ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ২১ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজঃ

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)’র ২৬১ মিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ

বিশেষ প্রতিবেদক
  • Update Time : ১১:৫২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩
  • / ২৪২ Time View

রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ২৬১ মিলিয়ন (২৬ কোটি ১০ লাখ) ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের চার লেন  রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্প।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবি এ তথ্য জানিয়েছে।

পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রকল্পের নির্মিতব্য এই চার লেনের এক্সপ্রেসওয়েটি সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি যানজট নিরসন করবে এবং রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ স্থাপন করবে। এডিবি বাংলাদেশ সরকারের এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের লেনদেন উপদেষ্টা। এডিবি প্রকল্পের বেসরকারি খাতের মূলধন সংগ্রহ করেছে।

সংগৃহিত ২৬১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, ব্যাংক অব চায়না, ডিবিএস ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৩ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে এডিবি। বাকি বাকি ৬৮ মিলিয়ন ডলার ইক্যুইটি কন্ট্রিবিউশন হিসেবে স্পন্সর থেকে সংগ্রহ করা।

এডিবি প্রকল্পের কাঠামো, আলোচনা, দরপত্রে সহায়তা করেছে এবং বাণিজ্যিক ও আর্থিক সুবিধা প্রদানে সহায়তা করেছে।এডিবি’র মার্কেটস ডেভেলপমেন্ট এবং পিপিপি অফিসের প্রধান ক্লিও কাওয়াওয়াকি বলেন, আমরা এই এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের অংশীদারদের প্রস্তুত, বাজারজাতকরণ এবং আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করেছি।

তিনি বলেন, এটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিলেট এবং বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করবে এবং যাত্রীদের দ্রুত তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সুবিধা প্রদান করবে।

এডিবি বর্তমানে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছে, যা ১০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাথে সংযোগ উন্নত করবে।

উল্লেখ্য, রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে ২৫ বছরের মধ্যে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে।

Please Share This Post in Your Social Media

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)’র ২৬১ মিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহ

বিশেষ প্রতিবেদক
Update Time : ১১:৫২:৫০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩

রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের জন্য এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ২৬১ মিলিয়ন (২৬ কোটি ১০ লাখ) ডলার তহবিল সংগ্রহ করেছে। বাংলাদেশ সরকারের চার লেন  রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পটি পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) প্রকল্প।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এডিবি এ তথ্য জানিয়েছে।

পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রকল্পের নির্মিতব্য এই চার লেনের এক্সপ্রেসওয়েটি সাড়ে ১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ। এটি যানজট নিরসন করবে এবং রাজধানী ঢাকা ও অন্যান্য বড় শহরের মধ্যে উন্নত যোগাযোগ স্থাপন করবে। এডিবি বাংলাদেশ সরকারের এই এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের লেনদেন উপদেষ্টা। এডিবি প্রকল্পের বেসরকারি খাতের মূলধন সংগ্রহ করেছে।

সংগৃহিত ২৬১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক, ব্যাংক অব চায়না, ডিবিএস ব্যাংক লিমিটেড এবং বাংলাদেশে অবস্থিত ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড নামের একটি নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৩ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করেছে এডিবি। বাকি বাকি ৬৮ মিলিয়ন ডলার ইক্যুইটি কন্ট্রিবিউশন হিসেবে স্পন্সর থেকে সংগ্রহ করা।

এডিবি প্রকল্পের কাঠামো, আলোচনা, দরপত্রে সহায়তা করেছে এবং বাণিজ্যিক ও আর্থিক সুবিধা প্রদানে সহায়তা করেছে।এডিবি’র মার্কেটস ডেভেলপমেন্ট এবং পিপিপি অফিসের প্রধান ক্লিও কাওয়াওয়াকি বলেন, আমরা এই এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেসরকারি খাতের অংশীদারদের প্রস্তুত, বাজারজাতকরণ এবং আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশ সরকারি কর্তৃপক্ষের সাথে কাজ করেছি।

তিনি বলেন, এটি ঢাকা ও চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর সিলেট এবং বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব জেলাগুলোর মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করবে এবং যাত্রীদের দ্রুত তাদের গন্তব্যে পৌঁছানোর সুবিধা প্রদান করবে।

এডিবি বর্তমানে জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্পের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দিচ্ছে, যা ১০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সাথে সংযোগ উন্নত করবে।

উল্লেখ্য, রামপুরা-আমুলিয়া-ডেমরা এক্সপ্রেসওয়ের নকশা, নির্মাণ, অর্থায়ন, পরিচালন এবং রক্ষণাবেক্ষণ করা হবে ২৫ বছরের মধ্যে চায়না কমিউনিকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড এবং চায়না রোড অ্যান্ড ব্রিজ কর্পোরেশনের যৌথ উদ্যোগে।