• প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই, ২০২৬, সময় : ২:০৭ পিএম

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) জুলাই-আগস্টের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে নিহত শহীদদের স্মরণে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের উদ্যোগে ওই স্মরণসভা আয়োজিত হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেল ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এ স্মরণসভায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. আতিকুর রহমান। সঞ্চালনা করেন শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মো. শফিকুল ইসলাম এবং সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক এ. এম. শোয়াইব।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম সর্দার, বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন সোনালী দলের সভাপতি ড. আলি রেজা ফারুক, সাধারণ সম্পাদক ড. আহমেদ খায়রুল হাসান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এবং সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. সোনিয়া সেহেলী।

স্মরণসভায় বক্তারা জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নিহতদের আত্মত্যাগের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তারা বলেন, শহীদদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও ন্যায়বিচারের চেতনাকে ধারণ করে একটি বৈষম্যহীন, জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র বিনির্মাণে তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, ইতিহাসের এই আত্মত্যাগ নতুন প্রজন্মকে গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার জন্য অনুপ্রাণিত করবে। শহীদদের আদর্শ ও ত্যাগকে জাতীয় জীবনে যথাযথ মর্যাদায় ধারণ করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানজুড়ে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. রফিকুল ইসলাম সর্দার বলেন, গতবার যখন এই অনুষ্ঠানে এসেছিলাম তখনকার থেকে এখন ছাত্রদলের সমর্থকের উপস্থিতি অনেক বেড়েছে। আমি আশা রাখি এভাবেই সংগঠনে শুভাকাঙ্খীর পরিমাণ বাড়বে। আমি চাই জাতীয়বাদী আদর্শকে ধারণ করে তোমরা সবাই স্বচ্ছভাবে দল পরিচালনা করো। দলের সকল নেতা, কর্মী সমর্থকদের মাঝে যেনো ঐক্য ভ্রাতৃত্ব বজায় থাকে এবং আমাদের দলের কার্যক্রম একটি উত্তম উদাহরণ হিসেবে উপস্থাপিত হয়।

সোনালী দলের সাধারণ সম্পাদক ড. আহমেদ খায়রুল হাসান বলেন, 'শিক্ষা ঐক্য প্রগতি' জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের এইযে মূলনীতি এটা তোমাদের সকলকে বুঝতে হবে। সংগঠনের মূল চরিত্রকে তোমরা ফুটিয়ে তোলো। আমি চাই ক্লাসের সব থেকে মেধাবী ছেলেটা বা মেয়েটা ছাত্রদল করবে, হলের সব থেকে স্মার্ট ছেলে বা মেয়েটি ছাত্রদল করবে। তোমাকে দেখে যেনো অন্যরা ছাত্রদল করার জন্য অনুপ্রাণিত হয়। ভ্রাতৃত্ব ও ঐক্যকে ধারণ করে সংগঠনের কার্যক্রম এগিয়ে যাক এইটাও কামনা করছি

এসময় সোনালী দলের সভাপতি ড. আলি রেজা ফারুক বলেন, শিক্ষার্থীরা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের আদর্শকে ধারণ করবে এবং ন্যায়ের পথে সংগ্রাম করবে এইটাই চাওয়া। ক্লাসের সব থেকে চঞ্চল শিক্ষার্থীটি ছাত্রদল করুক। এটা আমরা কখনো চাইনা যে যারা পড়াশুনা করে না, শুধু রাজনীতি করতে চায় এবং পরীক্ষার আগে আমাদের সাথে যোগাযোগ করে যেনো তাকে একটু পাশ করিয়ে দেয়া হয়। আগে পড়াশুনা করতে হবে তার পাশাপাশি কেউ চাইলে রাজনীতি করবে। 

বাকৃবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. আতিকুর রহমান বলেন, এই অনুষ্ঠানে সকলকে একত্র করতে আমার এবং আমার সহযোগীদের কতটা কষ্ট করতে হয়েছে এটা হয়তো বলে প্রকাশ করা সম্ভব হবে না। আমার শুধু আমাদের প্রশাসনের কাছে একটাই চাওয়া যে আপনারা আমাদের ভালো নাই বাসতে পারেন কিন্তু একটু জানতে চাবেন যে আমরা ভালো আছি কিনা, আমাদের সমর্থকেরা ভালো আছে কিনা, যাদের আশ্রয়ে আমরা স্বৈরাচার আমলে ছিলাম তারা ভালো আছে কিনা। ছাত্রদলের যে মেধাবী শিক্ষার্থী ৭ শতাংশের মধ্যে জায়গা করে নেয় সে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হচ্ছে কি না। এসকল বিষয়ে তদারকি করবেন আমরা আশা করি।



