ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫, ১৬ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
ইলিয়াস আলীসহ গুম হওয়া সবাইকে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবি স্বজনদের গুলিস্তানে চোরাই মোবাইল চক্রের দশ সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার: উদ্ধার ১০৩টি ফোন মুনিয়া হত্যাকাণ্ডে আফ্রিদির সম্পৃক্ততা খতিয়ে দেখবে সিআইডি : রাষ্ট্রপক্ষ পাগলা মসজিদের দানবাক্সে মিলল ১২ কোটি টাকা নিজের জুস পান করে নিজেই বেহুঁশ অজ্ঞান পার্টির সদস্য ! জামাতের গায়ে ছুঁচোর গন্ধ বনাম নির্বাচন বানচালের নতুন তত্ত্ব “পি আর”  ফরিদপুরের গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী চুন্নু লাগামহীন দুর্নীতির পরও বহাল তবিয়তে হাত বেঁধে-মুখ ঢেকে নৌকায় চাপিয়ে জোর করে সাগরে ফেলা হয় জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ দেশকে বেআইনি মবের শাসন থেকে বেরিয়ে আসতে হবেঃ তারেক রহমান
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তিস্তা পরিকল্পনা ও নদীভাঙন রোধে কাজ করছে সরকার

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব্যুরো
  • Update Time : ০৫:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / ১১৩ Time View
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে যেন তিস্তাপাড়ের মানুষ আর ভাঙনের শিকার না হয়, সেদিকে লক্ষ রেখেই তিস্তা পরিকল্পনার কাজ চলছে। সেই সঙ্গে নদীভাঙন রোধে কাজ করছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় পাঞ্জরভাঙ্গা এলাকায় তিস্তা নদী ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা একটি বৃহৎ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প। বিগত সরকার নদীপাড়ের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল। বর্তমান সরকার নদীপাড়ের মানুষের মতামতে এবং চীনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
উপদেষ্টা আরও বলেন,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা মূলত বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগ। কাজেই এটি চূড়ান্ত করতে উভয় দেশের সম্মতির প্রয়োজন। এ কয়েক মাসে আমরা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছি।

রিজওয়ানা বলেন, আগামী ১৭ জুলাই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে পাঁচটি মূল বিষয়ের উপর চূড়ান্ত আলোচনা করা হবে। এরপর সেই সুপারিশ সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সরকারের অনুমোদনের পর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মাধ্যমে চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। চীন বিস্তারিত মূল্যায়ন শেষে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিলে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।

এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এনায়েত উল্লাহ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোবাশশেরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক রবিউল ইসলাম, রংপুর পাউবোর প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, ইউএনও মহিদুল হক, কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ শাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান

তিস্তা পরিকল্পনা ও নদীভাঙন রোধে কাজ করছে সরকার

কামরুল হাসান টিটু, রংপুর ব্যুরো
Update Time : ০৫:২৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে যেন তিস্তাপাড়ের মানুষ আর ভাঙনের শিকার না হয়, সেদিকে লক্ষ রেখেই তিস্তা পরিকল্পনার কাজ চলছে। সেই সঙ্গে নদীভাঙন রোধে কাজ করছে সরকার।
মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) দুপুরে রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় পাঞ্জরভাঙ্গা এলাকায় তিস্তা নদী ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
উপদেষ্টা বলেন, ‘তিস্তা মহাপরিকল্পনা একটি বৃহৎ ও দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প। বিগত সরকার নদীপাড়ের মানুষের মতামতকে গুরুত্ব না দিয়ে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছিল। বর্তমান সরকার নদীপাড়ের মানুষের মতামতে এবং চীনের সঙ্গে পরামর্শ করে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
উপদেষ্টা আরও বলেন,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যেই প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।’
তিনি বলেন, তিস্তা মহাপরিকল্পনা মূলত বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগ। কাজেই এটি চূড়ান্ত করতে উভয় দেশের সম্মতির প্রয়োজন। এ কয়েক মাসে আমরা প্রকল্প বাস্তবায়নের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছি।

রিজওয়ানা বলেন, আগামী ১৭ জুলাই বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে বসে পাঁচটি মূল বিষয়ের উপর চূড়ান্ত আলোচনা করা হবে। এরপর সেই সুপারিশ সরকারের কাছে পাঠানো হবে। সরকারের অনুমোদনের পর অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মাধ্যমে চীনা কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। চীন বিস্তারিত মূল্যায়ন শেষে চূড়ান্ত রিপোর্ট দিলে প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শুরু হবে।

এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক এনায়েত উল্লাহ, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোবাশশেরুল ইসলাম, জেলা প্রশাসক রবিউল ইসলাম, রংপুর পাউবোর প্রধান প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, ইউএনও মহিদুল হক, কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ শাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।