ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পৃথিবীর কাছাকাছি গ্রহাণু পতনের পর্যবেক্ষণে সফল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • Update Time : ০৭:২১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৮২ Time View

সম্প্রতি পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণুর পতনের বিরল ছবি ধারণ করেছে চীনের একাধিক মানমন্দির। চায়না সায়েন্স ডেইলির তথ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীতে গ্রহাণু আঘাতের ১১তম সফল আগাম সতর্কবার্তা ও ২০২৪ সালের চতুর্থ সতর্কবার্তা। চীনা সংবাদমাধ্যম সিএমজি এ খবর জানিয়েছে।

২০২৪ এক্সএ১ নামের গ্রহাণুটির ব্যাস ৭৫ সেন্টিমিটার থেকে ১ মিটারের মধ্যে। গত মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) এটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিস্কোপে ধরা পড়ে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধার কারণে চীনা মানমন্দিরগুলো গ্রহাণুটি পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চায়না একাডেমি অব সায়েন্সেসের ইয়ুননান মানমন্দিরের লিচিয়াং শাখা ওইদিন ২ দশমিক ৪ মিটার টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এটি পর্যবেক্ষণ করে।

গ্রহাণুটি পূর্ব সাইবেরিয়ার বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে একটি উজ্জ্বল আগুনের গোলক সৃষ্টি করে। আবিষ্কারের পর থেকে পতনের মধ্যবর্তী সময়টা ছিল ১২ ঘণ্টার কম।

লিচিয়াং মানমন্দিরের গবেষক চাং সিলিয়াং জানান, পর্যবেক্ষণ দল গ্রহাণুটির দ্রুত গতির জন্য আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল ও পতনের এক ঘণ্টার মধ্যে ছবি ধারণ করে।

চীনের পার্পল মাউন্টেন মানমন্দির (পিএমও) এবং লেংহু মানমন্দিরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে। পার্পল মাউন্টেন মানমন্দির পৃথিবীতে আঘাতের ৪২ মিনিট আগে গ্রহাণুটির ছবি তুলতে পেরেছিল।

পৃথিবীর কাছাকাছি গ্রহাণুগুলি পর্যবেক্ষণ এবং ভবিষ্যদ্বাণী করার পদ্ধতিগুলো নিয়ে আরও গবেষণা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পিএমও।

Please Share This Post in Your Social Media

পৃথিবীর কাছাকাছি গ্রহাণু পতনের পর্যবেক্ষণে সফল চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
Update Time : ০৭:২১:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪

সম্প্রতি পৃথিবীর নিকটবর্তী গ্রহাণুর পতনের বিরল ছবি ধারণ করেছে চীনের একাধিক মানমন্দির। চায়না সায়েন্স ডেইলির তথ্য অনুযায়ী, এটি পৃথিবীতে গ্রহাণু আঘাতের ১১তম সফল আগাম সতর্কবার্তা ও ২০২৪ সালের চতুর্থ সতর্কবার্তা। চীনা সংবাদমাধ্যম সিএমজি এ খবর জানিয়েছে।

২০২৪ এক্সএ১ নামের গ্রহাণুটির ব্যাস ৭৫ সেন্টিমিটার থেকে ১ মিটারের মধ্যে। গত মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) এটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিস্কোপে ধরা পড়ে। তবে ভৌগোলিক অবস্থানগত সুবিধার কারণে চীনা মানমন্দিরগুলো গ্রহাণুটি পর্যবেক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। চায়না একাডেমি অব সায়েন্সেসের ইয়ুননান মানমন্দিরের লিচিয়াং শাখা ওইদিন ২ দশমিক ৪ মিটার টেলিস্কোপ ব্যবহার করে এটি পর্যবেক্ষণ করে।

গ্রহাণুটি পূর্ব সাইবেরিয়ার বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে একটি উজ্জ্বল আগুনের গোলক সৃষ্টি করে। আবিষ্কারের পর থেকে পতনের মধ্যবর্তী সময়টা ছিল ১২ ঘণ্টার কম।

লিচিয়াং মানমন্দিরের গবেষক চাং সিলিয়াং জানান, পর্যবেক্ষণ দল গ্রহাণুটির দ্রুত গতির জন্য আগাম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল ও পতনের এক ঘণ্টার মধ্যে ছবি ধারণ করে।

চীনের পার্পল মাউন্টেন মানমন্দির (পিএমও) এবং লেংহু মানমন্দিরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ করেছে। পার্পল মাউন্টেন মানমন্দির পৃথিবীতে আঘাতের ৪২ মিনিট আগে গ্রহাণুটির ছবি তুলতে পেরেছিল।

পৃথিবীর কাছাকাছি গ্রহাণুগুলি পর্যবেক্ষণ এবং ভবিষ্যদ্বাণী করার পদ্ধতিগুলো নিয়ে আরও গবেষণা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পিএমও।