সর্বশেষ সব খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৫৬ পিএম

বন্ধুত্ব থেকে বিশ্বাস, বিশ্বাস থেকে ভালোবাসা, আর সেই ভালোবাসা গড়াল বিয়েতে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গন, করিডর আর লাল মাটির সবুজ ক্যাম্পাসকে সাক্ষী রেখে নিজ ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ করে জীবনের নতুন অধ্যায়ে পা রাখছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) অর্থনীতি বিভাগের দুই শিক্ষার্থী।


কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাসান ও মাকসুদা আক্তার সাথী দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও প্রেমের সম্পর্কের পর পারিবারিক সম্মতিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন। বিয়ের আগের দিন গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) ক্যাম্পাসে সহপাঠীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় তাদের গায়ে হলুদের ব্যতিক্রমী আয়োজন।


বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে যেন নেমে এসেছিল আনন্দের এক টুকরো রাজ্য। হলুদ শাড়ি আর গয়নায় সেজে বসা কনে সাথীকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন বান্ধবীরা। অন্যদিকে বর হাসানকে ঘিরে চলে বন্ধুদের উল্লাস। গায়ে হলুদ মেখে দেওয়া, কেক-মিষ্টি-ফল খাইয়ে দেওয়া আর মিষ্টি দুষ্টুমিতে মেতে ওঠে পুরো ব্যাচের বন্ধুরা। 


​কারো কণ্ঠে সুর, কারো পায়ে আনন্দের নাচ, আর ক্যামেরার ফ্রেমে বন্দী উৎসবের প্রতিটি মুহূর্ত। সব মিলিয়ে কুবি প্রাঙ্গণে রূপ নেয় এক উৎসবের নগরীতে। ক্যাম্পাসের ইট-কাঠ আর চেনা করিডোরগুলো সাক্ষী হয়ে রইল দুই সহপাঠীর এক হওয়ার এই আবেগঘন মুহূর্তের।


সহপাঠীরা জানান, বর-কনে দুজনই তাদের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতেই প্রিয় ক্যাম্পাসে এই ভিন্নধর্মী গায়ে হলুদের আয়োজন করেছেন তারা।


বর-কনের সহপাঠী তাসমিয়া মারজান বলেন, “আমাদের অর্থনীতি ১৬ ব্যাচের দুই প্রিয় ব্যাচমেট হাসান এবং সাথীর জীবনের নতুন অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা ক্যাম্পাসেই এই হলুদ আয়োজনের উদ্যোগ নিই। পুরো ব্যাচের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি আমাদের কাছে শুধু একটি হলুদ অনুষ্ঠান ছিল না, বরং আমাদের বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বন্ধনের একটি সুন্দর উদযাপন ছিল। কুবি ক্যাম্পাসে এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত। ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ হয়ে গেলেও এই দিনটি আমাদের সবার স্মৃতিতে বিশেষ হয়ে থাকবে।”


আরেক সহপাঠী মোহাম্মদ সাইদুল ইসলাম বলেন, “এই অনুষ্ঠানটা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের একটা অসাধারণ স্মৃতি হয়ে থাকবে। দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শেষে কর্মজীবনের ব্যস্ততার কারণে বন্ধুবান্ধবসহ বিয়ের মতো অনুষ্ঠানগুলো উপভোগ করার সুযোগ হয়ে ওঠে না। আমার দুই বন্ধু চিরাচরিত নিয়ম ভেঙে বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে এই আনন্দ ভাগাভাগি করে নিয়েছে। ব্যাচমেট হিসেবে এটা আমাদের অনেক আনন্দিত করছে।”


ক্যাম্পাসে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠান নিয়ে বর মোহাম্মদ হাসান নিজের অনুভূতি জানিয়ে বলেন, 

"ক্যাম্পাস জীবনের শুরু থেকেই আমাদের পরিচয়। শুরুটা হয়েছিল বন্ধুত্ব দিয়ে। হয়তো ভালোবাসার সেই সফরটাই সবচেয়ে সুন্দর, যেখানে বন্ধুত্ব, ভালোবাসা এবং বিয়ে সবকিছুই একজনের সাথেই হয়। আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করি এমন একজন জীবনসঙ্গিনী পেয়ে।


