বিআইডব্লিউটিসিনামা-৫
আশিক-মহসিন গং ছাত্র-জনতার আন্দোলন প্রতিহত করে ১৫ আগষ্ট পালনের প্রস্তুতি নিচ্ছিল

- Update Time : ০৮:১২:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৪
- / ৪৩ Time View
বিআইডব্লিউটিসি’র লুটপাটকারী দুর্নীতিবাজ ক্ষমতাধর আওয়ামী লীগের নেতা, আশিক ও মহসিন গং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের প্রতিহত করে ১৫ আগষ্ট উৎযাপন করার জন্য কোন কোন খাত থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে হবে তারই প্রেক্ষিতে গত ০১/০৮/২০২৪ইং তারিখে সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে মিটিং করে কিন্তু ০৫/০৮/২০২৪ইং তারিখে বিধি বাম আল্লাহরগজব নাজিল হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিবের সহযোগিতায় নৌপ্রতিমন্ত্রির এপিএস বাশারের অর্থ পাচারের সহায়তাকারী ও ছাত্র লীগের নেতা আশিকুজ্জামান নিয়মবহির্ভূত পরিচালক (বাণিজ্য) অফিসার্স এসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট, দুদককে তোয়াক্কা না করে বিআইডব্লিউটিসিতে একনায়কতন্ত্র কায়েম করে এবং লুজযাত্রী আরিচা ঘাটে ২২ লক্ষ টাকা হলেও সংস্থায় জমাদেয় মাত্র ৯৬ হাজার টাকা। তারই নেতৃত্বে, টেন্ডার ছাড়া ১০ কোটি টাকা দিয়ে জাহাজ মেরামত করলেন, সার্কুলার ছাড়া চুক্তি ভিত্তিক নিয়োগ দিলেন, অর্থের বিনিময়ে জিএম মেরিনকে নিয়োগ দিলেন, এবং অবৈধ জিএম মেরিনকে আবার সিনিয়র জিএমদের টপকিয়ে পরিচালক (অর্থ) পদে নিয়োগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিলেন। চায়নার যন্ত্রাংশ আমরিকা বলে চালিয়ে দিচ্ছেন। পত্রিকায় প্রকাশিত ১০/০৩/২০২২ইং তারিখে “এমভি বঙ্গমাতা” ও “এমভি বঙ্গতরী” ৬৪ কোটি টাকা খরচেও মেলেনি দুটি যাত্রীবাহী নৌযান। এভাবেই প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক বিভিন্ন প্রকল্পের নামে সরকারী অর্থ বরাদ্দ করে লোপাট করা হয়, যা ভবিষ্যতে কেউ খতিয়ে দেখে না।
দুদকের দুর্নীতির দায়ে সাব্যস্ত জাতীয় শ্রমিক লীগের নেতা, বিআইডব্লিউটিসি ওয়ার্কার্স ইউনিয়ন- এর সভাপতি ও সাবেক এমপি শাজাহান খান ও এমপি নজরুল ইসলাম বাবুর আস্তাভাজন আড়াই হাজার উপ জেলার প্রায়-২৭টি প্রাইমারি স্কুলের সভাপতি মহসিন ভুইয়া গং সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন ও সাম্প্রদায়িকতার হুমকি স্বরুপ, দূর্নীতির হোতা মহসিন ভূইয়া, তার প্লট, ফ্লাট, বাড়ী, জায়গাজমি, বাগানবাড়ীর, দোকান, নামে বে-নামে। সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে টার্মিনাল সুপারেনটেন্ড পদ পদবী বিধি ও প্রবিধান মালা, অর্গানোগ্রাম, মেইনিংস্কেলও নাই, তারপরেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রধান কার্যালয়ে পদস্থ থেকে বেতনের সাথে প্রতি মাসে ২৯০০/- টাকা, ১৫ বৎসরে প্রায় ৫,২২,০০০/- লক্ষ টাকা বেশি নিচ্ছে।
এদের সহযোগিতায় সংস্থার জমিগুলি বেহাত হয়ে যাচ্ছে। পুনর্বাসন ও মেরামতের নামে সংস্থায় হরিলুট চালাচ্ছে। কর্মচারীদের অভিযোগ (ফ্যাসিষ্ট সরকারের প্রভাব খাটিয়ে আমাদের নীপিড়ন, নির্যাতন, বদলী, জরুরী আইনে প্রায় ৭বৎসর সাময়িক বরখাস্ত, চাকুরী চ্যুত্ত করে, সংস্থার স্বার্থে কথা বলা যাবে না ও লেখাও যাবে না এশর্তে ৩০০ টাকার স্ট্যামের অঙ্গিকার নামা লিখিত নেয়, স্কেল ডাউন করে দেয়, পদোন্নতি না দিয়ে বিভিন্নভাবে আমাদের হয়রানি করে।
১৫ বৎসর যাবৎ আমরা শুধু হয়রানির শিকার হয়েছি, সংস্থার সকল সুযোগ সুবিধা থেকে আমাদেরকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সংস্থার ক্ষতিসাধন করি নাই, ফান্ড তসরুপ করি নাই, প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি বেদখলে সহযোগিতা করি নাই, এরপরেও এত শান্তি দেওয়া হল কেন? আমাদের কি অপরাথ ছিল?