এবার ফেনীর লালপুল এলাকায় প্রাইভেটকারে বিপন্ন প্রজাতির ৩ হনুমান উদ্ধারসহ আটক-২

- Update Time : ০৭:২৪:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৩
- / ১৮০ Time View
ফেনীর লালপুল এলাকায় সপ্তাহের ব্যবধানে আবারো বিপন্ন প্রজাতির তিনটি মুখ পোড়া হনুমানসহ ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ১৪ অক্টোবর রাত ১০টার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপুল এলাকায় হনুমানগুলো উদ্ধার করা হয়।
আটকৃতরা হলেন সুজন পিতা মৃত মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন বক্তারমুন্সি গ্রাম সোনাগাজী- ফেনী ও নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার বেলিয়া গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে শাকিল।
পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী একটি প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে সেখানে তিনটি মুখপোড়া কালো হনুমান উদ্ধার করা হয়।
এ সময় লাইসেন্স বা পারমিট ছাড়া বিপন্ন প্রজাতির হনুমান বিক্রি ও পাচারের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখায় মো. সুজন উদ্দিন (২৪) ও মো. শাকিল নামে দুজনকে আটক করা হয়।
১৫ অক্টোবর রোববার সকালে ফেনীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) থোয়াই অং প্রু মারমা ফেনী মডেল থানা মাঠে সংবাদ সন্মেলনে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের কাছে হনুমান গুলোকে হস্তান্তর করেন।
সামাজিক বন বিভাগ ফেনী সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা বাবুল চন্দ্র বলেন, হনুমানগুলোকে চট্টগ্রামের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কক্সবাজার ডুলা হাজরা সাফারি পার্কে পাঠানো হবে।
গত ৭ অক্টোবর শনিবার রাতেও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের লালপুল এলাকা থেকে জিএস ট্রাভেলের একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি মুখপোড়া হনুমান ও ১৬টি কচ্ছপ উদ্ধার করা হয়েছিল।
এ সময় লাইসেন্স বা পারমিট ছাড়া বিপন্ন প্রজাতির হনুমান ও কচ্ছপ পাচারের উদ্দেশ্যে নিজ হেফাজতে রাখায় আহাদুজ্জামান রাজু (৪২) নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (ওসি) শহীদুল ইসলাম চৌধুরী, ফেনী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মাহফুজুর রহমান ও ফেনী শহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মিজানুর রহমান।