হাসান আরো বলেন, "আমাদের এই যাত্রায় সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা ও ভালোবাসা পেয়েছি আমাদের বন্ধুদের কাছ থেকে। তাই আমি চেয়েছি, আমাদের এই শুভ সূচনাটি আমার বন্ধুদের সঙ্গে নিয়েই উদযাপন করতে। মহান আল্লাহর কাছে আমার প্রার্থনা তিনি যেন আমাদের নতুন সংসারকে তাঁর রহমত, বরকত ও শান্তিতে পূর্ণ করেন।"




সর্বশেষ সব খবর

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩৫ পিএম

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাককানইবি) নতুন ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা। রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. সুলতান আহমেদ স্বাক্ষর করেন।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৬-এর সংশ্লিষ্ট ধারা অনুসারে ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁর নিয়োগের মেয়াদ যোগদানের তারিখ থেকে চার বছর অথবা অবসর গ্রহণের বয়সসীমা পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত—এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে—ততদিন বহাল থাকবে।

নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী, ট্রেজারার হিসেবে তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্ধারিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী মাসিক সম্মানী এবং বিধি অনুযায়ী পদসংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন। একই সঙ্গে তাঁকে সার্বক্ষণিক বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

নতুন দায়িত্বে ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি ও বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি উপাচার্য কর্তৃক অর্পিত অন্যান্য দায়িত্বও তাঁকে পালন করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে ট্রেজারার হিসেবে তিনি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর প্রয়োজন মনে করলে যেকোনো সময় এ নিয়োগ বাতিল করতে পারবেন।

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা বর্তমানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর নিয়োগের মধ্য দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।


সর্বশেষ সব খবর

  • প্রকাশ : শুক্রবার ২৮ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১২:২৬ এএম

বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) শাখার ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি বিভাগের শিক্ষার্থী নকীবুল হক এবং ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান অন্তু।


বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সভাপতি মোঃ রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সাইশা সুলতানা সাদিয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নোবিপ্রবি শাখার নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে নবমনোনীত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে শাখাটির পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করে কেন্দ্রীয় দপ্তর সেলে জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


নকীবুল হক বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের কৃষি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি এর আগে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, নোবিপ্রবি শাখার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অন্যদিকে মেহেদী হাসান অন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থী। তিনি এর আগে শাখাটির দপ্তর সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


দায়িত্ব পাওয়ার অনুভূতি জানিয়ে নবমনোনীত সভাপতি নকীবুল হক বলেন, “দায়িত্ব হলো একটি আমানত। যারা আমার প্রতি বিশ্বাস রেখে এই আমানত ন্যস্ত করেছেন, আমি তাদের আস্থার যথাযথ প্রতিদান দিতে চাই। নোবিপ্রবি শাখার কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার পাশাপাশি সম্ভাবনাময় তরুণ লেখকদের এই প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসতে চাই। তাদের জন্য একটি সুন্দর ও ইতিবাচক লেখালেখির পরিবেশ তৈরির পাশাপাশি লেখালেখির বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিয়ে পাশে থাকতে চাই। সর্বোপরি, সভাপতি হিসেবে এককভাবে নয়, বরং সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি প্রাণবন্ত, সৃজনশীল ও কার্যকর শাখা গড়ে তোলাই আমার প্রত্যাশা।”


সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান অন্তু বলেন, “বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, নোবিপ্রবি শাখার ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরে আমি আনন্দিত ও গর্বিত। এটি আমার জন্য কেবল একটি সাংগঠনিক পদ নয়; বরং একটি দায়িত্ব। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সক্রিয়, সুশৃঙ্খল ও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে কাজ করতে চাই। আমার অগ্রজ ও অনুজ যারা নিজেদের অক্লান্ত শ্রম দিয়ে এতদিন সংগঠনের পাশে থেকেছেন, আশা করি আগামীতেও তাদের পাশে পাব। সকলের দোয়া ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি। সবার মতামত, পরামর্শ, সৃজনশীল উদ্যোগ ও সহযোগিতাই আমাদের কার্যক্রমকে আরও সমৃদ্ধ করবে।”


