিরিজের নতুন পর্বে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন ও অবদান তুলে ধরতে তাঁর পরিচিত সাজে ক্যামেরার সামনে হাজির হন চমক। 


ভিডিওটি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পেজে ‘ডিসকভারিং বাংলাদেশ উইথ চমক’ ভ্লগ সিরিজের দ্বিতীয় সিজনের ১৯তম পর্ব প্রকাশ করেন তিনি। 


‘বেগম খালেদা জিয়া’ শিরোনামের ওই পর্বের ক্যাপশনে চমক লেখেন, এটি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রীর গল্প; যাকে তিনি গণতন্ত্রের মা ও দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের আপসহীন নেত্রী হিসেবে উল্লেখ করেন।


ঢাকার জিয়া উদ্যানসহ বিভিন্ন স্থানে ভিডিওটির দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। এতে চমককে হালকা রঙের প্রিন্টের শাড়ি, গলায় মুক্তার মালা ও চোখে সানগ্লাস পরা অবস্থায় দেখা যায়। তাঁর সাজ ও উপস্থাপনায় খালেদা জিয়ার পরিচিত উপস্থিতির ছাপ ফুটে উঠেছে।


ভিডিও প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানা আলোচনা। অনেক নেটিজেন চমকের সাজ, অভিব্যক্তি ও উপস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। 


কেউ মন্তব্য করেছেন, তাঁকে দেখতে অনেকটাই খালেদা জিয়ার মতো লাগছে। আবার কেউ লিখেছেন, এমনভাবে আগে কখনো খালেদা জিয়াকে উপস্থাপন করা হয়নি।


একজন নেটিজেন চমককে ‘প্রতিভাবান শিল্পী’ উল্লেখ করে তাঁর রূপান্তরের প্রশংসা করেছেন। আরেকজনের মন্তব্য, ভিডিওটি দেখে কিছু সময়ের জন্য মনে হয়েছে যেন সত্যিই খালেদা জিয়াকে দেখা যাচ্ছে। এর আগে চলতি বছর কুষ্টিয়ার একটি আসন থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হতে বিএনপির হয়ে মনোনয়ন ফরম কিনে আলোচনায় এসেছিলেন চমক। সে সময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কথাও জানিয়েছিলেন।


রুকাইয়া জাহান চমক ২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতায় রানারআপ হওয়ার মাধ্যমে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন। এরপর বিরতি নিয়ে ২০২০ সালে ছোট পর্দায় অভিনয়ে পা রাখেন।


অল্প সময়ের মধ্যেই ‘হায়দার’, ‘হাউস নম্বর-৯৬’, ‘মহানগর’, ‘সাদা প্রাইভেট’, ‘অসমাপ্ত’ ও ‘ভাইরাল হ্যাজব্যান্ড’-এর মতো নাটক ও ওয়েব সিরিজে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন তিনি। অভিনয়ের পাশাপাশি বর্তমানে ভ্লগিংয়েও সক্রিয় এই অভিনেত্রী।




তেলেগু সিনেমার পরিচালক পবন সাদিনেনি

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:১৩ পিএম

তেলেগু সিনেমার পরিচালক পবন সাদিনেনির বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতন ও শারীরিকভাবে আঘাত করার অভিযোগ করেছেন এক নারী। তাঁর অভিযোগ, বিয়ে ও সিনেমায় কাজের সুযোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁর সঙ্গে সম্পর্ক গড়েছিলেন এই নির্মাতা। পরে জানতে পারেন, পবন বিবাহিত এবং তাঁর সন্তান রয়েছে।


৭ আগস্ট হায়দরাবাদের গোলকোন্ডা থানায় ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়। পরে পুলিশ পবন সাদিনেনিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে হাজির করলে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে বিচারিক হেফাজতে চাঞ্চলগুডা কারাগারে পাঠান।


অভিযোগকারীর দাবি, এক বছরের বেশি সময় ধরে পবনের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। শুরুতে পবন তাঁকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতেন, হাসপাতালে নিয়ে যেতেন এবং তাঁর স্বাস্থ্য, ক্যারিয়ার ও আর্থিক বিষয়ে পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিতেন। ওই নারী একটি সিনেমা পরিচালনা করার পরিকল্পনা করছিলেন, সেটি প্রযোজনা করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন পবন।


