রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নজর দিবেন কি?
টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে ছাউনি না থাকায় যাত্রীদের দুর্ভোগ চরমে

- Update Time : ০৮:২৩:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ মে ২০২৪
- / ২৭৩ Time View

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: photo; hw-remosaic: false; touch: (0.4722222, 0.546875); sceneMode: 2; cct_value: 0; AI_Scene: (11, 2); aec_lux: 110.79262; aec_lux_index: 0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: -1; weatherinfo: null; temperature: 43;
টঙ্গী রেলওয়ে জংশন ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথের জনগুরুত্বপূর্ণ স্টেশন। এ স্টেশন দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী ট্রেনে যাতায়াত করেন। কিন্তু টঙ্গী রেলওয়ে জংশনে ছাউনি না থাকায় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। যাত্রীদের এ দুর্ভোগ লাঘবে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নজর দিবেন কি? তাই এই দূর্ভোগ লাঘবে বর্ষার আগেই ছাউনি নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেন যাত্রীরা।
টঙ্গী জংশন সৌন্দর্য্য বর্ধনের কাজ দীর্ঘদিনে শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। আগে এই রেল স্টেশনটিতে দুইটি প্ল্যাটফর্মে যাত্রী ছাউনি ছিল। কিন্তু খুলে ফেলা যাত্রী ছাউনির কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সমাপ্ত না হওয়ায় যেন ভোগান্তির শেষ নেই। রোদে পুড়ে ও বৃষ্টিতে ভিজে নাজেহাল অবস্থা এখন যাত্রীদের নিত্যদিনের সঙ্গী।
রেলওয়ে বিভাগ থেকে নতুন করে এ জংশনে সংস্কার ও নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান আগের পুরনো শেড খুলে ফেলে। বর্তমানে স্টেশন এলাকায় ছাউনি বলতে কিছুই নেই। আছে শুধু নির্মাণাধীন কিছু লোহার খুঁটি। এতে তীব্র তাপদাহ ও মৌসুমি বৃষ্টিতে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা। ট্রেনের অপেক্ষায় নিরাপদে দাঁড়ানোর কোনো জায়গা না থাকায় বৃষ্টি হলে অবধারিতভাবে ভিজতে হচ্ছে যাত্রীদের।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, এই জংশনের অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ চলমান রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। সেই সাথে চলছে নতুন রেললাইন স্থাপনের কাজও। একটি বিদেশি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ পরিচালনা করছে রেলওয়ে বিভাগ। অবকাঠামো উন্নয়নের কাজ করতে গিয়ে পুরোনো স্থাপনা ও যাত্রীছাউনি খুলে ফেলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান। এরপর নতুন যাত্রী ছাউনির নির্মাণ কাজ শুরু হলেও মাঝপথে এসে তা হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যায়। জংশনের দুটি প্লাটফর্মে শেড ণির্মানের লক্ষ্যে লোহার খুঁটির উপর বসানো হয়েছে অ্যালুমিনিয়াম পাত। এর উপর বসানোর কথা টিনের শেড। কিন্তু সেই কাজ আজো পর্যন্ত শেষ হয়নি বরং পুনরায় সেই অ্যালুমিনিয়াম পাত খুলে ফেলা হচ্ছে। তবে কেন বা কি কারণে এই কাজ বন্ধ তার কোন সদুত্তর নেই জংশন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার। এই দীর্ঘসুত্রতায় ভোগান্তিতে পড়েছেন জংশন ব্যবহারকারী সাধারণ যাত্রীরা। কখনো প্রখর রোদে পুড়ে আবার কখনো মৌসুমি বৃষ্টিতে ভিজে ট্রেনের অপেক্ষা বা ট্রেন ভ্রমণ করছেন তারা।
ঢাকাগামী ট্রেনযাত্রী মনসুর আহম্মেদ বলেন, প্রচন্ড রোদ বা মুসলধারে বৃষ্টি হলে প্লাটফর্মে দাঁড়ানোর কোন উপায় থাকে না। অনেক সময় বৃষ্টিতে ভিজা শরীরে অফিস করতে হয়। সামনে বর্ষাকাল আসছে। সেই সময় যাত্রীদের ভোগান্তির সীমা থাকবে না।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক প্লাটফর্মের এক দোকানী বলেন, অনেকদিন যাবত এখানে দোকান চালাচ্ছি। যাত্রী ছাউনি না থাকায় যাত্রীরা প্লাটফর্মে দাড়াতে পারে না তাই আমাদের বিক্রিও কমে গেছে।
জয়দেবপুরগামী ট্রেন যাত্রী মোঃ জাহাঙ্গীর বলেন, বৃষ্টির কারণে প্লাটফমে দাঁড়াতে না পেরে স্টেশনের বাইরে দোকানে অপেক্ষা করছিলাম, ট্রেন আসলেও উঠতে পারিনি। বাধ্য হয়ে বিকল্প পরিবহনে গন্তব্যে গিয়েছি।
এ বিষয়ে টঙ্গী রেলওয়ে জংশনের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতে চাইলেও তারা কেউ গণমাধ্যমের সাথে কথা বলতে রাজী হননি। একপর্যায়ে প্রকল্প অফিসে যোগাযোগ করতে বলেন স্টেশন মাষ্টার।