ঢাকা ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সূর্যের প্রখরতা আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ

মাইদুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
  • Update Time : ১১:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪
  • / ২০৫ Time View

Oplus_131072

গাইবান্ধায় প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জন জীবন অতিষ্ঠ। সেই সাথে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মানুষের নাভিশ্বাস। জেলার সাত উপজেলার চারিদিকে রোদে খা খা করছে। প্রচন্ড গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে মানুষ ছুটছেন গাছের ছায়ায়। আবার অনেকে ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম খেয়ে স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

বুধবার(১৭ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের রাস্তাঘাটে দেখা যায় গরমের চোটে মানুষের হাঁসফাঁসের চিত্র। এ সময় অনেকে ঘাম ঝরা দেহ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। গত ৩ দিন ধরে দিনের বেলায় কাঠফাটা রোদ। আর এই রোদে পুড়ছে কৃষকের মাঠঘাট। বাসা-বাড়ি ও পথঘাটের প্রচ- তাপ, কোথাও স্বস্তি নেই। ফলে বেড়েছে দাবদাহ। অসহনীয় গরমে মানুষের মাঝে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ কোনো কাজই ঠিকমতো করতে পারছে না। অফিস-আদালতের কর্মজীবীদেরও ওষ্ঠাগত অবস্থা। তীব্র গরমে তারা ঠিকমতো কাজকর্ম করতে পারছে না। সেই সাথে গাইবান্ধায় ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনগনের ওষ্ঠাগত অবস্থা।

বিশেষ করে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। কাঠফাঁটা রোদ আর অসহনীয় গরমে কৃষক মাঠে কাজ করতে পারছে না। সেই সঙ্গে সিএনজি, আটোরিকশা ও ভ্যান চালকদেরও একই অবস্থায়। অনেকে জীবিকার তাগিদে বাড়ি থেকে বের হলেও রোদ-ভ্যাপসা গরমে অস্থির হয়ে উঠছেন। বাধ্য হয়ে তারা ফিরছেন বাড়িতে। এর ফলে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে।

গাইবান্ধার রিক্সা চালক মন্টু মিয়া জানান, যে গরম পড়ছে বাবা যাত্রীও নাই তার মধ্যে রোদ! কামাই রোজগারও কম। খুব খারাপ অবস্থায় আছি।

চাষী মজনু মিয়া জানান, ভাইরে গরমের কারণে বাইরে যেতে পারছি না! কাম না করলে খামো কি! এই গরম যে কতদিন থাকবে আল্লাহ জানে!

Please Share This Post in Your Social Media

সূর্যের প্রখরতা আর ভ্যাপসা গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ

মাইদুল ইসলাম, গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি
Update Time : ১১:৪৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

গাইবান্ধায় প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে জন জীবন অতিষ্ঠ। সেই সাথে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে মানুষের নাভিশ্বাস। জেলার সাত উপজেলার চারিদিকে রোদে খা খা করছে। প্রচন্ড গরমে মানুষের হাঁসফাঁস অবস্থা। গরম থেকে একটু স্বস্তি পেতে মানুষ ছুটছেন গাছের ছায়ায়। আবার অনেকে ঠান্ডা পানীয় ও আইসক্রিম খেয়ে স্বস্তি পাওয়ার চেষ্টা করছেন।

বুধবার(১৭ এপ্রিল) দুপুরে গাইবান্ধা শহরের রাস্তাঘাটে দেখা যায় গরমের চোটে মানুষের হাঁসফাঁসের চিত্র। এ সময় অনেকে ঘাম ঝরা দেহ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। গত ৩ দিন ধরে দিনের বেলায় কাঠফাটা রোদ। আর এই রোদে পুড়ছে কৃষকের মাঠঘাট। বাসা-বাড়ি ও পথঘাটের প্রচ- তাপ, কোথাও স্বস্তি নেই। ফলে বেড়েছে দাবদাহ। অসহনীয় গরমে মানুষের মাঝে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এর প্রভাবে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ কোনো কাজই ঠিকমতো করতে পারছে না। অফিস-আদালতের কর্মজীবীদেরও ওষ্ঠাগত অবস্থা। তীব্র গরমে তারা ঠিকমতো কাজকর্ম করতে পারছে না। সেই সাথে গাইবান্ধায় ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটে জনগনের ওষ্ঠাগত অবস্থা।

বিশেষ করে বিপাকে পড়েছে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষ। কাঠফাঁটা রোদ আর অসহনীয় গরমে কৃষক মাঠে কাজ করতে পারছে না। সেই সঙ্গে সিএনজি, আটোরিকশা ও ভ্যান চালকদেরও একই অবস্থায়। অনেকে জীবিকার তাগিদে বাড়ি থেকে বের হলেও রোদ-ভ্যাপসা গরমে অস্থির হয়ে উঠছেন। বাধ্য হয়ে তারা ফিরছেন বাড়িতে। এর ফলে শ্রমজীবী মানুষের জীবনযাত্রা ব্যহত হচ্ছে।

গাইবান্ধার রিক্সা চালক মন্টু মিয়া জানান, যে গরম পড়ছে বাবা যাত্রীও নাই তার মধ্যে রোদ! কামাই রোজগারও কম। খুব খারাপ অবস্থায় আছি।

চাষী মজনু মিয়া জানান, ভাইরে গরমের কারণে বাইরে যেতে পারছি না! কাম না করলে খামো কি! এই গরম যে কতদিন থাকবে আল্লাহ জানে!