ঢাকা ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

“১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থান নেই”: জাবি উপাচার্য

জাবি প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৫:২১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৮০ Time View

১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান।

গতকাল (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আজ (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

এসময় তিনি আরো বলেন, “২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় আমরা বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়-নীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই। বৈচিত্র্যের নামে ছাত্র-জনতার মধ্যে বিভাজন তৈরি করা যাবে না। ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থান নেই, বরং চলমান প্রক্রিয়া। ১৯৭১ সালে আমরা মানচিত্র পেয়েছি। তবে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঠিক বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারনেই ২৪ এসেছে। আমরা এর সঠিক বাস্তবায়ন চাই। উপাচার্য বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সফলতা ধরে রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ বলেন, “২০১১ সালে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপের পর এদেশের জনগণ ভোটের অধিকার হারিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে নানারকম বৈষম্যের শিকার হয়েছে। কোটা বৈষম্য দূর করার জন্য ছাত্র-জনতা আন্দোলন শুরু করেছিলো। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ কোটা বৈষম্য দূর করেছে এবং স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারেরও পতন হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, প্রক্টর, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিজয় উৎসব ২০২৪ অনুষ্ঠানে ৪ জন কবিকে সম্মাননা দেওয়া হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

“১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থান নেই”: জাবি উপাচার্য

জাবি প্রতিনিধি
Update Time : ০৫:২১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪

১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থান নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপাচার্য অধ্যাপক কামরুল আহসান।

গতকাল (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সেলিম আল দীন মুক্তমঞ্চে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। আজ (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

এসময় তিনি আরো বলেন, “২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের চেতনায় আমরা বৈষম্যমুক্ত, ন্যায়-নীতির বাংলাদেশ গড়তে চাই। বৈচিত্র্যের নামে ছাত্র-জনতার মধ্যে বিভাজন তৈরি করা যাবে না। ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের মধ্যে সাংঘর্ষিক কোনো অবস্থান নেই, বরং চলমান প্রক্রিয়া। ১৯৭১ সালে আমরা মানচিত্র পেয়েছি। তবে ১৯৭১ এর মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সঠিক বাস্তবায়ন হয়নি। এ কারনেই ২৪ এসেছে। আমরা এর সঠিক বাস্তবায়ন চাই। উপাচার্য বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সফলতা ধরে রাখতে সকলকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সোহেল আহমেদ বলেন, “২০১১ সালে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বিলোপের পর এদেশের জনগণ ভোটের অধিকার হারিয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে নানারকম বৈষম্যের শিকার হয়েছে। কোটা বৈষম্য দূর করার জন্য ছাত্র-জনতা আন্দোলন শুরু করেছিলো। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে জনগণ কোটা বৈষম্য দূর করেছে এবং স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ট সরকারেরও পতন হয়েছে। বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা রক্ষায় আমাদের সকলকে সচেষ্ট থাকতে হবে।”

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রব, প্রক্টর, ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের পরিচালক ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। বিজয় উৎসব ২০২৪ অনুষ্ঠানে ৪ জন কবিকে সম্মাননা দেওয়া হয়।