ঢাকা ১১:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
টঙ্গীতে রিক্সা চালককে ছিনতাইকারী অপবাদ দিয়ে ছাত্রদল নেতার চাঁদাবাজি আ’লীগের কেউ এনসিপিতে যুক্ত হবার সাহস দেখালে আইনের কাছে সোপর্দ করব বিচারিক সংস্কার এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে: প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আপিল বিভাগের নবনিযুক্ত দুই বিচারপতির সাক্ষাৎ  মায়ের সাথে গোসলে নেমে পুকুরে ডুবে ২সন্তানের মৃত্যু আমরা নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে জনগণের কাছে ফিরে যেতে চাই: সারজিস আলম বিয়ে বাড়িতে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান নোয়াখালীতে জমজ ২ দুই বোনকে ধর্ষণ কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ

বিচারিক সংস্কার এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে: প্রধান বিচারপতি

আদালত ডেস্ক
  • Update Time : ০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / ৬ Time View

বিচারিক সংস্কার শুধু বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংস্কারের স্থায়িত্বের মূল চাবিকাঠিই নয়, বরং এটি এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

আজ( ৫ এপ্রিল) শনিবার বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ও United Nations Development Programme (UNDP), Bangladesh এর যৌথ  উদ্যোগে  রংপুরের জি এল রয় রোডস্থ গ্র‍্যান্ড প্যালেস হোটেলের কনফারেন্স কক্ষে “Judicial Independence and Efficiency in Bangladesh” শীর্ষক একটি রিজিওনাল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি তাঁর ভাষণে বলেন-

“ বিচারিক সংস্কার শুধু বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংস্কারের স্থায়িত্বের মূল চাবিকাঠিই নয়, বরং এটি এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিচার বিভাগ হল রাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গ, যা বহু দশক ধরে নিজের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের জন্য সক্রিয়ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এই দাবির কেন্দ্রে রয়েছে নিজেদের সংস্কার কর্মসূচি নিজেরাই নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব। গত আট মাসে এই প্রচেষ্টা অভূতপূর্ব গতি অর্জন করেছে। এখন লক্ষ্য হল সেই উদ্দেশ্য পূরণ করা এবং তা যেন ভবিষ্যতেও টিকে থাকে তা নিশ্চিত করা। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা কখনও ক্ষমতার পূর্ণ পৃথকীকরণের লক্ষ্যের এতটা কাছাকাছি আসিনি। যদি এই সুযোগ কোনভাবে নষ্ট হয়, তবে তা বিচার বিভাগের মর্যাদা, অখণ্ডতা এবং প্রাসঙ্গিকতার জন্য চরম ক্ষতিকর হবে।”

বিচার বিভাগ সংস্কারকে অর্থবহ ও ফলপ্রসু করার জন্য তিনি দেশের সকল পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ‘দায়িত্ব গ্রহণের’ আহবান জানান।

এছাড়া, প্রধান বিচারপতি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে পৃথক সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

তিনি বলেন পৃথক সচিবালয় বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় বিচারিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবংবিচারকদের বদলি ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

প্রধান বিচারপতি তার ভাষণে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং তার ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের  রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিবরণ তুলে ধরেন।

বিশেষ করে তিনি বলেন যে, তাঁর ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ এর পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ জুলাই ২০২৪ উত্তর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি মন্তব্য করেন যে, ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সংস্কার রোড শো তথা রিজিওনাল সেমিনার আয়োজনের  মাধ্যমে দেশের ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারিসমূহ তাদের স্ব স্ব সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, যা বিচার সেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি দেশের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদেরকে মাননীয় প্রধান বিচারপতি ঘোষিত সংস্কার রোডম্যাপ প্রচেষ্টাকে টেকসই করার উপায় উদ্ভাবনের আহবান জানান।

পরিশেষে, প্রধান বিচারপতি বাংলাদেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি আধুনিক বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জনাব জাফর আহমেদ।

সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন UNDP, Bangladesh এর Resident Representative, স্টিফান লিলার (Stefan Liller)।

এছাড়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক (Sarah Cook) উক্ত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

উক্ত সেমিনারে রংপুর জেলার জেলা ও দায়রা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, শ্রম আদালতে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণসহ  রংপুরের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারকবৃন্দ এবং কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সেমিনারে রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সরকারি কৌশুলি, পাবলিক প্রসিকিউটরসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের প্রশিক্ষণ শাখা হতে বিগত ২৫.০৩.২০২৫ খ্রি. তারিখে এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি হয়।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে UNDP, Bangladesh  এর Residential Representative,  Mr. Stefan Liller  দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয় ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ মর্মে মন্তব্য করেন এবং উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশের বিভাগের জন্য ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে  বিচার বিভাগের আধুনিকায়নে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে থাকার আশ্বাস পুনঃর্ব্যক্ত করেন।

Please Share This Post in Your Social Media

বিচারিক সংস্কার এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে: প্রধান বিচারপতি

আদালত ডেস্ক
Update Time : ০১:০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

বিচারিক সংস্কার শুধু বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংস্কারের স্থায়িত্বের মূল চাবিকাঠিই নয়, বরং এটি এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

