ছবি: সংগৃহীত।

  • প্রকাশ : শুক্রবার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, সময় : ৫:৫১ এএম

ঢাকার বিশটি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১৩টিতেই জয় পেয়েছে বিএনপি; ৭টি আসনে জয়ী হয়েছে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন এগারো দলীয় জোট।


ঢাকা-১ আসনে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৭৩ হাজার ৭৮১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১২ হাজার ৬২২ ভোট।


ঢাকা-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী আমানউল্লাহ আমান ১ লাখ ৬৩ হাজার ৭৯৩ ভোট পেয়ে জয় পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আব্দুল হক পেয়েছেন ৮০ হাজার ৫৩ ভোট।


ঢাকা-৩ আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। জামায়াত ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে শাহীনুল ইসলাম পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।


ঢাকা-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সৈয়দ জয়নুল আবেদীন ৭৭ হাজার ৩৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন; নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির তানভীর আহমেদ পেয়েছেন ৭৪ হাজার ৪৪৭ ভোট।


ঢাকা-৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মো. কামাল হোসেন ৯৬ হাজার ৬৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. নবী উল্লা পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৯১ ভোট।


ঢাকা-৬ আসনে বিএনপির ইশরাক হোসেন ৭৮ হাজার ৮৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল মান্নান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৯৭ ভোট।


ঢাকা-৭ আসনে বিএনপির হামিদুর রহমান ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর এনায়েত উল্লা পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৪৮৩ ভোট।


ঢাকা-৮ আসনে বিএনপির মির্জা আব্বাস ৫৯ হাজার ৩৬৬ ভোট পেয়ে জয়ের স্বাদ পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী পেয়েছেন ৫৪ হাজার ১২৭ ভোট।


ঢাকা-৯ আসনে বিএনপির হাবিবুর রশিদ হাবিব পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এ আসনের আলোচিত প্রার্থী তাসনিম জারা পেয়েছেন ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট।


ঢাকা-১০ আসনে বিএনপি প্রার্থী শেখ রবিউল আলম ৮০ হাজার ৪৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দী জামায়াতে ইসলামীর জসিম উদ্দীন পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১৩৬ ভোট।


ঢাকা-১১ আসনে এনসিপির নাহিদ ইসলাম ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এম এ কাইয়ুম পেয়ছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট।


ঢাকা-১২ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সাইফুল আলম ৫৩ হাজার ৭৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯৬৩ ভোট। বিএনপির বিদ্রোহী সাইফুল আলম নীরব পেয়েছেন ২৯ হাজার ৮৬৯ ভোট।


ঢাকা-১৩ আসনে জয় পেয়েছেন ধানের শীষের প্রার্থী ববি হাজ্জাজ। তিনি পেয়েছেন ৮৮ হাজার ৩৮৭টি। অন্যদিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মামুনুল হক পেয়েছেন ৮৬ হাজার ৬৭টি ভোট।


ঢাকা-১৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মীর আহমাদ বিন কাসেম ১ লাখ ১ হাজার ১১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির সানজিদা ইসলাম তুলি পেয়েছেন ৮৩ হাজার ৩২৩ ভোট।


ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট।


ঢাকা-১৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল বাতেন ৮৮ হাজার ৮২৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির আমিনুল হক পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।


ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির তারেক রহমান ৭২ হাজার ৬৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর স ম খালিদুজ্জামান পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৩০০ ভোট।


ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির এস এম জাহাঙ্গীর ১ লাখ ৪৪ হাজার ৭১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির আরিফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২৯৭ ভোট।


ঢাকা-১৯ বিএনপির প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন ১ লাখ ৯০ হাজার ৯৭৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এনসিপির প্রার্থী দিলশানা পারুল পেয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ২৮৩ ভোট।


ঢাকা-২০ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী তমিজ উদ্দিন ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থী নাবিলা তাসনিম পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৭৮৭ ভোট।





ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৩২ এএম

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী মোড়ে এক নারীর স্বর্ণের কানের দুল ছিনিয়ে পালানোর সময় মো. সেলিম (২৮) নামে এক যুবককে আটক করেছে ট্রাফিক পুলিশ। আটকের পর তল্লাশি করে দুল না পেয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সেটি গিলে ফেলার কথা জানান তিনি। পরে বমি করিয়ে তার পেট থেকে ছিনতাই করা স্বর্ণের দুল উদ্ধার করা হয়।


বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা ১০ মিনিটের দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আটক সেলিম রাজধানীর রায়েরবাগ এলাকায় থাকেন।


ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় যাত্রাবাড়ী মোড়ে দায়িত্ব পালন করছিলেন ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা। এ সময় নিপা আক্তার নামে এক নারীর চিৎকার শুনে তারা দেখতে পান, এক ব্যক্তি দৌড়ে পালাচ্ছেন। পরে কর্তব্যরত সার্জেন্ট ইমরান মৃধা ওই ব্যক্তিকে ধাওয়া করে আটক করেন।


