ঢাকা ১১:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২০ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ
কালীগঞ্জে ঈদ পূর্নমিলনী ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পঞ্চগড়ে ঈদ যাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে ব্যাপক কাযক্রম গ্রহণ রংপুরে তিস্তা নদীতে সাঁতার কাটতে গিয়ে নিখোঁজ কিশোরের মরদেহ উদ্ধার যৌথবাহিনীর হাতে রসিক কাউন্সিলর গ্রেফতার লোহাগাড়া সড়ক দূর্ঘটনা ট্রাজেডি: মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হল আরও ৩জন লোহাগাড়ায় থামছেইনা মহাসড়কের মৃত্যুর মিছিল, দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৫ আহত ৯ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রংপুরে ১২০ পরিবারে ঈদ পালন লঞ্চ থেকে আবর্জনা নদীতে ফেললে নেয়া হবে ব্যবস্থা রংপুরে প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় বরগুনায় বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে তিন ভাই নিহত

ঢামেক হাসপাতাল থেকে ফের ‘ভুয়া নারী চিকিৎসক’ আটক

নওরোজ ডেস্ক
  • Update Time : ০৬:১৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪
  • / ৭০ Time View

আবারো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এক ভুয়া নারী চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম পাপিয়া আক্তার স্বর্ণা (২২)।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে হাসপাতালের নাক, কান, গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাকে আটক করে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের পরিচালকের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শাহবাগ থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, আজ সকালের দিকে আমাদের টহল টিমের আনসার সদস্যরা প্রতিদিনের মতো নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় পুরাতন ভবনের তৃতীয় তলায় একজন মেডিকেল শিক্ষার্থী জানায়, তার নামের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বহিরাগত আরেক নারী চিকিৎসকের এপ্রোন পরে ঘোরাফেরা করছে। বিষয়টি সন্দেহ হলে আনসার সদস্যরা ওই ওয়ার্ডে কর্মরত চিকিৎসকদের ডেকে অভিযুক্ত ওই নারীকে দেখান। কিন্তু ঢাকা মেডিকেলের কোনো চিকিৎসক তাকে চেনেন না বলে জানান তারা।

পরে ওই অভিযুক্ত নারীকে প্রশাসনিক ভবনে হাসপাতালের পরিচালক এবং উপপরিচালকের কাছে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের পরিচালক ও উপপরিচালকের পরামর্শ মতে অভিযুক্ত ওই ভুয়া নারী চিকিৎসককে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুকের কাছে সোপর্দ করা হয় বলে জানান মিজানুর রহমান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক বলেন, আমরা জানতে পেরেছি গত ১১ নভেম্বর নাক, কান, গলা, বিভাগে নুর আলম নামের এক রোগী ভর্তি হয়। তার কাছে থেকে এই ভুয়া চিকিৎসক কৌশলে ২৮ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। পরে আমরা তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করি।

ফারুক আরও বলেন, ওই ভুয়া নারী চিকিৎসক নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার ওয়াদিয়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। বর্তমানে ঢাকার বকশিবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

এদিকে স্ত্রী আটক হওয়ার খবর শুনে হাসপাতলে উপস্থিত হন পাপিয়ার স্বামী জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী কেন এই কাজ করেছে আমি কিছুই জানি না। আমি এতোদিন পর্যন্ত জানতাম সে মেডিকেল স্টুডেন্ট। আমার কাছেও পরিচয় লুকিয়েছে সে।

পাপিয়া নিজের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার নলুয়া গ্রামে। বাবার নাম আনোয়ার হোসেন বাদল। মনোহরদীর একটি কলেজ থেকে সে ইন্টারমিটের পাশ করেছে। এক বছর আগে জসিম উদ্দিন নামে এক যুবককে বিয়ে করে। তাকে নিয়ে বকশিবাজারে এলাকায় থাকে। স্বামী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। পাপিয়া ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করে।

নওরোজ/এসএইচ

Please Share This Post in Your Social Media

ঢামেক হাসপাতাল থেকে ফের ‘ভুয়া নারী চিকিৎসক’ আটক

নওরোজ ডেস্ক
Update Time : ০৬:১৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৪

আবারো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে এক ভুয়া নারী চিকিৎসককে আটক করেছে পুলিশ। তার নাম পাপিয়া আক্তার স্বর্ণা (২২)।

রোববার (১৭ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ১টার দিকে হাসপাতালের নাক, কান, গলা বিভাগের ৩০৩ নম্বর ওয়ার্ড থেকে তাকে আটক করে হাসপাতালের প্রশাসনিক ব্লকের পরিচালকের রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে শাহবাগ থানায় তাকে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, আজ সকালের দিকে আমাদের টহল টিমের আনসার সদস্যরা প্রতিদিনের মতো নিয়মিত টহল দেওয়ার সময় পুরাতন ভবনের তৃতীয় তলায় একজন মেডিকেল শিক্ষার্থী জানায়, তার নামের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ বহিরাগত আরেক নারী চিকিৎসকের এপ্রোন পরে ঘোরাফেরা করছে। বিষয়টি সন্দেহ হলে আনসার সদস্যরা ওই ওয়ার্ডে কর্মরত চিকিৎসকদের ডেকে অভিযুক্ত ওই নারীকে দেখান। কিন্তু ঢাকা মেডিকেলের কোনো চিকিৎসক তাকে চেনেন না বলে জানান তারা।

পরে ওই অভিযুক্ত নারীকে প্রশাসনিক ভবনে হাসপাতালের পরিচালক এবং উপপরিচালকের কাছে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের পরিচালক ও উপপরিচালকের পরামর্শ মতে অভিযুক্ত ওই ভুয়া নারী চিকিৎসককে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুকের কাছে সোপর্দ করা হয় বলে জানান মিজানুর রহমান।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক ফারুক বলেন, আমরা জানতে পেরেছি গত ১১ নভেম্বর নাক, কান, গলা, বিভাগে নুর আলম নামের এক রোগী ভর্তি হয়। তার কাছে থেকে এই ভুয়া চিকিৎসক কৌশলে ২৮ হাজার টাকা নিয়ে নেয়। পরে আমরা তাকে শাহবাগ থানায় হস্তান্তর করি।

ফারুক আরও বলেন, ওই ভুয়া নারী চিকিৎসক নরসিংদী জেলার মনোহরদী থানার ওয়াদিয়া গ্রামের মো. আনোয়ার হোসেনের মেয়ে। বর্তমানে ঢাকার বকশিবাজার এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকেন।

এদিকে স্ত্রী আটক হওয়ার খবর শুনে হাসপাতলে উপস্থিত হন পাপিয়ার স্বামী জসীম উদ্দীন। তিনি বলেন, আমার স্ত্রী কেন এই কাজ করেছে আমি কিছুই জানি না। আমি এতোদিন পর্যন্ত জানতাম সে মেডিকেল স্টুডেন্ট। আমার কাছেও পরিচয় লুকিয়েছে সে।

পাপিয়া নিজের বাড়ি নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার নলুয়া গ্রামে। বাবার নাম আনোয়ার হোসেন বাদল। মনোহরদীর একটি কলেজ থেকে সে ইন্টারমিটের পাশ করেছে। এক বছর আগে জসিম উদ্দিন নামে এক যুবককে বিয়ে করে। তাকে নিয়ে বকশিবাজারে এলাকায় থাকে। স্বামী একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে। পাপিয়া ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে দাবি করে।

নওরোজ/এসএইচ