ঢাকা ০৫:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ১৯ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
বিআইডব্লিউটিসিনামা-৩

স্বৈরাচারী হাসিনার দোসর আশিকুজ্জামান গংরা কোটি কোটি টাকার মালিক

আবদুল গাফফার মাহমুদ
  • Update Time : ০৬:৫৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪
  • / ৫৬ Time View

লুটপাট, চাঁদাবাজী করে বিআইডব্লিউটিসি ধ্বংসকারী পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান ও তার সিন্ডিকেট সদস্যরা প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকার মালিক। অবৈধ টাকার জোরে এখন তারা বিএনপির নেতাদের কারো কারো দ্বারস্থ হচ্ছে।

সূত্রমতে, ফেরীতে গাড়ী বুকিং দিয়েই তারা কোটি কোটি টাকা আয় করে। এখান থেকে তারা সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে থাকে। আশিকের নেতৃত্বেই টপ টু বটম এসব টাকা বিলি বন্টন হয়ে থাকে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট, আরিচা-কাজিরহাট, লাাহারহাট-বেদুরিয়া, ভোলা-লক্ষ্মীপুর ইত্যাদি ঘাটে তারা চাঁদাবাজি করে থাকে। আশিকুজ্জামানের পদটি হবার কথা এডমিন ক্যাডারের। পোস্টিং হবার কথা মন্ত্রণালয়ে। অন্যান্য সব পরিচালক যুগ্ম সচিব পমদর্যাদার। কিন্তু একমাত্র আশিকুজ্জামানই নন ক্যাডারের হয়ে এই পদে অধিষ্ঠিত আছেন। যার ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবাই তটস্থ থাকে।

আশিকুজ্জামান গং দায়িত্ব নিয়েই মন্ত্রী বর্তমানে উপদেষ্টা, পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (টেকনিক্যাল) প্রত্যেককে কুক্ষিগত করে রেখেছেন। ফলে তারা তার কোন কাজকর্ম নিয়ে মাথা মাঘায় না। বড় গাড়ী, ট্রাক, বাস, লরী ইত্যাদির বুকিং থেকে তারা ট্রিপ মেরে দিয়ে টাকা আত্মসাত করে। যেমন ৬০/৭০টি ট্রিপ হলে তারা ৫০টির হিসাবে দেখায়। জাহাজের ট্রিপের সাথে লগ বইয়ের কোন মিল নেই। লগ বই চেক করলেই সব বেরিয়ে আসবে। কাউন্টারে থাকে টার্মিনাল এসিসন্ট্যান্ট। এছাড়া আছে সুপারিনটেনডেন্ট। আরিচায় আছে ৫০ জন সুপার। আবার দৌলতদিয়ায় আছে ৩৫ জন।

Please Share This Post in Your Social Media

বিআইডব্লিউটিসিনামা-৩

স্বৈরাচারী হাসিনার দোসর আশিকুজ্জামান গংরা কোটি কোটি টাকার মালিক

আবদুল গাফফার মাহমুদ
Update Time : ০৬:৫৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৪

লুটপাট, চাঁদাবাজী করে বিআইডব্লিউটিসি ধ্বংসকারী পরিচালক (বাণিজ্য) এস এম আশিকুজ্জামান ও তার সিন্ডিকেট সদস্যরা প্রত্যেকে কোটি কোটি টাকার মালিক। অবৈধ টাকার জোরে এখন তারা বিএনপির নেতাদের কারো কারো দ্বারস্থ হচ্ছে।

সূত্রমতে, ফেরীতে গাড়ী বুকিং দিয়েই তারা কোটি কোটি টাকা আয় করে। এখান থেকে তারা সাপ্তাহিক, পাক্ষিক ও মাসিক ভিত্তিতে উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের টাকা দিয়ে থাকে। আশিকের নেতৃত্বেই টপ টু বটম এসব টাকা বিলি বন্টন হয়ে থাকে। পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া ঘাট, আরিচা-কাজিরহাট, লাাহারহাট-বেদুরিয়া, ভোলা-লক্ষ্মীপুর ইত্যাদি ঘাটে তারা চাঁদাবাজি করে থাকে। আশিকুজ্জামানের পদটি হবার কথা এডমিন ক্যাডারের। পোস্টিং হবার কথা মন্ত্রণালয়ে। অন্যান্য সব পরিচালক যুগ্ম সচিব পমদর্যাদার। কিন্তু একমাত্র আশিকুজ্জামানই নন ক্যাডারের হয়ে এই পদে অধিষ্ঠিত আছেন। যার ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সবাই তটস্থ থাকে।

আশিকুজ্জামান গং দায়িত্ব নিয়েই মন্ত্রী বর্তমানে উপদেষ্টা, পরিচালক (প্রশাসন), পরিচালক (টেকনিক্যাল) প্রত্যেককে কুক্ষিগত করে রেখেছেন। ফলে তারা তার কোন কাজকর্ম নিয়ে মাথা মাঘায় না। বড় গাড়ী, ট্রাক, বাস, লরী ইত্যাদির বুকিং থেকে তারা ট্রিপ মেরে দিয়ে টাকা আত্মসাত করে। যেমন ৬০/৭০টি ট্রিপ হলে তারা ৫০টির হিসাবে দেখায়। জাহাজের ট্রিপের সাথে লগ বইয়ের কোন মিল নেই। লগ বই চেক করলেই সব বেরিয়ে আসবে। কাউন্টারে থাকে টার্মিনাল এসিসন্ট্যান্ট। এছাড়া আছে সুপারিনটেনডেন্ট। আরিচায় আছে ৫০ জন সুপার। আবার দৌলতদিয়ায় আছে ৩৫ জন।