আটকের পর সেলিমের দেহ তল্লাশি করা হলেও তার কাছে স্বর্ণের কানের দুল পাওয়া যায়নি। পরে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দুলটি গিলে ফেলার কথা জানান। এরপর বমি করানোর মাধ্যমে তার পেট থেকে স্বর্ণের কানের দুলটি উদ্ধার করা হয়।


পরে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আটক সেলিম ও ভুক্তভোগী নারীকে যাত্রাবাড়ী থানায় পাঠানো হয়েছে।


এ বিষয়ে যাত্রাবাড়ী থানার ওসি মো. রাজু বলেন, ঘটনাটি সম্পর্কে তিনি এখনো অবগত নন। তবে এ ঘটনায় থানায় মামলা হবে বলেও জানান তিনি।

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৮ পিএম
  • আপডেট : বুধবার ২৬ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৯:২৪ এএম

বাদামতলীর অবৈধ পার্কিং উচ্ছেদে ডিএসসিসি প্রশাসকের নির্দেশ

বাবুবাজার ব্রিজের নিচের পার্কিং কার্যক্রম স্থগিত


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৮ পিএম

পুরান ঢাকার বাদামতলী মার্কেট সংলগ্ন সকল অবৈধ পার্কিং ও অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম।


​আজ মঙ্গলবার ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ আনিছুর রহমান বাদামতলী এলাকার অবৈধ স্থাপনা ও পার্কিং সমস্যা নিরসনে ডিএসসিসি প্রশাসকের কাছে সহায়তা চান। বিষয়টি অবগত হওয়ার পরপরই প্রশাসক তাৎক্ষণিকভাবে সব ধরনের অবৈধ পার্কিং ও স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দেশ দেন।


​ডিএসসিসি প্রশাসকের এই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) বলেন, "সরকারি কোনো দপ্তর থেকে এমন দ্রুত ও কার্যকর সিদ্ধান্ত পাওয়া সত্যিই প্রেরণাদায়ক। মাননীয় প্রশাসকের এই দূরদর্শী সিদ্ধান্তের ফলে আমরা দ্রুত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে পারব এবং বাদামতলী এলাকার দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন করা সম্ভব হবে।"


​বাবুবাজার ব্রিজের পার্কিং স্থগিত:


এদিকে, একটি জাতীয় দৈনিকে বাবুবাজার ব্রিজ এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজির সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার বিষয়টি ডিএসসিসির নজরে এসেছে। এর প্রেক্ষিতে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের বাবুবাজার ব্রিজের নিচে নবনির্মিত কার পার্কিংয়ের 'এ' থেকে 'ডি' পর্যন্ত ৪টি ব্লকের ২৮,০৫১.১২ বর্গফুট খোলা জায়গায় পরিচালিত চলমান কার পার্কিংয়ের সকল কার্যক্রম পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করা হয়েছে।


​এ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি প্রশাসক স্পষ্ট বার্তা দিয়ে বলেন, "সিটি কর্পোরেশন জনগণের সেবার জন্য। সুতরাং নাগরিকদের ভোগান্তি সৃষ্টি হয় বা ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, এমন কোনো কাজ সিটি কর্পোরেশন নিজে করবে না এবং অন্য কাউকেও করতে দেওয়া হবে না।"


ছবি : সংগৃহীত

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:৩৭ পিএম

জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। অধিবেশন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করেছে ডিএমপি। আজ বুধবার রাত ১২টা থেকে অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। সোমবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বৃহস্পতিবার থেকে অনুষ্ঠেয় অধিবেশন যাতে নির্বিঘ্নে চলে তা নিশ্চিতে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এ নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এলাকায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকবে।


যেসব এলাকায় নিষেধাজ্ঞা 

নিষেধাজ্ঞার আওতার মধ্যে পড়েছে ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরাতন বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত; বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত; পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত। এ ছাড়া মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি ১৬ (পুরনো ২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরাতন নবম ডিভিশন (উত্তরা জাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভেনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এসব সীমানার মধ্যে থাকা সব রাস্তা ও গলিপথ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।


জাহিদুল ইসলাম ও আল মামুন শিপলু

  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ২:৩০ পিএম

বরগুনা জেলা কল্যাণ ফোরামের ১১ সদস্যের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাজধানীর আদাবরে টোকিও স্কয়ার কনভেনশন সেন্টারে এক সভায় নতুন কমিটি গঠন করা হয়। সংগঠনের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  