একপর্যায়ে ওই নারী জানতে পারেন, পবন বিবাহিত এবং তাঁর সন্তানও রয়েছে। 


অভিযোগ অনুযায়ী, পবন তাঁকে জানান, তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলে তাঁকেই বিয়ে করবেন-এমন প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।


ওই নারীর অভিযোগ, পরে তাঁদের সম্পর্ক মূলত যৌন সম্পর্কে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। এ সময়ও পবন তাঁকে বিয়ে, বাড়ি, আর্থিক নিরাপত্তা ও সিনেমায় কাজের নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলেও সেগুলো পূরণ করেননি।


অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, শারীরিক অসুস্থতার কথা জানানো সত্ত্বেও পবন তাঁকে যৌন সম্পর্কে বাধ্য করতেন। এমনকি প্যানিক অ্যাটাকের কথা জানালেও ভিডিও কলের মাধ্যমে যৌন কার্যকলাপে বাধ্য করার অভিযোগ করেছেন ওই নারী। তাঁর আশঙ্কা, এসব ভিডিও ধারণ করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়ে থাকতে পারে।


অভিযোগে ৫ আগস্টের একটি ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। 


তাঁর দাবি, সেদিন বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজের বাড়িতে পবন তাঁকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন। মুখে আঘাত করার পর তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে মুখ ও চোখের আশপাশে ফোলা, মাথাব্যথা ও পিঠে ব্যথা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।


অভিযোগের ভিত্তিতে গোলকোন্ডা পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৬৯ ধারা-প্রতারণামূলক উপায়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন-এবং ১১৫(২) ধারা-ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করা-এ মামলা করেছে।


২০১৩ সালে ‘প্রেম ইশক কাদাল’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে অভিষেক হয় পবন সাদিনেনির। এরপর ‘সাবিত্রী’ (২০১৪) পরিচালনা করেন তিনি। তাঁর সর্বশেষ মুক্তিপ্রাপ্ত কাজ ২০২৩ সালের ওয়েব সিরিজ ‘দয়া’, যা ‘তাকদির’ সিরিজের রিমেক।


বর্তমানে দুলকার সালমান, পূজা হেগড়ে ও শ্রুতি হাসান অভিনীত সিনেমা ‘আকাশম লো ওকা তারা’ পরিচালনা করছেন পবন।


খরাজ মুখোপাধ্যায় ও রজতাভ দত্ত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:০০ পিএম

নেপালের চীন সীমান্ত সংলগ্ন রসুয়া জেলায় ভয়াবহ হড়পা বানে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রবল বৃষ্টি ও আকস্মিক বন্যায় রাস্তা, সেতু ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সেখানে শুটিং করতে গিয়ে আটকে পড়েছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেতা খরাজ মুখোপাধ্যায় ও রজতাভ দত্ত। খরাজের সঙ্গে তার স্ত্রী এবং শুটিং দলের আরও সদস্য রয়েছেন।


হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে জানা যায়, বাংলাদেশের একটি ছবির শুটিংয়ের জন্য নেপালে গিয়েছেন দুই অভিনেতা। গত ২০ আগস্ট তারা সেখানে পৌঁছান। এরপর থেকেই টানা বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে বারবার শুটিং ব্যাহত হয়। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টির মধ্যেই শুটিং শেষ করতে হয়েছে তাদের। বর্তমানে তারা হোটেলেই নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন খরাজ মুখোপাধ্যায়। দুর্যোগের কারণে কাঠমান্ডু যাওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় নির্ধারিত বিমানও ধরতে পারেননি তারা। ফলে বিকল্প পথে নেপাল থেকে বের হওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। 


অন্যদিকে, ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে খরাজ বলেন, বাংলাদেশের একটি সিনেমার শুটিং করতে এসেছি ২০ অগস্ট। ২৬ তারিখ ফেরার কথা ছিল। বৃষ্টির কারণে আটকে পড়েছি। আর এখন ভয়াবহ বন্যা। ফ্লাইটের টিকিটও পাওয়া যাচ্ছে না। রাস্তায় যাতায়াত করার অবস্থা নেই। গোরখপুর থেকে ২৮ তারিখের প্লেন ধরে কলকাতা ফিরব। 


