নতুন নিবন্ধন থেকে ছিটকে পড়ল বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদসহ ১০ দল

- Update Time : ০৪:৩২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ জুলাই ২০২৩
- / ১৩৬ Time View
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নিবন্ধন প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে পড়ল বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদসহ আরও ১০টি দল।নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় টিকে গেছে মাত্র দুটি দল ।
রাজনৈতিক দল দুটি হলো বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম) ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) নিবন্ধনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি।
রোববার(১৬ই জুলাই) ইসির কমিশন সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। কমিশন সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশন (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এর পরে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কমিশন সভা শেষে এ তথ্য জানান ইসি সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম।
ইসি সচিব বলেন, ‘যাচাই-বাছাই শেষে এ লক্ষ্যে দল দুটিকে নিয়ে আগামীকাল (সোমবার) পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে কারও কোনো আপত্তি থাকলে তা নিষ্পত্তি করে কমিশন পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে। আপত্তি নিষ্পত্তির পরে কমিশন সন্তুষ্ট হলে দল দুটিকে নিবন্ধন দেওয়া হবে।’
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ধাপে ধাপে যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। নিবন্ধন পাওয়ার জন্য একটি দলের মাঠপর্যায়ে অফিস, কমিটি , জনবল থাকতে হয় – সেগুলো সব যাচাই করেছি। পুনরায় যাচাই করে এ দুটি দলের আইন অনুযায়ী সবকিছু থাকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে। এরপরই চূড়ান্ত হবে যে, কারা কারা নিবন্ধন পাবে। বাকি ১০টি দল যে তথ্য দিয়েছে, মাঠপর্যায়ে যাচাই করে গরমিল পাওয়ায় তাদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে।
নিবন্ধন পাওয়ার সংক্ষিপ্ত তালিকায় ছিল ১২টি রাজনৈতিক দল ছিল। সেগুলো হলো- এবি পার্টি (আমার বাংলাদেশ পার্টি), বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন (বিএনএম), বাংলাদেশ হিউম্যানিস্ট পার্টি (বিএইচপি), বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ, নাগরিক ঐক্য, বাংলাদেশ সনাতন পার্টি (বিএসপি), বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএনএম), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি), বাংলাদেশ পিপলস পার্টি (বিপিপি), ডেমোক্রেটিক পার্টি ও বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (বিএলডি)।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, এসব রাজনৈতিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটি ও মাঠপর্যায়ের কার্যালয় সক্রিয় রয়েছে কি না, তা দুই দফা যাচাই করেছে নির্বাচন কমিশন। ওই দুই দফার প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে নতুন দল নিবন্ধন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় ইসি।
আইন অনুযায়ী নিবন্ধন পেতে ২১ জেলা ও ১০০ উপজেলা বা থানায় কার্যকরী কমিটি ও কার্যালয় এবং প্রতিটি উপজেলায় দলের অন্তত ২০০ ভোটার থাকার নিয়ম রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন দুই দফায় এসব দলের মাঠ কার্যালয় ও কমিটি যাচাই করেছে। ওই দুই ধাপে পাওয়া প্রতিবেদন রোববার কমিশন সভায় তোলা হয়েছে। এতে যারা শর্ত পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী তারা নিবন্ধন পাওয়ার জন্য বিবেচিত হয়েছে।