নিউইয়র্কের কোটে তোলা হলো মাদুরোকে
- Update Time : ১০:৫৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬
- / ৪৩ Time View
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে নিউইয়র্কের কোর্টে তোলা হয়েছে। সোমবার (০৫ জানুয়ারি) তাকে কারাগার থেকে কোর্টে আনা হয়।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে একটি ফেডারেল আদালত ভবনে পৌঁছেছেন। সেখানে আজ পরে তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর পূর্ণ তালিকা আদালতে পাঠ করা হবে।
এর আগে মার্কিন কর্তৃপক্ষ মাদুরোকে ব্রুকলিনের মেট্রোপলিটন ডিটেনশন সেন্টার থেকে বের করা হয়। এরপর তাকে ম্যানহাটনের ফেডারেল আদালতে স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়। তাকে আজ স্থানীয় সময় দুপুর ১২টার দিকে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক বিচারক অ্যালভিন কে. হেলারস্টাইনের সামনে হাজির করার কথা রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, মাদুরো হেলিকপ্টার থেকে নামার সময় তার সঙ্গে এক নারী ছিলেন, যিনি তার স্ত্রী বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ সময় তাদের দুজনকেই একাধিক ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিইএ)–এর এজেন্ট ঘিরে রাখেন। তাদের পরণে কারাবন্দিদের মতো পোশাক দেখা গেছে। এ সময় মাদুরোকে কিছুটা খুঁড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়।
বিবিসি জানিয়েছে, হাতকড়া পরা অবস্থায় সশস্ত্র নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের পাহারায় মাদুরোকে প্রথমে একটি হেলিকপ্টারে তোলা হয়। পরে তাকে আবার হেলিকপ্টার থেকে নামিয়ে একটি সাঁজোয়া যানবাহনে স্থানান্তর করা হয়।
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৮৯ সালের পানামা আগ্রাসনের পর এটি লাতিন আমেরিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সপ্তাহের শুরুতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে কারাকাসে অভিযান চালিয়ে মাদুরোকে আটক করা হয়।
মাদুরোর গ্রেফতারের পরও ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রক্ষমতা তার অনুগত কর্মকর্তাদের হাতে রয়েছে। ইতোমধ্যে ডেলসি রদ্রিগেজ অন্তর্বর্তীকালীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
প্রাথমিকভাবে মাদুরোর গ্রেফতারের নিন্দা জানিয়ে তিনি এটিকে ‘উপনিবেশিক তেল দখল’ ও ‘অপহরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তবে রোববার তার সুর পরিবর্তিত হয়েছে। ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন, এখন তার অগ্রাধিকার হলো ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্মানজনক ও সমন্বিত সম্পর্ক তৈরি করা।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা যদি তেল খাত উন্মুক্ত না করে এবং মাদক পাচার বন্ধে সহযোগিতা না করে, তবে তিনি আরও সামরিক হামলার নির্দেশ দিতে পারেন। একই সঙ্গে ট্রাম্প কলম্বিয়া ও মেক্সিকোর বিরুদ্ধেও পদক্ষেপের হুমকি দিয়েছেন এবং কিউবার কমিউনিস্ট সরকার ‘নিজ থেকেই পতনের পথে’ বলেও মন্তব্য করেছেন।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
জনপ্রিয়




















































































































































































