ঢাকা ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
পত্রিকা ছিনিয়ে হকারকে মারধর, সম্পাদককে দেখে নেয়ার হুমকি

দুর্নীতির খবর প্রকাশের পর সহকারী সচিব ও উপসচিবের মাস্তানি

নওরোজ রিপোর্ট
  • Update Time : ০৭:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫
  • / ১১৭৪ Time View

কামরুল হাসান (বামে), গোলজার (মাঝে), আশেকুর রহমান(ডানে)।

নওরোজে বিচার বিভাগে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ এবং জামাত-শিবিরের দোসর বিতর্কিত বিচারকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত ও মারমুখী হয়ে উঠেছেন বিচারক নামের এই মাস্তানরা।

খোদ আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তিনি কোন প্রতিবাদ করেননি। প্রতিবাদ করেননি আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন) গোলজার রহমান। বিচার শাখা -৪ ও ৫ এর সিনিয়র সহকারী সচিব যথাক্রমে আশিকুর রহমান ও কামরুল হাসানও প্রতিবাদ পাঠাননি এবং এই প্রতিবেদক তাদের কাছ থেকে বক্তব্য চেয়েও পাননি। তবে বক্তব্য ও প্রতিবাদ না দিলেও মনের জ্বালা ঠিকই মিটিয়েছেন ক্ষিপ্ত বিচারক নামধারী জামাত শিবির ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর বিচারকরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু পরিচয়ে জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ডেপুটি সেক্রেটারী (প্রশাসন) গোলজার রহমান এর নির্দেশে সংবাদপত্রের হকারকে আটক করে হুমকি-ধামকি ও মারধোর করা হয়।

সকালে নওরোজ পত্রিকা বিতরণের সময় সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ৭ তলায় গোলজার রহমান এর কক্ষে হকার শুভকে আটক করে নওরোজের সব কপি ছিনিয়ে নেয় এবং তার পকেটে থাকা মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় যাতে তিনি বাহিরের কারো সাথে যোগাযোগ করতে না পারেন।

বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ আইন সচিব এর আশকারা পেয়ে গোলজার রহমান এর নির্দেশে কুখ্যাত জয়নাল হাজারীর ভাগ্নে সিনিয়র সহকারী সচিব কামরুল হাসান ও জামাত শিবিরের পান্ডা ও ফ্যাসিস্ট এর সুবিধাভোগী সিনিয়র সহকারী সচিব আশিকুর রহমান এর নেতৃত্বে তিন-চারজন মিলে ঝাপিয়ে পড়ে হকার শুভ এর উপর। এরপর কিল-ঘুষি দিয়ে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে। দীর্ঘক্ষণ আটক রেখে পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ছেড়ে দেওয়ার সময় তাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তোর সম্পাদককে দেখে নিবো, সচিব স্যার ও গোলজার স্যারের বিরুদ্ধে নিউজ করে, তোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তোর সম্পাদককে দেখে নিবো।”

বিচার বিভাগ চালায় কারা? শিবির-স্বৈরাচারের মিশেল বাণিজ্যে মুক্তি পাচ্ছে বন্দিরা

Please Share This Post in Your Social Media

পত্রিকা ছিনিয়ে হকারকে মারধর, সম্পাদককে দেখে নেয়ার হুমকি

দুর্নীতির খবর প্রকাশের পর সহকারী সচিব ও উপসচিবের মাস্তানি

নওরোজ রিপোর্ট
Update Time : ০৭:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ নভেম্বর ২০২৫

নওরোজে বিচার বিভাগে ঘাপটি মেরে বসে থাকা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ এবং জামাত-শিবিরের দোসর বিতর্কিত বিচারকদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর ক্ষিপ্ত ও মারমুখী হয়ে উঠেছেন বিচারক নামের এই মাস্তানরা।

খোদ আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লার বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তিনি কোন প্রতিবাদ করেননি। প্রতিবাদ করেননি আইন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রশাসন) গোলজার রহমান। বিচার শাখা -৪ ও ৫ এর সিনিয়র সহকারী সচিব যথাক্রমে আশিকুর রহমান ও কামরুল হাসানও প্রতিবাদ পাঠাননি এবং এই প্রতিবেদক তাদের কাছ থেকে বক্তব্য চেয়েও পাননি। তবে বক্তব্য ও প্রতিবাদ না দিলেও মনের জ্বালা ঠিকই মিটিয়েছেন ক্ষিপ্ত বিচারক নামধারী জামাত শিবির ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার দোসর বিচারকরা।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু পরিচয়ে জামাতের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারী ডেপুটি সেক্রেটারী (প্রশাসন) গোলজার রহমান এর নির্দেশে সংবাদপত্রের হকারকে আটক করে হুমকি-ধামকি ও মারধোর করা হয়।

সকালে নওরোজ পত্রিকা বিতরণের সময় সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ের ৭ তলায় গোলজার রহমান এর কক্ষে হকার শুভকে আটক করে নওরোজের সব কপি ছিনিয়ে নেয় এবং তার পকেটে থাকা মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয় যাতে তিনি বাহিরের কারো সাথে যোগাযোগ করতে না পারেন।

বিতর্কিত ও দুর্নীতিবাজ আইন সচিব এর আশকারা পেয়ে গোলজার রহমান এর নির্দেশে কুখ্যাত জয়নাল হাজারীর ভাগ্নে সিনিয়র সহকারী সচিব কামরুল হাসান ও জামাত শিবিরের পান্ডা ও ফ্যাসিস্ট এর সুবিধাভোগী সিনিয়র সহকারী সচিব আশিকুর রহমান এর নেতৃত্বে তিন-চারজন মিলে ঝাপিয়ে পড়ে হকার শুভ এর উপর। এরপর কিল-ঘুষি দিয়ে একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে। দীর্ঘক্ষণ আটক রেখে পরে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

ছেড়ে দেওয়ার সময় তাকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “তোর সম্পাদককে দেখে নিবো, সচিব স্যার ও গোলজার স্যারের বিরুদ্ধে নিউজ করে, তোর সম্পাদকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে, তোর সম্পাদককে দেখে নিবো।”

বিচার বিভাগ চালায় কারা? শিবির-স্বৈরাচারের মিশেল বাণিজ্যে মুক্তি পাচ্ছে বন্দিরা