আজ( ৫ এপ্রিল) শনিবার বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ও United Nations Development Programme (UNDP), Bangladesh এর যৌথ  উদ্যোগে  রংপুরের জি এল রয় রোডস্থ গ্র‍্যান্ড প্যালেস হোটেলের কনফারেন্স কক্ষে “Judicial Independence and Efficiency in Bangladesh” শীর্ষক একটি রিজিওনাল সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি তাঁর ভাষণে বলেন-

“ বিচারিক সংস্কার শুধু বিভিন্ন খাতভিত্তিক সংস্কারের স্থায়িত্বের মূল চাবিকাঠিই নয়, বরং এটি এখন নিজেই “সংস্কার” শব্দের প্রতীক হয়ে উঠেছে। বিচার বিভাগ হল রাষ্ট্রের একমাত্র অঙ্গ, যা বহু দশক ধরে নিজের অভ্যন্তরীণ সংস্কারের জন্য সক্রিয়ভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। এই দাবির কেন্দ্রে রয়েছে নিজেদের সংস্কার কর্মসূচি নিজেরাই নির্ধারণ ও বাস্তবায়নের ক্ষমতা ও কর্তৃত্ব। গত আট মাসে এই প্রচেষ্টা অভূতপূর্ব গতি অর্জন করেছে। এখন লক্ষ্য হল সেই উদ্দেশ্য পূরণ করা এবং তা যেন ভবিষ্যতেও টিকে থাকে তা নিশ্চিত করা। একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে, আমরা কখনও ক্ষমতার পূর্ণ পৃথকীকরণের লক্ষ্যের এতটা কাছাকাছি আসিনি। যদি এই সুযোগ কোনভাবে নষ্ট হয়, তবে তা বিচার বিভাগের মর্যাদা, অখণ্ডতা এবং প্রাসঙ্গিকতার জন্য চরম ক্ষতিকর হবে।”

বিচার বিভাগ সংস্কারকে অর্থবহ ও ফলপ্রসু করার জন্য তিনি দেশের সকল পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণকে তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে ‘দায়িত্ব গ্রহণের’ আহবান জানান।

এছাড়া, প্রধান বিচারপতি মহোদয় তাঁর বক্তব্যে পৃথক সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠার দ্বারপ্রান্তে রয়েছে।

তিনি বলেন পৃথক সচিবালয় বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রস্তাবিত সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় বিচারিক নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবংবিচারকদের বদলি ও পদোন্নতিতে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।

প্রধান বিচারপতি তার ভাষণে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন নিশ্চিতকরণে বিচার বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন এবং তার ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের  রোডম্যাপ বাস্তবায়নের অগ্রগতির বিবরণ তুলে ধরেন।

বিশেষ করে তিনি বলেন যে, তাঁর ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কার সংক্রান্ত রোডম্যাপ এর পর্যায়ক্রমিক বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের বিচার বিভাগ জুলাই ২০২৪ উত্তর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি মন্তব্য করেন যে, ঢাকাসহ দেশের বিভাগীয় শহরগুলোতে সংস্কার রোড শো তথা রিজিওনাল সেমিনার আয়োজনের  মাধ্যমে দেশের ডিস্ট্রিক্ট জুডিসিয়ারিসমূহ তাদের স্ব স্ব সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে, যা বিচার সেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। তিনি দেশের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদেরকে মাননীয় প্রধান বিচারপতি ঘোষিত সংস্কার রোডম্যাপ প্রচেষ্টাকে টেকসই করার উপায় উদ্ভাবনের আহবান জানান।

পরিশেষে, প্রধান বিচারপতি বাংলাদেশে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি আধুনিক বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি জনাব জাফর আহমেদ।

সেমিনারে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন UNDP, Bangladesh এর Resident Representative, স্টিফান লিলার (Stefan Liller)।

এছাড়া, বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক (Sarah Cook) উক্ত সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

উক্ত সেমিনারে রংপুর জেলার জেলা ও দায়রা জজ আদালত, মহানগর দায়রা জজ আদালত, চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, শ্রম আদালতে কর্মরত বিভিন্ন পর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাগণসহ  রংপুরের বিভিন্ন ট্রাইব্যুনালের বিচারকবৃন্দ এবং কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন পর্যায়ের বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও সেমিনারে রংপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, সরকারি কৌশুলি, পাবলিক প্রসিকিউটরসহ অন্যান্য আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের পরামর্শক্রমে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগের প্রশিক্ষণ শাখা হতে বিগত ২৫.০৩.২০২৫ খ্রি. তারিখে এ সংক্রান্ত সরকারি আদেশ জারি হয়।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্যে UNDP, Bangladesh  এর Residential Representative,  Mr. Stefan Liller  দেশের বিচার বিভাগের প্রাতিষ্ঠানিক স্বতন্ত্রীকরণে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধান বিচারপতি মহোদয় ঘোষিত বিচার বিভাগ সংস্কারের রোডম্যাপ একটি যুগোপযোগী পদক্ষেপ মর্মে মন্তব্য করেন এবং উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে বাংলাদেশের বিভাগের জন্য ঐতিহাসিক এই মুহূর্তে  বিচার বিভাগের আধুনিকায়নে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে থাকার আশ্বাস পুনঃর্ব্যক্ত করেন।