কমিটিতে আদাবর থানার ওসি জাহিদুল ইসলামকে সভাপতি এবং বেতাগীর ব্যবসায়ী মো. আল মামুন শিপলুকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়েছে। এছাড়া জি এম জাফর আহমেদ সহসভাপতি, আজীম রিপন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আসাদুজ্জামান জুয়েল কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব পেয়েছেন। পাশাপাশি আরও ছয়জনকে কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়েছে।


মতবিনিময় সভায় বরগুনার বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও জেলার মানুষের কল্যাণে সম্মিলিতভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। ফোরামের কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে অসহায় মানুষের চিকিৎসা ও শিক্ষায় সহায়তা, দরিদ্র পরিবারের পাশে দাঁড়ানো, বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প আয়োজন, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং দুর্যোগের সময় জরুরি মানবিক সহায়তা প্রদান।


সংগঠনের নেতারা জানান, দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে বরগুনার মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ফোরামের মূল লক্ষ্য।


  • প্রকাশ : মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ১১:৫৩ এএম

রাজধানীর দক্ষিণখান এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবাসহ ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) এক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও তার এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৩ আগস্ট) দিবাগত রাতে উত্তরা আজমপুর কাঁচাবাজার ও বিসমিল্লাহ পল্লী এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।


গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—পল্লবী থানায় কর্মরত এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম (৪৩) এবং মো. ওয়াসিম (২৪)। সোমবার (২৪ আগস্ট) দক্ষিণখান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বখতিয়ার হোসেন তাদের গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।


পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মাদক কেনাবেচার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে প্রথমে আজমপুর কাঁচাবাজার এলাকায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে ওয়াসিমকে আটক করা হয় এবং তার দেহ তল্লাশি করে ৫০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ভাড়া বাসায় অভিযান চালিয়ে ২০০ পিস ইয়াবাসহ এএসআই শফিকুল ইসলামকে আটক করে পুলিশ।


পরবর্তীতে তাদের দুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজমপুর কাঁচাবাজারের বিসমিল্লাহ পল্লীর ৬৭ নম্বর নূর বিল্ডিংয়ের একটি ফ্ল্যাটে যৌথ তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে আরও ৫ হাজার ১১০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।


দক্ষিণখান থানার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শাহিনুর রহমান জানান, এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় গ্রেপ্তার দুজন ছাড়াও অজ্ঞাতপরিচয় আরও দু-তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। সোমবার তাদের আদালতে তোলা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা স্বীকার করেছেন যে, দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে দক্ষিণখান ও এর আশপাশের এলাকায় তারা খুচরা বিক্রি করতেন।


এ বিষয়ে পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এমদাদুল হক জানান, এএসআই মো. শফিকুল ইসলাম পল্লবী থানায় অনিয়মিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন এবং তার গ্রেপ্তারের খবর তারা পেয়েছেন।


  • প্রকাশ : সোমবার ২৪ আগস্ট, ২০২৬, সময় : ৩:১৩ পিএম

ঢাকার সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির ব্যবহার আরও বাড়ানো হচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে রাজধানীর আরও ৫০টি ট্রাফিক সিগন্যাল পয়েন্টে এআই ক্যামেরা বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


ইতোমধ্যে ঢাকার ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে সেমি-অটোমেটেড ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়েছে। এসব সিগন্যালের কয়েকটিতে পরীক্ষামূলকভাবে এআই ক্যামেরা যুক্ত করা হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে ট্রাফিক আইন অমান্যকারী যানবাহন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হচ্ছে।


চালকদের মধ্যেও এআই ক্যামেরা নিয়ে সতর্কতা তৈরি হয়েছে। তাদের কেউ কেউ বলছেন, সিগন্যাল অমান্য করলে এআইয়ের মাধ্যমে মামলা হওয়ার আশঙ্কা থাকায় এখন চালকরা আগের চেয়ে বেশি সতর্ক থাকছেন।


ডিএমপির একজন কর্মকর্তা বলেন, মানুষকে দীর্ঘদিনের অনিয়ম থেকে বের করে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা রাতারাতি সম্ভব নয়। তবে নতুন সিগন্যাল ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ মানুষের ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে।


তবে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে কিছু সীমাবদ্ধতার কথাও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফিটনেসবিহীন ও নিয়মবহির্ভূত যানবাহন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি যত্রতত্র পথচারী পারাপার ও ব্যাটারিচালিত রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে প্রযুক্তিটির কাঙ্ক্ষিত সুফল পাওয়া কঠিন হবে।


নতুন সিগন্যাল ব্যবস্থা পরিচালনায় অতিরিক্ত লোকবলও নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাকে আরও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিট গড়ে তোলার কাজ চলছে। সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এ ইউনিটকে প্রস্তুত করা হচ্ছে।