জানা গেছে, সড়কপথে ভারত সীমান্তের কাছে গোরক্ষপুর যাওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। সেখান থেকে ২৮ আগস্ট সরাসরি কলকাতার বিমান ধরে ফেরার কথা রয়েছে শুটিং দলের। এদিকে তিব্বত থেকে নেমে আসা ভোতে কোশি নদীর পানি হঠাৎ বেড়ে যাওয়ায় তিমুরে ও স্যাফ্রুবেশিসহ বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বাজার, সড়ক ও জলবিদ্যুৎ প্রকল্প ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নেপাল ট্যুরিজম বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বহু পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন।


রসুয়া জেলায় হড়পা বানের ঘটনায় অন্তত আটজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিখোঁজ ও আটকে পড়াদের উদ্ধারে নেপাল সেনা ও নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের এই পরিস্থিতিতে খরাজ, রজতাভসহ শুটিং দলের সদস্যরা নিরাপদে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন।  


প্রভা

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৫:২২ পিএম

হঠাৎ করেই অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভার বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। গোপনে তিনি ‘চুক্তিভিত্তিক বিয়ে’ করেছেন এমন দাবিও করা হয়।


বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন প্রভা। তার দাবি, এসব তথ্য সম্পূর্ণ গুজব ও ভিত্তিহীন। গতকাল (২৫ আগস্ট) মঙ্গলবার রাতে নিজের ফেসবুক পোস্টে তৃতীয় বিয়ের খবরকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন এই অভিনেত্রী। 


প্রভা বলেন, ‘আমি বিয়ে করিনি এবং আমি কখনো চুক্তিভিত্তিক বিয়ে বা এ ধরনের কোনো সম্পর্কে আবদ্ধ হননি। যে অভিযোগগুলো ছড়ানো হচ্ছে, সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।’ 


সাংবাদিকদের উদ্দেশে প্রভা লেখেন, ‘একজন সাংবাদিকের লেখার শক্তি অনেক বেশি। একই কলম দিয়ে কাউকে ‘ভয়ংকর মানুষ’ হিসেবে, আবার কাউকে ‘চমৎকার মানুষ’ হিসেবেও তুলে ধরা সম্ভব। তাই এই শক্তির সঙ্গে দায়িত্বশীলতাও থাকা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।’


ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবেদনশীল কোনো অভিযোগ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানান প্রভা। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলার অনুরোধও করেন তিনি।


নিজের ভক্তদের উদ্দেশে অভিনেত্রী বলেন, কোনো ধরনের ভিত্তিহীন গুজব বা অপপ্রচারে কান দিয়ে যেন তারা বিভ্রান্ত না হন। তার ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন কিংবা অন্য যেকোনো বিষয়ে সঠিক ও সত্য তথ্য তিনি তার ফেসবুকের মাধ্যমেই জানাবেন বলে উল্লেখ করেন।


শেষে ভক্তদের ভালোবাসা ও সমর্থনকে নিজের শক্তি হিসেবে উল্লেখ করে সবাইকে ভালো ও সুস্থ থাকার আহ্বান জানান সাদিয়া জাহান প্রভা।


২০০৫ সালে মডেলিংয়ের মাধ্যমে ক্যারিয়ার শুরু করেন সাদিয়া জাহান প্রভা। পরে টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করে পরিচিতি পান তিনি। বর্তমানে নাটকের পাশাপাশি সিনেমাতেও কাজ করছেন এই অভিনেত্রী। 


সর্বশেষ একটি সিনেমার শুটিং করেছেন প্রভা। সিনেমাটির কিছু কাজ এখনো বাকি রয়েছে। শিগগিরই আবারও শুটিংয়ে দেখা যেতে পারে তাকে।

https://www.facebook.com/share/p/1FBbA7HBYu/?mibextid=wwXIfr


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৩২ পিএম

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা সময়ই আলোচনায় থাকেন ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী পূজা চেরি। এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি পোস্ট ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে আলোচনা। 


সুইমিং পুলে এক ব্যক্তির সঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী। ছবির ক্যাপশনও কৌতূহল বাড়িয়েছে ভক্তদের।


ফেসবুকে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, সুইমিং পুলে পাশাপাশি রয়েছেন পূজা ও এক ব্যক্তি। দুজনকে বেশ স্বচ্ছন্দ মুহূর্তে দেখা গেলেও ওই ব্যক্তির পরিচয় সম্পর্কে কোনো তথ্য দেননি অভিনেত্রী।


ছবির সঙ্গে পূজা লিখেছেন, ‘দুই আত্মা, এক নীরব মুহূর্ত।’ এই ক্যাপশন প্রকাশের পরই তার অনুসারীদের মধ্যে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। কেউ কেউ জানতে চাইছেন, ছবির ওই ব্যক্তি কে?


