ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছিল: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নওরোজ রাজনীতি ডেস্ক
  • Update Time : ০৯:২৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / ৯০ Time View

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রকৃত আসামিকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে আসামি বানিয়ে বিচার করায় মামলার সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১ ডিসেম্বর) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়াই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, রায় ঘোষণার পর বিএনপির আইনজীবীরা তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছিল।

এ মামলায় বিএনপির অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, এই মামলায় মোট চারটি চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। প্রথম তিনটি চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম ছিল না। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর চতুর্থ চাজশিটে তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করে। তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিকে ঘায়েল করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানসহ বিচএনপির অন্যান্য নেতাদের আসামি করে দণ্ড দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজ প্রমাণিত হয়েছে এই চার্জশিট আইন বহির্ভূত ছিল। তাই এই চার্জশিটে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল তারা এই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যারা এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন এবং আপিল করেছেন বা আপিল করেননি সবাইকে এই মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এভাবে তারেক রহমান ন্যায়বিচার পেয়েছেন। আজ প্রমাণিত হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে যে মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেই মামলায় আইনগতভাবে মোকাবিলার মাধ্যমে তিনি আজ বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

বিএনপির সিনিয়র আইনীজীবীদের একজন জয়নুল আবেদীন বলেন, ২১ অগাস্টে বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে জনসভার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল পাশের একটি ময়দানে। কিন্তু তারা সরকারকে না জানিয়ে স্থান পরিবর্তন করে রাস্তার মধ্যে সমাবেশ করেন। এটা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তৎকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) এই কাজটি করেছেন। এই গ্রেনেড হামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছিল: ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

নওরোজ রাজনীতি ডেস্ক
Update Time : ০৯:২৪:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রকৃত আসামিকে বাদ দিয়ে রাজনৈতিক হীন উদ্দেশ্যে আসামি বানিয়ে বিচার করায় মামলার সব আসামিকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১ ডিসেম্বর) ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর এবং যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের রায় ঘোষণার পর এক প্রতিক্রিয়াই এমন মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, রায় ঘোষণার পর বিএনপির আইনজীবীরা তাদের প্রতিক্রিয়ায় বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে সাজা দেওয়া হয়েছিল।

এ মামলায় বিএনপির অন্যতম আইনজীবী কায়সার কামাল বলেন, এই মামলায় মোট চারটি চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। প্রথম তিনটি চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম ছিল না। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর চতুর্থ চাজশিটে তারেক রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করে। তার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিকে ঘায়েল করার জন্য রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানসহ বিচএনপির অন্যান্য নেতাদের আসামি করে দণ্ড দিয়েছেন।

তিনি বলেন, আজ প্রমাণিত হয়েছে এই চার্জশিট আইন বহির্ভূত ছিল। তাই এই চার্জশিটে যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত ছিল তারা এই মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, যারা এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন এবং আপিল করেছেন বা আপিল করেননি সবাইকে এই মামলা থেকে খালাস দেওয়া হয়েছে। এভাবে তারেক রহমান ন্যায়বিচার পেয়েছেন। আজ প্রমাণিত হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তারেক রহমানকে যে মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছিল, সেই মামলায় আইনগতভাবে মোকাবিলার মাধ্যমে তিনি আজ বেকসুর খালাস পেয়েছেন।

বিএনপির সিনিয়র আইনীজীবীদের একজন জয়নুল আবেদীন বলেন, ২১ অগাস্টে বিরোধী দল আওয়ামী লীগকে জনসভার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল পাশের একটি ময়দানে। কিন্তু তারা সরকারকে না জানিয়ে স্থান পরিবর্তন করে রাস্তার মধ্যে সমাবেশ করেন। এটা ছিল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তৎকালীন সরকারকে বেকায়দায় ফেলার জন্য তিনি (শেখ হাসিনা) এই কাজটি করেছেন। এই গ্রেনেড হামলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ছিল।