ঢাকা ১২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বৈঠকে বক্তারা

টঙ্গীর পরিবেশ বসবাসের উপযোগী নয়, ওয়াশিং ফ্যাক্টরি থেকে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা

অলিদুর রহমান অলি
  • Update Time : ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / ২৩৪ Time View

টঙ্গীর তৈরী পোশাকশিল্প এলাকায় পরিবেশগত ও সামাজিক মানদণ্ড নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ লেবার স্টাডিজ-বিলস এর উদ্যোগে এবং কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভ (সিএফএলআই) এর সহায়তায় যুবা ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠক ও স্থানীয় কমিউনিটি প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, শনিবার পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বিলস এর উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এ এ এম ফয়েজ হোসেন। এতে বিভিন্ন পেশা ও শেণীর মানুষ বিশেষ করে ব্যবসায়ী, বাড়ির মালিক, স্থানীয় ও জাতীয় মিডিয়ার সাংবাদিক সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে টঙ্গীর বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি বর্তমানে মানুষের বসবাসের উপযোগী নেই উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, টঙ্গীতে সবুজায়নের উদ্যোগ অপ্রতুল, এলাকা আবর্জনাময়, জলাবদ্ধতা সারা বছরের চিত্র এবং নদীর পানি দূষিত। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণে সচেতনতা সবচেয়ে বেশী জরুরী। এ ক্ষেত্রে প্রথমে নিজেদের সচেতন হতে হবে। তারপর কমিউনিটিকে সচেতন করতে হবে। এরপর সকলে মিলে প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের কাছে সমস্যাগুলো তুলে ধরতে হবে এবং সমস্যা নিরসনে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এই কাজের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ের ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা পরামর্শ দেন, এ ক্ষেত্রে কমিউনিটির কাছ থেকে ট্রেড ইউনিয়ন সমস্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

বক্তারা বলেন, জলাবদ্ধতা টঙ্গীতে সবচেয়ে বড় সমস্যা। এই সমস্যা তৈরী করছে ওয়াশিং ফ্যাক্টরিগুলো। সিটি কর্পোরেশনকে এটা দুর করতে হবে। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে হবে যাতে বাড়ির মালিকরা অপরিকল্পিতভাবে ওয়াশিং ফ্যাক্টরিকে বাড়ি ভাড়া না দেন। এ কাজ করতে পারলে টঙ্গি এলাকার শতকরা পঞ্চাশ ভাগ সমস্যার সমাধান করা যাবে বলে তারা মন্তব্য করেন। তারা আরও বলেন, পানি দূষণ রোধে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। এ ছাড়া পার্কিং জোন শহর থেকে সরাতে হবে, তা না হলে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এ ছাড়া পরিবেশ দূষণকারীর ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন কঠোর হলে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিলে সমস্যার সমাধান সহজ হতে পারে বলে তারা মতামত ব্যক্ত করেন।

সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তা মাকসুদা আক্তার তামান্না বলেন, টঙ্গী এলাকার জনগণকে সমন্বিতভাবে সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মতভেদ ভুলে মতৈক্য তৈরী করতে হবে। তিনি বলেন, গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবে সিটি কর্পোরেশনকে জনগণের টাকায় কাজ করতে হয়। তাই জনগণকে কর নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

বৈঠকে বক্তারা

টঙ্গীর পরিবেশ বসবাসের উপযোগী নয়, ওয়াশিং ফ্যাক্টরি থেকে জলাবদ্ধতা বড় সমস্যা

অলিদুর রহমান অলি
Update Time : ০৮:৪৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

টঙ্গীর তৈরী পোশাকশিল্প এলাকায় পরিবেশগত ও সামাজিক মানদণ্ড নিশ্চিতকরণে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ লেবার স্টাডিজ-বিলস এর উদ্যোগে এবং কানাডা ফান্ড ফর লোকাল ইনিশিয়েটিভ (সিএফএলআই) এর সহায়তায় যুবা ট্রেড ইউনিয়ন সংগঠক ও স্থানীয় কমিউনিটি প্রতিনিধিদের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ২৯ নভেম্বর, ২০২৫, শনিবার পৌরসভা কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বিলস এর উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এ এ এম ফয়েজ হোসেন। এতে বিভিন্ন পেশা ও শেণীর মানুষ বিশেষ করে ব্যবসায়ী, বাড়ির মালিক, স্থানীয় ও জাতীয় মিডিয়ার সাংবাদিক সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে টঙ্গীর বর্তমান পরিবেশ পরিস্থিতি বর্তমানে মানুষের বসবাসের উপযোগী নেই উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, টঙ্গীতে সবুজায়নের উদ্যোগ অপ্রতুল, এলাকা আবর্জনাময়, জলাবদ্ধতা সারা বছরের চিত্র এবং নদীর পানি দূষিত। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণে সচেতনতা সবচেয়ে বেশী জরুরী। এ ক্ষেত্রে প্রথমে নিজেদের সচেতন হতে হবে। তারপর কমিউনিটিকে সচেতন করতে হবে। এরপর সকলে মিলে প্রশাসন ও স্থানীয় সরকারের কাছে সমস্যাগুলো তুলে ধরতে হবে এবং সমস্যা নিরসনে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এই কাজের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ের ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে পারে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তারা পরামর্শ দেন, এ ক্ষেত্রে কমিউনিটির কাছ থেকে ট্রেড ইউনিয়ন সমস্যা সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।

বক্তারা বলেন, জলাবদ্ধতা টঙ্গীতে সবচেয়ে বড় সমস্যা। এই সমস্যা তৈরী করছে ওয়াশিং ফ্যাক্টরিগুলো। সিটি কর্পোরেশনকে এটা দুর করতে হবে। এ ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে হবে যাতে বাড়ির মালিকরা অপরিকল্পিতভাবে ওয়াশিং ফ্যাক্টরিকে বাড়ি ভাড়া না দেন। এ কাজ করতে পারলে টঙ্গি এলাকার শতকরা পঞ্চাশ ভাগ সমস্যার সমাধান করা যাবে বলে তারা মন্তব্য করেন। তারা আরও বলেন, পানি দূষণ রোধে ড্রেনেজ ব্যবস্থার সংস্কার করতে হবে। এ ছাড়া পার্কিং জোন শহর থেকে সরাতে হবে, তা না হলে যানজট নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। এ ছাড়া পরিবেশ দূষণকারীর ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়ে সিটি কর্পোরেশন কঠোর হলে এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিলে সমস্যার সমাধান সহজ হতে পারে বলে তারা মতামত ব্যক্ত করেন।

সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তা মাকসুদা আক্তার তামান্না বলেন, টঙ্গী এলাকার জনগণকে সমন্বিতভাবে সিটি কর্পোরেশনকে সহায়তা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মতভেদ ভুলে মতৈক্য তৈরী করতে হবে। তিনি বলেন, গুরুত্ব অনুযায়ী কাজগুলো এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। তবে সিটি কর্পোরেশনকে জনগণের টাকায় কাজ করতে হয়। তাই জনগণকে কর নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে।