বাংলাদেশকে আরও ১১ লাখ করোনার টিকা দিল ডব্লিউএইচও

- Update Time : ০৩:২১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ মে ২০২৩
- / ৩২১ Time View
করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বায়োভ্যালেন্ট নামের নতুন একটি টিকা আনা হয়েছে ১১ লাখ। আরও ২০ লাখের মতো এই টিকা অল্প সময়ের মধ্যে দেশে চলে আসবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
তিনি বলেন, বায়োভ্যালেন্টকে বলা হয় কম্বাইন্ড ভ্যাকসিন। ওমিক্রন ও ডেল্টা ধরনের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে এ টিকা। আমরা এটিকে বুস্টার ডোজ হিসেবে দেবো। ১২ বছরের বেশি বয়সের সবাইকে এ টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কার্যক্রম শিগগির শুরু করবো। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) থেকে আনা হচ্ছে বায়োভ্যালেন্ট টিকা।
বুধবার (২ মে) সচিবালয়ের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্য ও কল্যাণ দিবস ২০২৩’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল করতে আমরা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি। দেশে-বিদেশে কীভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, প্রশিক্ষণের বিষয় ও সময় কী হবে- তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। এছাড়াও আমরা সম্মেলন আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি। এতে চিকিৎসক, সিভিল সার্জন, বিভিন্ন হাসপাতালের অধ্যক্ষ, পরিচালকসহ সবাইকে নিয়ে একটি সম্মেলন করা হবে প্রতিবছর, তাদের সংখ্যা প্রায় ৭০০। এতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে। এতে আমাদের চিকিৎসকরা অনুপ্রাণিত হবেন।
তিনি বলেন, দেশে আজ শিশু মৃত্যুর হার কমেছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় আমরা কীভাবে টিকা দিয়েছি, তা আপনারা দেখেছেন। বিশ্বজুড়ে তা প্রশংসিত হয়েছে।
প্রাইভেট খাতেও ৮০ থেকে ৯০ হাজার শয্যা রয়েছে জানিয়ে জাহিদ মালেক বলেন, শত শত প্রাইভেট হাসপাতাল হয়েছে, যা আগে ছিল না। ৭২টি মেডিকেল কলেজ শুধু প্রাইভেট খাতেই। আর সরকারি মেডিকেল কলেজ ৩৭টি। গ্যাস্ট্রোলিভার, শেখ হাসিনা বার্ন ও প্ল্যাস্টিক ইনস্টিটিউটসহ দেশে মোট ১৫টি ইনস্টিটিউট রয়েছে।