উল্লেখ্য, ‘সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত হোক লেখনীর ধারায়’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০১৮ সালের ২৩ জুলাই যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম। তরুণ লেখকদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা, পরামর্শ প্রদান, জাতীয় গণমাধ্যমে তাদের লেখা প্রকাশে সহযোগিতা এবং লেখালেখিবিষয়ক সভা, সেমিনার ও কর্মশালার আয়োজনের মাধ্যমে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছে।


দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তরুণদের মধ্যে লেখালেখির চর্চা ও সৃজনশীলতা বিকাশে সংগঠনটি ২৩টি শাখা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়েও সংগঠনটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

সর্বশেষ সব খবর

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বিজয়-২৪ হল

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৪০ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিজয়-২৪ হলে র‍্যাগিংকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীসহ হলটির আবাসিক শিক্ষার্থীরা। ঘটনায় প্রকৃত তথ্য উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হল প্রভোস্টের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন তারা।


বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) হলের আবাসিক পরিবেশ, নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।


আবেদনে বলা হয়, অর্থনীতি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমির হোসেন গত ৬ আগস্ট বিজয়-২৪ হলের ১০২ নম্বর কক্ষে ওঠেন। এরপর থেকে তার আচরণ ও ব্যবহারের কারণে কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে বিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করেন আবেদনকারীরা। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা হলে থাকা আমিরের বিভাগের সিনিয়রদের অবহিত করেন।


এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৬ আগস্ট রাতে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার জন্য আমিরের বন্ধু ইউসুফ ইকবাল তাকে ৩১৩ নম্বর কক্ষে গিয়ে সিনিয়রদের সঙ্গে দেখা করতে বলেন। পরে রাত ১২টার দিকে আমির হোসেন তার সহপাঠী অপূর্ব দেবনাথকে সঙ্গে নিয়ে ওই কক্ষে যান। সেখানে আগের অভিযোগের বিষয়ে কথা কাটাকাটি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। একপর্যায়ে আমির হোসেন কক্ষ থেকে বের হয়ে যান।


আবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, রুম থেকে বের হওয়ার পর আমির তার সিনিয়র সরোয়ার হাসান রিয়াদকে ফোন করে হুমকি দেন। এর পরদিন অন্তু দাশকে একটি ভার্চুয়াল নম্বর থেকে ফোন করে আমির হোসেনের বড় ভাই পরিচয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৬ আগস্ট কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় অন্তু দাশ একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।


অন্যদিকে, গত ২৩ আগস্ট আমির হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে অন্তু দাশ, মো. হাসান ও সরোয়ার হাসান রিয়াদের বিরুদ্ধে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ দেন। ওই অভিযোগকে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’ দাবি করে অভিযুক্তরা ও বিজয়-২৪ হলের শিক্ষার্থীরা বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যম ও অনলাইন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়, হল এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।


তাদের দাবি, পুরো ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ থাকায় কোনো পক্ষের বক্তব্যের ওপর নির্ভর না করে প্রত্যক্ষদর্শী, সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থী, ফোনকলসহ অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য যাচাই করে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত করা প্রয়োজন।


আবেদনে তারা হলের স্বাভাবিক পরিবেশ ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন এবং তদন্তের ভিত্তিতে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।


বিজয়-২৪ হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাছান খাঁন বলেন, ‘আমি তাদের আবেদনটি পেয়েছি। যদিও বিষয়টি হলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট, তবে সর্বশেষ আনুষ্ঠানিকভাবে আজ আমাকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। অথচ হলের প্রভোস্ট হিসেবে উভয় পক্ষের কাছ থেকেই বিষয়টি প্রথমে আমার কাছে জানানোর প্রয়োজন ছিল। আমি শুধু এক পক্ষের কাছ থেকে বিষয়টি জানতে পেরেছি। যেহেতু বিষয়টি আমার কাছে আসার আগেই বিভাগ, প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে গেছে, তাই সবার সঙ্গে বসে বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’


প্রসঙ্গত, গত ১৬ আগস্ট বিজয়-২৪ হলের ৩১৩ নম্বর কক্ষে অর্থনীতি বিভাগের ২০২৪–২৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমির হোসেনকে রাতভর র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় একই বিভাগের ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী অন্তু দাশ, মো. হাসান ও সরোয়ার হোসেন রিয়াদের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ দেন আমির হোসেন।

