সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুলের নামে দুদকের মামলা

- Update Time : ০৬:২৯:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪
- / ৪৭ Time View
ছয় কোটি ২৯ লাখ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের অভিযোগে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলামের নামে একটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) দুদক-এর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলাটি দায়ের করা হয়।
দুদক-এর মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো: আক্তার হোসেন এ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এছাড়া কামরুল ইসলামের স্ত্রী তায়েবা ইসলাম, ছেলে ডা. তানজীর ইসলাম ও মেয়ে সেগুপ্তা ইসলামকে পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে বলেছে দুদক।
কামরুলের মামলার এজাহারে বলা হয়, তায়েবা ইসলামের সন্দেহজনক সম্পদ থাকতে পারে। ছেলে ডা. তানজীর ইসলামের এক কোটি ৪৬ লাখ ১৫ হাজার ৭৯৫ টাকা এবং মেয়ে সেগুপ্তা ইসলামের এক কোটি ১০ লাখ ৪৮ হাজার ৯২৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়।
এছাড়া তাদের নামে-বেনামে আরো সম্পদ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। গত ১৮ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরা-১২ নম্বর সেক্টর কামরুলকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। গত ১৪ অক্টোবর তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুদক।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামি কামরুলের নামে ছয় কোটি ২৯ লাখ ১৯ হাজার ১৯৫ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায়, যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর-২৭ (১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এতে আরো বলা হয়, অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পাবলিক সার্ভেন্ট ছিলেন এবং তার ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আয়ের সাথে সঙ্গতিবিহীন জ্ঞাত আয়বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন, যার গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এছাড়া মো: কামরুল ইসলামের নিজ এবং তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিভিন্ন ব্যাংকে পরিচালিত মোট ১৫টি হিসাবে মোট ২১ কোটি ১৮ লাখ ১৫ হাজার ৪৬৫ টাকা লেনদেন করেন। তিনি এ টাকা সন্দেহজনকভাবে হস্তান্তর, রূপান্তর, স্থানান্তর করেছেন। যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর-৪ (২) ও ৪ (৩) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
২০১৪ সালের নির্বাচনে জয়ের পর তার বিরুদ্ধে নিয়োগ, বদলি ও খাদ্য আমদানিসহ নানা কাজে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ২০১৫ সালের জুনে ব্রাজিল থেকে ৪০০ কোটি টাকা মূল্যের দু’ লাখ টন পচা গম আমদানির ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন কামরুল ইসলাম।