আবার অনেকে মন্তব্য করছেন, এই ব্যক্তিই কি তবে পূজার হবু স্বামী? তবে কি ধীরে ধীরে স্বামীকে প্রকাশ্যে আনবেন পূজা? তবে ছবিতে থাকা ব্যক্তির পরিচয় বা তার সঙ্গে পূজার সম্পর্ক কী এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা জল্পনাকে আপাতত অনুমান হিসেবেই দেখা হচ্ছে।


এর আগে পূজা চেরির বিয়ে নিয়েও বিভিন্ন সময়ে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তবে অভিনেত্রী নিজে আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করেছেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য প্রকাশ করেননি। এবার নতুন ছবিটি সেই পুরোনো আলোচনা আরও উসকে দিয়েছে।


এদিকে পূজা চেরি আগেই একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবেই আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। যখনই আমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে, আমি নিজেই তা প্রকাশ্যে অত্যন্ত আনন্দের সাথে সবাইকে জানাবো। লুকানোর কিছু নেই।’


পূজা চেরি নায়িকা হিসেবে আলোচনায় আসেন ‘পোড়ামন ২’ দিয়ে। এরপর ‘দহন’, ‘নূরজাহান’, ‘শান’, ‘গলুই’, ‘হৃদিতা’, ‘জ্বীন’, ‘লিপস্টিক’সহ বেশ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ এএম
  • আপডেট : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ পিএম


কাজিয়াহ লিজ মেজো

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:২৫ এএম

‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৬’-এর মুকুট জিতেছেন কাজিয়াহ লিজ মেজো। রোববার রাতে জয়পুরে অনুষ্ঠিত জাতীয় পর্যায়ের ফাইনালে ৫২ প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে সেরার মুকুট অর্জন করেন ১৯ বছর বয়সী এই তরুণী। গত বছরের বিজয়ী মানিকা বিশ্বকর্মার কাছ থেকে মুকুট গ্রহণ করেন কাজিয়াহ। এই জয়ের ফলে আগামী নভেম্বরে পুয়ের্তো রিকোয় অনুষ্ঠিতব্য ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছেন তিনি।


সেরার মুকুট জয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে কাজিয়াহ বলেন, ‘আমার মনে হচ্ছে আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মুহূর্ত। এই মুহূর্তটির জন্য আমি তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে কাজ করেছি। আমি ভীষণ খুশি যে এই মুকুটটি আমার কেরালায় নিয়ে যেতে পারছি এবং আমার শহরকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার সুযোগ পাচ্ছি।’


কেরালার মাভেলিক্কারায় জন্ম ও বেড়ে ওঠা কাজিয়াহ বর্তমানে বেঙ্গালুরুতে আইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। পড়াশোনার পাশাপাশি মডেলিংয়ের সঙ্গেও যুক্ত তিনি। ছোটবেলা থেকেই শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রশিক্ষণ নিয়েছেন এই তরুণী।


গত বছর ‘মিস টিন ইন্টারন্যাশনাল’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন কাজিয়াহ। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে কিশোরীদের আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে ভারতের অন্যতম বড় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার জাতীয় মুকুট জয় করেছেন তিনি।


১৯ বছর বয়সে এমন সাফল্যকে তাই বেশ বড় অর্জন হিসেবেই দেখছেন আয়োজক ও প্রতিযোগিতা বিশ্লেষকেরা।


সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতির জন্য প্রশংসা পেলেও একসময় নিজের চেহারা নিয়ে বেশ অনিশ্চয়তায় ভুগতেন কাজিয়াহ। বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে নিজের সেই সময়ের কথা জানিয়েছেন তিনি।


