ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ রংপুরে তিস্তা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার যৌথবাহিনীর হাতে রসিক কাউন্সিলর গ্রেফতার লোহাগাড়া সড়ক দূর্ঘটনা ট্রাজেডি: মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল আরও ৩জন লোহাগাড়ায় থামছেইনা মহাসড়কের মৃত্যুর মিছিল, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৫ আহত ৯ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রংপুরে ১২০ পরিবারে ঈদ পালন লঞ্চ থেকে আবর্জনা নদীতে ফেললে নেয়া হবে ব্যবস্থা রংপুরে প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনায় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন ভাই নিহত
সিলেটে মির্জা ফখরুল

ভারতে বসে হাসিনা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন

মো.মুহিবুর রহমান, সিলেট
  • Update Time : ১০:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪
  • / ১০০ Time View

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে গত ৫ তারিখে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার পর নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। অতীতের সকল জঞ্জাল সাফ করে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে। ঠিক তখন ভারতে বসে পতিত ফ্যাসিবাদের নেত্রী হাসিনা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন।’

তিনি আরো বলেন,‘ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারত বসে বসে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’

তিনি রোববার বিকেলে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ থেকে প্রমাণ হয় এই দলটি কখনও বাংলাদেশকে নির্মাণের কাজ করেনি। ১৯৭২ সালে জনগণের সরকার গঠন করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে আবারও বাকশাল চাপিয়ে প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে ফেলেছিল।’

তিনি সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সারাদেশে মানুষের আকাঙ্খা বুঝতে পেরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারকে হটিয়েছে। এর ফলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার্তদের সাহায্যে সারাদেশে মানুষের সৌহার্দ্য-ভ্রাতৃত্বের যে স্পিরিট তৈরি হয়েছে সেটাই নতুন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।’

ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার জঞ্জাল পরিষ্কার করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বন্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বড় একটি অংশ ভয়াবহ বন্যার কবলে। বাংলাদেশে বৃষ্টির পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্যের বাঁধগুলো ছেড়ে দেওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভাটির দেশ হিসেবে পানি ছাড়ার আগে ভারতের এ বিষয়ে আগে থেকেই আমাদের সতর্ক করা প্রয়োজন ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘উজান থেকে আমাদের যে সব নদী দিয়ে পানি আসে তার বেশিরভাগই ভারত থেকে আসে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বন্টনের ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে ভারতের সঙ্গে কথা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ পর্যন্ত সেটার সমাধান হয়নি। ফারাক্কা বাঁধের কিছুটা হিস্যা পাওয়া গেলেও ২০২৬ সালে এটি রিনিউ করতে হবে। সুতরাং, তারা পানি দিয়ে বাংলাদেশকে কাবু করে রাখতে এটাকে এক ধরনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।’

তিনি সুরমা-কুশিয়ারার উজানে টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে টেনে বলেন, ‘এই বাঁধ নির্মাণের প্রচেষ্টা শুরু হলে বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে সিলেটে প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। অনেকেই বলেন এরই ফলশ্রুতিতে তাকে গুম করা হয়েছিল।’ তিনি এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবি করেন।

মির্জা ফখরুল জানান, গত ১৫ বছরে প্রায় ৭০০ জন গুম করা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এসব মামলায় বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনের মধ্যদিয়েই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হয়েছেন, তিনি কখনো মাথানত করেননি। আমাদের তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। আমরা আইনিভাবে মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি। আমরা এম ইলিয়াস আলী সহ গুম হওয়া সবাইকে নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন, জাতিসংঘের একটি তদন্ত দলও এসেছে। আমরা এখনে আশাবাদী আমরা সঠিক তথ্য পাব। সরকারও সুনির্দিষ্ট ভাবে এখনো কিছু বলেনি। আমরা তাদের অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানতে চাই।’

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য আরও বক্তব্য দেন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিফতাহ্ সিদ্দিকী। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদির লুনা, ড. এনামুল হক চৌধুরী ও আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমূখ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একদিনের এক সংক্ষিপ্ত সফরে সিলেট এসে পৌছেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। তিনি শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর এই প্রথম সিলেট সফরে এসেছেন। সফরকালে বিএনপি মহাসচিবের সহধর্মিণীও সাথে সিলেট আসেন। সিলেটে পৌঁছে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর তিনি হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারত করেন। মাজার জিয়ারতকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকো, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এসময় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিফতাহ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Please Share This Post in Your Social Media

সিলেটে মির্জা ফখরুল

ভারতে বসে হাসিনা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন

মো.মুহিবুর রহমান, সিলেট
Update Time : ১০:৩৫:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৪

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে গত ৫ তারিখে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধান শেখ হাসিনা পালিয়ে যাবার পর নতুন বাংলাদেশ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। অতীতের সকল জঞ্জাল সাফ করে সত্যিকার অর্থে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র, মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে ন্যায়বিচার ও মানবিক মূল্যবোধের ভিত্তি বাংলাদেশ গড়ে তোলার কাজ চলছে। ঠিক তখন ভারতে বসে পতিত ফ্যাসিবাদের নেত্রী হাসিনা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের কাজকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছেন।’

