ঢাকা ১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ রংপুরে তিস্তা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার যৌথবাহিনীর হাতে রসিক কাউন্সিলর গ্রেফতার লোহাগাড়া সড়ক দূর্ঘটনা ট্রাজেডি: মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল আরও ৩জন লোহাগাড়ায় থামছেইনা মহাসড়কের মৃত্যুর মিছিল, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৫ আহত ৯ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রংপুরে ১২০ পরিবারে ঈদ পালন লঞ্চ থেকে আবর্জনা নদীতে ফেললে নেয়া হবে ব্যবস্থা রংপুরে প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনায় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন ভাই নিহত
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত মিলন

হত্যা মামলা থেকে প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার নাম প্রত্যাহারের আবেদন

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব্যুরো
  • Update Time : ০৪:৫৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪
  • / ৮৮ Time View

রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন মিলন হত্যা মামলা থেকে প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার নাম প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবি মোফাজ্জল হোসেন বকুল। তিনি বলেন, আদালত নাম প্রত্যাহারের এফিডেফিটটি গ্রহণ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এরআগে গত পহেলা সেপ্টেম্বর মেট্রোপলিটন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এফিডেফিটের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাকির হোসেন এবং সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের নাম প্রত্যাহারের আবেদন করেন মামলার বাদী মিলনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার।

এফিডেফিটে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ জুলাই রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান স্বর্ণ শ্রমিক মিলন।

২৭ আগস্ট রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাকির হোসেন, সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে রংপুর কোতয়ালী মেট্রো থানার কগনিজেন্স ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতয়ালী থানাকে এজাহার হিসেবে রেকর্ডের নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে গণমাধ্যম সূত্রে বাদী দিলরুবা আক্তার জানতে পারেন মামলায় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন ও সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের নাম অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। তারা মিলন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে বাদীর কোন প্রকার অভিযোগ নেই বলে এফিডেফিটে উল্লেখ করা হয়।

দিলরুবা বেগমের ছেলে বায়েজিদ হোসেন বলেন, বাবার মৃত্যুর পর পুরো পরিবার শোকাহত ছিল। আমার বাবা হত্যার ঘটনায় মা বাদী হয়ে মামলা করেছিল। সেই মামলা থেকে প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার নাম প্রত্যাহারে আবেদন করা হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে নিহত মিলন

হত্যা মামলা থেকে প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার নাম প্রত্যাহারের আবেদন

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব্যুরো
Update Time : ০৪:৫৫:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

রংপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন মিলন হত্যা মামলা থেকে প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্মকর্তার নাম প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছে।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন বাদী পক্ষের আইনজীবি মোফাজ্জল হোসেন বকুল। তিনি বলেন, আদালত নাম প্রত্যাহারের এফিডেফিটটি গ্রহণ করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

এরআগে গত পহেলা সেপ্টেম্বর মেট্রোপলিটন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এফিডেফিটের মাধ্যমে বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাকির হোসেন এবং সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের নাম প্রত্যাহারের আবেদন করেন মামলার বাদী মিলনের স্ত্রী দিলরুবা আক্তার।

এফিডেফিটে উল্লেখ করা হয়, গত ১৯ জুলাই রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সামনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান স্বর্ণ শ্রমিক মিলন।

২৭ আগস্ট রংপুর বিভাগীয় কমিশনার মোঃ জাকির হোসেন, সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসান, জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে রংপুর কোতয়ালী মেট্রো থানার কগনিজেন্স ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে কোতয়ালী থানাকে এজাহার হিসেবে রেকর্ডের নির্দেশ দেয়।

পরবর্তীতে গণমাধ্যম সূত্রে বাদী দিলরুবা আক্তার জানতে পারেন মামলায় রংপুর বিভাগীয় কমিশনার জাকির হোসেন ও সাবেক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোবাশ্বের হাসানের নাম অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে। তারা মিলন হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত ছিলেন না। তাদের বিরুদ্ধে বাদীর কোন প্রকার অভিযোগ নেই বলে এফিডেফিটে উল্লেখ করা হয়।

দিলরুবা বেগমের ছেলে বায়েজিদ হোসেন বলেন, বাবার মৃত্যুর পর পুরো পরিবার শোকাহত ছিল। আমার বাবা হত্যার ঘটনায় মা বাদী হয়ে মামলা করেছিল। সেই মামলা থেকে প্রশাসনের দুই কর্মকর্তার নাম প্রত্যাহারে আবেদন করা হয়েছে।