কাজিয়াহ জানিয়েছেন, আত্মবিশ্বাসের অভাবে একসময় বছরের পর বছর নিজের একটি ফিল্টারহীন ছবিও সংরক্ষণ করতেন না। নিজের চেহারা ও ব্যক্তিত্ব নিয়ে তার মধ্যে কাজ করত এক ধরনের আত্মসচেতনতা। তবে ধীরে ধীরে সেই পরিস্থিতি বদলানোর চেষ্টা করেন তিনি। আত্মবিশ্বাস বাড়াতে নিজেকে বারবার অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মধ্যে নিয়ে যেতে শুরু করেন।


‘ফেক ইট টিল ইউ মেক ইট’ পদ্ধতি অনুসরণ করতেন তিনি—অর্থাৎ আত্মবিশ্বাসী হওয়ার আগেই আত্মবিশ্বাসী আচরণ করার চেষ্টা করতেন। একসময় সেই অভিনয় করা আত্মবিশ্বাসই তার কাছে বাস্তব হয়ে ওঠে বলে জানিয়েছেন কাজিয়াহ।


জাতীয় পর্যায়ে মুকুট জয়ের পর কাজিয়াহর সামনে এখন আরও বড় পরীক্ষা। আগামী নভেম্বর পুয়ের্তো রিকোয় অনুষ্ঠিতব্য ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৬’ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিজয়ীদের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি।


আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের সাম্প্রতিক সাফল্যও তার ওপর প্রত্যাশা বাড়াবে। বিশেষ করে ২০২১ সালে হরনাজ সান্ধু ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব জেতার পর ভারতের সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার প্রতি দর্শকদের আগ্রহ আরও বেড়েছে। সূত্র: এনডিটিভি ও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস


সালমান শাহ ও ডন

  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৮:০৫ পিএম

চিত্রনায়ক সালমান শাহ ‘হত্যা’ মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা খল চরিত্রের অভিনেতা আশরাফুল হক ডনকে তিন কারণ দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি। আবেদনে ডনকে ‘অত্যন্ত সুকৌশলী ও ধূর্ত প্রকৃতির লোক’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির ঢাকা মেট্রো দক্ষিণের ইন্সপেক্টর মজিবুর রহমান গত বৃহস্পতিবার এ আবেদন করেন।


আজ সোমবার প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম জানান, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন ২৭ অগাস্ট ধার্য করেছেন।


রিমান্ডের জন্য আবেদনে তিন কারণ দেখিয়ে সিআইডি বলেছে, মামলার ঘটনা আলোচিত ও চাঞ্চল্যকর। ভুক্তভোগী জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সালমান শাহ। তার মা মামলার পর থেকে অর্থাৎ ১৯৯৬ সাল থেকে ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করে আসছেন। নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে বিভিন্ন পত্রিকাসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তৎপর রয়েছেন। এমতাবস্থায় সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ডনকে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।


রিমান্ড আবেদনের দ্বিতীয় কারণে ডনকে ‘অত্যন্ত সুকৌশলী ও ধূর্ত প্রকৃতির’ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। 


সিআইডি বলছে, তাকে পুলিশ হেফাজতে এনে নিবিড়ভাবে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে মামলার ঘটনায় জড়িত অপরাপর সহযোগী আসামিদের অবস্থান নির্ণয় করে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে। মামলার প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের জন্য ও নিবিড়ভাবে তদন্তের স্বার্থে পুলিশ রিমান্ডে এনে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।


তৃতীয় কারণ হিসেবে সিআইডির দাবি, ডনের বিরুদ্ধে বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বিভিন্ন কৌশলে, কী কারণে ও কার ইন্ধনে তিনি বিদেশে পালিয়ে যাচ্ছিলন এ সংক্রান্ত তথ্য উদঘাটনসহ মামলার প্রকৃত রহস্য জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।


হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত ৯ অগাস্ট ডনকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। এরপর তাকে সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। ওইদিনই তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। ১২ অগাস্ট জামিন আবেদন করা হলেও আদালত তা নাকচ করে দেয়।


সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে গেল বছরের ২০ অক্টোবর তার ভাই মোহাম্মদ আলমগীর কুমকুম মামলাটি করেন।