সর্বশেষ সব খবর

ঢাকার ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রদর্শন করা হবে বড় আকারের স্টিমার, বাকরখানি, জিলাপি, ঘুড়ি ও নাটাইয়ের প্রতিকৃতি।

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১০:২০ পিএম

রাজধানী ঢাকার ৪১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত ‘ঢাকা দিবস ২০২৬-হৃদয়ে ঢাকা’ উদ্‌যাপনের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় অংশ নিতে যাচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে আয়োজিত এ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ রইছ উদ্‌দীনের নেতৃত্বে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।


আগামীকাল শুক্রবার (২৮ আগস্ট ২০২৬) বিকাল ৩টায় অনুষ্ঠিতব্য এ শোভাযাত্রায় জবির অংশগ্রহণকে ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির রঙে সাজানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকার ঐতিহ্যকে তুলে ধরতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রদর্শন করা হবে বড় আকারের স্টিমার, বাকরখানি, জিলাপি, ঘুড়ি ও নাটাইয়ের প্রতিকৃতি।


শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালকরা অংশ নেবেন। এছাড়া বিএনসিসি, রোভার স্কাউটস, বিভিন্ন ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সদস্যসহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকবে।


এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ ও নাট্যকলা বিভাগের শিল্পী এবং শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সংগীত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনারও আয়োজন করা হয়েছে।


জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রাটি বাহাদুর শাহ পার্ক, কোর্ট চত্বর, রায়সাহেব বাজার, গুলিস্তান জিরো পয়েন্ট ও শিক্ষা ভবনের পাশ দিয়ে নগর ভবনে গিয়ে শেষ হবে।


ঢাকা দিবসের এ আয়োজনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণকে আকর্ষণীয়, ঐতিহ্যনির্ভর ও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলতে ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে।

সর্বশেষ সব খবর

সেমিনারে বক্তব্য রাখছেন বক্তারা

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৪:৪৩ পিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের উদ্যোগে এবং বারসিক (BARCIK)-এর সহযোগিতায় ‘খাদ্য ব্যবস্থা, আঞ্চলিক বাস্তবতা ও এগ্রোইকোলজির পথ: ন্যায়সঙ্গত ও টেকসই ভ্যাবষ্যতের সন্ধানে’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে টেকসই ও ন্যায়সঙ্গত খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়।


বুধবার (২৭ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের হলরুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।


অনুষ্ঠানে নৃবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান শামীমা নাসরিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের এর ডিন ড. মোহাম্মদ রেজাউল করিম। আরও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এন. এম. রবিউল আওয়াল চৌধুরী, প্রভাষক তহমিনা খাতুন ও অমিত দত্ত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভাগের বিভিন্ন সেশনের শিক্ষার্থীরা 


সেমিনারে বক্তারা বলেন, কৃষক ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে পরিবেশবান্ধব, জলবায়ু সহনশীল এবং ন্যায়সঙ্গত খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে এগ্রোইকোলজিভিত্তিক উদ্যোগের বিকল্প নেই। 


অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারসিকের এগ্রোইকোলজি অ্যান্ড ফুড সিকিউরিটি ইউনিটের পরিচালক সৈয়দ আলী বিশ্বাস। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও বর্তমান কৃষিব্যবস্থায় কৃষক ও পরিবেশ নানা সংকটের মুখোমুখি। বীজ, সার, কীটনাশক, সেচ ও ঋণের ওপর অতিনির্ভরশীলতার পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন, মাটির ক্ষয়, পানির সংকট ও জীববৈচিত্র্যের হ্রাস খাদ্য ব্যবস্থাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে।”


তিনি আরও বলেন, “এগ্রোইকোলজি কেবল রাসায়নিকের ব্যবহার কমানোর ধারণা নয়; এটি কৃষক ও স্থানীয় মানুষের জ্ঞানকে ভিত্তি করে টেকসই কৃষিব্যবস্থা গড়ে তোলার একটি কার্যকর পথ। দেশীয় বীজ সংরক্ষণ, বহুমুখী ফসল চাষ, মাটির উর্বরতা রক্ষা এবং কৃষকের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি কৃষিতে নারীদের ভূমিকার স্বীকৃতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের সম্পৃক্ততা বাড়ানো জরুরি।”


সর্বশেষ সব খবর