জকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের প্যানেল ঘোষণা
- Update Time : ০৪:০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর ২০২৫
- / ৯৪ Time View
ভিপি পদে ছাত্রশিবির জবি শাখার সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম এবং জিএস পদে সংগঠনের সেক্রেটারি আবদুল আলিম আরিফকে প্রার্থী করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) নির্বাচনে প্যানেল ঘোষণা করেছে ছাত্রশিবির। এই প্যানেলে এজিএস পদে প্রার্থী হিসেবে আছেন আপ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় সংগঠক মাসুদ রানা।
মঙ্গলবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে রফিক ভবনের নিচতলায় ভিপি, জিএস, এজিএস পদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম।
এরপর সম্পাদকীয় অন্যান্য পদসহ নির্বাহী সদস্য পদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন জবি শিবিরের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম।
ভিপি পদপ্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম আইন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। জিএস পদপ্রার্থী আবদুল আলি আরিফ আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। এছাড়া এজিএস পদের মাসুদ রানা পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।
তাদের নেতৃত্বেই ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলে লড়বে ছাত্রশিবির।
এই প্যানেলের অন্য প্রার্থীরা হলেন-
মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক: নূর নবী
শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক: ইব্রাহীম খলিল
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক: সুখীমন
স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পাদক: নূর মোহাম্মদ
আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক: হাবিব মোহাম্মদ ফারুক
আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক: নওশীন নাওয়ার জয়া
সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক: নাহিদ হাসান রাসেল
ক্রীড়া সম্পাদক: জারজিস আনোয়ার নাঈম
পরিবহন সম্পাদক: তাওহীদুল ইসলাম
সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক: মোস্তাফিজুর রহমান
পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক: সোহাগ আহম্মেদ
নির্বাহী পদের সাত প্রার্থী হলেন- শান্তা আক্তার, সালেম হোসেন সিয়াম, ফাতেমা আক্তার, আকিব হাসান, কাজী আরিফ, মো. মেহেদী হাসান ও আবদুল্লাহ আল ফারুখ।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচনে প্রার্থীরা ২৩টি পদের মধ্যে সভাপতি ও কোষাধ্যক্ষ পদে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম এবং ট্রেজারার অধ্যাপক সাবিনা শরমীন। ওই দুটি পদ ছাড়া প্রার্থীরা বাকি ২১ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
গত ৫ নভেম্বর এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিল অনুযায়ী, ১৭ ও ১৮ নভেম্বর মনোনয়ন দাখিল এবং ১৯ ও ২০ নভেম্বর বাছাই হবে। ২৩ নভেম্বর প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, ২৪ থেকে ২৬ নভেম্বর প্রর্থীদের আপত্তি গ্রহণ ও নিষ্পত্তি হবে।
প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট করা হবে ২৭ ও ৩০ নভেম্বর। এরপর প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে ৩ ডিসেম্বর।
তারপর প্রার্থীরা মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন ৪, ৭ ও ৮ ডিসেম্বর। যারা মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন, তাদের তালিকা ৯ ডিসেম্বর প্রকাশ করা হবে। সেদিন থেকেই যোগ্য প্রার্থীরা নির্বাচনি প্রচারণা চালাতে পারবেন।
১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রচার শেষে ভোটগ্রহণ হবে ২২ ডিসেম্বর। ভোট শেষে সেদিনই ফলাফল ঘোষণা করার কথা রয়েছে।
Please Share This Post in Your Social Media
-
সর্বশেষ
-
জনপ্রিয়












































































































































