চিত্রনায়ক সালমান শাহ (চৌধুরী মোহাম্মদ শাহরিয়ার ইমন) ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনের ফ্ল্যাটে মারা যান। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতে সে সময় তার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে।


ছেলের মৃত্যুর পর প্রথমে একটি অপমৃত্যু মামলা করেন সালমানের বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। কিন্তু পরে ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে- এমন অভিযোগে ১৯৯৭ সালের ২৪ জুলাই অভিযোগটিকে হত্যা মামলায় রূপান্তর করার আবেদন জানান তিনি।


তখন অপমৃত্যু মামলার সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করতে সিআইডিকে নির্দেশ দেয় আদালত। ১৯৯৭ সালের ৩ নভেম্বর আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়ে সিআইডি জানায়, সালমান শাহ ‘আত্মহত্যা’ করেন।


সিআইডির প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে কমরউদ্দিন চৌধুরী রিভিশন মামলা দায়ের করেন। পরে ২০০৩ সালের ১৯ মে মামলাটি বিচার বিভাগীয় তদন্তে পাঠায় আদালত।


দীর্ঘ ১১ বছর পর ২০১৪ সালের ৩ আগস্ট সেই প্রতিবেদন দাখিল করেন মহানগর হাকিম ইমদাদুল হক। তাতেও হত্যার অভিযোগ নাকচ করা হয়।


সালমান শাহের বাবার মৃত্যুর পর তার মা নীলা চৌধুরী মামলটি চালিয়ে যান। ২০১৫ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি নীলা চৌধুরী বিচার বিভাগীয় তদন্ত প্রতিবেদনে ‘নারাজি’ দেন। তিনি ১১ জনের নাম উল্লেখ করে দাবি করেন, এরা তার ছেলেকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।


মামলাটি এরপর তদন্ত করে র‌্যাব। তখন রাষ্ট্রপক্ষ আপত্তি তুললে ২০১৬ সালের ২১ অগাস্ট ঢাকার বিশেষ জজ ৬-এর বিচারক ইমরুল কায়েশ র‌্যাবকে মামলাটি আর তদন্ত না করার আদেশ দেন।


তখন তদন্তের দায়িত্বে আসে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। চার বছর তদন্তের পর ২০২০ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি তারা চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।


সেখানেও বলা হয়, ঘটনার সময় উপস্থিত ও ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ৫৪ জন সাক্ষীর জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে, জব্দ করা আলামত পর্যালোচনা করে হত্যার অভিযোগের কোনো প্রমাণ মেলেনি।


পিবিআই তাদের তদন্ত প্রতিবেদনে বলে, চিত্রনায়িকা শাবনূরের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে পারিবারিক কলহ আর স্ত্রী সামিরা হকের কারণে মা নিলুফা চৌধুরী ওরফে নীলা চৌধুরীকে ছেড়ে থাকার মানসিক যন্ত্রণায় ভুগেই অভিমানী সালমান শাহ আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন।


ওই প্রতিবেদনেও অসন্তুষ্টি জানান সালমানের মা নীলা চৌধুরী। ছেলের মৃত্যু কীভাবে হয়েছিল, তা জানতে তিনি আরও তদন্ত চান।


ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মামুনুর রশীদ ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর পিবিআইয়ের প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের অব্যাহতির আদেশ দেন। এরপর আবার সালমান শাহর পরিবারের পক্ষ থেকে কয়েকটি বিষয় নিয়ে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন দায়েরের আবেদন করা হয়।


২০২২ সালের ১২ জুন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন আবেদন গ্রহণ করেন। তবে বিভিন্ন কারণে আর রিভিশন শুনানি হয়নি।


গত ২০ অক্টোবর ঢাকার ৬ষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় তার মায়ের রিভিশন আবেদন মঞ্জুর করে আদালত। 


এবিষয়ে সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিনের অভিযোগ এবং ঘটনায় জড়িত রিজভী আহমেদ ওরফে ফরহাদের জবানবন্দি সংযুক্ত করে হত্যা মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়ে অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে রমনা মডেল থানা পুলিশকে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়।


এজাহারনামীয় আসামিসহ অজ্ঞাত পলাতক আসামিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজসে ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর সালমান শাহ্কে হত্যা করেছে বলে মামলায় অভিযোগ করেন মোহাম্মদ আলমগীর।