ঢাকা ০৪:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ফুটবলে একুশে পদক পেলো রিপা

ইকবাল হোসাইন,উখিয়া,কক্সবাজার
  • Update Time : ০৬:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৪৫ Time View

পদক-২০২৫ আমার এই ছোট্ট জীবনের শ্রেষ্ঠতম অর্জন। পদকটি পুরো কক্সবাজারবাসীকে উৎসর্গ করলাম।’ এভাবে অনুভূতি প্রকাশ করলেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের সদস্য শাহেদা আক্তার রিপা। একুশে পদক গ্রহণের পর পদকটি হাতে নিয়ে তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে স্ট্যাটাস দিয়ে একটি ছবি আপলোড করে সে।

শাহেদা আক্তার রিপা বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি একাধিক যুব ও সিনিয়র আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে উল্লেখযোগ্য পারফরমেন্স দেখিয়েছে সে।
শাহেদা আক্তার রিপা কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাছড়ি গ্রামের জালাল আহমদ ও শামসুন্নাহার দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা সন্তান।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বীকৃতি একুশে পদক। এবারই প্রথম ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়েছে। ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী দল বৃহস্পতিবার এই পুরস্কার গ্রহণ করেছে সে। কোনো দলের একুশে পদক পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম এবং বিরল।খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা মিলিয়ে বাংলাদেশের সাফ কন্টিনজেন্ট ছিল ৩২ জনের। বৃহস্পতিবার ওসমানী মিলনায়তনে ৩২ জনই আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।

দলের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহ-অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। সাবিনা পরবর্তীতে দর্শক আসনে থাকা দলের অন্য সদস্যদের ডাক দেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ অনুমতিক্রমে পরবর্তীতে চ্যাম্পিয়ন দলের অন্য সদস্যরাও মঞ্চে উঠেন এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছবি তোলেন।

নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন,বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের পদকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য। সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন স্যার নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ ম্যাডাম, বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল স্যারকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ফুটবল উন্নয়নে কাজ করছেন।

এবার একুশে পদক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী দল বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। পদকপ্রাপ্ত কাজী শহিদুল আলম, ড নিয়াজ জামান তাদের অনুভূতি প্রকাশের সময়ও নারী ফুটবলের প্রশংসা করেছেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্ত সকলের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ সব সময় দেখা যায় না। সেই দিক থেকে এবারের অনুষ্ঠান একটু ব্যতিক্রমই ছিল। পদকপ্রাপ্ত সকলেই তাদের অনুভুতি প্রকাশ করেছেন। মরণোত্তর ও অনুপস্থিত ব্যক্তির পক্ষে তাদের নিকটজনরা অনুভুতি প্রকাশের সুযোগ পেয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিটি পদক প্রদানের সময় চেয়ারের সামনে এসে হস্তান্তর করেছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

ফুটবলে একুশে পদক পেলো রিপা

ইকবাল হোসাইন,উখিয়া,কক্সবাজার
Update Time : ০৬:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

পদক-২০২৫ আমার এই ছোট্ট জীবনের শ্রেষ্ঠতম অর্জন। পদকটি পুরো কক্সবাজারবাসীকে উৎসর্গ করলাম।’ এভাবে অনুভূতি প্রকাশ করলেন জাতীয় নারী ফুটবল দলের সদস্য শাহেদা আক্তার রিপা। একুশে পদক গ্রহণের পর পদকটি হাতে নিয়ে তাঁর ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে স্ট্যাটাস দিয়ে একটি ছবি আপলোড করে সে।

শাহেদা আক্তার রিপা বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় হিসেবে খেলেন। তিনি একাধিক যুব ও সিনিয়র আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে উল্লেখযোগ্য পারফরমেন্স দেখিয়েছে সে।
শাহেদা আক্তার রিপা কক্সবাজার জেলার উখিয়া উপজেলার জালিয়াপালং ইউনিয়নের সোনাছড়ি গ্রামের জালাল আহমদ ও শামসুন্নাহার দম্পতির দ্বিতীয় কন্যা সন্তান।

বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বীকৃতি একুশে পদক। এবারই প্রথম ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়েছে। ২০২৪ সালে সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী দল বৃহস্পতিবার এই পুরস্কার গ্রহণ করেছে সে। কোনো দলের একুশে পদক পাওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম এবং বিরল।খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তা মিলিয়ে বাংলাদেশের সাফ কন্টিনজেন্ট ছিল ৩২ জনের। বৃহস্পতিবার ওসমানী মিলনায়তনে ৩২ জনই আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।

দলের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টা ড.মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে পদক গ্রহণ করেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহ-অধিনায়ক মারিয়া মান্দা। সাবিনা পরবর্তীতে দর্শক আসনে থাকা দলের অন্য সদস্যদের ডাক দেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ অনুমতিক্রমে পরবর্তীতে চ্যাম্পিয়ন দলের অন্য সদস্যরাও মঞ্চে উঠেন এবং প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছবি তোলেন।

নারী ফুটবল দলের অধিনায়ক সাবিনা খাতুন অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন,বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাতে চাই আমাদের পদকে মনোনয়ন দেয়ার জন্য। সাবেক সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন স্যার নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ ম্যাডাম, বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল স্যারকেও ধন্যবাদ জানাতে চাই। তারা ফুটবল উন্নয়নে কাজ করছেন।

এবার একুশে পদক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ নারী দল বিশেষ আকর্ষণ সৃষ্টি করেছে। পদকপ্রাপ্ত কাজী শহিদুল আলম, ড নিয়াজ জামান তাদের অনুভূতি প্রকাশের সময়ও নারী ফুটবলের প্রশংসা করেছেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্ত সকলের অনুভূতি প্রকাশের সুযোগ সব সময় দেখা যায় না। সেই দিক থেকে এবারের অনুষ্ঠান একটু ব্যতিক্রমই ছিল। পদকপ্রাপ্ত সকলেই তাদের অনুভুতি প্রকাশ করেছেন। মরণোত্তর ও অনুপস্থিত ব্যক্তির পক্ষে তাদের নিকটজনরা অনুভুতি প্রকাশের সুযোগ পেয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা প্রতিটি পদক প্রদানের সময় চেয়ারের সামনে এসে হস্তান্তর করেছেন।