ঢাকা ১২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ মার্চ ২০২৫, ১৭ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কুহেলিকা উৎসব–১৪৩১: ইবিতে বাঙালি সংস্কৃতির রঙিন প্রদর্শনী

মো. হাছান, ইবি প্রতিনিধি
  • Update Time : ১০:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ৬২ Time View

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শীতের আবহাওয়ায় বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ জীবনধারার এক অনন্য প্রদর্শনী হিসেবে ‘কুহেলিকা উৎসব–১৪৩১’ তিন দিন ব্যাপি আয়োজিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য’-এর উদ্যোগে গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এই উৎসবটি আজ রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আয়োজিত এই উৎসবে মোট ৪৫টি বৈচিত্র্যময় স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়। প্রতিটি স্টল ছিল বাঙালি ঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতীক—যেখানে প্রাচীন শিল্পকর্ম, স্থানীয় খাবার, পারিবারিক কাপড়চোপড় এবং লোকজ সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। এই আয়োজনে শুধু শিক্ষার্থী নয়, বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে কোমলমতি শিশু সবাই উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করেছেন।

উৎসবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা, স্থানীয় কারুশিল্পের পণ্য, লোকসংগীত এবং ফটোবন্দির মতো বিভিন্ন আকর্ষণ ছিল। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার পরিচয় দেওয়ার একটি আদর্শ মঞ্চ হিসেবে এই উৎসবের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সংগীত কুমার জানান, “প্রতি বছরের মতো এবারও কুহেলিকা উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতির হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। এটি শুধু উৎসব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রেরণার উৎস।”

‘অভয়ারণ্য’-এর সভাপতি নাঈমুল ফারাবি বলেন, “এই উৎসব শুধু বিনোদনের জন্য নয়; বরং নবীন শিল্পী ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি মঞ্চ যেখানে তাঁরা নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা তুলে ধরতে পারেন। এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রকাশের এক অনন্য সুযোগ।”

Please Share This Post in Your Social Media

কুহেলিকা উৎসব–১৪৩১: ইবিতে বাঙালি সংস্কৃতির রঙিন প্রদর্শনী

মো. হাছান, ইবি প্রতিনিধি
Update Time : ১০:৩৫:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) শীতের আবহাওয়ায় বাঙালি সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও লোকজ জীবনধারার এক অনন্য প্রদর্শনী হিসেবে ‘কুহেলিকা উৎসব–১৪৩১’ তিন দিন ব্যাপি আয়োজিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠন ‘অভয়ারণ্য’-এর উদ্যোগে গত শুক্রবার (৭ ফেব্রুয়ারি) শুরু হওয়া এই উৎসবটি আজ রবিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় আয়োজিত এই উৎসবে মোট ৪৫টি বৈচিত্র্যময় স্টলে শিক্ষার্থীরা তাদের সৃজনশীলতার পরিচয় দেয়। প্রতিটি স্টল ছিল বাঙালি ঐতিহ্যের এক জীবন্ত প্রতীক—যেখানে প্রাচীন শিল্পকর্ম, স্থানীয় খাবার, পারিবারিক কাপড়চোপড় এবং লোকজ সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। এই আয়োজনে শুধু শিক্ষার্থী নয়, বয়োজ্যেষ্ঠ থেকে কোমলমতি শিশু সবাই উৎসবের আনন্দে অংশগ্রহণ করেছেন।

উৎসবে বাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠা, স্থানীয় কারুশিল্পের পণ্য, লোকসংগীত এবং ফটোবন্দির মতো বিভিন্ন আকর্ষণ ছিল। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল প্রতিভার পরিচয় দেওয়ার একটি আদর্শ মঞ্চ হিসেবে এই উৎসবের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী সংগীত কুমার জানান, “প্রতি বছরের মতো এবারও কুহেলিকা উৎসব আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বাঙালি সংস্কৃতির হারিয়ে যাওয়া ঐতিহ্য পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে। এটি শুধু উৎসব নয়, বরং শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্রেরণার উৎস।”

‘অভয়ারণ্য’-এর সভাপতি নাঈমুল ফারাবি বলেন, “এই উৎসব শুধু বিনোদনের জন্য নয়; বরং নবীন শিল্পী ও উদ্যোক্তাদের জন্য একটি মঞ্চ যেখানে তাঁরা নিজেদের প্রতিভা ও দক্ষতা তুলে ধরতে পারেন। এটি শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রকাশের এক অনন্য সুযোগ।”