তিনি আরো বলেন,‘ফ্যাসিস্ট সরকারের স্বৈরাচার শেখ হাসিনা ভারত বসে বসে বাংলাদেশের মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।’

তিনি রোববার বিকেলে সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এ থেকে প্রমাণ হয় এই দলটি কখনও বাংলাদেশকে নির্মাণের কাজ করেনি। ১৯৭২ সালে জনগণের সরকার গঠন করে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠা করেছে। ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ধারাবাহিকভাবে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়ে আবারও বাকশাল চাপিয়ে প্রস্তুতি প্রায় শেষ করে ফেলেছিল।’

তিনি সর্বস্তরের শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘সারাদেশে মানুষের আকাঙ্খা বুঝতে পেরে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকারকে হটিয়েছে। এর ফলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার্তদের সাহায্যে সারাদেশে মানুষের সৌহার্দ্য-ভ্রাতৃত্বের যে স্পিরিট তৈরি হয়েছে সেটাই নতুন বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি।’

ড. মুহাম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার জঞ্জাল পরিষ্কার করে একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করবেন বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

বাংলাদেশে সাম্প্রতিক বন্যা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে বাংলাদেশের বড় একটি অংশ ভয়াবহ বন্যার কবলে। বাংলাদেশে বৃষ্টির পাশাপাশি ত্রিপুরা রাজ্যের বাঁধগুলো ছেড়ে দেওয়ার কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভাটির দেশ হিসেবে পানি ছাড়ার আগে ভারতের এ বিষয়ে আগে থেকেই আমাদের সতর্ক করা প্রয়োজন ছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘উজান থেকে আমাদের যে সব নদী দিয়ে পানি আসে তার বেশিরভাগই ভারত থেকে আসে। ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বন্টনের ব্যাপারে বিভিন্ন সময়ে ভারতের সঙ্গে কথা হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে আজ পর্যন্ত সেটার সমাধান হয়নি। ফারাক্কা বাঁধের কিছুটা হিস্যা পাওয়া গেলেও ২০২৬ সালে এটি রিনিউ করতে হবে। সুতরাং, তারা পানি দিয়ে বাংলাদেশকে কাবু করে রাখতে এটাকে এক ধরনের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।’

তিনি সুরমা-কুশিয়ারার উজানে টিপাইমুখ বাঁধ প্রসঙ্গে টেনে বলেন, ‘এই বাঁধ নির্মাণের প্রচেষ্টা শুরু হলে বাংলাদেশের মানুষ বিশেষ করে সিলেটে প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু হয়। এতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলী। অনেকেই বলেন এরই ফলশ্রুতিতে তাকে গুম করা হয়েছিল।’ তিনি এম ইলিয়াস আলীর সন্ধান দাবি করেন।

মির্জা ফখরুল জানান, গত ১৫ বছরে প্রায় ৭০০ জন গুম করা হয়েছে, প্রায় ২ হাজার নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার গায়েবি মামলা দায়ের করা হয়েছে, এসব মামলায় বিএনপির ৬০ লাখ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘আন্দোলনের মধ্যদিয়েই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মুক্ত হয়েছেন, তিনি কখনো মাথানত করেননি। আমাদের তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অসংখ্য মিথ্যা মামলা দেয়া হয়েছে। আমরা আইনিভাবে মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি। আমরা এম ইলিয়াস আলী সহ গুম হওয়া সবাইকে নিয়ে আমরা খুবই উদ্বিগ্ন, জাতিসংঘের একটি তদন্ত দলও এসেছে। আমরা এখনে আশাবাদী আমরা সঠিক তথ্য পাব। সরকারও সুনির্দিষ্ট ভাবে এখনো কিছু বলেনি। আমরা তাদের অবস্থান সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানতে চাই।’

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য আরও বক্তব্য দেন, সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিফতাহ্ সিদ্দিকী। সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা তাহসিনা রুশদির লুনা, ড. এনামুল হক চৌধুরী ও আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক ও সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী প্রমূখ।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একদিনের এক সংক্ষিপ্ত সফরে সিলেট এসে পৌছেছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছান। তিনি শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর এই প্রথম সিলেট সফরে এসেছেন। সফরকালে বিএনপি মহাসচিবের সহধর্মিণীও সাথে সিলেট আসেন। সিলেটে পৌঁছে দুপুর সোয়া ১২টার দিকে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে হযরত শাহজালাল (র.) এর মাজার জিয়ারত করেন। এরপর তিনি হযরত শাহপরান (র.) এর মাজার জিয়ারত করেন। মাজার জিয়ারতকালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, আরাফাত রহমান কোকো, মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সুস্থতা কামনা করে মোনাজাত করেন। মোনাজাত পরিচালনা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। এসময় বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মিফতাহ সিদ্দিকী, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ দলটির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।