ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মানিকগঞ্জ-৩ আসন

স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হেনস্তায় আইনগত ব্যবস্থার আবেদন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
  • Update Time : ০৮:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ৯০ Time View

মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় সংসদ সদস্য প্রার্থী আতাউর রহমান আতাকে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে বের করে দেওয়া হয়

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতাকে গালিগালাজ ও হেনস্তার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসাইন।

এ ঘটনায় আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসাইন।

চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‌‘আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। অন্যথায় অনোন্যপায় হয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চিঠির একটি কপি ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন অফিসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার ও মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ সংসদ সদস্য প্রার্থীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে বের করে দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী আইনজীবী সংবাদ মাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবগত হই যে, ৪ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ-৩ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, শারীরিকভাবে লাঞ্চিত এবং ঘাড় ধাক্কা দিয়ে হেনস্তা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে অবৈধভাবে বের করে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থক মানিকগঞ্জ পৌর বিএনপির নেতা নাসির উদ্দিন যাদু, জেলা বিএনপির নেতা লিটন এবং শিবালয় উপজেলা যুবদলের নেতা সোহেল রানা কর্তৃক রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে সংঘটিত হয়।

এ ঘটনা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন এবং একই সাথে ফৌজদারি অপরাধ। ঘটনার বিষয়ে চাক্ষুস এবং প্রত্যক্ষভাবে অবগত থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। একজন আইনজীবী ও মানিকগঞ্জের একজন সচেতন ভোটার হিসেবে উল্লিখিত বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন ও সংক্ষুব্ধ।

এমন অবস্থায়, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে (মানিকগঞ্জ-৩, জাতীয় সংসদীয় আসন- ১৭০) আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। অন্যথায় অনোন্যপায় হয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Please Share This Post in Your Social Media

মানিকগঞ্জ-৩ আসন

স্বতন্ত্র প্রার্থীকে হেনস্তায় আইনগত ব্যবস্থার আবেদন

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি
Update Time : ০৮:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

মানিকগঞ্জ-৩ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতাকে গালিগালাজ ও হেনস্তার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসাইন।

এ ঘটনায় আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসক ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মানিকগঞ্জ-৩ আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি।

অ্যাডভোকেট মো. আনোয়ার হোসাইন।

চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‌‘আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। অন্যথায় অনোন্যপায় হয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চিঠির একটি কপি ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন অফিসে প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার ও মানিকগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর পাঠানো হয়েছে।

রোববার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় এ সংসদ সদস্য প্রার্থীকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে বের করে দেওয়ার মাধ্যমে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে।

চিঠিতে বলা হয়, ‘আমি নিম্ন স্বাক্ষরকারী আইনজীবী সংবাদ মাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবগত হই যে, ৪ জানুয়ারি মানিকগঞ্জ-৩ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ, শারীরিকভাবে লাঞ্চিত এবং ঘাড় ধাক্কা দিয়ে হেনস্তা করে রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিস থেকে অবৈধভাবে বের করে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সমর্থক মানিকগঞ্জ পৌর বিএনপির নেতা নাসির উদ্দিন যাদু, জেলা বিএনপির নেতা লিটন এবং শিবালয় উপজেলা যুবদলের নেতা সোহেল রানা কর্তৃক রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসে সংঘটিত হয়।

এ ঘটনা স্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন এবং একই সাথে ফৌজদারি অপরাধ। ঘটনার বিষয়ে চাক্ষুস এবং প্রত্যক্ষভাবে অবগত থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। একজন আইনজীবী ও মানিকগঞ্জের একজন সচেতন ভোটার হিসেবে উল্লিখিত বিষয়টি নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন ও সংক্ষুব্ধ।

এমন অবস্থায়, জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তাকে (মানিকগঞ্জ-৩, জাতীয় সংসদীয় আসন- ১৭০) আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করছি। অন্যথায় অনোন্যপায় হয়ে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’